@evelyncarver79: Embrace the new week with courage and determination. Set your goals high, and remember, you are stronger than you think. Let’s conquer this together! #motivation #monday

EvelynIsHere
EvelynIsHere
Open In TikTok:
Region: US
Monday 26 August 2024 11:31:57 GMT
242
20
10
1

Music

Download

Comments

emily.barnhill6
Emily Barnhill :
Happy Monday! Let’s tackle this week 👌
2024-08-26 23:46:16
1
thejoysofus
Joy2dawrld🌟 :
HAPPY MONDAY.... LETSSSS GOOO🤸🏾‍♀️🤸🏾‍♀️💪🏾
2024-08-26 14:36:39
1
jennandbeth
Jenn&BethDuo :
Happy Monday !
2024-08-26 12:56:48
1
konainsfashion22
𝙆𝙊𝙉𝘼𝙄𝙉'𝙎.𝙁𝘼𝙎𝙃𝙄𝙊𝙉 :
@konains.fashion | BRAND MANAGER:Hi there! ✨🥰 you’ve piqued our interest! I'm Luna , Brand Manager of KONAINS . We're specializing in fashion jewelry brand! Want quality freebies? Message us for more
2024-08-26 13:36:54
0
joshcarver950
GrumpyVeteran :
123 go
2024-08-26 12:25:58
0
To see more videos from user @evelyncarver79, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

Part 16 | #❀প্রেম_আমার❀ | Part-16 [পাশ থেকে Jimin টিপ্পনি কেটে বলল— 𝐉𝐢𝐦𝐢𝐧: ভাই, আপনি প্রেমে পড়ার ২ নাম্বার স্টেজে আছেন, এটা কিন্তু ফাইনাল। রাজু টিপ্পনি কেটে বলল - -‘ভাই আজকাল দাড়ি না উঠা পোলাপান প্রেম করতেসে, আর আপনি কিনা প্রেম স্বীকার করতেই ভয় পাচ্ছেন? Taehyung ভ্রু কুচকে ফেলল, বলল — 𝐓𝐚𝐞𝐡𝐲𝐮𝐧𝐠: আমি ভয় পাচ্ছি? রাজু হেসে হেসেই বললো— -‘ হ্যা, পাচ্ছেনই তো। 𝐓𝐚𝐞𝐡𝐲𝐮𝐧𝐠: তোরে তো আমি—Taehyung তেড়ে গেল রাজুর দিকে। রাজু দৌড় লাগাল। Taehyung ধরতে পেলে মান-ইজ্জত থাকবে না আর। রাস্তায়ই ধরে মাইর লাগাবে। তখন হোস্টেলে যাচ্ছে Yn। ও কাঁধের ব্যাগ একহাতে চেপে অপরহাতে ফোনে কথা বলতে বলতে হাঁটছিল। Taehyung দৌড়ের সময় ওকে লক্ষ্য করেনি, Yn ফোনে কথা বলছিল দেখে ও Taehyung কে খেয়াল করেনই। তারপর; তারপর দুজনেই খেলো ধাক্কা একটা। Yn’র ফোন ছিটকে পরলো রাস্তায়। ও চোখ বড়বড় করে, টাল হারিয়ে পরে যেতে নিচ্ছিল। তবে সামলে নিল Taehyung।কৌশলে একহাতে চেপে ধরলো ওর পিঠ, অপরহাতে পাশে থাকা গাছ ধরে নিজেকেও একইসঙ্গে পরে যাওয়া থেকে আটকে ফেলল। Yn তখন হাতের আঙুল দিয়ে খামচে ধরেছে Taehyung এর বুকের কাছের টিশার্ট। Taehyung অবাক চোখে দেখে যাচ্ছে Ynকে, Yn’র আতঙ্কে নীল হয়ে যাওয়া মুখটি। ওর নাক, ওর তিরতির করে কেপে উঠা ঠোঁট, কুঁচকানো দুই চোখ! সবকিছুই, সবকিছু মারাত্মক ভাবে গ্রাস করে নিল শক্ত-পাথর মজার Kim Taehyung কে। Taehyung অনুভব করলো, ওর বুক কাঁপছে, ওর শ্বাস-প্রশ্বাস বেড়ে যাচ্ছে। ও স্বাভাবিক নয় ভেতরে ভেতরে, সবটাই Taehyung’র নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। Taehyung; Kim Taehyung সম্ভবত ফেঁসে গেছে। Yn আশেপাশে ভয়েভয়ে তাকাল, কেউ কি দেখে নিয়েছে? না, কেউই দেখেনি। ও স্বস্থির শ্বাস ফেলল, তারপর চোখ-মুখ খিঁচে Taehyung’র বুকে ধাক্কা দিলো, Taehyung বুঝতে পেরে সাথেসাথেই ছেড়ে দিল Ynকে। দুজনেই সোজা হয়ে দাঁড়াল। Yn আর Taehyung’র দিকে একবারও তাকাল না। ও রাস্তায় আশেপাশে খুঁজতে লাগলো কিছু। রাস্তার একপাশে ভেঙেচুড়ে পরে থাকা ফোনটা দেখতে পেলো। ভাঙা ফোন হাতে তুলে Yn’র মনটাই খারাপ হয়ে গেল। ও একবার Taehyung’র দিকে চেয়ে পরপর চোখ গড়িয়ে নিয়ে ফোন হাতে উঠে দাঁড়াল। Taehyung Yn’র মন বুঝে আগ বাড়িয়ে বললো- 𝐓𝐚𝐞𝐡𝐲𝐮𝐧𝐠: ভেঙ্গে গেছে না? আমি এটার ক্ষতিপূরণ- 𝐘𝐧: না।-Yn এর সঙ্গেসঙ্গে জবাব দিয়ে দিল। ও চায়না; Taehyung’র সঙ্গে এভাবে বারবার, বারবার কোনো না কোনোভাবে ওর দেখা হোক। Yn কখনোই চাইবে না; যার জন্যে Yn’র মন বারবার বেইমানি করে কিছু একটা অনুভব করে, তার চোখে-চোখ মেলাতে। Yn ঠিক করেছে, ও আজ থেকে এড়িয়ে যাবে Taehyung কে। যতটা পারা যায়, চোখে চোখ মেলাবে না। চোখে চোখ মেলালেই ওর বিপদ,ঘোর বিপদ! Yn তারপর Taehyung’র দিকে আর একবারও তাকাল না, দ্রুত ওকে এড়িয়ে পাশ কাটিয়ে হেঁটে গেল। Taehyung আহাম্মক হয়ে Yn’র কাজগুলো দেখে গেল। মেয়েটার হুট করে হয়েছেটা কি ও বুঝতে পারল না। Yn চলে যেতেই রাজু এবার দূর থেকে এগিয়ে এলো Taehyung’র দিকে। দুজনেই একীশঙ্গে Yn’র যাওয়ার দিকে চেয়ে আছে, রাজু নিজে এবার কিছুটা অবাক হয়ে বললো- -‘ Taehyung ভাই; ভাবি কি পালিয়ে গেল তোমার থেকে? Taehyung ভ্রু কুচকালো, সেভাবেই Yn এর যাওয়ার দিকে চেয়ে দেখতে দেখতে প্রশ্ন করে বললো- 𝐓𝐚𝐞𝐡𝐲𝐮𝐧𝐠: এটা পালানো ছিলো? রাজু সায় দিয়ে বললো- -‘ পালানোই তো। আমার সিক্স সেন্স বলছে, ভাবি আজকের পর তোমার মুখোমুখি আর হবে না। Taehyung নিজের মধ্যে হয়তো নেই, ও বোকার মতো প্রশ্ন করে বসে- 𝐓𝐚𝐞𝐡𝐲𝐮𝐧𝐠: কেন? ও আমার মুখোমুখি কেন হবে না? রাজু একের পর এক Taehyung এর অবিশ্বাস্য প্রশ্ন শুনে নিজেই হতবম্ব হয়ে গেল। ও এবার Taehyung এর হাত ঝাঁকিয়ে বলল — -‘ ভাই, আপনি ঠিকাছেন? Taehyung সম্বিত ফিরে পেল এবার। ও এসব কি সস্তা কথা বলছে? Kim Taehyung’র বৈশিষ্টের সঙ্গে এসব যায়না। তাই Taehyung চোখ সরিয়ে রাজুর দিকে চেয়ে আবার মুখটা গম্ভীর করার চেষ্টা করে, গলা খাকারি দিয়ে পুনরায় নিজের ফর্মে ফেরার চেষ্টা করল। ____________________ সকাল থেকে খালিপেটে বেরিয়েছিলো Yn। দুপুরের দিকে এবার ক্ষুদায় পেট চো-চো করতে শুরু করে দিয়েছে। তাই ক্লাসের ফাঁকে একবার ব্রেক পেয়ে ক্যান্টিনে এসে বসেছে, সিঙারা আর চা অর্ডার দিয়েছে। হঠাৎ Yn’র সামনে এসে বসে পড়ল Taehyungদের ক্লাসের এক ছেলে। Yn ভরকে গিয়ে বড়বড় চোখে তাকাল ছেলেটার দিকে। ছেলেটা ওর দিকে হেসে তাকাল। পরিচিত হওয়ার জন্যে হ্যান্ডশেকের জন্যে একহাত বাড়িয়ে দিয়ে হালকা হেসে বললো — -‘ হ্যালো Y/n, আমি তন্ময়। Yn তন্ময়ের বাড়িয়ে দেওয়া হাতের দিকে তাকালো। হ্যান্ডশেক করাও কি এই ঢাকা শহরে ভীষণ স্বাভাবিক? 𝐓𝐨 𝐛𝐞 𝐜𝐨𝐧𝐭𝐢𝐧𝐮𝐞𝐝 300 cp…id freezed🙂 #taehyungff #fyppppppppppppppppppppppp #unfreezemyacount #foryoupageofficiall #copylinks
Part 16 | #❀প্রেম_আমার❀ | Part-16 [পাশ থেকে Jimin টিপ্পনি কেটে বলল— 𝐉𝐢𝐦𝐢𝐧: ভাই, আপনি প্রেমে পড়ার ২ নাম্বার স্টেজে আছেন, এটা কিন্তু ফাইনাল। রাজু টিপ্পনি কেটে বলল - -‘ভাই আজকাল দাড়ি না উঠা পোলাপান প্রেম করতেসে, আর আপনি কিনা প্রেম স্বীকার করতেই ভয় পাচ্ছেন? Taehyung ভ্রু কুচকে ফেলল, বলল — 𝐓𝐚𝐞𝐡𝐲𝐮𝐧𝐠: আমি ভয় পাচ্ছি? রাজু হেসে হেসেই বললো— -‘ হ্যা, পাচ্ছেনই তো। 𝐓𝐚𝐞𝐡𝐲𝐮𝐧𝐠: তোরে তো আমি—Taehyung তেড়ে গেল রাজুর দিকে। রাজু দৌড় লাগাল। Taehyung ধরতে পেলে মান-ইজ্জত থাকবে না আর। রাস্তায়ই ধরে মাইর লাগাবে। তখন হোস্টেলে যাচ্ছে Yn। ও কাঁধের ব্যাগ একহাতে চেপে অপরহাতে ফোনে কথা বলতে বলতে হাঁটছিল। Taehyung দৌড়ের সময় ওকে লক্ষ্য করেনি, Yn ফোনে কথা বলছিল দেখে ও Taehyung কে খেয়াল করেনই। তারপর; তারপর দুজনেই খেলো ধাক্কা একটা। Yn’র ফোন ছিটকে পরলো রাস্তায়। ও চোখ বড়বড় করে, টাল হারিয়ে পরে যেতে নিচ্ছিল। তবে সামলে নিল Taehyung।কৌশলে একহাতে চেপে ধরলো ওর পিঠ, অপরহাতে পাশে থাকা গাছ ধরে নিজেকেও একইসঙ্গে পরে যাওয়া থেকে আটকে ফেলল। Yn তখন হাতের আঙুল দিয়ে খামচে ধরেছে Taehyung এর বুকের কাছের টিশার্ট। Taehyung অবাক চোখে দেখে যাচ্ছে Ynকে, Yn’র আতঙ্কে নীল হয়ে যাওয়া মুখটি। ওর নাক, ওর তিরতির করে কেপে উঠা ঠোঁট, কুঁচকানো দুই চোখ! সবকিছুই, সবকিছু মারাত্মক ভাবে গ্রাস করে নিল শক্ত-পাথর মজার Kim Taehyung কে। Taehyung অনুভব করলো, ওর বুক কাঁপছে, ওর শ্বাস-প্রশ্বাস বেড়ে যাচ্ছে। ও স্বাভাবিক নয় ভেতরে ভেতরে, সবটাই Taehyung’র নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। Taehyung; Kim Taehyung সম্ভবত ফেঁসে গেছে। Yn আশেপাশে ভয়েভয়ে তাকাল, কেউ কি দেখে নিয়েছে? না, কেউই দেখেনি। ও স্বস্থির শ্বাস ফেলল, তারপর চোখ-মুখ খিঁচে Taehyung’র বুকে ধাক্কা দিলো, Taehyung বুঝতে পেরে সাথেসাথেই ছেড়ে দিল Ynকে। দুজনেই সোজা হয়ে দাঁড়াল। Yn আর Taehyung’র দিকে একবারও তাকাল না। ও রাস্তায় আশেপাশে খুঁজতে লাগলো কিছু। রাস্তার একপাশে ভেঙেচুড়ে পরে থাকা ফোনটা দেখতে পেলো। ভাঙা ফোন হাতে তুলে Yn’র মনটাই খারাপ হয়ে গেল। ও একবার Taehyung’র দিকে চেয়ে পরপর চোখ গড়িয়ে নিয়ে ফোন হাতে উঠে দাঁড়াল। Taehyung Yn’র মন বুঝে আগ বাড়িয়ে বললো- 𝐓𝐚𝐞𝐡𝐲𝐮𝐧𝐠: ভেঙ্গে গেছে না? আমি এটার ক্ষতিপূরণ- 𝐘𝐧: না।-Yn এর সঙ্গেসঙ্গে জবাব দিয়ে দিল। ও চায়না; Taehyung’র সঙ্গে এভাবে বারবার, বারবার কোনো না কোনোভাবে ওর দেখা হোক। Yn কখনোই চাইবে না; যার জন্যে Yn’র মন বারবার বেইমানি করে কিছু একটা অনুভব করে, তার চোখে-চোখ মেলাতে। Yn ঠিক করেছে, ও আজ থেকে এড়িয়ে যাবে Taehyung কে। যতটা পারা যায়, চোখে চোখ মেলাবে না। চোখে চোখ মেলালেই ওর বিপদ,ঘোর বিপদ! Yn তারপর Taehyung’র দিকে আর একবারও তাকাল না, দ্রুত ওকে এড়িয়ে পাশ কাটিয়ে হেঁটে গেল। Taehyung আহাম্মক হয়ে Yn’র কাজগুলো দেখে গেল। মেয়েটার হুট করে হয়েছেটা কি ও বুঝতে পারল না। Yn চলে যেতেই রাজু এবার দূর থেকে এগিয়ে এলো Taehyung’র দিকে। দুজনেই একীশঙ্গে Yn’র যাওয়ার দিকে চেয়ে আছে, রাজু নিজে এবার কিছুটা অবাক হয়ে বললো- -‘ Taehyung ভাই; ভাবি কি পালিয়ে গেল তোমার থেকে? Taehyung ভ্রু কুচকালো, সেভাবেই Yn এর যাওয়ার দিকে চেয়ে দেখতে দেখতে প্রশ্ন করে বললো- 𝐓𝐚𝐞𝐡𝐲𝐮𝐧𝐠: এটা পালানো ছিলো? রাজু সায় দিয়ে বললো- -‘ পালানোই তো। আমার সিক্স সেন্স বলছে, ভাবি আজকের পর তোমার মুখোমুখি আর হবে না। Taehyung নিজের মধ্যে হয়তো নেই, ও বোকার মতো প্রশ্ন করে বসে- 𝐓𝐚𝐞𝐡𝐲𝐮𝐧𝐠: কেন? ও আমার মুখোমুখি কেন হবে না? রাজু একের পর এক Taehyung এর অবিশ্বাস্য প্রশ্ন শুনে নিজেই হতবম্ব হয়ে গেল। ও এবার Taehyung এর হাত ঝাঁকিয়ে বলল — -‘ ভাই, আপনি ঠিকাছেন? Taehyung সম্বিত ফিরে পেল এবার। ও এসব কি সস্তা কথা বলছে? Kim Taehyung’র বৈশিষ্টের সঙ্গে এসব যায়না। তাই Taehyung চোখ সরিয়ে রাজুর দিকে চেয়ে আবার মুখটা গম্ভীর করার চেষ্টা করে, গলা খাকারি দিয়ে পুনরায় নিজের ফর্মে ফেরার চেষ্টা করল। ____________________ সকাল থেকে খালিপেটে বেরিয়েছিলো Yn। দুপুরের দিকে এবার ক্ষুদায় পেট চো-চো করতে শুরু করে দিয়েছে। তাই ক্লাসের ফাঁকে একবার ব্রেক পেয়ে ক্যান্টিনে এসে বসেছে, সিঙারা আর চা অর্ডার দিয়েছে। হঠাৎ Yn’র সামনে এসে বসে পড়ল Taehyungদের ক্লাসের এক ছেলে। Yn ভরকে গিয়ে বড়বড় চোখে তাকাল ছেলেটার দিকে। ছেলেটা ওর দিকে হেসে তাকাল। পরিচিত হওয়ার জন্যে হ্যান্ডশেকের জন্যে একহাত বাড়িয়ে দিয়ে হালকা হেসে বললো — -‘ হ্যালো Y/n, আমি তন্ময়। Yn তন্ময়ের বাড়িয়ে দেওয়া হাতের দিকে তাকালো। হ্যান্ডশেক করাও কি এই ঢাকা শহরে ভীষণ স্বাভাবিক? 𝐓𝐨 𝐛𝐞 𝐜𝐨𝐧𝐭𝐢𝐧𝐮𝐞𝐝 300 cp…id freezed🙂 #taehyungff #fyppppppppppppppppppppppp #unfreezemyacount #foryoupageofficiall #copylinks

About