@olivia_hunttt: You know what a Harley Quinn is? #halloween #harleyquinn #haloweenmakeup #costume #costumeideas #harleyquinnbirdsofprey #haloween2021 #fyp #foryou

Liv Hunt
Liv Hunt
Open In TikTok:
Region: AU
Sunday 31 October 2021 05:09:04 GMT
2684
84
1
0

Music

Download

Comments

whos.your.chaddy
Chad Payne :
👑
2021-11-03 20:19:43
0
To see more videos from user @olivia_hunttt, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

ফাইনালের নেপথ্যে কি কোনো গভীর ষড়যন্ত্র? আর্জেন্টিনার হার নাকি এক সাজানো নাটক?​ম্যাচ শুরুর ঠিক আগেই ড্রেসিংরুমের আবহাওয়া ছিল থমথমে লিওনেল মেসিকে বলতে শোনা যায় আমরা শান্ত থাকবো বাইরে কি হচ্ছে সব ভুলে যাই শুধু মাঠে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করি ঠিক সেই মুহূর্তে ড্রেসিংরুমের কোনায় দাঁড়িয়ে চোখ মুছছিলেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও এনজো ফার্নান্দেজ ​যে আর্জেন্টিনা পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে প্রতিপক্ষকে চূর্ণবিচূর্ণ করে ফাইনালে আসলো সেই দলটাই ফাইনালে একটিও অন-টার্গেট শট নিতে পারলো না বাস থেকে নামার সময় যে খেলোয়াড়দের মুখে হাসি ছিল ড্রেসিংরুমে ঢোকার পরই হঠাৎ কী এমন ঘটলো যে পুরো দল একলহমায় ভেঙে পড়লো? ​ফাইনাল ঘিরে জন্ম নেওয়া ২১টি গুরুতর প্রশ্ন ও অসংগতি, যা কোনো ফুটবলপ্রেমীর নজর এড়ানোর কথা নয়: ​১. প্রেসিডেন্ট ও পরিবারের অদ্ভুত অনুপস্থিতি ​অদৃশ্য প্রেসিডেন্টদ্বয়: টুর্নামেন্টের আগের প্রতিটি ম্যাচে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (AFA) প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিও তাপিয়া এবং কনমেবল (CONMEBOL) প্রেসিডেন্ট আলেজান্দ্রো ডমিঙ্গেজকে দেখা গেলেও, ফাইনালে গ্যালারিতে তাদের কাউকেই দেখা যায়নি। ​পরিবারের অনুপস্থিতি: মেসি, ডি মারিয়া বা দলের অন্য তারকাদের স্ত্রী, সন্তান ও বাবা-মারা, যারা সবসময় গ্যালারিতে থেকে দলকে সমর্থন জোগান, রহস্যজনকভাবে এই ম্যাচে তাদের কাউকে গ্যালারিতে দেখা যায়নি। ​২. খেলোয়াড়দের অস্বাভাবিক আচরণ ও রহস্যময় ইঞ্জুরি ​লিসান্দ্রো ও রোমেরোর তুলে নেওয়া: ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজের মতো যোদ্ধা, যারা পায়ে রক্ত ঝরলেও দেশের জন্য মাঠে থেকে যান, তারা নাকি নিজেরাই নিজেদের সাবস্টিটিউট করার অনুরোধ জানান! ​লাউতারো মার্তিনেজের গায়েব হওয়া: দলের অন্যতম প্রধান স্ট্রাইকার লাউতারো মার্তিনেজকে ডাগআউটে বা বেঞ্চেও দেখা যায়নি, ম্যাচের একবারে শেষ মুহূর্তে তাকে সামান্য সময়ের জন্য ক্যামেরায় ধরা যায়। ​লাউতারো ও পারেদেসের ক্ষোভ: মাঠে পারেদেসের মারামারি আর রদ্রির ওপর ওটামেন্ডির অস্বাভাবিক ক্ষেপে যাওয়া স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় যে খেলোয়াড়রা প্রচন্ড মনস্তাত্ত্বিক চাপে ছিলেন। ​৩. রেফারিং ও কার্ডের পক্ষপাতিত্ব ​কার্ডের বৈষম্য: আর্জেন্টিনা ২৫টি ফাউল করে ৬টি হলুদ কার্ড এবং ১টি লাল কার্ড পেলো। অন্যদিকে স্পেন ২১টি ফাউল করা সত্ত্বেও রেফারি তাদের একটি কার্ডও দেখাননি! ​রেফারির বিতর্কিত নির্বাচন: ম্যাচটি পরিচালনা করতে দেওয়া হয় ইউরোপীয় রেফারিকে, যাঁর অধীনে আর্জেন্টিনা এর আগে কখনোই কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি। ​এনজোর প্রথম কার্ড: এনজো ফার্নান্দেজ নিজে ফাউলের শিকার হয়েও রেফারির সাথে কথা বলতে গিয়ে ফাউলের বাঁশি ও হলুদ কার্ড খেলেন। ​৪. ফকল্যান্ড দ্বীপ বিতর্ক ও রাজনৈতিক চাপ ​ফকল্যান্ড ইস্যু: ম্যাচের আগের দিন ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (মালভিনাস) সংক্রান্ত রাজনৈতিক ব্যানার ধরে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন লো সেলসো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। এর পরেই কি কোনো অদৃশ্য আন্তর্জাতিক বা রাজনৈতিক মহল থেকে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল? সেই কারণেই কি লো সেলসোকে এক মিনিটের জন্যও মাঠে নামানো হয়নি? ​৫. গ্যালারিতে লেজেন্ডদের অনুপস্থিতি ​আগের ম্যাচগুলোতে গ্যালারিতে লাভেজ্জি, পাস্তোরে, আগুয়েরো বা তেভেজের মতো আর্জেন্টাইন লেজেন্ডদের নিয়মিত দেখা গেলেও ফাইনালে কেবল স্প্যানিশ লেজেন্ডদেরই ক্যামেরায় দেখা গেছে। আর্জেন্টাইন কোনো সাবেক তারকাকে দেখা যায়নি। ​৬. কোচ স্কালোনির ভেঙে পড়া ও পরিবার কেন্দ্রিক শঙ্কা ​স্কালোনির কান্নার রহস্য: ম্যাচ শেষে কোচ লিওনেল স্কালোনির এমন অঝোর ধারায় ভেঙে পড়া আগে কখনো দেখা যায়নি। ​প্রেস কনফারেন্স বর্জন: সংবাদ সম্মেলনে তিনি কান্না চেপে রাখতে না পেরে অর্ধেক কথা বলেই বের হয়ে যান। তিনি শুধু এটুকুই বলেন,
ফাইনালের নেপথ্যে কি কোনো গভীর ষড়যন্ত্র? আর্জেন্টিনার হার নাকি এক সাজানো নাটক?​ম্যাচ শুরুর ঠিক আগেই ড্রেসিংরুমের আবহাওয়া ছিল থমথমে লিওনেল মেসিকে বলতে শোনা যায় আমরা শান্ত থাকবো বাইরে কি হচ্ছে সব ভুলে যাই শুধু মাঠে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করি ঠিক সেই মুহূর্তে ড্রেসিংরুমের কোনায় দাঁড়িয়ে চোখ মুছছিলেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও এনজো ফার্নান্দেজ ​যে আর্জেন্টিনা পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে প্রতিপক্ষকে চূর্ণবিচূর্ণ করে ফাইনালে আসলো সেই দলটাই ফাইনালে একটিও অন-টার্গেট শট নিতে পারলো না বাস থেকে নামার সময় যে খেলোয়াড়দের মুখে হাসি ছিল ড্রেসিংরুমে ঢোকার পরই হঠাৎ কী এমন ঘটলো যে পুরো দল একলহমায় ভেঙে পড়লো? ​ফাইনাল ঘিরে জন্ম নেওয়া ২১টি গুরুতর প্রশ্ন ও অসংগতি, যা কোনো ফুটবলপ্রেমীর নজর এড়ানোর কথা নয়: ​১. প্রেসিডেন্ট ও পরিবারের অদ্ভুত অনুপস্থিতি ​অদৃশ্য প্রেসিডেন্টদ্বয়: টুর্নামেন্টের আগের প্রতিটি ম্যাচে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (AFA) প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিও তাপিয়া এবং কনমেবল (CONMEBOL) প্রেসিডেন্ট আলেজান্দ্রো ডমিঙ্গেজকে দেখা গেলেও, ফাইনালে গ্যালারিতে তাদের কাউকেই দেখা যায়নি। ​পরিবারের অনুপস্থিতি: মেসি, ডি মারিয়া বা দলের অন্য তারকাদের স্ত্রী, সন্তান ও বাবা-মারা, যারা সবসময় গ্যালারিতে থেকে দলকে সমর্থন জোগান, রহস্যজনকভাবে এই ম্যাচে তাদের কাউকে গ্যালারিতে দেখা যায়নি। ​২. খেলোয়াড়দের অস্বাভাবিক আচরণ ও রহস্যময় ইঞ্জুরি ​লিসান্দ্রো ও রোমেরোর তুলে নেওয়া: ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজের মতো যোদ্ধা, যারা পায়ে রক্ত ঝরলেও দেশের জন্য মাঠে থেকে যান, তারা নাকি নিজেরাই নিজেদের সাবস্টিটিউট করার অনুরোধ জানান! ​লাউতারো মার্তিনেজের গায়েব হওয়া: দলের অন্যতম প্রধান স্ট্রাইকার লাউতারো মার্তিনেজকে ডাগআউটে বা বেঞ্চেও দেখা যায়নি, ম্যাচের একবারে শেষ মুহূর্তে তাকে সামান্য সময়ের জন্য ক্যামেরায় ধরা যায়। ​লাউতারো ও পারেদেসের ক্ষোভ: মাঠে পারেদেসের মারামারি আর রদ্রির ওপর ওটামেন্ডির অস্বাভাবিক ক্ষেপে যাওয়া স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় যে খেলোয়াড়রা প্রচন্ড মনস্তাত্ত্বিক চাপে ছিলেন। ​৩. রেফারিং ও কার্ডের পক্ষপাতিত্ব ​কার্ডের বৈষম্য: আর্জেন্টিনা ২৫টি ফাউল করে ৬টি হলুদ কার্ড এবং ১টি লাল কার্ড পেলো। অন্যদিকে স্পেন ২১টি ফাউল করা সত্ত্বেও রেফারি তাদের একটি কার্ডও দেখাননি! ​রেফারির বিতর্কিত নির্বাচন: ম্যাচটি পরিচালনা করতে দেওয়া হয় ইউরোপীয় রেফারিকে, যাঁর অধীনে আর্জেন্টিনা এর আগে কখনোই কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি। ​এনজোর প্রথম কার্ড: এনজো ফার্নান্দেজ নিজে ফাউলের শিকার হয়েও রেফারির সাথে কথা বলতে গিয়ে ফাউলের বাঁশি ও হলুদ কার্ড খেলেন। ​৪. ফকল্যান্ড দ্বীপ বিতর্ক ও রাজনৈতিক চাপ ​ফকল্যান্ড ইস্যু: ম্যাচের আগের দিন ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (মালভিনাস) সংক্রান্ত রাজনৈতিক ব্যানার ধরে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন লো সেলসো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। এর পরেই কি কোনো অদৃশ্য আন্তর্জাতিক বা রাজনৈতিক মহল থেকে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল? সেই কারণেই কি লো সেলসোকে এক মিনিটের জন্যও মাঠে নামানো হয়নি? ​৫. গ্যালারিতে লেজেন্ডদের অনুপস্থিতি ​আগের ম্যাচগুলোতে গ্যালারিতে লাভেজ্জি, পাস্তোরে, আগুয়েরো বা তেভেজের মতো আর্জেন্টাইন লেজেন্ডদের নিয়মিত দেখা গেলেও ফাইনালে কেবল স্প্যানিশ লেজেন্ডদেরই ক্যামেরায় দেখা গেছে। আর্জেন্টাইন কোনো সাবেক তারকাকে দেখা যায়নি। ​৬. কোচ স্কালোনির ভেঙে পড়া ও পরিবার কেন্দ্রিক শঙ্কা ​স্কালোনির কান্নার রহস্য: ম্যাচ শেষে কোচ লিওনেল স্কালোনির এমন অঝোর ধারায় ভেঙে পড়া আগে কখনো দেখা যায়নি। ​প্রেস কনফারেন্স বর্জন: সংবাদ সম্মেলনে তিনি কান্না চেপে রাখতে না পেরে অর্ধেক কথা বলেই বের হয়ে যান। তিনি শুধু এটুকুই বলেন, "ফাইনালের আগে যে বিষয়গুলোর মুখোমুখি আমাদের হতে হয়েছে, তাতে আমি গভীরভাবে হতাশ।" ​পরিবারের নিরাপত্তা: স্কালোনির বাসস্থান কিন্তু স্পেনে। সেখানে অবস্থানরত তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে কি কোনো ব্ল্যাকমেইল বা হুমকি দেওয়া হয়েছিল? ​৭. বাজির বাজার (Betting Odds) ও ফিফার রহস্যময় মামলা ​৮. ম্যাচ পরবর্তী সম্পূর্ণ নীরবতা ​মিডিয়া বর্জন: ম্যাচ শেষে একমাত্র স্কালোনি ছাড়া আর্জেন্টিনার কোনো খেলোয়াড় বা কর্মকর্তা মিডিয়ার সামনে আসেননি। ​এনজোর রহস্যময় সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট: ম্যাচ শেষে এনজো ফার্নান্দেজ ইনস্টাগ্রামে লেখেন— "দিন যত যাবে, মানুষ বুঝতে পারবে আমরা কতটা নিবেদিতপ্রাণ ছিলাম..."— এই বার্তা কিসের ইঙ্গিত দেয়? ​📌 যে আর্জেন্টিনা দল ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ফ্রান্সের মতো সর্বজয়ী দলকে উড়িয়ে দিয়েছিল, তারা হঠাৎ করে ফাইনালে একটিও অন-টার্গেট শট নিতে পারল না! মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়ে মাঠের বাইরের অলিখিত কোনো ক্ষমতা বা গভীর কোনো ষড়যন্ত্র কি ফুটবলকে হারিয়ে দিল? সময় হয়তো একদিন এই সব প্রশ্নের উত্তর দেবে।#vamosargentina🇦🇷💪🏆messi #fifaworldcup2026 #fypシ゚viral

About