@hamzayt0007:

Hamza JuTT 6651
Hamza JuTT 6651
Open In TikTok:
Region: SA
Tuesday 09 April 2024 06:11:48 GMT
220
50
0
1

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @hamzayt0007, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

১) প্রশ্ন: ৪০ দিনের মধ্যে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার না করলে কি নামাজ-রোজা ইত্যাদি কোনও ইবাদত কবুল হবে না? ২) প্রশ্ন: শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করা সম্পর্কে ইসলামের বিধান কি? আমি জানি, ৪০ দিনের মধ্যে পরিষ্কার করতে হয়। তার মানে কি, যদি কোন কারণে ৪০ দিন পার হয়ে যায় তাহলে কি নামাজ, রোজা, কুরআন তেলাওয়াত ইত্যাদি কোনও ইবাদত কবুল হবে না? ১ ও ২ এর উত্তর : নিঃসন্দেহে ইসলাম অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, শুদ্ধ ও পবিত্র জীবনাদর্শের নাম। পাক-পবিত্রতা ইসলামের এক অনন্য গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।  নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একে ঈমানের শাখা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাই ইসলামে, নখ কাটা এবং মোচ, বগল, নাভির নিচের পশম ইত্যাদি শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করার সর্বোচ্চ মেয়াদ ৪০ দিন নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।  এর মধ্যেই তা পরিষ্কার করা সুন্নত। আনাস ইবনে মালেক রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেছেন,
১) প্রশ্ন: ৪০ দিনের মধ্যে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার না করলে কি নামাজ-রোজা ইত্যাদি কোনও ইবাদত কবুল হবে না? ২) প্রশ্ন: শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করা সম্পর্কে ইসলামের বিধান কি? আমি জানি, ৪০ দিনের মধ্যে পরিষ্কার করতে হয়। তার মানে কি, যদি কোন কারণে ৪০ দিন পার হয়ে যায় তাহলে কি নামাজ, রোজা, কুরআন তেলাওয়াত ইত্যাদি কোনও ইবাদত কবুল হবে না? ১ ও ২ এর উত্তর : নিঃসন্দেহে ইসলাম অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, শুদ্ধ ও পবিত্র জীবনাদর্শের নাম। পাক-পবিত্রতা ইসলামের এক অনন্য গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একে ঈমানের শাখা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাই ইসলামে, নখ কাটা এবং মোচ, বগল, নাভির নিচের পশম ইত্যাদি শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করার সর্বোচ্চ মেয়াদ ৪০ দিন নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যেই তা পরিষ্কার করা সুন্নত। আনাস ইবনে মালেক রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেছেন, "গোঁফ ছাটা, নখ কাঁটা, বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা এবং নাভির নিচের লোম ছেঁচে ফেলার জন্যে আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যেন আমরা তা করতে চল্লিশ দিনের অধিক দেরী না করি।” [মুসলিম, অধ্যায়: পাক-পবিত্রতা, হা/৪৮৭] রাসূলুল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 'পাঁচটি জিনিস মানুষের স্বভাবজাত বিষয়: খতনা করা, ক্ষৌরকার্য করা (নাভির নিম্নের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করা), বগলের চুল উপড়ানো, নখ কাটা ও গোঁফ ছোট করা।" [সহিহ বুখারি ও মুসলিম] সুতরাং কেউ যদি অবহেলা বশত: ইচ্ছাকৃত ভাবে এই মেয়াদ অতিক্রম করে তাহলে সে গুনাহগার হবে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, অলসতা, ব্যস্ততা, ভুলে যাওয়া ইত্যাদি কোনও কারণে ৪০ দিনের মধ্যে এগুলো পরিষ্কার করা না হলে নামাজ, রোজা, কুরআন তিলাওয়াত ইত্যাদি কোন এবাদত কবুল হবে না। বরং যথানিয়মে সঠিক পদ্ধতি ইবাদত করা হলে, আশা করা যায় আল্লাহ তাআলা তা কবুল করবেন ইনশাআল্লাহ। অবশ্য, ময়লা জমে পবিত্রতা অর্জনে বিঘ্ন সৃষ্টি করলে তাতে সালাত ও পবিত্রতা সংশ্লিষ্ট ইবাদতগুলো শুদ্ধ হবে না। ৩) প্রশ্ন: নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করার সময় যদি ২/১ টা অবশিষ্ট থেকে যায় তাহলে কি নামাজ হবে? উত্তর: হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ চল্লিশ দিনের মধ্যে ভালোভাবে নাভির নিচের লোম, বগলের পশম (পুরুষদের মোচ) ইত্যাদি পরিষ্কার করা জরুরি। অন্যথায় গুনাহগার হতে হবে। তবে কেউ যদি এ সময়ের মধ্যে অলসতা, ব্যস্ততা, ভুলে যাওয়া ইত্যাদি কোনও কারণে তা না পরিষ্কার করে বা অসতর্কতা বশত: কিছু লোম অবশিষ্ট থেকে যায় তাহলে এ অবস্থায় যথারীতি পবিত্রতা অর্জন করত: সালাত আদায় করলে তাতে সালাতের কোনও ক্ষতি হবে না। তবে ইচ্ছাকৃত যেন এমনটি না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকা কর্তব্য। ৪) প্রশ্ন: নাভির নিচের লোম কি নাপাক? উত্তর : ইসলামে নাভির নিচের লোম, বগলের নিচের পশম, নখ ইত্যাদি পরিষ্কারের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে এবং সর্বোচ্চ ৪০ দিন সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। এর অতিরিক্ত সময় নখ ও শরীরের অতিরিক্ত লোম পরিষ্কার না করা গুনাহ। তবে নখ, চুল, পশম, অতিরিক্ত চামড়া এগুলো নাপাক নয় ইত্যাদি শরীরের উপরিভাগে থাকা জিনিসগুলো নাপাক নয়। কেননা হাদিসে এগুলোকে নাপাক বলা হয় নি। তবে পেশাব, পায়খানা, পুঁজ, প্রবাহিত রক্ত ইত্যাদি শরীরের ভেতর থেকে বাইরে বের হয়ে আসা বস্তু সমূহ নাপাক। ৫) প্রশ্ন: শনিবার ও বুধবার কি চুল কাটা কি নিষেধ? উত্তর : নখ কাটার জন্য বিশেষ কোন দিন, ক্ষণ বা পদ্ধতি সহিহ হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত নয়। হাদিসের নাম দিয়ে এ সংক্রান্ত কিছু কথা সমাজে প্রচলিত আছে। কিন্তু মুহাদ্দিসগণের দৃষ্টিতে এগুলো সব জাল-জঈফ কথা। সুতরাং তাতে বিশ্বাস করা বা সে আলোকে আমল করা বৈধ নয়। বলা হয়ে থাকে, "শনি, ও বুধবার নখ ও চুল কাটা যাবে না। নিশ্চয়ই তা শ্বেত কুষ্ঠ হওয়ার কারণ। ” কিন্তু হাদিসের নামে এটি সম্পূর্ণ বানোয়াট, মিথ্যাচার ও কুসংস্কার পূর্ণ কথা। এই আইডিটা আপনার মহা-উপকারের জন্য। ঘুরে আসবেন এবং Follow দিয়ে রাখবেন ইংশাআল্লাহ্।

About