@alpi.ar3:

alpi ar
alpi ar
Open In TikTok:
Region: ID
Friday 06 October 2023 11:37:39 GMT
272
6
0
1

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @alpi.ar3, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

সত্যি ঘটনা- ১৯৮৯ সাল। শীতের শেষ দিক। ঢাকার পাশের ছোট্ট এলাকা নবীন নগরে ছিল এক পুরোনো হাসপাতাল— “নবীন নগর হাসপাতাল”। লোকজন বলত, হাসপাতালটা দিনে যতটা শান্ত, রাতে ততটাই ভয়ংকর। রাত ১২টার পর নাকি তিন তলার করিডোরে কারো কান্নার শব্দ শোনা যেত। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো— ওই তিন তলা বহু বছর আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় নতুন এক নার্স যোগ দিল। তার নাম ছিল শিউলি। প্রথম দিনেই এক বৃদ্ধ দারোয়ান তাকে সাবধান করে বলল— “রাতে যদি ৩০৭ নম্বর কেবিন থেকে বেল বাজে… কখনো দরজা খুলবেন না।” শিউলি হেসে উড়িয়ে দিল। সে ভাবল, পুরোনো লোকদের কুসংস্কার। সেই রাতেই ডিউটি ছিল তার। রাত ঠিক ১:১৭ মিনিটে— টিং… টিং… টিং… হাসপাতালের নীরবতা ভেঙে বেজে উঠল কলিং বেল। বোর্ডে দেখা গেল— কেবিন ৩০৭ শিউলির বুক ধড়ফড় করতে লাগল। কারণ হাসপাতালের রেকর্ড অনুযায়ী ৩০৭ নম্বর কেবিন বহু বছর ধরে বন্ধ। তবু সাহস করে সে তিন তলায় উঠল। উপরে ওঠার সাথে সাথে বাতাস ঠান্ডা হয়ে গেল। লাইটগুলো বারবার জ্বলছিল আর নিভছিল। করিডোরের শেষে মরিচা ধরা দরজায় লেখা— ৩০৭ ভেতর থেকে আসছিল কারো ফিসফিস শব্দ। শিউলি দরজায় কান রাখতেই শুনল— “আমাকে বাঁচাও…” তার হাত কাঁপতে লাগল। হঠাৎ দরজাটা নিজে থেকেই ধীরে ধীরে খুলে গেল। ভেতরে একটা পুরোনো বেড। চারপাশে শুকনো রক্তের দাগ। আর বেডের উপর বসে আছে এক মেয়ে। সাদা রোগীর পোশাক। চুল মুখ ঢেকে রেখেছে। শিউলি কাঁপা গলায় বলল— “কে… কে আপনি?” মেয়েটা ধীরে ধীরে মুখ তুলল। আর তখনই শিউলি চিৎকার করে উঠল। কারণ মেয়েটার চোখ ছিল না। শুধু অন্ধকার গর্ত… আর মুখজুড়ে সেলাই। হঠাৎ পুরো রুমের লাইট নিভে গেল। অন্ধকারের মধ্যে শুধু শোনা গেল— “তারা আমাকে ভুল অপারেশন করেছিল…” তারপর ঠান্ডা একটা হাত শিউলির গলা চেপে ধরল। পরদিন সকালে হাসপাতালের স্টাফরা তিন তলায় শিউলির জুতো খুঁজে পেল। কিন্তু শিউলিকে আর কখনো পাওয়া যায়নি। এরপর থেকে প্রতি রাত ১:১৭ মিনিটে— ৩০৭ নম্বর কেবিনের বেল এখনও বাজে। আর কেউ যদি ভুল করে দরজা খোলে… সে আর ফিরে আসে
সত্যি ঘটনা- ১৯৮৯ সাল। শীতের শেষ দিক। ঢাকার পাশের ছোট্ট এলাকা নবীন নগরে ছিল এক পুরোনো হাসপাতাল— “নবীন নগর হাসপাতাল”। লোকজন বলত, হাসপাতালটা দিনে যতটা শান্ত, রাতে ততটাই ভয়ংকর। রাত ১২টার পর নাকি তিন তলার করিডোরে কারো কান্নার শব্দ শোনা যেত। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো— ওই তিন তলা বহু বছর আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় নতুন এক নার্স যোগ দিল। তার নাম ছিল শিউলি। প্রথম দিনেই এক বৃদ্ধ দারোয়ান তাকে সাবধান করে বলল— “রাতে যদি ৩০৭ নম্বর কেবিন থেকে বেল বাজে… কখনো দরজা খুলবেন না।” শিউলি হেসে উড়িয়ে দিল। সে ভাবল, পুরোনো লোকদের কুসংস্কার। সেই রাতেই ডিউটি ছিল তার। রাত ঠিক ১:১৭ মিনিটে— টিং… টিং… টিং… হাসপাতালের নীরবতা ভেঙে বেজে উঠল কলিং বেল। বোর্ডে দেখা গেল— কেবিন ৩০৭ শিউলির বুক ধড়ফড় করতে লাগল। কারণ হাসপাতালের রেকর্ড অনুযায়ী ৩০৭ নম্বর কেবিন বহু বছর ধরে বন্ধ। তবু সাহস করে সে তিন তলায় উঠল। উপরে ওঠার সাথে সাথে বাতাস ঠান্ডা হয়ে গেল। লাইটগুলো বারবার জ্বলছিল আর নিভছিল। করিডোরের শেষে মরিচা ধরা দরজায় লেখা— ৩০৭ ভেতর থেকে আসছিল কারো ফিসফিস শব্দ। শিউলি দরজায় কান রাখতেই শুনল— “আমাকে বাঁচাও…” তার হাত কাঁপতে লাগল। হঠাৎ দরজাটা নিজে থেকেই ধীরে ধীরে খুলে গেল। ভেতরে একটা পুরোনো বেড। চারপাশে শুকনো রক্তের দাগ। আর বেডের উপর বসে আছে এক মেয়ে। সাদা রোগীর পোশাক। চুল মুখ ঢেকে রেখেছে। শিউলি কাঁপা গলায় বলল— “কে… কে আপনি?” মেয়েটা ধীরে ধীরে মুখ তুলল। আর তখনই শিউলি চিৎকার করে উঠল। কারণ মেয়েটার চোখ ছিল না। শুধু অন্ধকার গর্ত… আর মুখজুড়ে সেলাই। হঠাৎ পুরো রুমের লাইট নিভে গেল। অন্ধকারের মধ্যে শুধু শোনা গেল— “তারা আমাকে ভুল অপারেশন করেছিল…” তারপর ঠান্ডা একটা হাত শিউলির গলা চেপে ধরল। পরদিন সকালে হাসপাতালের স্টাফরা তিন তলায় শিউলির জুতো খুঁজে পেল। কিন্তু শিউলিকে আর কখনো পাওয়া যায়নি। এরপর থেকে প্রতি রাত ১:১৭ মিনিটে— ৩০৭ নম্বর কেবিনের বেল এখনও বাজে। আর কেউ যদি ভুল করে দরজা খোলে… সে আর ফিরে আসে

About