@menamohamed908: احلى شغل كونكريت واللون تحفه بجد ♥️✨

Manon♥️✨
Manon♥️✨
Open In TikTok:
Region: EG
Thursday 19 June 2025 10:10:44 GMT
170
11
2
0

Music

Download

Comments

menamohamed908
Manon♥️✨ :
♥️♥️♥️
2025-06-19 10:11:18
0
hager.mahmoud547
Hager Mahmoud :
❤️❤️❤️
2025-06-19 10:18:20
0
To see more videos from user @menamohamed908, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

💔 ২০১২ সালে পারিবারিকভাবে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামের মনির হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে বিয়ে হয় নাছরিন সুলতানার। দাম্পত্য জীবনে তাঁদের সংসারে রয়েছে দুটি সন্তান। জীবিকার তাগিদে দীর্ঘ বছর ধরে সৌদি আরবে বসবাস করছেন মনির হোসেন। সেখান থেকে সন্তানদের ভরণপোষণের জন্য স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে নিয়মিত টাকা পাঠাতেন তিনি। সবশেষ ২০২৩ সালের ১৬ জুন সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার সময় স্ত্রীকে খুশি করতে ১২ ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের বার নিয়ে আসেন মনির হোসেন। যার তৎকালীন বাজারমূল্য ছিল ২৮ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা। স্বামীর বিশ্বাসের ওপর ভরসা করে স্বর্ণের বারটি স্ত্রীর কাছে রেখে পুনরায় বিদেশে চলে যান তিনি। এ ছাড়া দেশে ফেরার পর স্বর্ণ কেনার জন্য স্ত্রীকে নগদ আরও ১৫ লাখ টাকা দেন বলে জানান মনির হোসেন। কিন্তু এত টাকা ও স্বর্ণালংকার দেওয়ার পরও স্ত্রীকে পরকীয়া সম্পর্ক থেকে ফেরাতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন এই প্রবাসী স্বামী। তাঁর দাবি, স্বামীর কষ্টার্জিত লাখ লাখ টাকার সম্পদ নিয়ে একই স্কুলের শিক্ষক তরিকুল ইসলামের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন স্ত্রী নাছরিন সুলতানা। একপর্যায়ে ওই শিক্ষকের হাত ধরে বাড়ি ছেড়ে চলে যান তিনি। প্রবাসী মনির হোসেন জানান, দীর্ঘ বছর বিদেশের মাটিতে পরিশ্রম করে যে অর্থ উপার্জন করেছেন, তা স্ত্রী ও সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই পাঠিয়েছিলেন। এমনকি ৭ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে স্ত্রীকে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। মনির হোসেনের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৫৩ নম্বর বেগম শামসুন্নাহার শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্ত্রীর চাকরির ব্যবস্থা করেন তিনি। ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর ১৫ লাখ ৪১ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে স্বর্ণ কিনে দেন। কিন্তু নিজের পাঠানো টাকা ও স্বর্ণালংকার ফেরত চাইলে স্ত্রী নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে জানতে পারেন, একই বিদ্যালয়ের শিক্ষক তরিকুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তাঁদের সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে স্ত্রী নাছরিন সুলতানা স্বামী মনির হোসেনকে তা-লা-কের নোটিশ পাঠান। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সালিশ-মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান হয়নি। উল্টো স্বামীর বি-রু-দ্ধে এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়ের করেন নাছরিন সুলতানা। পরে উপায়ান্তর না পেয়ে নিজের সম্পদ ফেরত পাওয়ার জন্য আদালতে পাল্টা মামলা করেন মনির হোসেন।  গত ২ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে নিজের কষ্টের কথা তুলে ধরেন প্রবাসী মনির হোসেন চৌধুরী। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করার একপর্যায়ে কান্নায় ভে/ঙে পড়েন তিনি। এ সময় সন্তানদের অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজের কষ্টার্জিত অর্থ ও আত্মসাৎ হওয়া স্বর্ণালংকার ফেরত পেতে আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন এই প্রবাসী। #fyp #foryou #viral #Tiktok #viralpost
💔 ২০১২ সালে পারিবারিকভাবে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামের মনির হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে বিয়ে হয় নাছরিন সুলতানার। দাম্পত্য জীবনে তাঁদের সংসারে রয়েছে দুটি সন্তান। জীবিকার তাগিদে দীর্ঘ বছর ধরে সৌদি আরবে বসবাস করছেন মনির হোসেন। সেখান থেকে সন্তানদের ভরণপোষণের জন্য স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে নিয়মিত টাকা পাঠাতেন তিনি। সবশেষ ২০২৩ সালের ১৬ জুন সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার সময় স্ত্রীকে খুশি করতে ১২ ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের বার নিয়ে আসেন মনির হোসেন। যার তৎকালীন বাজারমূল্য ছিল ২৮ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা। স্বামীর বিশ্বাসের ওপর ভরসা করে স্বর্ণের বারটি স্ত্রীর কাছে রেখে পুনরায় বিদেশে চলে যান তিনি। এ ছাড়া দেশে ফেরার পর স্বর্ণ কেনার জন্য স্ত্রীকে নগদ আরও ১৫ লাখ টাকা দেন বলে জানান মনির হোসেন। কিন্তু এত টাকা ও স্বর্ণালংকার দেওয়ার পরও স্ত্রীকে পরকীয়া সম্পর্ক থেকে ফেরাতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন এই প্রবাসী স্বামী। তাঁর দাবি, স্বামীর কষ্টার্জিত লাখ লাখ টাকার সম্পদ নিয়ে একই স্কুলের শিক্ষক তরিকুল ইসলামের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন স্ত্রী নাছরিন সুলতানা। একপর্যায়ে ওই শিক্ষকের হাত ধরে বাড়ি ছেড়ে চলে যান তিনি। প্রবাসী মনির হোসেন জানান, দীর্ঘ বছর বিদেশের মাটিতে পরিশ্রম করে যে অর্থ উপার্জন করেছেন, তা স্ত্রী ও সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই পাঠিয়েছিলেন। এমনকি ৭ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে স্ত্রীকে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। মনির হোসেনের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৫৩ নম্বর বেগম শামসুন্নাহার শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্ত্রীর চাকরির ব্যবস্থা করেন তিনি। ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর ১৫ লাখ ৪১ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে স্বর্ণ কিনে দেন। কিন্তু নিজের পাঠানো টাকা ও স্বর্ণালংকার ফেরত চাইলে স্ত্রী নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে জানতে পারেন, একই বিদ্যালয়ের শিক্ষক তরিকুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তাঁদের সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে স্ত্রী নাছরিন সুলতানা স্বামী মনির হোসেনকে তা-লা-কের নোটিশ পাঠান। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সালিশ-মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান হয়নি। উল্টো স্বামীর বি-রু-দ্ধে এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়ের করেন নাছরিন সুলতানা। পরে উপায়ান্তর না পেয়ে নিজের সম্পদ ফেরত পাওয়ার জন্য আদালতে পাল্টা মামলা করেন মনির হোসেন। গত ২ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে নিজের কষ্টের কথা তুলে ধরেন প্রবাসী মনির হোসেন চৌধুরী। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করার একপর্যায়ে কান্নায় ভে/ঙে পড়েন তিনি। এ সময় সন্তানদের অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজের কষ্টার্জিত অর্থ ও আত্মসাৎ হওয়া স্বর্ণালংকার ফেরত পেতে আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন এই প্রবাসী। #fyp #foryou #viral #Tiktok #viralpost

About