@chkop.kuonghuong: Đồng hồ super dream chính hãng Phụ Tùng Xe ChKop 0966899672 Tiktok chào quý khách KH chuyên cung cấp các sản phẩm phụ tùng xe máy với giá bán lẻ tốt nhất trên thị trường. Đổ buôn/sỉ cho các đại lý toàn quốc #phutungxemayhondavinhphuc #xuhuongtiktok #phutungxemaychinhhang #phutungxehonda #phutungxedream #phutunghondakuonghuong #xuhuong #phutungxemay #phutungchinhhang #linhkienxemay #hondakuonghuong #hondavinhphuc #phutungsuper #phutungdream

Phụ Tùng Xe Máy CH Vĩnh Phúc
Phụ Tùng Xe Máy CH Vĩnh Phúc
Open In TikTok:
Region: VN
Friday 30 June 2023 14:46:57 GMT
9342
36
7
2

Music

Download

Comments

ikawa292
いかわ :
Xin giá
2025-02-24 05:17:21
1
ikawa292
いかわ :
Giá shop
2025-02-27 08:39:56
1
lethanhtuan299
. :
Gi sao b
2023-09-27 11:42:03
0
van.hoangminh
Minh văn @ :
gía nào bác
2023-10-25 03:29:11
0
hungcoi696
nguyễn duy hùng :
giá ạ
2024-04-20 07:11:23
0
thanhduy83868
𝕯𝖚𝖞 𝕹𝖌𝖚𝖞ễ𝖓 :
giá sao shop
2024-11-17 23:12:04
0
To see more videos from user @chkop.kuonghuong, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

সিজারকে ভয় পান? আসুন, সিজারিয়ান অপারেশন সম্পর্কে সবকিছু জেনে নিই। ভয় নয়, সচেতনতাই হোক মায়ের প্রথম আত্মবিশ্বাস। সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় অনেক মায়েরই সিজারিয়ান অপারেশনের প্রয়োজন হয়। কিন্তু সিজারের কথা শুনলেই অনেকের মনে ভয় ও দুশ্চিন্তা তৈরি হয়। অপারেশন কীভাবে হয়, কেন সিজার করতে হয়, অপারেশনের পর কীভাবে যত্ন নিতে হয় এবং ভবিষ্যতে কয়বার সিজার করা সম্ভব—এমন অনেক প্রশ্ন থাকে। সঠিক তথ্য জানা থাকলে এই ভয় অনেকটাই কমানো সম্ভব। সিজারিয়ান অপারেশন কী এবং কীভাবে করা হয়? সিজারিয়ান সেকশন বা সি-সেকশন হলো একটি অস্ত্রোপচার পদ্ধতি, যার মাধ্যমে মায়ের পেট ও জরায়ুতে কেটে শিশুকে বের করে আনা হয়। এটি সাধারণত তখন করা হয়, যখন স্বাভাবিক প্রসব মা অথবা শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। অপারেশনের আগে মায়ের রক্তচাপ, নাড়ির গতি, শিশুর হার্টবিট এবং প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা করা হয়। এরপর মাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্পাইনাল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ কোমরের নিচের অংশ সাময়িকভাবে অবশ করে দেওয়া হয়, যাতে মা অপারেশনের ব্যথা অনুভব না করেন। এই পদ্ধতিতে মা সাধারণত জেগে থাকেন এবং শিশুর জন্মের মুহূর্তটি অনুভব করতে পারেন। স্পাইনাল দেওয়ার সময় মাকে বসিয়ে সামনের দিকে ঝুঁকতে অথবা এক পাশে কাত হয়ে শুতে বলা হয়। কোমরের নির্দিষ্ট স্থান জীবাণুমুক্ত করে একটি সরু সূঁচের মাধ্যমে বিশেষ অবশ করার ওষুধ দেওয়া হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যে কোমর থেকে পা পর্যন্ত অবশ হয়ে আসে। এরপর চিকিৎসক নিশ্চিত হন যে পর্যাপ্ত অবশ হয়েছে কি না। সাধারণত তলপেটের নিচের দিকে আড়াআড়িভাবে একটি কাটা দেওয়া হয়। পেটের বিভিন্ন স্তর অতিক্রম করে জরায়ুতে পৌঁছে সেখানে আলাদা কাটা দিয়ে শিশুকে বের করে আনা হয়। এরপর প্লাসেন্টা বের করে জরায়ু ও পেটের বিভিন্ন স্তর সেলাই করা হয়। সাধারণত পুরো অপারেশনে ৩০–৬০ মিনিট সময় লাগতে পারে। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী সময় কম-বেশি হয়। কোন কোন কারণে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়? সব মায়ের সিজার প্রয়োজন হয় না। তবে কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে মা ও শিশুর নিরাপত্তার জন্য সিজার করা জরুরি হয়ে পড়ে। যেমন—শিশুর মাথা নিচের দিকে না থেকে উল্টো বা আড়াআড়ি অবস্থানে থাকা, প্লাসেন্টা জরায়ুর মুখ আংশিক বা সম্পূর্ণ ঢেকে রাখা, প্রসবের সময় শিশুর হার্টবিটে বিপজ্জনক পরিবর্তন, প্রসবের অগ্রগতি বন্ধ হয়ে যাওয়া, শিশুর আকার ও মায়ের পেলভিসের মধ্যে অসামঞ্জস্য, গুরুতর প্রি-এক্লাম্পসিয়া বা এক্লাম্পসিয়া, জরায়ু ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা এবং আগের সিজারের বিশেষ ধরনের জরায়ুর ক্ষত। এ ছাড়াও কিছু ক্ষেত্রে একাধিক সন্তান গর্ভে থাকা, প্রসবপথে বাধা এবং অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতিতে সিজার করতে হতে পারে। তবে শুধু শিশুর ওজন বেশি, মায়ের উচ্চতা কম কিংবা পরিবারের ইচ্ছার কারণে সব সময় সিজার করতে হয় না। মা ও শিশুর সম্পূর্ণ অবস্থা মূল্যায়ন করে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেন। সিজারের পর কীভাবে নিজের যত্ন নেবেন? সিজার একটি বড় অস্ত্রোপচার, তাই অপারেশনের পর শরীরকে সুস্থ হওয়ার পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। চিকিৎসকের অনুমতি অনুযায়ী ধীরে ধীরে হাঁটাচলা শুরু করতে হবে। প্রথমদিকে পরিবারের কারও সাহায্য নিতে পারেন। দীর্ঘ সময় একটানা শুয়ে না থেকে নিরাপদভাবে নড়াচড়া করলে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি কমে। অপারেশনের ক্ষতস্থান পরিষ্কার ও শুকনো রাখতে হবে। চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ক্ষতস্থানের পরিচর্যা করতে হবে। পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে এবং মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, শাকসবজি ও ফলমূলসহ পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথানাশক ও অন্যান্য ওষুধ গ্রহণ করুন। ভারী জিনিস তোলা, অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম এবং পেটে চাপ পড়ে এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন। সিজারের পরও শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো যায়। আরামদায়ক অবস্থানে শিশুকে কোলে নিয়ে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। সাধারণত ৪–৬ সপ্তাহের মধ্যে অনেক মা দৈনন্দিন কাজে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে ওঠেন। তবে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে ব্যক্তিভেদে আরও সময় লাগতে পারে। অপারেশনের পর জ্বর, অতিরিক্ত রক্তপাত, তীব্র পেটব্যথা, ক্ষতস্থান ফুলে যাওয়া বা পুঁজ বের হওয়া, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব, শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা অথবা পায়ের একদিকে ব্যথা ও ফুলে যাওয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। একজন মা কয়বার সিজার করতে পারবেন? এটি মায়েদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি। একজন মায়ের কয়বার সিজার করা যাবে, তার কোনো নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ সংখ্যা নেই। অনেক মা দুই, তিন বা তার বেশি সিজারের পরও সুস্থ সন্তান জন্ম দিয়েছেন। তবে প্রতিবার সিজারের সঙ্গে কিছু ঝুঁকি বাড়তে পারে।   #pregnantlife #doctortips #foryou #awareness @doctor Zhang Xi @TikTok Bangladesh @Dr. Liz @Доктор Тик - Ток ✔️ #onthisday
সিজারকে ভয় পান? আসুন, সিজারিয়ান অপারেশন সম্পর্কে সবকিছু জেনে নিই। ভয় নয়, সচেতনতাই হোক মায়ের প্রথম আত্মবিশ্বাস। সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় অনেক মায়েরই সিজারিয়ান অপারেশনের প্রয়োজন হয়। কিন্তু সিজারের কথা শুনলেই অনেকের মনে ভয় ও দুশ্চিন্তা তৈরি হয়। অপারেশন কীভাবে হয়, কেন সিজার করতে হয়, অপারেশনের পর কীভাবে যত্ন নিতে হয় এবং ভবিষ্যতে কয়বার সিজার করা সম্ভব—এমন অনেক প্রশ্ন থাকে। সঠিক তথ্য জানা থাকলে এই ভয় অনেকটাই কমানো সম্ভব। সিজারিয়ান অপারেশন কী এবং কীভাবে করা হয়? সিজারিয়ান সেকশন বা সি-সেকশন হলো একটি অস্ত্রোপচার পদ্ধতি, যার মাধ্যমে মায়ের পেট ও জরায়ুতে কেটে শিশুকে বের করে আনা হয়। এটি সাধারণত তখন করা হয়, যখন স্বাভাবিক প্রসব মা অথবা শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। অপারেশনের আগে মায়ের রক্তচাপ, নাড়ির গতি, শিশুর হার্টবিট এবং প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা করা হয়। এরপর মাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্পাইনাল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ কোমরের নিচের অংশ সাময়িকভাবে অবশ করে দেওয়া হয়, যাতে মা অপারেশনের ব্যথা অনুভব না করেন। এই পদ্ধতিতে মা সাধারণত জেগে থাকেন এবং শিশুর জন্মের মুহূর্তটি অনুভব করতে পারেন। স্পাইনাল দেওয়ার সময় মাকে বসিয়ে সামনের দিকে ঝুঁকতে অথবা এক পাশে কাত হয়ে শুতে বলা হয়। কোমরের নির্দিষ্ট স্থান জীবাণুমুক্ত করে একটি সরু সূঁচের মাধ্যমে বিশেষ অবশ করার ওষুধ দেওয়া হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যে কোমর থেকে পা পর্যন্ত অবশ হয়ে আসে। এরপর চিকিৎসক নিশ্চিত হন যে পর্যাপ্ত অবশ হয়েছে কি না। সাধারণত তলপেটের নিচের দিকে আড়াআড়িভাবে একটি কাটা দেওয়া হয়। পেটের বিভিন্ন স্তর অতিক্রম করে জরায়ুতে পৌঁছে সেখানে আলাদা কাটা দিয়ে শিশুকে বের করে আনা হয়। এরপর প্লাসেন্টা বের করে জরায়ু ও পেটের বিভিন্ন স্তর সেলাই করা হয়। সাধারণত পুরো অপারেশনে ৩০–৬০ মিনিট সময় লাগতে পারে। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী সময় কম-বেশি হয়। কোন কোন কারণে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়? সব মায়ের সিজার প্রয়োজন হয় না। তবে কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে মা ও শিশুর নিরাপত্তার জন্য সিজার করা জরুরি হয়ে পড়ে। যেমন—শিশুর মাথা নিচের দিকে না থেকে উল্টো বা আড়াআড়ি অবস্থানে থাকা, প্লাসেন্টা জরায়ুর মুখ আংশিক বা সম্পূর্ণ ঢেকে রাখা, প্রসবের সময় শিশুর হার্টবিটে বিপজ্জনক পরিবর্তন, প্রসবের অগ্রগতি বন্ধ হয়ে যাওয়া, শিশুর আকার ও মায়ের পেলভিসের মধ্যে অসামঞ্জস্য, গুরুতর প্রি-এক্লাম্পসিয়া বা এক্লাম্পসিয়া, জরায়ু ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা এবং আগের সিজারের বিশেষ ধরনের জরায়ুর ক্ষত। এ ছাড়াও কিছু ক্ষেত্রে একাধিক সন্তান গর্ভে থাকা, প্রসবপথে বাধা এবং অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতিতে সিজার করতে হতে পারে। তবে শুধু শিশুর ওজন বেশি, মায়ের উচ্চতা কম কিংবা পরিবারের ইচ্ছার কারণে সব সময় সিজার করতে হয় না। মা ও শিশুর সম্পূর্ণ অবস্থা মূল্যায়ন করে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেন। সিজারের পর কীভাবে নিজের যত্ন নেবেন? সিজার একটি বড় অস্ত্রোপচার, তাই অপারেশনের পর শরীরকে সুস্থ হওয়ার পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। চিকিৎসকের অনুমতি অনুযায়ী ধীরে ধীরে হাঁটাচলা শুরু করতে হবে। প্রথমদিকে পরিবারের কারও সাহায্য নিতে পারেন। দীর্ঘ সময় একটানা শুয়ে না থেকে নিরাপদভাবে নড়াচড়া করলে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি কমে। অপারেশনের ক্ষতস্থান পরিষ্কার ও শুকনো রাখতে হবে। চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী ক্ষতস্থানের পরিচর্যা করতে হবে। পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে এবং মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, শাকসবজি ও ফলমূলসহ পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথানাশক ও অন্যান্য ওষুধ গ্রহণ করুন। ভারী জিনিস তোলা, অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম এবং পেটে চাপ পড়ে এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন। সিজারের পরও শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো যায়। আরামদায়ক অবস্থানে শিশুকে কোলে নিয়ে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। সাধারণত ৪–৬ সপ্তাহের মধ্যে অনেক মা দৈনন্দিন কাজে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে ওঠেন। তবে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে ব্যক্তিভেদে আরও সময় লাগতে পারে। অপারেশনের পর জ্বর, অতিরিক্ত রক্তপাত, তীব্র পেটব্যথা, ক্ষতস্থান ফুলে যাওয়া বা পুঁজ বের হওয়া, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব, শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা অথবা পায়ের একদিকে ব্যথা ও ফুলে যাওয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। একজন মা কয়বার সিজার করতে পারবেন? এটি মায়েদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি। একজন মায়ের কয়বার সিজার করা যাবে, তার কোনো নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ সংখ্যা নেই। অনেক মা দুই, তিন বা তার বেশি সিজারের পরও সুস্থ সন্তান জন্ম দিয়েছেন। তবে প্রতিবার সিজারের সঙ্গে কিছু ঝুঁকি বাড়তে পারে। #pregnantlife #doctortips #foryou #awareness @doctor Zhang Xi @TikTok Bangladesh @Dr. Liz @Доктор Тик - Ток ✔️ #onthisday

About