@hameealessandra: #fypシ゚

Hamee
Hamee
Open In TikTok:
Region: PH
Friday 02 May 2025 06:02:20 GMT
1451
114
3
7

Music

Download

Comments

lithium397
🅙🅔🅗🅐 :
😍😍😍
2025-05-07 15:13:04
0
yuasakura2024
🐀 :
🥰
2025-05-09 08:52:25
0
flopdoods
flopdoods :
💙💙💙
2025-05-02 06:18:30
0
To see more videos from user @hameealessandra, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

রিয়াসাদ আজিমের হুইমুন্দি এবং অন্ধকার ফাহিমের গোপন আত্মা কর্তৃক গবেষণায় বেড়িয়ে এসেছে আর্জেন্টিনার ফাইনাল হারের কিছু রহস্যজনক কারণ।  রচনাটি হুবহু কপি পেস্ট করা হল:  ম্যাচের আগে অবশ্যই কিছু একটা হয়েছে। আমার মন বলছে সেখানে ফিফা সরাসরি জড়িত। জন্মের পর থেকে, ফুটবল খেলা বুঝার পর থেকে আর্জেন্টিনার খেলা দেখি। কিন্তু আজ পর্যন্ত কখনো এমন খেলা দেখিনি তাদের। বুকে হাত রেখে বলতে পারি, এইখানে কিছু একটা অবশ্যই হইছে। খেলার আগে কিছু একটা অবশ্যই অবশ্যই ঘটছে।  ১) মেসির পরিবার মাঠে আসেনি। ২) আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আসবে বলেও আসেনি। ৩) বাকি প্রায় প্রত্যেকটা ম্যাচেই গ্যালারিতে সিমিওনে ছিলো, কিন্তু ফাইনালে তাকেও দেখা যায়নি। ৪) লাউতারো মার্তিনেজকে ১ মিনিটের জন্যেও স্ক্রিনে দেখা যায়নি, খেলাতো দূরে থাক। ৫) হাফ টাইমেই এঞ্জোর ডাবল ইউলো=লাল কার্ড। ৬) লিসান্দ্রোর ইঞ্জুরি। যে প্লেয়ার সামান্য ম্যাচেও রক্ত পড়া অবস্থায় ব্যান্ডেজ নিয়ে খেলে, অথচ সে ফাইনালের মতো ম্যাচে অন্য কোন প্লেয়ারের স্পর্শ ছাড়াই ইঞ্জুরড হয়ে যায়। ৭) ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর ইঞ্জুরি। ৮) স্কালোনির উল্টা-পাল্টা বদলি। ৯) পুরো ৯০ মিনিটে কোন শট অন গোল নাই। এমনকি ১২০মিনিটেও গোলে শট ছিলো মাত্র ২টা ১০) যেখানে স্পেনের পাস ছিলো প্রায় ৮০০, সেখানে মেসিরা করেছে তিনশরও কম। যাস্ট ভাবা যায় না। ১১) প্রায় প্রত্যেকটা বলই লুজ করা, বাকি কিছু উইন করতে পারলেও সেকেন্ড চান্সে যেন স্পেনের কাছেই তারা পাস দিচ্ছিলো। ডি-বক্স থেকে বল এনে সোজা মিডে গিয়ে স্পেনের পায়ে বল দিয়ে দেওয়া।  ১২) ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর ট্রাম্পের সাথে হাত না মিলোনা। ১৩) এখন পর্যন্ত মেসি, আলভারেজ, ডি পল, লাউতারো, এনজো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ এরা কেউই আর্জেন্টিনায় ফিরেনি।  ১৪) সবশেষ মেসিকে গোল্ডেন বল না দেওয়া। যেখানে রদ্রি কোনভাবেই এটার দাবিদার না, সেখানে গোল্ডেন বল তাকেই দেওয়া হলো কোন পরিসংখ্যানে? সবকিছু মিলে অবশ্যই বলতে হচ্ছে এখানে কিছু একটা হয়েছে। যেমনটা হয়েছিলো ১৯৯০ এর ম্যারাডোনার যুগে। তখনকার ব্রাজিলিয়ান ফিফা প্রেসিডেন্ট ম্যারাডোনার থেকে বিশ্বকাপটা যাস্ট ছিনিয়ে নিয়েছিলো । ম্যারাডোনা তখন কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলো এভেলেঞ্জ(তৎকালীন ফিফা সভাপতি) আমার থেকে বিশ্বকাপ কেড়ে নিয়েছে। আজও ঠিক একই কাজটা হয়তো ইনফান্তিনো করেছে। যেহেতু পুরোটা বিশ্বকাপ জুড়ে মেসি, ফিফা বয়, রিগড এসব চাউর উঠছিলো। তাই হয়তো এমনটা করেছে। যাতে ফিফার ইমেজ নষ্ট না হয়, ইউরোপজুড়ে বিলিয়ন ডলারের বিজনেজ নষ্ট না হয়। জানিনা সত্য কি এখানে? তবে আজ না হয় কাল প্রকাশ পাবেই। ততোদিনের অপেক্ষায়।  একটা বিষয়, এখন আর এগুলো নিয়ে কোন পর্তুজিল বলবেনা, ফিফা রিগড, ম্যাচ ফিক্সড, আগে থেকে স্ক্রিপ্টেড। কারন এরা টক্সিক ফ্যান। তাই আমৃত্যু এন্টি মেসিদের প্রতি ঘৃনা। 🚨বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে কি ঘটেছিল? ম্যাচ শুরুর ঠিক আগে লিওনেল মেসিকে সতীর্থদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, “যা হয়েছে, সেটা ভুলে যাও। এখন মাঠে নেমে খেলতে হবে।” তবে সেই মুহূর্তে খেলোয়াড়দের কাছ থেকে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।এনজো ফার্নান্দেজকে বেশ আবেগপ্রবণ দেখাচ্ছিল,আর লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে একপাশে মন খারাপ করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর ফাইনালে আর্জেন্টিনার অস্বাভাবিক পারফরম্যান্স ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও জল্পনা তৈরি হয়েছে। অনেকের ধারণা, দলের ভেতরে হয়তো কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছিল। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এছাড়া লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ, লাউতারো মার্টিনেজ, রদ্রিগো দি পল, এনজো ফার্নান্দেজ এবং লিসান্দ্রো মার্টিনেজও এখনও আর্জেন্টিনায় ফেরেননি, যা নিয়ে আলোচনাও চলছে। (নিজের মতামত) ২০১৪ সাল থেকে আর্জেনটিনার খেলা দেখি আজ পর্যন্ত এমন কোন ম্যাচ দেখি নাই যে তারা একটা ওয়ান শট করতে পারেনাই। আর এটা তো বিশ্বকাপে ফাইনাল ম্যাচে। আর্জেন্টিনা ৪ গোলেও ম্যাচ হেরেছে, কিন্তু তারা সেখান থেকে ফিরে আসার চেষ্টা করেছি লড়াই করেছে জেতার জন্য, আর আর্জেন্টিনা এমন একটা দল যারা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে যায় এখন আপনি ভাবুন একটা ফাইনাল ম্যাচে এরকম খেলার কি কারন 🥹🙏#ফুটবল_______প্রেমিরা_সারা_দাও🥰⚽ #আজেন্টিনার_সাপোর্টারা_কই🇦🇷🇦🇷🇦🇷😍❤️ #foryou #foryoupage #vairalvideo @T Sports @আলহামদুলিল্লাহ🥰🤲🤗 @afaplay
রিয়াসাদ আজিমের হুইমুন্দি এবং অন্ধকার ফাহিমের গোপন আত্মা কর্তৃক গবেষণায় বেড়িয়ে এসেছে আর্জেন্টিনার ফাইনাল হারের কিছু রহস্যজনক কারণ। রচনাটি হুবহু কপি পেস্ট করা হল: ম্যাচের আগে অবশ্যই কিছু একটা হয়েছে। আমার মন বলছে সেখানে ফিফা সরাসরি জড়িত। জন্মের পর থেকে, ফুটবল খেলা বুঝার পর থেকে আর্জেন্টিনার খেলা দেখি। কিন্তু আজ পর্যন্ত কখনো এমন খেলা দেখিনি তাদের। বুকে হাত রেখে বলতে পারি, এইখানে কিছু একটা অবশ্যই হইছে। খেলার আগে কিছু একটা অবশ্যই অবশ্যই ঘটছে। ১) মেসির পরিবার মাঠে আসেনি। ২) আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আসবে বলেও আসেনি। ৩) বাকি প্রায় প্রত্যেকটা ম্যাচেই গ্যালারিতে সিমিওনে ছিলো, কিন্তু ফাইনালে তাকেও দেখা যায়নি। ৪) লাউতারো মার্তিনেজকে ১ মিনিটের জন্যেও স্ক্রিনে দেখা যায়নি, খেলাতো দূরে থাক। ৫) হাফ টাইমেই এঞ্জোর ডাবল ইউলো=লাল কার্ড। ৬) লিসান্দ্রোর ইঞ্জুরি। যে প্লেয়ার সামান্য ম্যাচেও রক্ত পড়া অবস্থায় ব্যান্ডেজ নিয়ে খেলে, অথচ সে ফাইনালের মতো ম্যাচে অন্য কোন প্লেয়ারের স্পর্শ ছাড়াই ইঞ্জুরড হয়ে যায়। ৭) ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর ইঞ্জুরি। ৮) স্কালোনির উল্টা-পাল্টা বদলি। ৯) পুরো ৯০ মিনিটে কোন শট অন গোল নাই। এমনকি ১২০মিনিটেও গোলে শট ছিলো মাত্র ২টা ১০) যেখানে স্পেনের পাস ছিলো প্রায় ৮০০, সেখানে মেসিরা করেছে তিনশরও কম। যাস্ট ভাবা যায় না। ১১) প্রায় প্রত্যেকটা বলই লুজ করা, বাকি কিছু উইন করতে পারলেও সেকেন্ড চান্সে যেন স্পেনের কাছেই তারা পাস দিচ্ছিলো। ডি-বক্স থেকে বল এনে সোজা মিডে গিয়ে স্পেনের পায়ে বল দিয়ে দেওয়া। ১২) ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর ট্রাম্পের সাথে হাত না মিলোনা। ১৩) এখন পর্যন্ত মেসি, আলভারেজ, ডি পল, লাউতারো, এনজো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ এরা কেউই আর্জেন্টিনায় ফিরেনি। ১৪) সবশেষ মেসিকে গোল্ডেন বল না দেওয়া। যেখানে রদ্রি কোনভাবেই এটার দাবিদার না, সেখানে গোল্ডেন বল তাকেই দেওয়া হলো কোন পরিসংখ্যানে? সবকিছু মিলে অবশ্যই বলতে হচ্ছে এখানে কিছু একটা হয়েছে। যেমনটা হয়েছিলো ১৯৯০ এর ম্যারাডোনার যুগে। তখনকার ব্রাজিলিয়ান ফিফা প্রেসিডেন্ট ম্যারাডোনার থেকে বিশ্বকাপটা যাস্ট ছিনিয়ে নিয়েছিলো । ম্যারাডোনা তখন কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলো এভেলেঞ্জ(তৎকালীন ফিফা সভাপতি) আমার থেকে বিশ্বকাপ কেড়ে নিয়েছে। আজও ঠিক একই কাজটা হয়তো ইনফান্তিনো করেছে। যেহেতু পুরোটা বিশ্বকাপ জুড়ে মেসি, ফিফা বয়, রিগড এসব চাউর উঠছিলো। তাই হয়তো এমনটা করেছে। যাতে ফিফার ইমেজ নষ্ট না হয়, ইউরোপজুড়ে বিলিয়ন ডলারের বিজনেজ নষ্ট না হয়। জানিনা সত্য কি এখানে? তবে আজ না হয় কাল প্রকাশ পাবেই। ততোদিনের অপেক্ষায়। একটা বিষয়, এখন আর এগুলো নিয়ে কোন পর্তুজিল বলবেনা, ফিফা রিগড, ম্যাচ ফিক্সড, আগে থেকে স্ক্রিপ্টেড। কারন এরা টক্সিক ফ্যান। তাই আমৃত্যু এন্টি মেসিদের প্রতি ঘৃনা। 🚨বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে কি ঘটেছিল? ম্যাচ শুরুর ঠিক আগে লিওনেল মেসিকে সতীর্থদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, “যা হয়েছে, সেটা ভুলে যাও। এখন মাঠে নেমে খেলতে হবে।” তবে সেই মুহূর্তে খেলোয়াড়দের কাছ থেকে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।এনজো ফার্নান্দেজকে বেশ আবেগপ্রবণ দেখাচ্ছিল,আর লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে একপাশে মন খারাপ করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর ফাইনালে আর্জেন্টিনার অস্বাভাবিক পারফরম্যান্স ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও জল্পনা তৈরি হয়েছে। অনেকের ধারণা, দলের ভেতরে হয়তো কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছিল। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এছাড়া লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ, লাউতারো মার্টিনেজ, রদ্রিগো দি পল, এনজো ফার্নান্দেজ এবং লিসান্দ্রো মার্টিনেজও এখনও আর্জেন্টিনায় ফেরেননি, যা নিয়ে আলোচনাও চলছে। (নিজের মতামত) ২০১৪ সাল থেকে আর্জেনটিনার খেলা দেখি আজ পর্যন্ত এমন কোন ম্যাচ দেখি নাই যে তারা একটা ওয়ান শট করতে পারেনাই। আর এটা তো বিশ্বকাপে ফাইনাল ম্যাচে। আর্জেন্টিনা ৪ গোলেও ম্যাচ হেরেছে, কিন্তু তারা সেখান থেকে ফিরে আসার চেষ্টা করেছি লড়াই করেছে জেতার জন্য, আর আর্জেন্টিনা এমন একটা দল যারা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে যায় এখন আপনি ভাবুন একটা ফাইনাল ম্যাচে এরকম খেলার কি কারন 🥹🙏#ফুটবল_______প্রেমিরা_সারা_দাও🥰⚽ #আজেন্টিনার_সাপোর্টারা_কই🇦🇷🇦🇷🇦🇷😍❤️ #foryou #foryoupage #vairalvideo @T Sports @আলহামদুলিল্লাহ🥰🤲🤗 @afaplay

About