Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
API
Home
How To Use
Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
Home
Detail
@anastasyakh:
anastasya khosasih
Open In TikTok:
Region: ID
Wednesday 14 April 2021 15:13:56 GMT
232725
3177
6
128
Music
Download
No Watermark .mp4 (
1.44MB
)
No Watermark(HD) .mp4 (
1.44MB
)
Watermark .mp4 (
1.42MB
)
Music .mp3
Comments
steaven :
hai kak 👋
2021-04-14 15:24:17
1
oomndyy :
fyp😳
2021-04-18 14:42:21
1
chill :
body lu sumpah meleleh,
2021-04-14 20:58:40
1
Alfian :
😁
2025-10-17 05:01:25
0
chill :
bikin onlyfansy dong pliss
2021-04-14 20:58:46
1
odion :
yooo😏
2021-05-03 18:05:57
1
To see more videos from user @anastasyakh, please go to the Tikwm homepage.
Other Videos
#дорамы#2026#лучшие дорамы#рекомендаций#драм
مني ومنك صارت 😅💔#ronaldo #cristianoronaldo #الدون_🇵🇹🔥cr7 #صاروخخخخخ☠️ماديرا🚀🔥 #صاروخيه🚀🚀_كرستيانو🔥foo #تيم_مصممين_المستديره💎 #كرة_القدم_عشق_لا_ينتهي👑💙 #الريال_يمرض🥵_لاكن_لايموت #تيم_عبودي_كريس🖤🔥 #تيك_توك
সমপ্রেম ধারাবাহিক গল্প : ❝অপূর্ণ প্রেম❞ ✍️কলমে : শিমুল ফুল (রাফি) 📖 পরিচ্ছেদ: প্রথম পর্ব (এই গল্পটি কাল্পনিক অবাস্তব কাহিনী নিয়ে লেখা হয়েছে, এই গল্পের সমস্ত চরিত্রই কাল্পনিক। এই গল্পে দুইটি ছেলের অসম্পূর্ণ ভালোবাসার কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে,আশা করি গল্পটি সকলের ভালো লাগবে।ধন্যবাদ।) __________________________________________________ কড়ই গাছের ডালের ফাঁক সূর্যের একটুকরো ঝলমলে আলোয় আর পাখির মিষ্টি কলরবে এক নতুন সকালের সূচনা হলো।সময়টা বসন্তকাল।আজকের দিনটা অন্যরকম।আমাদের এই গল্প শুরু হলো আলিশান শিকদার ম্যানসনের ভিতরে।।যেখানে দুজন সুখী দম্পত্তি থাকেন। শহরের নামকরা বিজনেস ম্যান শফিক শিকদার ও তার সুন্দরী স্ত্রী অরুনা শিকদার আর তাদের বাড়ির বিশ্বস্ত গৃহপরিচারিকা সোফিয়াকে নিয়ে থাকতেন।তারা খুবই সুখী ছিলেন।তাদের মাঝে কোনো মালিন্য ছিলোনা।আর বর্তমানে তারা দুজন খুব খুশীর মুহূর্ত কাটাচ্ছিলেন।কারন তাদের দুজনের সুখের সংসারে তৃতীয় অতিথির আগমন হবে।তারা অনেক খুশি ছিলেন।অরুনা গর্ভবতী হওয়ার পর থেকেই শফিক সাহেব যেনো অরুনার প্রতি আরোও যত্মশীল হয়ে পড়লেন এবং সতর্ক থাকতেন। নিয়ম করেই প্রতি সপ্তাহেই তার চেক-আপ করান।আজকেও অরুনার চেক-আপের দিন।তাই অরুনা রেডি হচ্ছিলো।কিন্তু হঠাৎ কোন এক অজানা কারনে অরুনা মন খানিকটা খারাপ হয়ে গেলো।সে তখন শফিকের কাছে গিয়ে মুখখানা মলিন করে বললেন,“দেখতে দেখতে ৮ মাস হয়ে গেল তাইনা।আর কয়েকটা দিন পর আরেকটা নতুন জীবন পৃথিবীর আলো দেখবে।তারপর আমরা দুজন মিলে ওকে মানুষের মতো মানুষ করবো।দেখে নিও পৃথিবীর কোন অশুভ ছায়াকেই আমি তাকে স্পর্শ করতে দিবোনা।বুকে আগলে রেখে আমাদের সন্তানকে আমি বড় করবো।” শফিক পত্রিকা পড়তে পড়তে অরুনার মলিন মুখটা খেয়াল না করে মুচকি হাসি দিয়ে বললেন,“হুমম নিশ্চয়।দুনিয়ার সব থেকে শ্রেষ্ঠ বাবা মা হবো আমরা।আর আজ তো আমার তোমাক চেক-আপে নিয়ে যাওয়ার দিন।তো তুমি কী Ready আমার সুন্দরী প্রিয়তমা।” শফিকের কথায় যেনো অরুনা তখন তার অজানা কষ্টের কথা ভুলে গিয়ে মলিন মুখটাই এক টুকরো হাসি ফুটে উঠলো।তিনি বললেন,“সত্যি তুমি আজও যাবে।যদি তুমি তোমার কাজ ফেলে আমাকে চেকআপে নিয়ে যাও।বিজনেসের ক্ষতি হবে তো।আমি ড্রাইভার কে নিয়ে একাই যেতে পারবো।তুমি কাজে যাও না হয়।” শফিক তখন পেপার টা টেবিলে রেখে উঠে দাঁড়ালো এবং অরুনার হাত ধরে বললেন,“যে আসবে সে তো আমারও অংশ,তাইনা?আর যতই হোক আমাদের প্রথম সন্তান।আমার আরেকটা খুশির কারন।আমার কাছে যতই কাজ থাকুক না কেন,আমি যাবোই।হোক না একটু ক্ষতি,তাতে কী আর হবে।তাই আর দেরি না করে তাড়াতাড়ি ready হয়ে নাও।” --“আচ্ছা,পাগল একটা।আমি তৈরী হয়েই গেছি।আর খানিকটা অপেক্ষা করো। --“তাড়াতাড়ি করবে কিন্তু।আমি ঘরের বাইরে অপেক্ষা করছি।” শফিক এই বলে বাইরে চলে গেলো।এরপর অরুনা রেডি হয়ে আসলেন।তারা একজন আরেকজনের হাত ধরে বাইরে চলে গেলেন।আর শফিক অরুনাকে নিয়ে গাড়িতে উঠলেন।অন্যবারের মতো আজও সে নিজে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন।তখন অরুনার আবারও সেই একই অজানা ভয়ে মুখটা ছোটো হয়ে গেলো।অরুনা তখন একহাতে শফিকের হাতে ধরে তার কাধে মাথা দিয়ে বললেন, --“জানো,আমার না কেমন ভয় করছে।আমি কী আমার বাচ্চাকে জন্ম দিতে পারবো?জন্ম দিলেও কী আমি কী আমার বাচ্চাকে কোলে নিতে পারবো?” তখন শফিক একটু রেগে গিয়ে বললেন, --“কী যে বলোনা তুমি,আবোল তাবোল।আমার এসব কথা খুবই বিরক্তিকর লাগে।তুমি অবশ্যই আমাদের বাচ্চকে কোলে নিবে।আমাদের সন্তানের মা হবে।আর আমাদের শেষ বয়সের জন্য একজন সঙ্গী এনে দিবে।আমরা দুজনে মিলে হেসে খেলে আমাদের সন্তান কে নিয়ে শেষ অবধি বেঁচে থাকবো,যতক্ষণ না মৃত্যু এসে হাজির না হচ্ছে।” অরুনা তখন বললেন,“আরেকটা প্রশ্ন করবো,কিছু মনে করবে না তো? শফিক হ্যা সূচক উত্তর দিলে,অরুনা তাকে জিজ্ঞেস বললেন,“আমি যদি কোনোদিন না থাকি তুমি কী আবারও বিয়ে করবে?” শফিক গম্ভীর গলায় বললেন,“কী যে বলোনা তুমি।এসব বাদ দাও তো।এসব শুনতে আমার ভালো লাগেনা।” --“ তাহলে কথা দাওনা,প্লিজ ।” এই বলে অরুনা শফিকের দিকে হাত বাড়ালো।শফিক অরুনার হাত ধরে বললেন,“আমি তোমাকেই ভালোবেসেছি।এই নিয়ে জীবনের পাঁচটা বসন্ত কাটিয়েছি।আমার মনে কখনও তোমাকে ছাড়া আর কাউকে জায়গা দিবোনা।কথা দিলাম।তুমি ছাড়া আমার জীবনে আর দ্বিতীয় কেউ আসবেনা।কিন্তু এখন আর একটাও আজেবাজে কথা বলবেনা।আর তুমিও আমাকে কথা দাও আমাকে ছেড়ে কখনো যাবে না।” অরুনা শফিকের হাত শক্ত করে বললো,“আচ্ছা,আমি কথা দিলাম আমার লক্ষীটি,জীবনের শেষ মুহূর্ত অবধি আমি তোমার হাত ধরে থাকবো।একসাথে আমাদের বাচ্চাকে বড় করবো।” এরপর গাড়ি তার গন্তব্যে দিকে চলতে লাগলো।গাড়ি ঠিকঠাকই চলছিলো।দুজনেই খুব খুশি মনে ছিলেন।একদিকে বসন্তের মিষ্টি বাতাস বয়ছিলো আর অন্যদিকে অরুনা ও শফিক তাদের আগামী দিনের স্বপ্নে বিভোর ছিলেন।তখনই সব স্বপ্ন মুহূর্তেই ছারখার হয়ে যায়। ---***-- চলবে ---""'''
@★ adlı kullanıcıya cevap veriliyor Biraz daha dönsün #kpopinpublic #kpopdancecover #chos7n #jungkook_3d #정국 #jungkook #army #bts
Ghé me tham quan khách ơi bữa cuối rồi ạ 😚 #halafarm #dưaluoi #baubangbinhduong #baubang
#creatorsearchinsights
About
Robot
API
Legal
Privacy Policy