@zoeacarty: How does it feel like I’ve been here for months already… #nyc #nycapartment #cameraroll #camerarolldump #weeklyhighlights

Zoë
Zoë
Open In TikTok:
Region: US
Monday 03 June 2024 14:59:50 GMT
1746
77
2
0

Music

Download

Comments

shaygranville
Shay Granville :
i’m not that nosy -
2024-06-03 19:03:15
0
To see more videos from user @zoeacarty, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

Hide and seek | s2 | part-100 Tae হুট করে y/nএর দিকে তাকাতেই y/nএর কাশি উঠে গেলো। শখের পুরুষের চাহনি দেখে এভাবে বিষম খেতে হয় বুঝি?   Y/nএর কাশি ক্রমশ বাড়ছে। Tae অস্থির হয়ে তাড়াতাড়ি করে উঠে দাড়িয়ে পানির গ্লাস নিয়ে y/nএর পাশে গিয়ে বসে। নিজ হাতে y/nকে পানি খাইয়ে দেয় Tae। এরপর y/n পিঠে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলে,  Tae : তুমি ঠিক আছো?  Y/n বুকে হাত দিয়ে হাপাতে হাপাতে বলে,  Y/n : হুম।  Tae : এতো দুর্বল তো তুমি ছিলে না y/n, হটাৎ তোমার এমন হয়ে যাওয়ার রহস্যটা কি বলতো!  Y/n চুপ করে বসে রইলো। কিন্তু Tae চুপ রইলো না। y/nএর গা ঘেঁষে তার ঘনিষ্ঠ হওয়ার প্রচেষ্টায় মগ্ন হয়ে গেলো Tae! Y/n ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে। পেছোতে পেছোতে খাটের মাথার সাথে পিঠ লেগে গেলো তার। Taeও খুব চঞ্চল গতিতে y/nকে দুহাতের মধ্যে আবদ্ধ করে নিলো।  Tae : এতোক্ষণ তো আমার অ্যাটেনশন পাওয়ার জন্য ভেতরে ভেতরে জ্বলে যাচ্ছিলে। এখন যখন কাছে আসছি দূরে যাচ্ছো কেন?  Y/n : আপনাকে কে বলেছে আমি আপনার অ্যাটেনশন পেতে চাচ্ছিলাম। ( চোখ উল্টিয়ে)  Tae : তুমি কি জানো? তোমার মনের কথা তোমার দুটো চোখে লেখা থাকে। তোমার চোখ পড়ার জন্য আমার দুটো চোখই যথেষ্ট। কিছুক্ষণ আগেই আমাদের চোখাচোখি হয়েছিলো, ভুলে গেছো?  Y/n : আপনার কাজ শেষ করুন।  Tae : এখন আমি পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটাই করতে যাচ্ছি। একদম বাধা দিবে না।  __ গভীর রাত। একদল লোক বিভিন্ন যন্ত্রপাতি নিয়ে নর্তকী মহলের প্রবেশদ্বার দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলো।  মহলের পাশে ঘুমন্ত দেহরক্ষীরা পড়ে আছে। দলের একজন লোক ভয়ে ভয়ে মহলের দরজায় টোকা দিলো। বেশ কিছুক্ষণ পর y/n2 দরজা খুলে নিশ্চিত করলো প্রত্যেকেই গভীর ঘুমে।  এরপর লোকগুলো একটা নকশা বের করে কয়েকটি নির্দিষ্ট জায়গায় মাটি খুঁড়া শুরু করলো। সংখ্যায় লোক ছিলো অনেক। সারারাত কাজ করেছে তারা। সুরঙ্গ খুঁড়ার কাজ।  পরদিন সকালে মাথা ঝিমঝিম অবস্থায় প্রত্যেকের ঘুম ভাঙে। কিন্তু কেউ বিষয়টা তেমন একটা পাত্তা দেয়নি । কিন্তু হুট করেই সবাই অসুস্থ হয়ে পড়লো কেন, বিষয়টা একটু রহস্যজনক লাগছে বেগমজানের কাছে।  কিন্তু এখন আপাততঃ তাকে চুপ থাকতে হবে।কেননা মুখ খুললেই তাকে বিশাল বড় লোকশানের মুখোমুখি হতে হবে।  খুব স্বাভাবিক ভাবেই কেটে গেলো দিনটা। চারিদিকের পরিবেশটা যেন স্তব্ধ হয়ে আছে। একদম নিরব। ঝড় আসার আগে প্রকৃতি যেমন নিরবতা পালন করে ঠিক তেমন। ঝড়ই তো আসছে! সে বিষয়ে নিশ্চিত সবাই। কিন্তু এই ঝড়ে কাদের বিনাশ ঘটবে?  সেদিন রাতেও একই কাহিনী। মহলের সবাই গভীর ঘুমে! গভীর রাতে গ্ৰিল মেশিনের শব্দে আশে পাশের কিছু স্থানীয় মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে। কিন্তু কেউই ঘরের বাইরে বের হওয়ার সাহস পেলোনা। কেননা ঘরের বাইরেই পতি* তালয়। সেই জায়গায় যদি স্বর্ণের পাহাড়ও বের হয় মানুষ এক খন্ড স্বর্ণের লোভে ওইরকম অপবিত্র জায়গায় পা ফেলতে চাইবে না। ধ্বং* স হয়ে যাক পুরোনো নর্তকী মহল তাতে কারো কিছু যায় আসে না।  _ পরের দিন সকাল বেলা। ঘরের জানালা দিয়ে সূর্য উদয় হওয়া দেখছে y/n2! সূর্যটা আজ মনে হয় বেশিই উত্তপ্ত দেখাচ্ছে। কিন্তু স্বাভাবিক নজরে তাকালে তেমন কিছুই না। আজ অনেক কিছু ঘুরপাক খাচ্ছে y/n2 এর মাথায়। সবকিছু তো তাদের পরিকল্পনা মতোই হচ্ছে। সবকিছুই তো তাদের আয়ত্তে। তাহলে মনের ভেতর অজানা ভয় কেন কাজ করছে?  বেগমজান বলেছিলো, y/nএর আজরাইল আসবে। সত্যিই কি কোনো মৃত্যুদূত আসবে। মৃত্যুদূতকে দেখে y/n2 এর কেমন ভান করা উচিত। সে তো মৃত্যুকে ভয় পায়না।  নানান কথা ভাবছে y/n2! আজ নর্তকী মহলে বিশেষ আয়োজন করা হচ্ছে। মেয়েরা বলছে বিশেষ অথিতি আসবে। মহলের মূল ফটকের সামনে লাল কার্পেট বিছানো হয়েছে তার জন্য।  কয়েকজন মেয়ে হাতে জমকালো পোশাক আর গহনা নিয়ে হাজির হয় y/n2এর রুমে। পেছনে বেগমজান। বেগমজান চোখ খুলে তাকাতে পারছে না অথচ মুখে বেশ ধারালো আওয়াজ বের করেই বলে উঠলো,  বেগমজান :সেজেগুজে তারাতারি নিচে চলে আয়। তোর তেজ কমানোর লোক আসছে।  Y/n2 ঠোঁট বাকিয়ে হাসলো!  কিছু বললো না। নিজেকে আরও বেশি শক্ত করে নিলো। বাহিরে হিডেন ক্যামেরা লাগানো হয়েছে ,যেই আসুক না কেন, Jimin আর Tae সবটা দেখবে। এই ভেবে স্বস্তির শ্বাস ফেললো y/n2 !  Jimin ছদ্মবেশে মহলের আশে পাশেই আছে। Tae বাড়িতে বসে ল্যাপটপের সামনে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। এক সেকেন্ডের জন্যেও নজর অন্যদিকে সরানো যাবে না।  কিছুসময় পর একটা কালো রঙের মার্সিডিজ car নর্তকী মহলের ভেতর প্রবেশ করলো। চোখে কালো সানগ্লাস, কালো রঙের কোট, শার্ট,প্যান্ট পরিহিত একজন যুবক নামলো গাড়ি থেকে।  গাড়ি থেকে নেমেই মহলের দিকে চোখ বুলিয়ে ঠোট বাকিয়ে  হাসলো লোকটা।  ল্যাপটপের মনিটরে সবটা দেখছে Taehyung । হুবহু Jungkookএর মতো দেখতে লোকটাকে দেখে হতভম্ব সে। হুট করেই Taeএর বুকে ধুকপুকানি শুরু হলো, শ্বাস ভারী হয়ে আসছে, মাথা চেপে ধরে আনমনে বলে উঠলো,  Tae : এটা কি করে সম্ভব! _
Hide and seek | s2 | part-100 Tae হুট করে y/nএর দিকে তাকাতেই y/nএর কাশি উঠে গেলো। শখের পুরুষের চাহনি দেখে এভাবে বিষম খেতে হয় বুঝি? Y/nএর কাশি ক্রমশ বাড়ছে। Tae অস্থির হয়ে তাড়াতাড়ি করে উঠে দাড়িয়ে পানির গ্লাস নিয়ে y/nএর পাশে গিয়ে বসে। নিজ হাতে y/nকে পানি খাইয়ে দেয় Tae। এরপর y/n পিঠে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলে, Tae : তুমি ঠিক আছো? Y/n বুকে হাত দিয়ে হাপাতে হাপাতে বলে, Y/n : হুম। Tae : এতো দুর্বল তো তুমি ছিলে না y/n, হটাৎ তোমার এমন হয়ে যাওয়ার রহস্যটা কি বলতো! Y/n চুপ করে বসে রইলো। কিন্তু Tae চুপ রইলো না। y/nএর গা ঘেঁষে তার ঘনিষ্ঠ হওয়ার প্রচেষ্টায় মগ্ন হয়ে গেলো Tae! Y/n ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে। পেছোতে পেছোতে খাটের মাথার সাথে পিঠ লেগে গেলো তার। Taeও খুব চঞ্চল গতিতে y/nকে দুহাতের মধ্যে আবদ্ধ করে নিলো। Tae : এতোক্ষণ তো আমার অ্যাটেনশন পাওয়ার জন্য ভেতরে ভেতরে জ্বলে যাচ্ছিলে। এখন যখন কাছে আসছি দূরে যাচ্ছো কেন? Y/n : আপনাকে কে বলেছে আমি আপনার অ্যাটেনশন পেতে চাচ্ছিলাম। ( চোখ উল্টিয়ে) Tae : তুমি কি জানো? তোমার মনের কথা তোমার দুটো চোখে লেখা থাকে। তোমার চোখ পড়ার জন্য আমার দুটো চোখই যথেষ্ট। কিছুক্ষণ আগেই আমাদের চোখাচোখি হয়েছিলো, ভুলে গেছো? Y/n : আপনার কাজ শেষ করুন। Tae : এখন আমি পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটাই করতে যাচ্ছি। একদম বাধা দিবে না। __ গভীর রাত। একদল লোক বিভিন্ন যন্ত্রপাতি নিয়ে নর্তকী মহলের প্রবেশদ্বার দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলো। মহলের পাশে ঘুমন্ত দেহরক্ষীরা পড়ে আছে। দলের একজন লোক ভয়ে ভয়ে মহলের দরজায় টোকা দিলো। বেশ কিছুক্ষণ পর y/n2 দরজা খুলে নিশ্চিত করলো প্রত্যেকেই গভীর ঘুমে। এরপর লোকগুলো একটা নকশা বের করে কয়েকটি নির্দিষ্ট জায়গায় মাটি খুঁড়া শুরু করলো। সংখ্যায় লোক ছিলো অনেক। সারারাত কাজ করেছে তারা। সুরঙ্গ খুঁড়ার কাজ। পরদিন সকালে মাথা ঝিমঝিম অবস্থায় প্রত্যেকের ঘুম ভাঙে। কিন্তু কেউ বিষয়টা তেমন একটা পাত্তা দেয়নি । কিন্তু হুট করেই সবাই অসুস্থ হয়ে পড়লো কেন, বিষয়টা একটু রহস্যজনক লাগছে বেগমজানের কাছে। কিন্তু এখন আপাততঃ তাকে চুপ থাকতে হবে।কেননা মুখ খুললেই তাকে বিশাল বড় লোকশানের মুখোমুখি হতে হবে। খুব স্বাভাবিক ভাবেই কেটে গেলো দিনটা। চারিদিকের পরিবেশটা যেন স্তব্ধ হয়ে আছে। একদম নিরব। ঝড় আসার আগে প্রকৃতি যেমন নিরবতা পালন করে ঠিক তেমন। ঝড়ই তো আসছে! সে বিষয়ে নিশ্চিত সবাই। কিন্তু এই ঝড়ে কাদের বিনাশ ঘটবে? সেদিন রাতেও একই কাহিনী। মহলের সবাই গভীর ঘুমে! গভীর রাতে গ্ৰিল মেশিনের শব্দে আশে পাশের কিছু স্থানীয় মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে। কিন্তু কেউই ঘরের বাইরে বের হওয়ার সাহস পেলোনা। কেননা ঘরের বাইরেই পতি* তালয়। সেই জায়গায় যদি স্বর্ণের পাহাড়ও বের হয় মানুষ এক খন্ড স্বর্ণের লোভে ওইরকম অপবিত্র জায়গায় পা ফেলতে চাইবে না। ধ্বং* স হয়ে যাক পুরোনো নর্তকী মহল তাতে কারো কিছু যায় আসে না। _ পরের দিন সকাল বেলা। ঘরের জানালা দিয়ে সূর্য উদয় হওয়া দেখছে y/n2! সূর্যটা আজ মনে হয় বেশিই উত্তপ্ত দেখাচ্ছে। কিন্তু স্বাভাবিক নজরে তাকালে তেমন কিছুই না। আজ অনেক কিছু ঘুরপাক খাচ্ছে y/n2 এর মাথায়। সবকিছু তো তাদের পরিকল্পনা মতোই হচ্ছে। সবকিছুই তো তাদের আয়ত্তে। তাহলে মনের ভেতর অজানা ভয় কেন কাজ করছে? বেগমজান বলেছিলো, y/nএর আজরাইল আসবে। সত্যিই কি কোনো মৃত্যুদূত আসবে। মৃত্যুদূতকে দেখে y/n2 এর কেমন ভান করা উচিত। সে তো মৃত্যুকে ভয় পায়না। নানান কথা ভাবছে y/n2! আজ নর্তকী মহলে বিশেষ আয়োজন করা হচ্ছে। মেয়েরা বলছে বিশেষ অথিতি আসবে। মহলের মূল ফটকের সামনে লাল কার্পেট বিছানো হয়েছে তার জন্য। কয়েকজন মেয়ে হাতে জমকালো পোশাক আর গহনা নিয়ে হাজির হয় y/n2এর রুমে। পেছনে বেগমজান। বেগমজান চোখ খুলে তাকাতে পারছে না অথচ মুখে বেশ ধারালো আওয়াজ বের করেই বলে উঠলো, বেগমজান :সেজেগুজে তারাতারি নিচে চলে আয়। তোর তেজ কমানোর লোক আসছে। Y/n2 ঠোঁট বাকিয়ে হাসলো! কিছু বললো না। নিজেকে আরও বেশি শক্ত করে নিলো। বাহিরে হিডেন ক্যামেরা লাগানো হয়েছে ,যেই আসুক না কেন, Jimin আর Tae সবটা দেখবে। এই ভেবে স্বস্তির শ্বাস ফেললো y/n2 ! Jimin ছদ্মবেশে মহলের আশে পাশেই আছে। Tae বাড়িতে বসে ল্যাপটপের সামনে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। এক সেকেন্ডের জন্যেও নজর অন্যদিকে সরানো যাবে না। কিছুসময় পর একটা কালো রঙের মার্সিডিজ car নর্তকী মহলের ভেতর প্রবেশ করলো। চোখে কালো সানগ্লাস, কালো রঙের কোট, শার্ট,প্যান্ট পরিহিত একজন যুবক নামলো গাড়ি থেকে। গাড়ি থেকে নেমেই মহলের দিকে চোখ বুলিয়ে ঠোট বাকিয়ে হাসলো লোকটা। ল্যাপটপের মনিটরে সবটা দেখছে Taehyung । হুবহু Jungkookএর মতো দেখতে লোকটাকে দেখে হতভম্ব সে। হুট করেই Taeএর বুকে ধুকপুকানি শুরু হলো, শ্বাস ভারী হয়ে আসছে, মাথা চেপে ধরে আনমনে বলে উঠলো, Tae : এটা কি করে সম্ভব! _

About