@mariabaungaard: #fleamarket #vintage #copenhagen #bff

Mariabaungaard
Mariabaungaard
Open In TikTok:
Region: DK
Monday 08 January 2024 14:25:45 GMT
31074
972
3
20

Music

Download

Comments

secondshopper.official
secondshopper :
Elsker det! 😍😍
2024-01-27 09:25:55
0
julie.bk.jensen
JULIE KITANOVA🩵 :
Er det imorgen?🔥
2024-01-27 17:16:01
0
To see more videos from user @mariabaungaard, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

১. মামলার শাস্তির বিধান (কত বছরের সাজা। 1.সংশোধিত নতুন আইন (৯খ ধারা): নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর সাথে যুক্ত নতুন ৯খ ধারা অনুযায়ী—যদি কোনো ব্যক্তি শারীরিক বলপ্রয়োগ ছাড়া, কেবল বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বছরের বেশি বয়সের কোনো নারীর সাথে (যার সাথে তাঁর আস্থার সম্পর্ক রয়েছে) শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং পরে বিয়ে না করে প্রতারণা করে, তবে অপরাধী সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। 2.ধর্ষণ ধারা (৯(১) ধারা): যদি প্রমাণিত হয় যে মেয়েটির বয়স ১৬ বছরের কম ছিল, অথবা সম্মতিটি সম্পূর্ণ প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে (শুরু থেকেই প্রতারণার উদ্দেশ্য নিয়ে) আদায় করা হয়েছিল, তবে ক্ষেত্রবিশেষে এটি সরাসরি ধর্ষণ হিসেবে গণ্য হতে পারে, যার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ড। ২. কোথায় মামলা দায়ের করবেন. ভুক্তভোগী নারী দুটি স্থানে মামলা দায়ের করতে পারবেন. 1.নিকটস্থ থানায়: অপরাধটি যে এলাকায় ঘটেছে, সেই এলাকার সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে এফআইআর (FIR) বা এজাহার দায়ের করতে হবে। 2.আদালতে: থানা যদি কোনো কারণে মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে সরাসরি জেলা সদরে অবস্থিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে গিয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে 'নালিশি মামলা' বা সিআর (CR) মামলা দায়ের করা যাবে। ৩. কীভাবে মামলা করবেন এবং আইনি প্রক্রিয়া. 1.থানায় যোগাযোগ: ভুক্তভোগী নিজে বা তাঁর পরিবারের কোনো সদস্য থানায় গিয়ে ঘটনার বিবরণ দিয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেবেন। 2.ডাক্তারি পরীক্ষা (মেডিকেল টেস্ট): মামলা দায়েরের পর পুলিশ ভুক্তভোগীকে সরকারি হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (OCC) ফরেনসিক বা ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠাবে। শারীরিক সম্পর্কের সপক্ষে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। প্রমাণ সংগ্রহ: মামলাটি আদালতে টিকিয়ে রাখার জন্য ভুক্তভোগীকে কিছু শক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে। যেমন. বিয়ের প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির কোনো প্রমাণ (মোবাইল মেসেজ, চ্যাট হিস্ট্রি, অডিও রেকর্ড, কোনো চিঠি বা লিখিত চুক্তি) কোনো সাক্ষী (যিনি বা যাঁরা জানতেন যে তাদের মধ্যে বিয়ের কথা চলছিল বা তারা একসাথে সময় কাটিয়েছেন) তদন্ত ও বিচার: মামলার পর পুলিশ তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট বা অভিযোগপত্র জমা দেবে এবং ট্রাইব্যুনাল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পাদন করবেন।
১. মামলার শাস্তির বিধান (কত বছরের সাজা। 1.সংশোধিত নতুন আইন (৯খ ধারা): নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর সাথে যুক্ত নতুন ৯খ ধারা অনুযায়ী—যদি কোনো ব্যক্তি শারীরিক বলপ্রয়োগ ছাড়া, কেবল বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বছরের বেশি বয়সের কোনো নারীর সাথে (যার সাথে তাঁর আস্থার সম্পর্ক রয়েছে) শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং পরে বিয়ে না করে প্রতারণা করে, তবে অপরাধী সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। 2.ধর্ষণ ধারা (৯(১) ধারা): যদি প্রমাণিত হয় যে মেয়েটির বয়স ১৬ বছরের কম ছিল, অথবা সম্মতিটি সম্পূর্ণ প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে (শুরু থেকেই প্রতারণার উদ্দেশ্য নিয়ে) আদায় করা হয়েছিল, তবে ক্ষেত্রবিশেষে এটি সরাসরি ধর্ষণ হিসেবে গণ্য হতে পারে, যার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ড। ২. কোথায় মামলা দায়ের করবেন. ভুক্তভোগী নারী দুটি স্থানে মামলা দায়ের করতে পারবেন. 1.নিকটস্থ থানায়: অপরাধটি যে এলাকায় ঘটেছে, সেই এলাকার সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে এফআইআর (FIR) বা এজাহার দায়ের করতে হবে। 2.আদালতে: থানা যদি কোনো কারণে মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে সরাসরি জেলা সদরে অবস্থিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে গিয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে 'নালিশি মামলা' বা সিআর (CR) মামলা দায়ের করা যাবে। ৩. কীভাবে মামলা করবেন এবং আইনি প্রক্রিয়া. 1.থানায় যোগাযোগ: ভুক্তভোগী নিজে বা তাঁর পরিবারের কোনো সদস্য থানায় গিয়ে ঘটনার বিবরণ দিয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেবেন। 2.ডাক্তারি পরীক্ষা (মেডিকেল টেস্ট): মামলা দায়েরের পর পুলিশ ভুক্তভোগীকে সরকারি হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (OCC) ফরেনসিক বা ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠাবে। শারীরিক সম্পর্কের সপক্ষে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। প্রমাণ সংগ্রহ: মামলাটি আদালতে টিকিয়ে রাখার জন্য ভুক্তভোগীকে কিছু শক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে। যেমন. বিয়ের প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির কোনো প্রমাণ (মোবাইল মেসেজ, চ্যাট হিস্ট্রি, অডিও রেকর্ড, কোনো চিঠি বা লিখিত চুক্তি) কোনো সাক্ষী (যিনি বা যাঁরা জানতেন যে তাদের মধ্যে বিয়ের কথা চলছিল বা তারা একসাথে সময় কাটিয়েছেন) তদন্ত ও বিচার: মামলার পর পুলিশ তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট বা অভিযোগপত্র জমা দেবে এবং ট্রাইব্যুনাল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পাদন করবেন।

About