@moshpit_barbie: Now apart of my daily ritual #fyp

Moshpit_barbie
Moshpit_barbie
Open In TikTok:
Region: US
Wednesday 25 September 2024 02:34:11 GMT
1634
7
0
1

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @moshpit_barbie, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#প্রার্থনার_আড়ালে  Part-48 ~~~ Pov: বাংলাদেশে থাকাটা Avro''র জন্য অসহনীয় হয়ে উঠেছিল।সেখানে ঘরের প্রতিটি জায়গা,প্রতিটি আসবাবপত্র,প্রতিটি স্মৃতি তাকে Aurora-র কথা মনে করিয়ে দেয়।যেখানে তাকাতো, সেখানেই যেন Aurora-কে দেখতে পেত।দিন দিন মানসিক রোগী হয়ে যাচ্ছিলো সে।তাই mr.Chowdhury আমেরিকা পাঠিয়ে দিয়েছেন।avro'ও একপ্রকার পালিয়ে এসেছে এখানে কিন্তু দেশ থেকে নয় স্মৃতি থেকে পালানোর চেষ্টা করেছে সে।যদিও স্মৃতি থেকে কখনো পালানো যায় না। এই শহরেই সে প্রথম নিজের ব্যবসা শুরু করেছিল।নিজের স্বপ্ন গড়েছিল।আর আবার এখানেই ফিরে এসেছে।কাজে নিজেকে ডুবিয়ে রাখছে।দিন-রাত অফিস করছে।নিজেকে ব্যস্ত রাখছে।যাতে মাথায় Aurora-র কথা কম আসে।কিন্তু রাত হলেই সব ব্যর্থ হয়ে যায়! ~~~~~ রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে বাইশ বছর বয়সী এক যুবতী মেয়ে!কালো বোরকায় আবৃত শরীর, মাথায় কালো হিজাব, মুখে মাস্ক আর চোখে কালো একটা চশমা!এই পথের মানুষের ভিড় খুব বেশি নয়!কিছু তার বেশভূষা এখানে ভীষণ বেমানান লাগে।চারপাশের মানুষজন স্বাধীনভাবে,খোলামেলাভাবে চলাফেরা করে।কেউ তার দিকে কৌতূহলী দৃষ্টিতে তাকায়,কেউ আবার দ্বিতীয়বার ফিরে দেখে।কিন্তু মেয়েটার তাতে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।এখন এসব তার কাছে আর নতুন নই।অভ্যস্ত হয়ে গেছে সে এসবে।চশমার ভেতর তার কালো চোখের মণিতে এক অদ্ভুত স্থিরতা।না আছে কোনো তাড়াহুড়ো, না কোনো কৌতূহল,ভয়ও নেই।আবার বেঁচে থাকার উচ্ছ্বাসও নেই আছে কিনা সন্দেহ।তবে হতাশা নেই,অভিযোগ নেই।শুধু ক্লান্ত চোখ।  দেখলে মনে হয়,শরীরটা হাঁটছে ঠিকই,কিন্তু প্রাণটা যেন অনেক আগেই কোথাও হারিয়ে গেছে। মেয়েটার নাম Arshi।আমেরিকায় একটি পরিবারের সাথে থাকে সে।বয়স্ক এক দম্পতি মিস্টার আর মিসেস মাহমুদের সাথে থাকেন,তার বাবা মা।প্রায় বছরখানেক আগে এক অদ্ভুত পরিস্থিতিতে তাদের জীবনে এসে পড়েছিল মেয়েটা।তারা তাকে আশ্রয় দিয়েছে,নিজের সন্তানের মতো যত্ন নিয়েছে।তাদের একটা ছেলে আছে নাম আবিত মাহমুদ।বউ বাচ্চা নিয়ে অন্য শহরে থাকে সে।তার অফিস সেখানে।তার খাবারে যেন অসুবিধা না হয় তাই সেখানেই তার বউ,বাচ্ছা নিয়ে থাকেন।মাঝেমধ্যে আসেন বাবা-মাকে দেখতে। Arshi প্রয়োজন ছাড়া কথা বলে না তেমন।অনেক শান্ত।কিন্তু দেখে মনে হয় আগে অনেক চঞ্চল ছিল!কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে ছোট্ট করে উত্তর দেয় হ্যাঁ বা নাহ।এর বেশি শব্দ যেন তার অভিধানেই নেই।শুধু মলিন হাসি মুখে।মেয়েটা যেন নিজের চারপাশে অদৃশ্য এক দেয়াল তুলে রেখেছে।যেখানে কাউকে ঢুকতে দেয় না।নিজেও বের হয় না। একটি ছোট চাকরি করে arshi!মেয়েটা কখনো কথোপকথন বাড়ায় না।শুধু প্রয়োজনীয় উত্তর দিয়ে আবার নিজের কাজে ফিরে যায়।তবুও তার সহকর্মীরা সবাই তাকে পছন্দ করে।কারণ সে বিনয়ী।কখনো কারো সাথে রূঢ় আচরণ করে না। আজও কাজ শেষে বাড়ি ফিরছে সে।আকাশে মেঘ জমেছে।হালকা বাতাস বইছে।রাস্তার পাশের দোকানগুলো একে একে আলো জ্বালাতে শুরু করেছে।সে হাঁটছে নিজের ছন্দে। ~~~~~ এখন প্রায় রাত 9'টার মতো!বাংলাদেশ থেকে Mr. Chowdhury কল করেছেন।Avro কল তুলে মোবাইল কানে নিয়ে সালাম দিল... -আসসালামু আলাইকুম,পাপা! -ওয়ালাইকুমুস সালাম।কেমন আছো? -জ্বি,আলহামদুলিল্লাহ পাপা। -শুনলাম সৌদি যাচ্ছো? -জ্বি পাপা, গিয়ে দেখি যদি একটু শান্তি মেলে আরকি। Mr. Chowdhury দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।ছেলের শান্তি শব্দটার মানে তিনি খুব ভালো করেই জানেন।এক বছর হয়ে গেছে অথচ Avro আজও শান্তি খুঁজে পায়নি। -আচ্ছা,সেখান থেকে আসো তারপর আমি আমেরিকা যাবো তোমার আম্মিকে নিয়ে। -জ্বি। তারপর Avro কিছুক্ষণ Mrs. Chowdhury-র সাথেও কথা বললো।তিনি বারবার খাওয়ার কথা আর নিজের খেয়াল রাখতে বললেন।Avro শুধু হ্যাঁ-না করে গেল।কল কেটে যেতেই পুরো অ্যাপার্টমেন্টটা আবার নিস্তব্ধ হয়ে গেল।Avro রিমোট হাতে নিয়ে টিভি অন করলো।সেখানে একটা announcement চলছে।কোনো competition,বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করবে।কেন জানি বিষয়টা তার কাছে interesting লাগলো। সে চোখ বন্ধ করে সোফায় মাথা এলিয়ে দিল।তারপর ধীরে ধীরে ফিসফিস করে... -আমার এই জীবনে তুমি নামক প্রশান্তির খুব প্রয়োজন!তুমি কি আমাকে শুনতে পাও স্নিগ্ধপরী?আই মিস ইউ। চোখের কার্ণিশ বেয়ে দুই ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়লো তার। ~~~~ -বাবা আপনার lunch! Arshi lunch box-টা Mr. Mahmud-এর হাতে দিতে দিতে বললো। -ধন্যবাদ মা,চলো এখন! Mr. Mahmud অফিস যাওয়ার আগে arshi'কে তার অফিসে নামিয়ে দিয়ে যান সবসময়। আজও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।যাওয়ার আগে স্বাভাবিক অভ্যাসে Mrs. Mahmud-কে জড়িয়ে ধরে বিদায় জানালেন।দৃশ্যটা যেন হঠাৎ করেই arshi'কে অতীতে নিয়ে গেল।একটা সময় এসবেই তো তার দিন কাটতো।কেউ কপালে চুমু এঁকে 'সাবধানে থেকো' বলতো।ভাবতেই হঠাৎ বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠলো তার। -চলো arshi!(Mr.Mahmud বলে উঠলেন) -জ্বি,আসি মা! Mr. Mahmud arshi'কে নামিয়ে দিয়ে নিজেও অফিসে চলে গেলেন!      চলবে....     #foryou #foryou
#প্রার্থনার_আড়ালে Part-48 ~~~ Pov: বাংলাদেশে থাকাটা Avro''র জন্য অসহনীয় হয়ে উঠেছিল।সেখানে ঘরের প্রতিটি জায়গা,প্রতিটি আসবাবপত্র,প্রতিটি স্মৃতি তাকে Aurora-র কথা মনে করিয়ে দেয়।যেখানে তাকাতো, সেখানেই যেন Aurora-কে দেখতে পেত।দিন দিন মানসিক রোগী হয়ে যাচ্ছিলো সে।তাই mr.Chowdhury আমেরিকা পাঠিয়ে দিয়েছেন।avro'ও একপ্রকার পালিয়ে এসেছে এখানে কিন্তু দেশ থেকে নয় স্মৃতি থেকে পালানোর চেষ্টা করেছে সে।যদিও স্মৃতি থেকে কখনো পালানো যায় না। এই শহরেই সে প্রথম নিজের ব্যবসা শুরু করেছিল।নিজের স্বপ্ন গড়েছিল।আর আবার এখানেই ফিরে এসেছে।কাজে নিজেকে ডুবিয়ে রাখছে।দিন-রাত অফিস করছে।নিজেকে ব্যস্ত রাখছে।যাতে মাথায় Aurora-র কথা কম আসে।কিন্তু রাত হলেই সব ব্যর্থ হয়ে যায়! ~~~~~ রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে বাইশ বছর বয়সী এক যুবতী মেয়ে!কালো বোরকায় আবৃত শরীর, মাথায় কালো হিজাব, মুখে মাস্ক আর চোখে কালো একটা চশমা!এই পথের মানুষের ভিড় খুব বেশি নয়!কিছু তার বেশভূষা এখানে ভীষণ বেমানান লাগে।চারপাশের মানুষজন স্বাধীনভাবে,খোলামেলাভাবে চলাফেরা করে।কেউ তার দিকে কৌতূহলী দৃষ্টিতে তাকায়,কেউ আবার দ্বিতীয়বার ফিরে দেখে।কিন্তু মেয়েটার তাতে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।এখন এসব তার কাছে আর নতুন নই।অভ্যস্ত হয়ে গেছে সে এসবে।চশমার ভেতর তার কালো চোখের মণিতে এক অদ্ভুত স্থিরতা।না আছে কোনো তাড়াহুড়ো, না কোনো কৌতূহল,ভয়ও নেই।আবার বেঁচে থাকার উচ্ছ্বাসও নেই আছে কিনা সন্দেহ।তবে হতাশা নেই,অভিযোগ নেই।শুধু ক্লান্ত চোখ। দেখলে মনে হয়,শরীরটা হাঁটছে ঠিকই,কিন্তু প্রাণটা যেন অনেক আগেই কোথাও হারিয়ে গেছে। মেয়েটার নাম Arshi।আমেরিকায় একটি পরিবারের সাথে থাকে সে।বয়স্ক এক দম্পতি মিস্টার আর মিসেস মাহমুদের সাথে থাকেন,তার বাবা মা।প্রায় বছরখানেক আগে এক অদ্ভুত পরিস্থিতিতে তাদের জীবনে এসে পড়েছিল মেয়েটা।তারা তাকে আশ্রয় দিয়েছে,নিজের সন্তানের মতো যত্ন নিয়েছে।তাদের একটা ছেলে আছে নাম আবিত মাহমুদ।বউ বাচ্চা নিয়ে অন্য শহরে থাকে সে।তার অফিস সেখানে।তার খাবারে যেন অসুবিধা না হয় তাই সেখানেই তার বউ,বাচ্ছা নিয়ে থাকেন।মাঝেমধ্যে আসেন বাবা-মাকে দেখতে। Arshi প্রয়োজন ছাড়া কথা বলে না তেমন।অনেক শান্ত।কিন্তু দেখে মনে হয় আগে অনেক চঞ্চল ছিল!কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে ছোট্ট করে উত্তর দেয় হ্যাঁ বা নাহ।এর বেশি শব্দ যেন তার অভিধানেই নেই।শুধু মলিন হাসি মুখে।মেয়েটা যেন নিজের চারপাশে অদৃশ্য এক দেয়াল তুলে রেখেছে।যেখানে কাউকে ঢুকতে দেয় না।নিজেও বের হয় না। একটি ছোট চাকরি করে arshi!মেয়েটা কখনো কথোপকথন বাড়ায় না।শুধু প্রয়োজনীয় উত্তর দিয়ে আবার নিজের কাজে ফিরে যায়।তবুও তার সহকর্মীরা সবাই তাকে পছন্দ করে।কারণ সে বিনয়ী।কখনো কারো সাথে রূঢ় আচরণ করে না। আজও কাজ শেষে বাড়ি ফিরছে সে।আকাশে মেঘ জমেছে।হালকা বাতাস বইছে।রাস্তার পাশের দোকানগুলো একে একে আলো জ্বালাতে শুরু করেছে।সে হাঁটছে নিজের ছন্দে। ~~~~~ এখন প্রায় রাত 9'টার মতো!বাংলাদেশ থেকে Mr. Chowdhury কল করেছেন।Avro কল তুলে মোবাইল কানে নিয়ে সালাম দিল... -আসসালামু আলাইকুম,পাপা! -ওয়ালাইকুমুস সালাম।কেমন আছো? -জ্বি,আলহামদুলিল্লাহ পাপা। -শুনলাম সৌদি যাচ্ছো? -জ্বি পাপা, গিয়ে দেখি যদি একটু শান্তি মেলে আরকি। Mr. Chowdhury দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।ছেলের শান্তি শব্দটার মানে তিনি খুব ভালো করেই জানেন।এক বছর হয়ে গেছে অথচ Avro আজও শান্তি খুঁজে পায়নি। -আচ্ছা,সেখান থেকে আসো তারপর আমি আমেরিকা যাবো তোমার আম্মিকে নিয়ে। -জ্বি। তারপর Avro কিছুক্ষণ Mrs. Chowdhury-র সাথেও কথা বললো।তিনি বারবার খাওয়ার কথা আর নিজের খেয়াল রাখতে বললেন।Avro শুধু হ্যাঁ-না করে গেল।কল কেটে যেতেই পুরো অ্যাপার্টমেন্টটা আবার নিস্তব্ধ হয়ে গেল।Avro রিমোট হাতে নিয়ে টিভি অন করলো।সেখানে একটা announcement চলছে।কোনো competition,বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করবে।কেন জানি বিষয়টা তার কাছে interesting লাগলো। সে চোখ বন্ধ করে সোফায় মাথা এলিয়ে দিল।তারপর ধীরে ধীরে ফিসফিস করে... -আমার এই জীবনে তুমি নামক প্রশান্তির খুব প্রয়োজন!তুমি কি আমাকে শুনতে পাও স্নিগ্ধপরী?আই মিস ইউ। চোখের কার্ণিশ বেয়ে দুই ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়লো তার। ~~~~ -বাবা আপনার lunch! Arshi lunch box-টা Mr. Mahmud-এর হাতে দিতে দিতে বললো। -ধন্যবাদ মা,চলো এখন! Mr. Mahmud অফিস যাওয়ার আগে arshi'কে তার অফিসে নামিয়ে দিয়ে যান সবসময়। আজও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।যাওয়ার আগে স্বাভাবিক অভ্যাসে Mrs. Mahmud-কে জড়িয়ে ধরে বিদায় জানালেন।দৃশ্যটা যেন হঠাৎ করেই arshi'কে অতীতে নিয়ে গেল।একটা সময় এসবেই তো তার দিন কাটতো।কেউ কপালে চুমু এঁকে 'সাবধানে থেকো' বলতো।ভাবতেই হঠাৎ বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠলো তার। -চলো arshi!(Mr.Mahmud বলে উঠলেন) -জ্বি,আসি মা! Mr. Mahmud arshi'কে নামিয়ে দিয়ে নিজেও অফিসে চলে গেলেন! চলবে.... #foryou #foryou

About