@nehakumar032: I luv this song ❤️ just feel it this song #tagyourlove #nehakumar #neharabi#💞 #loveforever#💚

@Mrs.Neha❤️Nahak @
@Mrs.Neha❤️Nahak @
Open In TikTok:
Region: IN
Friday 19 June 2020 17:49:34 GMT
127
34
1
0

Music

Download

Comments

nareshnaik1030
Naresh Naik :
nice song🎶🎶👌
2020-06-20 11:28:56
0
To see more videos from user @nehakumar032, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#part_354 #villain_can_be_lover  #methuburi_মিথুবুড়ি  সে শুনতে পেল এলিজাবেথের কণ্ঠ ভারী হয়ে উঠছে। তবুও উচ্চারণে স্পষ্ট এক কঠোরতা,
#part_354 #villain_can_be_lover #methuburi_মিথুবুড়ি সে শুনতে পেল এলিজাবেথের কণ্ঠ ভারী হয়ে উঠছে। তবুও উচ্চারণে স্পষ্ট এক কঠোরতা, "শর্তের কথা ভুলে যাবেন না।" 'রিচার্ড নিস্তরঙ্গ স্বরে অথচ ভিতরে চাপা এক আগুন নিয়ে বলল, "তিন মাসের দীর্ঘ অপেক্ষা, প্রতিটি ছলচাতুরী ভেদ করে তোমাকে কাছে টানলাম। পরপুরুষের স্পর্শ থেকে সরিয়ে আনলাম, অবশেষে দ্বিতীয়বার বিয়ে করে ঘরে তুললাম। তারপরও শর্ত? ছোঁয়া যাবে না? ফাক রেড। আমি শুধু ছুঁবো না, তোমার গভীরে প্রবেশ করব। ঠিক যেমন তোমার হৃদয়ে প্রবেশ করেছিলাম।" 'এলিজাবেথের ঠোঁট নড়ে, কিন্তু শব্দ বের হতে পারে না। গলায় জমাট বেঁধে থাকা আবেগ তাকে অবশ করে ফেলছে। তার গড়ন ক্ষীণ কাঁপনে কেঁপে ওঠেছে বার বার। যেন রিচার্ডের প্রতিটি বাক্যে শরীরও সাড়া দিচ্ছে। রিচার্ড আরেকটু ঝুঁকে এল! তার উষ্ণ ভারি নিঃশ্বাস এলিজাবেথের ত্বকে ছাপ ফেলে গেল। রক্তিম হয়ে ওঠা কানের লতিতে সে মৃদু কামড় বসিয়ে হাস্কি টোনে বলল, "সময় দিচ্ছি, ছেড়ে দিচ্ছি না। আমাকে এত সহজ ভেবে ভুল করবেন না ম্যাডাম।" 'রিচার্ড নিজে থেকেই সরে এল। এলিজাবেথ হাফ ছেড়ে বাঁচল। এতোক্ষণ ঘন নিঃশ্বাসের মধ্যে চারপাশে অদ্ভুত এক মৌনতা বিরাজ করছিল যেন সময়টুকুও স্থির হয়ে গিয়েছিল তাদের একান্ত মুহুর্তের সঙ্গী হিসেবে। রিচার্ড এক হাতে শব্দ করে তালি বাজাতেই কক্ষে প্রবেশ করল সবিতা বেগম। হাতে একগাদা লাল শাড়ি, একাধিক নকশা ও ডিজাইনে সাজানো। বেশিরভাগই ছিল লাল শাড়ি, যার সোনালী পাড়গুলো সূর্যের আলোয় ঝলমল করছিল। শাড়ির মধ্যে সবিতা বেগমের মুখ দেখায় যাচ্ছিল না। তিনি এখনও রিচার্ডের কাজের লোক হিসেবে রয়ে গেছেন। তিনিও নত হয়নি, রিচার্ডও মুক্ত করে দেয়নি৷ এলিজাবেথের উপর করা প্রতিটি অত্যাচারের প্রতিশোধ নিচ্ছে একটু একটু করে। এলিজাবেথ তাকিয়ে রইল কিছুক্ষণ। সবিতা বেগমের মুখের আগের সেই জৌলুস আর নেই। শরীরের জৌলুস শুকিয়ে গেছে, গায়ের উজ্জ্বলতাও চাপা পড়ে গেছে। নিঃশব্দে শাড়িগুলো বিছানায় রেখে সবিতা বেগম চলে গেলেন, তাকায়নি অব্ধি এলিজাবেথের দিকে৷ 'সবিতা বেগম বেরিয়ে যেতেই রিচার্ড গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিল। দরজার কাছে দাঁড়িয়ে সে পেছনে ফিরে তাকাল। তার চোখে ছিল এক গভীর নেশা। যা এলিজাবেথের অভ্যন্তরীণ সত্তাকে শিহরণিত করে দেয়। চোখাচোখি হতেই তড়িঘড়ি চোখ নামিয়ে নিল এলিজাবেথ। রিচার্ড এগিয়ে এসে সোনালী পাড়ের একটি শাড়ি হাতে তুলে নিল। এক টানে এলিজাবেথকেও তুলে নিল। তার হাত এলিজাবেথের কুঁচির ভাঁজে পৌঁছাতেই এলিজাবেথ অনুভব করল তার শরীরের ওপর আরও এক চাপ। খামচে ধরল রিচার্ডের হাত৷ "কি করছেন?" 'রিচার্ড তার চোখের মণিতে একধরনের বিভ্রম নিয়ে বলল, "আমার কর্তিকে তৈরি করে দিচ্ছি।" 'এই বলে একটানে কুঁচি খুলে ফেলল। বাঁধা দিতে চাইলেও এলিজাবেথ আর কিছু বলল না। কারণ শাড়ি পরা তার পক্ষেও সহজ ছিল না। রিচার্ড কালকের মতো দক্ষ হাতে ওকে শাড়ি পরাতে শুরু করল। এলিজাবেথ শুধু অবাক হয়ে লোকটির প্রতি নজর রাখছিল। কীভাবে মনোযোগ সহকারে কাজটি করছে লোকটা৷ "উমহু! এভাবে তাকিয়ে মনোযোগ কেড়ে নিও না। আমি কন্ট্রোল হারালে কিন্তু সর্বনাশ হয়ে যাবে।" 'এলিজাবেথ বিস্ময়ে হতভম্ব। দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে বলল, "আপনি শাড়ি পরানো শিখলেন কিভাবে?" রিচার্ড তার কুঁচি ঠিক করতে করতে বলল,"শখ থেকে।" 'হ্যাঁ লোকটা শখ করেই শিখেছিল। শিখেছিল যাতে প্রতিদিন তার বউকে নিজের হাতে শাড়ি পরিয়ে দিতে পারে। "কিন্তু এখানে সব শাড়ি কেন? আর লাল ই কেন?" রিচার্ড কুঁচি গুঁজে দিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে এলিজাবেথের কপালে একটি মৃদু চুম্বন দিয়ে বলল," আমাদের বেড়ে ওঠা রাশিয়া, ইতালিতে হলেও প্রকৃতপক্ষে আমরা বাঙালি। আর আমি চাই আমার বউ সবসময় বাঙালি সাজেই থাকুক। বাঙালি বউদের ক্ষেত্রে লাল শাড়ির আধিক্য কিছুই নয়। এই লাল টুকটুকে সাজে আমি প্রতিদিন দেখতে চাই আমার এলি জানকে।" বলেই রিচার্ড ওকে কাঁধে তুলে নিল। পাড়ি জমালেন এক ভয়ংকর গন্তব্যের দিকে যেখানে অপেক্ষা করছিল এক নতুন অধ্যায়। --- রিচার্ড সোজা লনে গিয়েই এলিজাবেথকে কাঁধ থেকে নামাল। তার চোখে তখনো রাতের উন্মত্ততা, শরীরে আগ্রাসনের ছাপ। রিচার্ডকে হিংস্র প্রাণীর মতো এগিয়ে আসতে দেখামাত্র গার্ডরা উল্টো দিক ঘুরিয়ে টানটান হয়ে দাঁড়ায়, যেন কিছুই দেখছে না। এলিজাবেথ সামনের দিকে তাকালে, মুহূর্তেই শিউরে উঠে। কয়েক জনকে হাঁটু গেড়ে বসিয়ে রাখা হয়েছে, পিঠমোড়া ভান দিয়ে। সকলের শরীর ক্ষ'ত-বি'ক্ষত। ছিন্ন মাং-সের ফাঁক দিয়ে গাঢ় লাল র-ক্ত ধীরে ধীরে গড়িয়ে পড়ছে মাটিতে। মুখের ভেতর পর্যন্ত থেঁতলে গেছে। বোঝাই যায় পাশবিক নির্যাতনের মাত্রা কতটা ভয়াবহ ছিল। এলিজাবেথের চোখ জ্বলজ্বল করে উঠল। তাহলে কি রিচার্ডই এই ধ্বংসযজ্ঞের কারণ? কাল রাতে এই শরীরগুলোই কি তার উন্মত্ততার শিকার হয়েছিল? ওর শিরদাঁড়া বেয়ে ঠান্ডা স্রোত নেমে এলো। ভয়কাতুরে চোখ ডান পাশে যেতেই দ্বিতীয় দফায় তার গায়ের র-ক্ত জল হয়ে গেল। (এর আগের পার্টটা আরেকবার একটু পরে আসবেন প্লিজ, আমি ভুলে এই পার্ট টা ওখানে দিয়েছিলাম) continue_

About