@jenny.huynh._: mốt mình nên đặt tên con mình là Vy luôn không? :D

jenny huynh
jenny huynh
Open In TikTok:
Region: US
Thursday 24 August 2023 03:55:33 GMT
883899
85446
436
162

Music

Download

Comments

minhtudu
Phạm Minh Tú :
Vy bé Vy lớn,Vy nào cũng đẹp và giỏiiii
2023-08-24 04:03:46
886
dumamay1927
khánh🗿 :
Sao có từ ***
2023-08-24 05:31:21
56
_dmcuocdoi_50
marco :
ngta tên Vy thì học giỏi,xinh đẹp,giàu,thành công..nhìn lại mình....tên Vy này lạ lém 🥲
2023-08-24 04:20:16
141
duong.vien08
Duong Hoai Vien ✨🍀 :
Ngồi đợi chị Jen đổi avatar 🥑🍌
2023-08-24 04:01:46
471
okrazmuay
VTV24 :
dễ thương quá🥰
2023-08-24 04:10:05
37
ttbhanqxihju_
౨ৎɓɨɕɦɦɑɲɋɕựʈɛ🎀 :
T đg thắc mắc cái cặp là s zị
2023-08-24 04:04:46
2
thuy952012
Ngọc thuỷ :
chưa bao giờ đc jenny rep luôn á😭😭😭
2023-08-24 03:57:55
43
th.trang.g
Thu Trang :
suy nghĩ sớm z chị :)))
2023-08-24 04:00:43
3
phamgiaquyen212
ebe Qiyn💍 :
ước dc chị jenny huynh fl e🥺🥺
2023-08-24 04:13:33
1
khoaiilang02
kim ngân 🍊 :
rep e đi chị iu😊😊
2023-08-24 04:16:14
1
nth__902
🙃 :
sớm nè ch ơiiiiiii😢🙈
2023-08-24 03:58:24
1
tamie.okk
tamie.uhh :
c Vy gặp c Vy🥰
2023-08-24 04:14:53
1
hphgg5
🤍 :
Sớm nè Jenny uii
2023-08-24 04:03:46
1
uocnodon55
Ước nổ đơn :
2 học bá gặp nhao😳
2023-08-24 05:11:45
2
lbngc84
monn:>> :
xinhhh quá
2023-08-24 04:05:59
1
user9808625043592
Thúy Nguyễn :
xinh quá hai chị ơi
2023-08-24 04:11:16
1
.unnnn_
.unnnn_ :
Để ý ai tên Vy cũg xinh và giỏi luôn ak 😳❤
2023-08-24 04:07:48
1
giaqthicanh._
kệ. :
quá là avt
2023-08-24 04:09:25
1
_nglinggiang_
Ninzanq🍄 :
2 vy này, vy nào cx thiên tài :))
2023-08-24 11:29:18
2
nghinghin
dương nhiễn :
hi cj
2023-08-24 04:01:01
1
...pov0.0
🌿Noalone :
trễ rùi:<<
2023-08-24 05:06:55
1
tadahannienie
iuoiilaiuu :
Rep em đi chị iu
2023-08-24 03:59:24
1
niudn_09
hnhunnin :
Double Vy cute✨
2023-08-24 03:58:23
1
kh1010az
ᴋ ∆ | :
Đặt là Bơ nhaaaa
2023-08-24 04:01:10
2
...ccdcm
m cuts :
Jenny làm vid khui quà sn với chị Vy ik😭🥺
2023-08-24 05:03:49
1
To see more videos from user @jenny.huynh._, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#জাবের কার অনুমতি নিয়ে মামলার বাদী হলো—জানতে চান ওসমান হাদির বোন Published: 05 Jun 2026, 02:25  PM মাসুমা হাদি, ওসমান হাদি, আব্দুল্লাহ আল জাবের | ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে ফেসবুকে একটি দীর্ঘ ও আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তার বোন মাসুমা হাদি। সেখানে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, পরিবারের কাউকে না জানিয়ে এবং কার অনুমতি নিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের এই হত্যা মামলার বাদী হলেন, তা অবিলম্বে পরিষ্কার করতে হবে। আজ (শুক্রবার, ৫ জুন) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেয়া এক পোস্টে মাসুমা হাদি তার ভাইয়ের চিকিৎসা, মামলার বাদী হওয়া নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি এবং পরিবারের বিরুদ্ধে চলা ষড়যন্ত্রের নানা ‘বিস্ফোরক’ তথ্য সামনে এনেছেন। মাসুমা হাদি লেখেন, আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদী হওয়া নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ, এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালানো হয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি, শুধু আমার ভাইয়ের জন্য। তবে দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মামলার বাদী হওয়া নিয়ে যে ‘নোংরামি’ হচ্ছে, তার প্রেক্ষিতে বাধ্য হয়ে তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করছেন বলে জানান। মাসুমা হাদির পোস্ট  তিনি উল্লেখ করেন, ভাই গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়েই তিনি ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ছুটে যান এবং এক মিনিটের জন্যও ভাইয়ের পাশ থেকে সরেননি। তার প্রশ্ন, ‘প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে স্বাক্ষর (সাইন) নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের স্বাক্ষর দেবে কেন?’ এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তাকে বোঝানো হয়েছিল যে, ওমরের (ওসমান হাদির ভাই) কাছে পুলিশ গিয়েছিল এবং ওমর তখন চিকিৎসার ব্যস্ততার কারণে পরে বিষয়টি দেখার কথা বলেছিলেন। মাসুমা হাদি মনে করিয়ে দেন, এ ধরনের ফৌজদারি মামলায় বাদীর স্বাক্ষর আগে-পরে হওয়া নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা থাকে না এবং পুলিশ চাইলেই স্বপ্রণোদিত হয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারত। ঘটনার সময়কার বিভীষিকাময় পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে মাসুমা হাদি লেখেন, একই রিকশায় দুই ভাই থাকায় ওসমান গণির (হাদি) রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত হয়েছিলেন। বুলেট আর একটা বের হলে ওমরও ওখানেই মারা যেতেন। ওসমান হাদিকে যেদিন সিঙ্গাপুর নেয়া হয়, সেই দিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে নিজের পোশাক ও হাতের ঘড়ি থেকে ভাইয়ের রক্তের দাগ পরিষ্কার করেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তবে কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ, আমার ওসমান গণির সঙ্গে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করছে, এমন কোনো লোক নেই যারা জানে না যে ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে আছে। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে, কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদী হলো—এটা পরিষ্কার করতে হবে। ৭ দিনের মধ্যে হাদি হত্যার বিচারের রোডম্যাপ না দিলে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওমরের লাইফস্টাইল নিয়ে চলা ট্রলিংয়ের জবাবে মাসুমা হাদি জানান, ওমর হাতে যে ঘড়ি পরেন তা ৫ বছর আগে ১৭ হাজার টাকায় কেনা। এছাড়া ২০১৬ সালে তিনি ৩০ হাজার টাকার ব্লেজার এবং ৭০ হাজার টাকার মোবাইল ব্যবহার করতেন। না বুঝে কাউকে নিয়ে নোংরামি না করার অনুরোধ জানান তিনি। চিকিৎসার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, হাসপাতালে অনেকেই দায়িত্ব নিতে চাইলেও পরিবার সায় দেয়নি। সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৫২ লাখ টাকা খরচ করে থাইল্যান্ডের টিকিট কেটেছিলেন। পরে সরকার এই সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরে দায়িত্ব নেয় এবং দ্বিতীয় দফায় সিঙ্গাপুরে কাগজপত্র পাঠালে তারা তা গ্রহণ করে। এরপরই ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়। সবশেষে মাসুমা হাদি আক্ষেপ করে বলেন, একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়! সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন
#জাবের কার অনুমতি নিয়ে মামলার বাদী হলো—জানতে চান ওসমান হাদির বোন Published: 05 Jun 2026, 02:25 PM মাসুমা হাদি, ওসমান হাদি, আব্দুল্লাহ আল জাবের | ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে ফেসবুকে একটি দীর্ঘ ও আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন তার বোন মাসুমা হাদি। সেখানে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, পরিবারের কাউকে না জানিয়ে এবং কার অনুমতি নিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের এই হত্যা মামলার বাদী হলেন, তা অবিলম্বে পরিষ্কার করতে হবে। আজ (শুক্রবার, ৫ জুন) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেয়া এক পোস্টে মাসুমা হাদি তার ভাইয়ের চিকিৎসা, মামলার বাদী হওয়া নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি এবং পরিবারের বিরুদ্ধে চলা ষড়যন্ত্রের নানা ‘বিস্ফোরক’ তথ্য সামনে এনেছেন। মাসুমা হাদি লেখেন, আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদী হওয়া নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ, এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালানো হয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি, শুধু আমার ভাইয়ের জন্য। তবে দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মামলার বাদী হওয়া নিয়ে যে ‘নোংরামি’ হচ্ছে, তার প্রেক্ষিতে বাধ্য হয়ে তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করছেন বলে জানান। মাসুমা হাদির পোস্ট তিনি উল্লেখ করেন, ভাই গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়েই তিনি ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ছুটে যান এবং এক মিনিটের জন্যও ভাইয়ের পাশ থেকে সরেননি। তার প্রশ্ন, ‘প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে স্বাক্ষর (সাইন) নিলো কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের স্বাক্ষর দেবে কেন?’ এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তাকে বোঝানো হয়েছিল যে, ওমরের (ওসমান হাদির ভাই) কাছে পুলিশ গিয়েছিল এবং ওমর তখন চিকিৎসার ব্যস্ততার কারণে পরে বিষয়টি দেখার কথা বলেছিলেন। মাসুমা হাদি মনে করিয়ে দেন, এ ধরনের ফৌজদারি মামলায় বাদীর স্বাক্ষর আগে-পরে হওয়া নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা থাকে না এবং পুলিশ চাইলেই স্বপ্রণোদিত হয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারত। ঘটনার সময়কার বিভীষিকাময় পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে মাসুমা হাদি লেখেন, একই রিকশায় দুই ভাই থাকায় ওসমান গণির (হাদি) রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত হয়েছিলেন। বুলেট আর একটা বের হলে ওমরও ওখানেই মারা যেতেন। ওসমান হাদিকে যেদিন সিঙ্গাপুর নেয়া হয়, সেই দিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে নিজের পোশাক ও হাতের ঘড়ি থেকে ভাইয়ের রক্তের দাগ পরিষ্কার করেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তবে কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ, আমার ওসমান গণির সঙ্গে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করছে, এমন কোনো লোক নেই যারা জানে না যে ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে আছে। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে, কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদী হলো—এটা পরিষ্কার করতে হবে। ৭ দিনের মধ্যে হাদি হত্যার বিচারের রোডম্যাপ না দিলে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওমরের লাইফস্টাইল নিয়ে চলা ট্রলিংয়ের জবাবে মাসুমা হাদি জানান, ওমর হাতে যে ঘড়ি পরেন তা ৫ বছর আগে ১৭ হাজার টাকায় কেনা। এছাড়া ২০১৬ সালে তিনি ৩০ হাজার টাকার ব্লেজার এবং ৭০ হাজার টাকার মোবাইল ব্যবহার করতেন। না বুঝে কাউকে নিয়ে নোংরামি না করার অনুরোধ জানান তিনি। চিকিৎসার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, হাসপাতালে অনেকেই দায়িত্ব নিতে চাইলেও পরিবার সায় দেয়নি। সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৫২ লাখ টাকা খরচ করে থাইল্যান্ডের টিকিট কেটেছিলেন। পরে সরকার এই সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরে দায়িত্ব নেয় এবং দ্বিতীয় দফায় সিঙ্গাপুরে কাগজপত্র পাঠালে তারা তা গ্রহণ করে। এরপরই ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়। সবশেষে মাসুমা হাদি আক্ষেপ করে বলেন, একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়! সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন

About