@kotxdeep: yipe #дерзко #дерзко69 #дипинсмем #дип02 #02дип #DEEPINS #дипинс #deepins #deepins @deepins @derzko69

про100крыса
про100крыса
Open In TikTok:
Region: US
Saturday 13 April 2024 15:03:18 GMT
13898
2580
14
553

Music

Download

Comments

katrin_ka30
★superdetka★ :
это реально так и было на прошлом стриме? 😳
2024-04-13 17:36:21
12
vani345123
MilkyWay :
у вадилы хэппи хаус
2024-04-18 00:54:46
0
cel111nee
Unknøwn Death :
че за стрим?
2024-06-16 11:34:46
0
shirkyl
Angel :
@Фальшивая улибка.
2024-06-21 05:26:59
1
1zg011
1zg011 :
@suffocated
2024-06-24 01:07:32
0
liveralk
゚+.ヽ(≧▽≦)ノ.+゚ :
@flamvik_off мы
2024-04-14 22:17:18
0
l112lfyyy
АХВХ,КЛАССНО ЛЮБЛЮ ВАЙЛДКРАФТ :
@Fludd Yess
2024-06-18 17:46:21
0
fan_yebana
фан никиты :
@Мир>>>
2024-04-25 20:12:54
1
synwooo
Synwo :
@хз
2024-06-30 20:29:53
0
To see more videos from user @kotxdeep, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#foryou #uno #জাতিসংঘের #Tarakrohoman🌾 #“ভাষা নয়, বক্তব্যের বিষয়বস্তুই হোক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু” Tarique Zia Cyber Force-TZCF  . জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা তুলনা ও আলোচনা চলছে। কিন্তু শুধু কে কোন ভাষায় বক্তব্য দিয়েছেন, কিংবা কোন ভিজ্যুয়াল/কার্ড ব্যবহার করা হয়েছে—এসবের মধ্যে আলোচনা সীমাবদ্ধ না রেখে দুই নেতার বক্তব্যে কী ছিল, সেটিই হওয়া উচিত মূল বিষয়। নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ তাঁর বক্তব্যে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও হিমালয় অঞ্চলের জলবায়ু ঝুঁকিকে সামনে রেখে জলবায়ু ন্যায়বিচার, ক্ষয়ক্ষতির অর্থায়ন, দুর্যোগ মোকাবিলা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে জবাবদিহিতা, কর্মসংস্থান ও বৈশ্বিক ব্যবস্থার সংস্কারের বিষয়ও উঠে এসেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যের পরিসর ছিল বিস্তৃত। তিনি বিশ্বশান্তি, যুদ্ধ ও সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধান, ফিলিস্তিনের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, রোহিঙ্গা সংকট, নিরাপদ অভিবাসন, জলবায়ু পরিবর্তন, বহুপাক্ষিকতা, অর্থনীতি, শিক্ষা, নারী ও তরুণদের ক্ষমতায়ন এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে তিনি ১২ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার বাস্তবতা তুলে ধরে মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তাই বালেন্দ্র শাহ ইংরেজিতে বলেছেন, আর তারেক রহমান বাংলায় বলেছেন—এটি তুলনার মূল বিষয় হতে পারে না। ভাষা বক্তব্যের বাহন; বক্তব্যের মূল্যায়ন হওয়া উচিত তার বিষয়বস্তু, বাংলাদেশের স্বার্থে উত্থাপিত দাবিগুলো এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান তুলে ধরার ভিত্তিতে। দুই দেশের বাস্তবতা, জাতীয় অগ্রাধিকার ও আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ এক নয়। তাই দুই নেতার বক্তব্যের বিষয়বস্তুও একরকম হবে—এমন প্রত্যাশার কারণ নেই। একজন যেখানে হিমালয় ও জলবায়ু দুর্যোগকে কেন্দ্র করে কথা বলেছেন, অন্যজন সেখানে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একাধিক জাতীয় ও বৈশ্বিক ইস্যু একসঙ্গে তুলে ধরেছেন। তাই কাউকে মাথায় তুলতে গিয়ে কাউকে ছোট করার প্রয়োজন নেই। জাতিসংঘের মঞ্চে প্রত্যেক রাষ্ট্রই তার নিজস্ব বাস্তবতা, স্বার্থ ও অগ্রাধিকার তুলে ধরবে—এটাই স্বাভাবিক। আলোচনা হোক ভাষা বা কার্ড নিয়ে নয়; আলোচনা হোক বক্তব্যের বিষয়বস্তু, জাতীয় স্বার্থ ও বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে। ... তারেক জিয়া সাইবার ফোর্স–TZCF প্রযুক্তি, ঐক্য, প্রগতি
#foryou #uno #জাতিসংঘের #Tarakrohoman🌾 #“ভাষা নয়, বক্তব্যের বিষয়বস্তুই হোক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু” Tarique Zia Cyber Force-TZCF . জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা তুলনা ও আলোচনা চলছে। কিন্তু শুধু কে কোন ভাষায় বক্তব্য দিয়েছেন, কিংবা কোন ভিজ্যুয়াল/কার্ড ব্যবহার করা হয়েছে—এসবের মধ্যে আলোচনা সীমাবদ্ধ না রেখে দুই নেতার বক্তব্যে কী ছিল, সেটিই হওয়া উচিত মূল বিষয়। নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ তাঁর বক্তব্যে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও হিমালয় অঞ্চলের জলবায়ু ঝুঁকিকে সামনে রেখে জলবায়ু ন্যায়বিচার, ক্ষয়ক্ষতির অর্থায়ন, দুর্যোগ মোকাবিলা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে জবাবদিহিতা, কর্মসংস্থান ও বৈশ্বিক ব্যবস্থার সংস্কারের বিষয়ও উঠে এসেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যের পরিসর ছিল বিস্তৃত। তিনি বিশ্বশান্তি, যুদ্ধ ও সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধান, ফিলিস্তিনের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, রোহিঙ্গা সংকট, নিরাপদ অভিবাসন, জলবায়ু পরিবর্তন, বহুপাক্ষিকতা, অর্থনীতি, শিক্ষা, নারী ও তরুণদের ক্ষমতায়ন এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে তিনি ১২ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার বাস্তবতা তুলে ধরে মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তাই বালেন্দ্র শাহ ইংরেজিতে বলেছেন, আর তারেক রহমান বাংলায় বলেছেন—এটি তুলনার মূল বিষয় হতে পারে না। ভাষা বক্তব্যের বাহন; বক্তব্যের মূল্যায়ন হওয়া উচিত তার বিষয়বস্তু, বাংলাদেশের স্বার্থে উত্থাপিত দাবিগুলো এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান তুলে ধরার ভিত্তিতে। দুই দেশের বাস্তবতা, জাতীয় অগ্রাধিকার ও আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ এক নয়। তাই দুই নেতার বক্তব্যের বিষয়বস্তুও একরকম হবে—এমন প্রত্যাশার কারণ নেই। একজন যেখানে হিমালয় ও জলবায়ু দুর্যোগকে কেন্দ্র করে কথা বলেছেন, অন্যজন সেখানে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একাধিক জাতীয় ও বৈশ্বিক ইস্যু একসঙ্গে তুলে ধরেছেন। তাই কাউকে মাথায় তুলতে গিয়ে কাউকে ছোট করার প্রয়োজন নেই। জাতিসংঘের মঞ্চে প্রত্যেক রাষ্ট্রই তার নিজস্ব বাস্তবতা, স্বার্থ ও অগ্রাধিকার তুলে ধরবে—এটাই স্বাভাবিক। আলোচনা হোক ভাষা বা কার্ড নিয়ে নয়; আলোচনা হোক বক্তব্যের বিষয়বস্তু, জাতীয় স্বার্থ ও বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে। ... তারেক জিয়া সাইবার ফোর্স–TZCF প্রযুক্তি, ঐক্য, প্রগতি

About