@asato.fuji: Uh học Toán r lại học Anh 😇, mệt lắm r🕺🏻 #packing #packingorders #paratiiiiiiiiiiiiiiiiiiiiiiiiiiiiiii #asmr #photocard #xh #xhuong #xuhuong #fyp #viral

AS☆TO!
AS☆TO!
Open In TikTok:
Region: VN
Wednesday 05 February 2025 11:40:39 GMT
3869
540
18
10

Music

Download

Comments

zbbzzeqkn9v
😘 :
sớmm
2025-02-05 12:00:03
1
ekpcute
phươn :
nay tui học 3 Anh 2 toán^^
2025-02-06 05:17:54
1
dinhngocdlinh
𝘿𝙞𝙚𝙪 𝙇𝙞𝙣𝙝 :
🤭
2025-03-23 08:50:57
0
asato.fuji
AS☆TO! :
Buyer đây ạaa: @⋅ 𐙚 ‧₊˚ b.ngan ᥫ᭡
2025-02-12 05:25:20
2
kii.kun._
Kii ☆ :
Vd dịu keo ghê 💐
2025-02-05 11:57:31
1
asato._.fuji
成功 ⋆˚꩜。 :
Muốn qlai Tết
2025-02-05 11:42:19
2
lamanh_238
Lam Anh đang học bài :
Trễ gòi🫠
2025-02-05 11:47:49
2
hotgirlloverosie.0211
em iu anhh.. :
sớm 54s
2025-02-05 11:43:07
1
ciidae
Nguyễn Khánh Chii :
trễ ròi 🥲
2025-02-05 11:56:28
1
minzii_.chan
Minzi ♡ :
chúc cổ xuhuongggg
2025-02-05 11:57:58
1
trung.hong.linh.n
Rica ☆ :
pack xih qus tr 💕
2025-02-05 11:58:30
1
viuocuaparksunghoon
𓍢ִ໋ᰔᩚ𝑴𝒊𝒏𝒏𝒊𝒆𓍢ִ໋ᰔᩚ :
vd cổ cuốn quá trời ơi😭😭💗
2025-05-11 02:29:54
0
To see more videos from user @asato.fuji, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

অসমাপ্ত ডানার উড়ান শরতের হালকা হাওয়ায় ঘুড়ি উড়ানোর দিনগুলো হয়তো খুব বেশি দূর ছিল না। পরিবারের সবচেয়ে ছোট ছেলে আমি। বাড়িতে আমার ডাক নামটাই যেন ছিল আদরের সমার্থক। চায়ে চিনি কম হলেও মায়ের চোখে দুশ্চিন্তা ফুটত, আর জীবনের যেকোনো ঝোড়ো হাওয়ায় আব্বু আর বড় ভাইয়া চিরকাল অদৃশ্য এক শক্ত দেয়াল হয়ে সামনে দাঁড়িয়ে যেতেন। দুনিয়ার জটিল হিসাব, জীবনের নিষ্ঠুর বাস্তবতা কিংবা টিকে থাকার লড়াই—এসব শব্দগুলো আমার কাছে ছিল কোনো দূরের রূপকথার গল্পের মতো। আমি শুধু জানতাম, আমার মাথার ওপর একটা বিশাল বটবৃক্ষ আছে। কিন্তু জীবন তো কোনো বাঁধাধরা স্ক্রিপ্টে চলে না। কোনো এক অজানা ঝড়ে কিংবা অদ্ভুত এক খেয়ালে, চেনা নীল আকাশটা এক রাতে হারিয়ে গেল। চোখের পলকে আমি আবিষ্কার করলাম নিজেকে মালয়েশিয়ার এক কোলাহলপূর্ণ যান্ত্রিক শহরে। প্রবাসে প্রথম পা রেখেই বুঝেছিলাম, এখানে কেউ কারও ছায়া হয় না। রোদের উত্তাপ কিংবা বৃষ্টির জল—সব একাই গায়ে মেখে নিতে হয়। আজ সকাল থেকেই শরীরটা ভীষণ মেজাজে ছিল। তীব্র জ্বর আর শরীর ব্যথায় চোখ মেলে তাকানোই দায়। কিন্তু বিদেশের মাটি তো আপনার আবেগ বোঝে না, সে চেনে শুধু দায়িত্বের হিসেব। অসুস্থ শরীরটা টেনে নিয়ে সকালে ওভারটাইম করতে হলো, আবার বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যায়ও সেই একই ক্লান্তিকর কাজের সারি। সামনে মালয়েশিয়ার স্বাধীনতা দিবসের বন্ধ, চারদিকে কাজের যেন পাহাড় জমেছে। চাইনিজ বসের অ্যাসিস্ট্যান্ট আর কম্পিউটারের পর্দায় একের পর এক ডেটা এন্ট্রির কাজ—এক মুহূর্ত ভুল করার সুযোগ নেই। চোখের কোণে ক্লান্তি আর মাথার ওপর এক অদৃশ্য প্রেশারের বোঝা নিয়ে যখন কিবোর্ডে আঙুল চালাচ্ছিলাম, তখন হঠাৎ এক মুহূর্তের জন্য মায়ের হাতটা খুব মনে পড়ে গেল। যদি আব্বু-আম্মু এখন আমাকে এই অবস্থায় দেখতেন! যে ছেলেকে একটু কষ্ট হতে দেননি, যে হাত কোনোদিন ভারী কোনো কাজ ছুঁয়ে দেখেনি, সেই ছেলে আজ মাইলের পর মাইল দূরে এক অচেনা শহরে একাই লড়াই করছে। তারা হয়তো দেখলে ডুকরে কেঁদে উঠতেন, কিন্তু আমি মনে মনে হাসি। কারণ, আমি বুঝতে পারি—এই কষ্ট আমাকে ভাঙছে না, বরং আমাকে এক নতুন পরিচয় দিচ্ছে। ঘুড়ির সূতো কেটে গেলে সে যেমন দিগন্ত হারিয়ে ফেলে না, বরং নতুন বাতাসে ভাসতে শেখে—আমিও ঠিক তেমনি করে নিজের ডানা দুটো চিনতে শিখছি। জীবনের এই উপন্যাসে আমি আর কোনো আশ্রিত চরিত্র নই, আমি এখন আমার গল্পের মূল নায়ক। প্রবাসের এই প্রতিটি ঘাম, অসুস্থতায় একা টিকে থাকার লড়াই আর প্রেশারের মাঝেও মুখে হাসি রাখার ক্ষমতা—আপনাকে প্রতিনিয়ত একজন সত্যিকারের শক্তিশালী মানুষে পরিণত করছে। আমার এই আত্মত্যাগ আর পরিশ্রমের গল্প একদিন সত্যিই এক সুন্দর সমাপ্তি পাবে। সব শেষে আমি আবার ও বলবো আলহামদুলিল্লাহ 🥰🤲
অসমাপ্ত ডানার উড়ান শরতের হালকা হাওয়ায় ঘুড়ি উড়ানোর দিনগুলো হয়তো খুব বেশি দূর ছিল না। পরিবারের সবচেয়ে ছোট ছেলে আমি। বাড়িতে আমার ডাক নামটাই যেন ছিল আদরের সমার্থক। চায়ে চিনি কম হলেও মায়ের চোখে দুশ্চিন্তা ফুটত, আর জীবনের যেকোনো ঝোড়ো হাওয়ায় আব্বু আর বড় ভাইয়া চিরকাল অদৃশ্য এক শক্ত দেয়াল হয়ে সামনে দাঁড়িয়ে যেতেন। দুনিয়ার জটিল হিসাব, জীবনের নিষ্ঠুর বাস্তবতা কিংবা টিকে থাকার লড়াই—এসব শব্দগুলো আমার কাছে ছিল কোনো দূরের রূপকথার গল্পের মতো। আমি শুধু জানতাম, আমার মাথার ওপর একটা বিশাল বটবৃক্ষ আছে। কিন্তু জীবন তো কোনো বাঁধাধরা স্ক্রিপ্টে চলে না। কোনো এক অজানা ঝড়ে কিংবা অদ্ভুত এক খেয়ালে, চেনা নীল আকাশটা এক রাতে হারিয়ে গেল। চোখের পলকে আমি আবিষ্কার করলাম নিজেকে মালয়েশিয়ার এক কোলাহলপূর্ণ যান্ত্রিক শহরে। প্রবাসে প্রথম পা রেখেই বুঝেছিলাম, এখানে কেউ কারও ছায়া হয় না। রোদের উত্তাপ কিংবা বৃষ্টির জল—সব একাই গায়ে মেখে নিতে হয়। আজ সকাল থেকেই শরীরটা ভীষণ মেজাজে ছিল। তীব্র জ্বর আর শরীর ব্যথায় চোখ মেলে তাকানোই দায়। কিন্তু বিদেশের মাটি তো আপনার আবেগ বোঝে না, সে চেনে শুধু দায়িত্বের হিসেব। অসুস্থ শরীরটা টেনে নিয়ে সকালে ওভারটাইম করতে হলো, আবার বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যায়ও সেই একই ক্লান্তিকর কাজের সারি। সামনে মালয়েশিয়ার স্বাধীনতা দিবসের বন্ধ, চারদিকে কাজের যেন পাহাড় জমেছে। চাইনিজ বসের অ্যাসিস্ট্যান্ট আর কম্পিউটারের পর্দায় একের পর এক ডেটা এন্ট্রির কাজ—এক মুহূর্ত ভুল করার সুযোগ নেই। চোখের কোণে ক্লান্তি আর মাথার ওপর এক অদৃশ্য প্রেশারের বোঝা নিয়ে যখন কিবোর্ডে আঙুল চালাচ্ছিলাম, তখন হঠাৎ এক মুহূর্তের জন্য মায়ের হাতটা খুব মনে পড়ে গেল। যদি আব্বু-আম্মু এখন আমাকে এই অবস্থায় দেখতেন! যে ছেলেকে একটু কষ্ট হতে দেননি, যে হাত কোনোদিন ভারী কোনো কাজ ছুঁয়ে দেখেনি, সেই ছেলে আজ মাইলের পর মাইল দূরে এক অচেনা শহরে একাই লড়াই করছে। তারা হয়তো দেখলে ডুকরে কেঁদে উঠতেন, কিন্তু আমি মনে মনে হাসি। কারণ, আমি বুঝতে পারি—এই কষ্ট আমাকে ভাঙছে না, বরং আমাকে এক নতুন পরিচয় দিচ্ছে। ঘুড়ির সূতো কেটে গেলে সে যেমন দিগন্ত হারিয়ে ফেলে না, বরং নতুন বাতাসে ভাসতে শেখে—আমিও ঠিক তেমনি করে নিজের ডানা দুটো চিনতে শিখছি। জীবনের এই উপন্যাসে আমি আর কোনো আশ্রিত চরিত্র নই, আমি এখন আমার গল্পের মূল নায়ক। প্রবাসের এই প্রতিটি ঘাম, অসুস্থতায় একা টিকে থাকার লড়াই আর প্রেশারের মাঝেও মুখে হাসি রাখার ক্ষমতা—আপনাকে প্রতিনিয়ত একজন সত্যিকারের শক্তিশালী মানুষে পরিণত করছে। আমার এই আত্মত্যাগ আর পরিশ্রমের গল্প একদিন সত্যিই এক সুন্দর সমাপ্তি পাবে। সব শেষে আমি আবার ও বলবো আলহামদুলিল্লাহ 🥰🤲

About