@passadobr: Na China, a calistenia é um componente obrigatório do currículo em escolas primárias e secundárias. Esses exercícios, que incluem movimentos rítmicos e sincronizados, são geralmente realizados ao ar livre e em grandes grupos. Essa prática é vista como uma maneira de combater o sedentarismo e promover um estilo de vida saudável entre os jovens. A atividade regular pode melhorar a condição física, a concentração e o bem-estar mental dos estudantes. Além dos benefícios para a saúde, esses exercícios também são valorizados por seu papel na promoção da disciplina e do trabalho em equipe. A sincronização dos movimentos em um grupo grande requer coordenação e cooperação, habilidades consideradas importantes no sistema educacional chinês. O governo chinês leva a sério a implementação desses exercícios. Inspeções não anunciadas nas escolas são realizadas para garantir que os exercícios sejam feitos regularmente. Isso reflete a ênfase do governo na saúde física como parte integrante da educação. Este hábito também está enraizado na cultura chinesa, que valoriza o exercício físico como parte de uma vida equilibrada. Práticas como Tai Chi e Qi Gong, que também enfatizam movimentos corporais controlados e disciplinados, são populares entre todas as idades na China. #passadobr #historia #curiosidades #calistenia #china

PASSADOBR
PASSADOBR
Open In TikTok:
Region: BR
Tuesday 05 March 2024 14:48:41 GMT
2200
54
3
3

Music

Download

Comments

verabrito888
verabrito888 :
🧐
2026-01-17 19:35:20
0
eenzoprogamerkawaiii
Rigel790 :
wtf
2024-03-05 16:08:22
0
To see more videos from user @passadobr, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

PCOS থাকলে বিবাহিত জীবনে যে সমস্যাগুলো আসে....😭 PCOS থাকলে বিবাহিত জীবনে যে সমস্যাগুলো আসে, কেউ খোলামেলা বলে না। আজ আমি বলছি। বিয়ের পর অনেক মেয়ে ভাবে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু PCOS যাদের আছে, তাদের জন্য বিয়ের পরেও লড়াইটা থেকেই যায়। বরং কিছু কিছু জায়গায় আরও কঠিন হয়ে পড়ে। আজকে সেই কথাগুলোই বলবো যেগুলো কেউ বলে না। 👉 প্রথমত, শারীরিক সম্পর্কে ব্যথা: PCOS থাকলে অনেক মেয়ে শারীরিক সম্পর্কের সময় ব্যথা অনুভব করে। হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে শরীর যথেষ্ট প্রস্তুত হয় না। এই ব্যথার কথা স্বামীকে বলতে লজ্জা লাগে, ডাক্তারকে বলতে সংকোচ হয়। ফলে মেয়েটা চুপ করে কষ্ট সহ্য করে যায়। 👉 দ্বিতীয়ত, সন্তান না হওয়ার চাপ: বিয়ের পর পরিবার থেকে সন্তানের জন্য চাপ শুরু হয়। PCOS থাকলে গর্ভধারণ কঠিন হতে পারে, কিন্তু অসম্ভব না। তবুও শাশুড়ি, ননদ, পাড়াপড়শি সবাই মিলে এমন পরিবেশ তৈরি করে যেন মেয়েটার কোনো দোষ আছে। এই মানসিক চাপ PCOS আরও বাড়িয়ে দেয়। 👉 তৃতীয়ত, মেজাজ ওঠানামা এবং সংসারে টানাপোড়েন: PCOS-এর কারণে হরমোন এলোমেলো থাকে। এতে মেজাজ হঠাৎ খারাপ হয়, কান্না আসে বিনা কারণে, ছোট বিষয়ে রাগ হয়। স্বামী বোঝে না কেন এমন হচ্ছে। সে মনে করে মেয়েটা ইচ্ছা করে ঝগড়া করছে। সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়। 👉 চতুর্থত, নিজেকে আকর্ষণীয় মনে না হওয়া: মুখে ব্রণ, শরীরে অতিরিক্ত লোম, চুল পড়া, ওজন বাড়া — এগুলো PCOS-এর সাধারণ লক্ষণ। বিবাহিত জীবনে এসব নিয়ে মেয়েরা নিজেকে ছোট মনে করে। মনে হয় স্বামীর চোখে সে আর সুন্দর না। এই অনুভূতি ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস ভেঙে দেয়। 👉 পঞ্চমত, একা একা সব বহন করা: সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, এই পুরো লড়াইটা মেয়েটাকে একাই করতে হয়। স্বামী পাশে থাকলেও সব বোঝে না। পরিবার সহানুভূতির বদলে চাপ দেয়। বন্ধুরা বিষয়টাকে গুরুত্ব দেয় না। মেয়েটা হাসিমুখে সংসার করে, আর ভেতরে ভেতরে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। যদি তুমি এই কথাগুলো পড়ে নিজেকে চিনতে পারছো, জেনে রাখো — তুমি একা না। #PCOS একটা অসুখ। এটা তোমার দোষ না। এটা তোমার দুর্বলতা না। এই পোস্টটা শেয়ার করো। হয়তো তোমার কাছের কোনো মেয়ে এই কথাগুলো পড়ে একটু হালকা অনুভব করবে। হয়তো কোনো স্বামী বুঝতে পারবে তার স্ত্রী আসলে কতটা কষ্টে আছে।
PCOS থাকলে বিবাহিত জীবনে যে সমস্যাগুলো আসে....😭 PCOS থাকলে বিবাহিত জীবনে যে সমস্যাগুলো আসে, কেউ খোলামেলা বলে না। আজ আমি বলছি। বিয়ের পর অনেক মেয়ে ভাবে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু PCOS যাদের আছে, তাদের জন্য বিয়ের পরেও লড়াইটা থেকেই যায়। বরং কিছু কিছু জায়গায় আরও কঠিন হয়ে পড়ে। আজকে সেই কথাগুলোই বলবো যেগুলো কেউ বলে না। 👉 প্রথমত, শারীরিক সম্পর্কে ব্যথা: PCOS থাকলে অনেক মেয়ে শারীরিক সম্পর্কের সময় ব্যথা অনুভব করে। হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে শরীর যথেষ্ট প্রস্তুত হয় না। এই ব্যথার কথা স্বামীকে বলতে লজ্জা লাগে, ডাক্তারকে বলতে সংকোচ হয়। ফলে মেয়েটা চুপ করে কষ্ট সহ্য করে যায়। 👉 দ্বিতীয়ত, সন্তান না হওয়ার চাপ: বিয়ের পর পরিবার থেকে সন্তানের জন্য চাপ শুরু হয়। PCOS থাকলে গর্ভধারণ কঠিন হতে পারে, কিন্তু অসম্ভব না। তবুও শাশুড়ি, ননদ, পাড়াপড়শি সবাই মিলে এমন পরিবেশ তৈরি করে যেন মেয়েটার কোনো দোষ আছে। এই মানসিক চাপ PCOS আরও বাড়িয়ে দেয়। 👉 তৃতীয়ত, মেজাজ ওঠানামা এবং সংসারে টানাপোড়েন: PCOS-এর কারণে হরমোন এলোমেলো থাকে। এতে মেজাজ হঠাৎ খারাপ হয়, কান্না আসে বিনা কারণে, ছোট বিষয়ে রাগ হয়। স্বামী বোঝে না কেন এমন হচ্ছে। সে মনে করে মেয়েটা ইচ্ছা করে ঝগড়া করছে। সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়। 👉 চতুর্থত, নিজেকে আকর্ষণীয় মনে না হওয়া: মুখে ব্রণ, শরীরে অতিরিক্ত লোম, চুল পড়া, ওজন বাড়া — এগুলো PCOS-এর সাধারণ লক্ষণ। বিবাহিত জীবনে এসব নিয়ে মেয়েরা নিজেকে ছোট মনে করে। মনে হয় স্বামীর চোখে সে আর সুন্দর না। এই অনুভূতি ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস ভেঙে দেয়। 👉 পঞ্চমত, একা একা সব বহন করা: সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, এই পুরো লড়াইটা মেয়েটাকে একাই করতে হয়। স্বামী পাশে থাকলেও সব বোঝে না। পরিবার সহানুভূতির বদলে চাপ দেয়। বন্ধুরা বিষয়টাকে গুরুত্ব দেয় না। মেয়েটা হাসিমুখে সংসার করে, আর ভেতরে ভেতরে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। যদি তুমি এই কথাগুলো পড়ে নিজেকে চিনতে পারছো, জেনে রাখো — তুমি একা না। #PCOS একটা অসুখ। এটা তোমার দোষ না। এটা তোমার দুর্বলতা না। এই পোস্টটা শেয়ার করো। হয়তো তোমার কাছের কোনো মেয়ে এই কথাগুলো পড়ে একটু হালকা অনুভব করবে। হয়তো কোনো স্বামী বুঝতে পারবে তার স্ত্রী আসলে কতটা কষ্টে আছে।

About