@venusdit.l: sweet dreams ☁️ #tranquildream #snowwhite #cinderella #ariel #beautyandthebeast #theprincessandthepea #thumbelina #dreams #sweetdreams

venus . ꕤ 。˚
venus . ꕤ 。˚
Open In TikTok:
Region: BR
Wednesday 29 November 2023 15:17:55 GMT
65715
2870
18
488

Music

Download

Comments

polinochka78494
🦭 :
song?
2026-05-15 22:51:47
0
cacaushowagain
—͟͞͞★ˢū𝗴ₐ𝘳ෆūෆ𝓂𝑦—͟͞͞★ :
"onde você aprendeu a ser tão dorminhoco" o que eu assistia:
2025-07-01 01:48:45
2
santigold.off
Madu. 💕 :
eu agora
2024-01-29 04:32:15
2
keylateresacorona
Keyla🥰 :
yo sería ana
2025-08-22 17:49:31
0
saintninyxii_
NonNinyx. :
amo dormir
2024-03-10 02:04:49
0
mx_zsq_.0.67
ೀ⋆。˚ℳ ꩜🥝 .ᐟ :
.
2026-01-23 19:45:39
0
alma.ss29
Alma🌼 :
❤️❤️❤️
2026-03-13 03:23:33
0
belkessam.dounia27
Dounia :
❤️
2025-12-25 23:51:20
0
b.domenico_010
b.domenico_10 :
🍀
2025-11-04 17:05:09
0
welcometoderrye0
marge truman :
🌷🌷🌷
2025-02-22 19:30:38
0
eyxles2.5
segidor :
😂
2025-01-29 07:39:16
0
aliceesxk1
⋆.ೃ࿔𝓛𝓾𝓾𝓱⋆𖦹・˚. :
@. 🎶
2024-06-01 02:19:51
0
fuzzyhalo0
Starie🍊 :
WHY THEY ALL LOOKING MAJESTIC MEANWHILE ME WHEN I WAKE UP LOOKING LIKE DAMN MUDUSA
2023-12-29 20:43:18
7
tianaa_9.25
⚡McQueen ⚡✨ :
😂
2025-11-10 03:10:06
0
To see more videos from user @venusdit.l, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

Part - 104। দুই_পৃথিবী 🕊️ দিনের আলো থাকলেও কক্ষটি অন্ধকারে তলিয়ে আছে। জানালার ফাঁকফোকর দিয়ে এক চিমটি আলো প্রবেশ করলেও অন্ধকার মিলাচ্ছে না। বিছানায় পড়ে রয়েছে Yn। পরনে শাড়ি এলোমেলো হয়ে বিছানায় পড়ে আছে। গোছালো চুলগুলো অবহেলায় পড়ে আছে মেঝেতে। দরজায় কড়া পড়লো। Yn এর হুস ফিরে এলো, দ্রুত চোখ মুছে উঠে বসলো। Yn দরজার ওপাশে থাকা ব্যক্তির উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলল, Yn: কি চান কি আপনি? একবার জীবন তছনছ করে শান্তি হয়নাই? আপনাকে আমি খুন করবো, মেরে ফেলব আপনাকে! দরজার ওপাশে থাকা ব্যক্তিটি ঠোঁট বাঁকিয়ে হাসলো। Yn এর চিৎকার কানে আসতেই নীল গলা খেকারি দিয়ে উঠলো। চকিতে চেয়ে বলল, নীল: স্যার উনি তো দরজায় খুলছে না। ঠোঁটের হাসি চওড়া হলো জাংকুক এর। অসাধ্য সাধন করে যেনো আর খুশিতে আত্মহারা সে। এতদিন না হাসতে হাসতে যেনো সে ক্লান্ত ছিল, তাইতো Yn কে তুলে এনে কারণে অকারণে হেসেই চলেছে।  জাংকুক: পাখি নতুন খাঁচায় বন্দি হলে একটু ছটফট করেই। সময় যাক, পোষ মেনে গেলে আপোষেই দরজা খুলবে! নীল মাথা ঝাঁকিয়ে পিছন ফিরে হাটা ধরলো। জাংকুক পিছন থেকে গম্ভীর স্বরে বলল, জাংকুক: পিহু আসবে, রাতে ওর ফ্লাইট। ওকে রিসিভ করে আনবে সময় মতো। Yn এর এখন পিহুকে দরকার।  নীল মাথা ঝাঁকিয়ে চলে গেলো। জাংকুক ফের দরজায় কড়া নাড়ল। Yn অধৈর্য হলো, চুলগুলো কোনমতে পেঁচিয়ে খট করে দরজা খুলে দিলো। জোরে টান দাওয়ায় দরজা দেয়ালের সঙ্গে বাড়ি খেয়ে বিকট শব্দ তুললো। ক্রোদ ফেটে পড়ছে Yn এর চোখ থেকে। রাগে বারবার দাঁত কিড়মিড় করছে। চোখ মুখ অস্বাভাবিক লাল হয়ে ফুলে আছে। কপালের কাছটায় কাটা দাগটায় রক্ত জমে আছে। অবস্থা বেহাল পুরো। জাংকুক হাত বাড়িয়ে Yn এর কপালের কাটা জায়গাটা ছুঁতে নিলো পিছিয়ে গেলো Yn। চিৎকার করে বলল, Yn: কোন সাহসে ছুঁতে এসেছিস আমায়? কোন সাহসে হাত বারাস? তোর হাত কেটে কুকুরকে বিলিয়ে দিবো আমি। জানে মেরে ফেলব.. জাংকুক: ভয় পাইনা জান। জাংকুক এর ঠান্ডা কন্ঠ। মনে হলো কথার মাঝেই একরাশ কষ্ট আভাস পেলো। নিজের শখের জিনিসের অবহেলা কতটা পোড়ায় তার খবর কি রাখে এই অবাধ্য নারী? ছিল তো তারই, তাহলে আজ কেনো পাল্টে গেলো তার জিনিসটা? Yn আঙুল তুলে শাসিয়ে বলল, Yn: আমার ভিতরের কোমল আচরণ টা দেখেছেন এতদিন, এখন দেখবেন আমি কি জিনিস। তুলে এনে, অন্য দেশে এনে লুকিয়ে রেখে ভাবছেন আপনার হয়ে যাবো? ভুল Yn একবারই করেছে, দ্বিতীয় বার আর করবে না। আমার স্বামী, আমার সংসার থেকে আমায় আলাদা করে নিজেকে বীর পুরুষ ভাববেন না। এইগুলো কা*পুরুষের কাজ। আমায় যেতে দিন, আমি আমার স্বামীর কাছে যাবো.. বলতে বলতে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে চাইলে জাংকুক বাধা দিল। একপা একপা করে এগিয়ে এসে পিছন দিয়ে ঠাস করে দরজা বন্ধ করে দিলো। Yn দৌড়ে যেয়ে বেডসাইড টেবিলের ওপর থেকে কাচের গ্লাসটা হাতে নিলো। কাপাকাপা গলায় বলল, Yn: একদম কাছে আসার চেষ্টা করবেন না.. জাংকুক: ভয় পাচ্ছো? ক্রমশই এগোতে এগোতে কথাটা বলল জাংকুক। Yn আগপিছ না ভেবে হাতের গ্লাস টা ছুঁড়ে দিলো জাংকুক এর পায়ের কাছে। তৎক্ষণাৎ সেইটা ভেঙে কাচ যেয়ে বিধলো জাংকুক এর পায়ে। চোখমুখ ব্যথায় খিঁচে নিলেও মুখে টু শব্দটুকুও করলো না। চোখ নামিয়ে একবার নিজের রক্তাক্ত পায়ের দিকে চেয়ে Yn এর দিকে চাইলো। তাচ্ছিল্য স্বরে বলল, জাংকুক: বিশ্বাস করো পদ্মফুল। আমার পায়ে এত রক্ত দেখেও আমার কষ্ট হচ্ছে না যতটা কষ্ট হচ্ছে তোমার কপালের কাটা দাগটা দেখে। তোমার ফুলের মতো কোমল চেহারায় এইটা মানাচ্ছে না মোটেও। ইচ্ছে করছে দাগটাকে এক্ষুনি মুছে ফেলতে। তোমার শরীরের রক্ত আমার চোখ সহ্য করতে পারছে না। এইযে দেখো তোমার দাওয়া আঘাত টা আমার মনে একপ্রকার শান্তি দিচ্ছে। তোমার অনুপস্থিতিতে তোমার কোনো চিহ্ন ছিল না আমার কাছে, যেইটা দেখে তোমায় অনুভব করতে পারতাম। এখন তুমি নিজেও চিহ্ন এঁকে দিয়ে গেলে। এইটা দেখব আর তোমায় স্মরণ করবো! Yn কাদতে কাদতে দেয়াল ঘেঁষে বসে পড়ল ফ্লোরে। মাথা ঝুঁকিয়ে দুই হাতের মুঠোয় নিজে চুল টেনে ধরে বলল, Yn: আমি আমার স্বামীর কাছে যেতে চাই। সে ভালো নেই, সে মৃত্যুর দুয়ারে দাঁড়িয়ে আছে। সে সুস্থ হয়ে আমাকে খুঁজবে, আমায় দেখতে চাইবে। তখন আমি কি করবো? আমি আবারো অপরাধী হয়ে যাবো তার কাছে। আমার জন্য তার এই অবস্থা অথচ আমি ওই তার সঙ্গ দিতে পারছি না। কেন বেঁধে রেখেছেন আমায়? কি চান আপনি? আপনি তো জানেন আমি অন্য কারোর নামই লিখিত, তাহলে কেন বেঁধে রেখেছেন? যেতে দিন আমার, দোহাই লাগে যেতে দিন.. .. ভাই আমার নিজেকে নিজের কাছে রঙ্গবতী মনে হয়,  এই গল্পের সবাইকে সুখ দিলাম আবার কষ্ট ও দিলাম🙂 200+cp lnk #foryoupage #fyp #Rimjem7
Part - 104। দুই_পৃথিবী 🕊️ দিনের আলো থাকলেও কক্ষটি অন্ধকারে তলিয়ে আছে। জানালার ফাঁকফোকর দিয়ে এক চিমটি আলো প্রবেশ করলেও অন্ধকার মিলাচ্ছে না। বিছানায় পড়ে রয়েছে Yn। পরনে শাড়ি এলোমেলো হয়ে বিছানায় পড়ে আছে। গোছালো চুলগুলো অবহেলায় পড়ে আছে মেঝেতে। দরজায় কড়া পড়লো। Yn এর হুস ফিরে এলো, দ্রুত চোখ মুছে উঠে বসলো। Yn দরজার ওপাশে থাকা ব্যক্তির উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলল, Yn: কি চান কি আপনি? একবার জীবন তছনছ করে শান্তি হয়নাই? আপনাকে আমি খুন করবো, মেরে ফেলব আপনাকে! দরজার ওপাশে থাকা ব্যক্তিটি ঠোঁট বাঁকিয়ে হাসলো। Yn এর চিৎকার কানে আসতেই নীল গলা খেকারি দিয়ে উঠলো। চকিতে চেয়ে বলল, নীল: স্যার উনি তো দরজায় খুলছে না। ঠোঁটের হাসি চওড়া হলো জাংকুক এর। অসাধ্য সাধন করে যেনো আর খুশিতে আত্মহারা সে। এতদিন না হাসতে হাসতে যেনো সে ক্লান্ত ছিল, তাইতো Yn কে তুলে এনে কারণে অকারণে হেসেই চলেছে। জাংকুক: পাখি নতুন খাঁচায় বন্দি হলে একটু ছটফট করেই। সময় যাক, পোষ মেনে গেলে আপোষেই দরজা খুলবে! নীল মাথা ঝাঁকিয়ে পিছন ফিরে হাটা ধরলো। জাংকুক পিছন থেকে গম্ভীর স্বরে বলল, জাংকুক: পিহু আসবে, রাতে ওর ফ্লাইট। ওকে রিসিভ করে আনবে সময় মতো। Yn এর এখন পিহুকে দরকার। নীল মাথা ঝাঁকিয়ে চলে গেলো। জাংকুক ফের দরজায় কড়া নাড়ল। Yn অধৈর্য হলো, চুলগুলো কোনমতে পেঁচিয়ে খট করে দরজা খুলে দিলো। জোরে টান দাওয়ায় দরজা দেয়ালের সঙ্গে বাড়ি খেয়ে বিকট শব্দ তুললো। ক্রোদ ফেটে পড়ছে Yn এর চোখ থেকে। রাগে বারবার দাঁত কিড়মিড় করছে। চোখ মুখ অস্বাভাবিক লাল হয়ে ফুলে আছে। কপালের কাছটায় কাটা দাগটায় রক্ত জমে আছে। অবস্থা বেহাল পুরো। জাংকুক হাত বাড়িয়ে Yn এর কপালের কাটা জায়গাটা ছুঁতে নিলো পিছিয়ে গেলো Yn। চিৎকার করে বলল, Yn: কোন সাহসে ছুঁতে এসেছিস আমায়? কোন সাহসে হাত বারাস? তোর হাত কেটে কুকুরকে বিলিয়ে দিবো আমি। জানে মেরে ফেলব.. জাংকুক: ভয় পাইনা জান। জাংকুক এর ঠান্ডা কন্ঠ। মনে হলো কথার মাঝেই একরাশ কষ্ট আভাস পেলো। নিজের শখের জিনিসের অবহেলা কতটা পোড়ায় তার খবর কি রাখে এই অবাধ্য নারী? ছিল তো তারই, তাহলে আজ কেনো পাল্টে গেলো তার জিনিসটা? Yn আঙুল তুলে শাসিয়ে বলল, Yn: আমার ভিতরের কোমল আচরণ টা দেখেছেন এতদিন, এখন দেখবেন আমি কি জিনিস। তুলে এনে, অন্য দেশে এনে লুকিয়ে রেখে ভাবছেন আপনার হয়ে যাবো? ভুল Yn একবারই করেছে, দ্বিতীয় বার আর করবে না। আমার স্বামী, আমার সংসার থেকে আমায় আলাদা করে নিজেকে বীর পুরুষ ভাববেন না। এইগুলো কা*পুরুষের কাজ। আমায় যেতে দিন, আমি আমার স্বামীর কাছে যাবো.. বলতে বলতে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে চাইলে জাংকুক বাধা দিল। একপা একপা করে এগিয়ে এসে পিছন দিয়ে ঠাস করে দরজা বন্ধ করে দিলো। Yn দৌড়ে যেয়ে বেডসাইড টেবিলের ওপর থেকে কাচের গ্লাসটা হাতে নিলো। কাপাকাপা গলায় বলল, Yn: একদম কাছে আসার চেষ্টা করবেন না.. জাংকুক: ভয় পাচ্ছো? ক্রমশই এগোতে এগোতে কথাটা বলল জাংকুক। Yn আগপিছ না ভেবে হাতের গ্লাস টা ছুঁড়ে দিলো জাংকুক এর পায়ের কাছে। তৎক্ষণাৎ সেইটা ভেঙে কাচ যেয়ে বিধলো জাংকুক এর পায়ে। চোখমুখ ব্যথায় খিঁচে নিলেও মুখে টু শব্দটুকুও করলো না। চোখ নামিয়ে একবার নিজের রক্তাক্ত পায়ের দিকে চেয়ে Yn এর দিকে চাইলো। তাচ্ছিল্য স্বরে বলল, জাংকুক: বিশ্বাস করো পদ্মফুল। আমার পায়ে এত রক্ত দেখেও আমার কষ্ট হচ্ছে না যতটা কষ্ট হচ্ছে তোমার কপালের কাটা দাগটা দেখে। তোমার ফুলের মতো কোমল চেহারায় এইটা মানাচ্ছে না মোটেও। ইচ্ছে করছে দাগটাকে এক্ষুনি মুছে ফেলতে। তোমার শরীরের রক্ত আমার চোখ সহ্য করতে পারছে না। এইযে দেখো তোমার দাওয়া আঘাত টা আমার মনে একপ্রকার শান্তি দিচ্ছে। তোমার অনুপস্থিতিতে তোমার কোনো চিহ্ন ছিল না আমার কাছে, যেইটা দেখে তোমায় অনুভব করতে পারতাম। এখন তুমি নিজেও চিহ্ন এঁকে দিয়ে গেলে। এইটা দেখব আর তোমায় স্মরণ করবো! Yn কাদতে কাদতে দেয়াল ঘেঁষে বসে পড়ল ফ্লোরে। মাথা ঝুঁকিয়ে দুই হাতের মুঠোয় নিজে চুল টেনে ধরে বলল, Yn: আমি আমার স্বামীর কাছে যেতে চাই। সে ভালো নেই, সে মৃত্যুর দুয়ারে দাঁড়িয়ে আছে। সে সুস্থ হয়ে আমাকে খুঁজবে, আমায় দেখতে চাইবে। তখন আমি কি করবো? আমি আবারো অপরাধী হয়ে যাবো তার কাছে। আমার জন্য তার এই অবস্থা অথচ আমি ওই তার সঙ্গ দিতে পারছি না। কেন বেঁধে রেখেছেন আমায়? কি চান আপনি? আপনি তো জানেন আমি অন্য কারোর নামই লিখিত, তাহলে কেন বেঁধে রেখেছেন? যেতে দিন আমার, দোহাই লাগে যেতে দিন.. .. ভাই আমার নিজেকে নিজের কাছে রঙ্গবতী মনে হয়, এই গল্পের সবাইকে সুখ দিলাম আবার কষ্ট ও দিলাম🙂 200+cp lnk #foryoupage #fyp #Rimjem7

About