@_._minix: چسی نباشه🫣🧿

_._minix
_._minix
Open In TikTok:
Region: US
Sunday 01 October 2023 16:06:44 GMT
27334
361
17
5

Music

Download

Comments

kimrugen777m
Kimrugen777m :
میخوای بهت انگشت قرض بدم؟😅
2023-10-02 19:38:03
8
mehrad59
mehrad59 :
معلومه نداری
2023-10-07 10:05:45
4
makwanakram
Makwan Akram :
فيك نكونم هيچي داشت باشي😂
2023-10-01 16:15:29
2
yarith_ne
Yarith :
هیچکدوم از انگشتام پایین نیومد😂😂😂😂💔
2023-12-04 13:39:44
2
emranmansouri0
pjr001 :
چی زدی
2023-10-02 05:21:50
1
setareh_ww
nova :
الان یه عده حسود پلاستیکی میگن دوروغ میگه😊
2023-11-09 10:31:47
1
tina_2077
Tina :
۲ تا از انگشتات رو بهم قرض میدی
2023-10-22 16:45:35
1
kkvngtyh
mm :
۲ تا🤣🤣
2023-10-21 18:09:06
1
arm...764l
ARMITA :
🖐🖐 الحمدالله 😅
2023-10-06 08:47:38
1
nh1234566666
مکتب خصوصی سروش علم :
از مه امتو ده انگشت استاد ماند هههههه 😂😂😂😂
2023-10-21 15:28:08
0
army_oooo
harmy :
عا
2023-10-13 10:48:24
0
eileen__428
آیلین :
😂
2023-10-23 10:16:45
0
yasyyyy50
yasna🪼 :
چه بدبختم من
2023-11-04 15:39:45
0
talyarin_
Jobe wife🧘🏻‍♀️ :
اشکال نداره سهمیه ایه🤣
2023-11-10 13:25:58
0
b_hr67
bahar :
۵ تا
2023-12-03 16:58:37
0
mahdye_az_
mahdye :
😂😂😂
2023-10-02 12:29:40
0
mahdihashemzadeh
mahdihashemzadeh :
رضا شاه پهلوی اینا رو نداشت که تو داری معلومه دروغ میگه مثل خر
2023-12-29 18:27:05
0
To see more videos from user @_._minix, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

অপ্রতিমকে নিয়ে এই লেখাটা করা উচিত হবে কি না জানি না। এই পোস্টের জন্য হয়তো আমাকে অনেক কটু কথাও শুনতে হবে। তবুও কিছু কথা না বললেই নয়। প্রথম কথা—অপ্রতিম মাত্র ১৩ বছরের একটা শিশু। তার জীবন এভাবে শেষ হয়ে যাওয়ার কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যে বা যারা এই হ%ত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা হোক এটাই আমার দাবি। তবে অপ্রতিমের টিকটক ও ফেসবুক ঘুরে কিছু বিষয় আমার চোখে পড়েছে, যেগুলো নিয়ে অভিভাবকদের জন্য কিছু কথা বলা প্রয়োজন মনে করছি। অপ্রতিমের বয়স মাত্র ১৩ হলেও তার সোশ্যাল মিডিয়ার ছবি, ক্যাপশন ও চলাফেরার ধরন দেখে অনেক সময় বোঝার উপায় ছিল না যে সে এত ছোট। কখনো বাইকের ওপর বড়দের মতো স্টাইলে ছবি, কখনো বন্ধুদের সঙ্গে আইফোনে ছবি তুলে পোস্ট—সব মিলিয়ে তার জীবনযাপনটা তার বয়সের তুলনায় কিছুটা পরিণত মনে হয়েছে। অপ্রতিমের টিকটক ফেসবুক আইডি দেখে বোঝা যায় বড়লোক বাবা মায়ের আদরের সন্তান। তার বাবা-মা দুজনেই ব্যস্ত মানুষ৷ সম্ভবত সেই ব্যস্ততার কারণে ছেলের প্রতিদিনের চলাফেরা, বন্ধু-বান্ধব কিংবা কোথায় যাচ্ছে এসবের ওপর সবসময় নজর রাখা সম্ভব হয়নি। তবে একটা কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার কোনো শিশুর পোশাক, ছবি তোলার ধরন, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে চলাফেরা তাকে কোনো অপরাধের শিকার হওয়ার জন্য দায়ী করে না। অপ্রতিমের সঙ্গে যা ঘটেছে, তার দায় অপরাধীরই। কিন্তু এই ঘটনা আমাদের মতো অভিভাবকদের জন্য অবশ্যই একটা সতর্কবার্তা। ১৩ বছরের একটা সন্তানকে ভালোবাসা যেমন দরকার, তেমনি তার বন্ধু কারা, কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে, অনলাইনে কী করছে এসবের খোঁজ রাখাও জরুরি। সন্তানকে বিশ্বাস করবেন, কিন্তু তার নিরাপত্তার বিষয়েও সচেতন থাকবেন। শুধু সন্তানকে দামি ফোন, বাইক কিংবা স্বাধীনতা দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। তার জীবনে আমরা কারা ঢুকতে দিচ্ছি, সে কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে সেটাও আমাদের জানতে হবে। আজ অপ্রতিমের পরিবার যে শূন্যতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, কোনো বাবা-মাকেই যেন এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়। অপ্রতিমের জন্য বিচার চাই। আর সব বাবা-মায়ের কাছে অনুরোধ সন্তানকে ভালোবাসুন, বিশ্বাস করুন, কিন্তু তার খোঁজও রাখুন।
অপ্রতিমকে নিয়ে এই লেখাটা করা উচিত হবে কি না জানি না। এই পোস্টের জন্য হয়তো আমাকে অনেক কটু কথাও শুনতে হবে। তবুও কিছু কথা না বললেই নয়। প্রথম কথা—অপ্রতিম মাত্র ১৩ বছরের একটা শিশু। তার জীবন এভাবে শেষ হয়ে যাওয়ার কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যে বা যারা এই হ%ত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা হোক এটাই আমার দাবি। তবে অপ্রতিমের টিকটক ও ফেসবুক ঘুরে কিছু বিষয় আমার চোখে পড়েছে, যেগুলো নিয়ে অভিভাবকদের জন্য কিছু কথা বলা প্রয়োজন মনে করছি। অপ্রতিমের বয়স মাত্র ১৩ হলেও তার সোশ্যাল মিডিয়ার ছবি, ক্যাপশন ও চলাফেরার ধরন দেখে অনেক সময় বোঝার উপায় ছিল না যে সে এত ছোট। কখনো বাইকের ওপর বড়দের মতো স্টাইলে ছবি, কখনো বন্ধুদের সঙ্গে আইফোনে ছবি তুলে পোস্ট—সব মিলিয়ে তার জীবনযাপনটা তার বয়সের তুলনায় কিছুটা পরিণত মনে হয়েছে। অপ্রতিমের টিকটক ফেসবুক আইডি দেখে বোঝা যায় বড়লোক বাবা মায়ের আদরের সন্তান। তার বাবা-মা দুজনেই ব্যস্ত মানুষ৷ সম্ভবত সেই ব্যস্ততার কারণে ছেলের প্রতিদিনের চলাফেরা, বন্ধু-বান্ধব কিংবা কোথায় যাচ্ছে এসবের ওপর সবসময় নজর রাখা সম্ভব হয়নি। তবে একটা কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার কোনো শিশুর পোশাক, ছবি তোলার ধরন, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে চলাফেরা তাকে কোনো অপরাধের শিকার হওয়ার জন্য দায়ী করে না। অপ্রতিমের সঙ্গে যা ঘটেছে, তার দায় অপরাধীরই। কিন্তু এই ঘটনা আমাদের মতো অভিভাবকদের জন্য অবশ্যই একটা সতর্কবার্তা। ১৩ বছরের একটা সন্তানকে ভালোবাসা যেমন দরকার, তেমনি তার বন্ধু কারা, কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে, অনলাইনে কী করছে এসবের খোঁজ রাখাও জরুরি। সন্তানকে বিশ্বাস করবেন, কিন্তু তার নিরাপত্তার বিষয়েও সচেতন থাকবেন। শুধু সন্তানকে দামি ফোন, বাইক কিংবা স্বাধীনতা দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। তার জীবনে আমরা কারা ঢুকতে দিচ্ছি, সে কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে সেটাও আমাদের জানতে হবে। আজ অপ্রতিমের পরিবার যে শূন্যতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, কোনো বাবা-মাকেই যেন এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়। অপ্রতিমের জন্য বিচার চাই। আর সব বাবা-মায়ের কাছে অনুরোধ সন্তানকে ভালোবাসুন, বিশ্বাস করুন, কিন্তু তার খোঁজও রাখুন।

About