@youkubbaan: Replying to @มะแว้งแว่งแวง ของ #ikea ครับ #จัดโต๊ะคอม #desksetup #deskorganization

อยู่กับบ้าน
อยู่กับบ้าน
Open In TikTok:
Region: TH
Tuesday 24 June 2025 12:19:49 GMT
2509
34
1
3

Music

Download

Comments

youkubbaan
อยู่กับบ้าน :
จัดโต๊ะเสร็จแล้ว ผมจะได้เป็นหัวแถวมั๊ยครับ 😁
2025-06-24 12:57:13
0
To see more videos from user @youkubbaan, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#প্রফেসর_সাহেব  #লেখনীতে_তামান্না_ইসলাম_তানজিলা  #পর্ব_১৬  তুর্যের ভেতরের সমস্ত রাগ মুহূর্তেই নিজের ওপর ফিরে এলো। সে চায় না তার কারণে তানভি কখনো অস্বস্তিতে থাকুক। সে চায় না তার ভালোবাসা তানভির স্বাধীনতা বা আনন্দের ওপর কোনো বোঝা হয়ে দাঁড়াক! তবু সত্যিটা অস্বীকার করার উপায় নেই— তানভিকে অন্য কারও চোখে মুগ্ধতার কারণ হতে দেখলে তার ভেতরে একটা অস্বস্তি জন্ম নেয়। এটাই তার রাগের আসল কারণ। ভালোবাসার সঙ্গে মিশে থাকা ঈর্ষা। আর সেই ঈর্ষাকে সামলাতে না পারার জন্যই সে নিচ থেকে উঠে এসেছে। তুর্য ধীরে চোখ বন্ধ করল। মনে মনে বলল, “তানভি, রাগটা তোমার ওপর না। রাগটা নিজের ওপর—কারণ তোমাকে এতটা ভালোবেসে ফেলেছি যে তোমাকে নিয়ে নিজের মনটাকেও আর ঠিকমতো বুঝতে পারছি না।” নিচে তখন গান থেমে গেছে। তুর্য কিছুক্ষণ স্থির দাঁড়িয়ে রইল। তারপর দরজার দিকে তাকাল। মনের ভেতর একটা কথাই ঘুরছে— তানভির কাছে তাকে ফিরে যেতে হবে। কারণ তার রাগের জন্য মেয়েটার হাসি থেমে থাকুক—এটা সে কোনোভাবেই চায় না। ড্রয়িং রুমের হাসি-আড্ডা তখনও চলছে। তানভি মায়েদের সঙ্গে বসে গল্প করছে। কখনো অহনা বেগমের কথা শুনে হাসছে, কখনো জয়া বেগমের সঙ্গে টুকটাক কথা বলছে। তাসফিয়া চৌধুরীও মাঝে মাঝে পুরোনো কোনো ঘটনা তুলে সবাইকে হাসাচ্ছেন। কেউ খেয়ালই করল না—তুর্য আর সেখানে নেই। উপরের নিজের ঘরে ঢুকে তুর্য কিছুক্ষণ দরজার সামনে স্থির দাঁড়িয়ে রইল। মাথার ভেতর অদ্ভুত এক অস্থিরতা। আজ তাদের বিয়ের রাত। রীতি অনুযায়ী আজকের রাতটা তাদের একসঙ্গে থাকার কথা। কিন্তু তুর্য নিজের মনের অবস্থাটা বুঝতে পারছে। আজ সে অস্বাভাবিক রকম অস্থির। তার ওপর তানভিকে নিয়ে তৈরি হওয়া সেই ঈর্ষা আর রাগ এখনও পুরোপুরি কাটেনি। তুর্য নিজের হাতের দিকে তাকাল। তারপর ধীরে দীর্ঘশ্বাস ফেলল। “না। এভাবে তানভির সামনে যাওয়া ঠিক হবে না।” তানভির কোনো দোষ নেই। সে চায় না নিজের অস্থিরতার কারণে মেয়েটাকে এক মুহূর্তের জন্যও অস্বস্তিতে ফেলতে। তাই একটা সিদ্ধান্ত নিল। আজ রাতে সে দূরে থাকবে। নিজেকে একটু সময় দেবে। মাথাটা ঠান্ডা করবে। তারপর যখন নিজের আবেগকে স্বাভাবিকভাবে সামলাতে পারবে, তখনই তানভির সামনে যাবে। তুর্য দ্রুত পোশাক বদলে নিল। তারপর টেবিলের ওপর থেকে গাড়ির চাবিটা তুলে নিল। একবার ঘরের চারপাশে তাকাল। এই ঘরেই তো আজ নতুন একটা জীবনের শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে জানে, নতুন সম্পর্কের প্রথম রাতের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো—সামনের মানুষটাকে নিরাপদ, স্বস্তিতে আর সম্মানের সঙ্গে রাখা। দরজা খুলে নিঃশব্দে বেরিয়ে এল সে। সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার সময় একবার ড্রয়িং রুমের দিকে তাকাল। দূর থেকে তানভির হাসির শব্দ ভেসে আসছে। তুর্য কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে রইল। তার চোখে মায়া ফুটে উঠল। মনে হলো, মেয়েটাকে কিছু না জানিয়েই চলে যাওয়া ঠিক হচ্ছে না। কিন্তু আবার মনে হলো—এখন সামনে গেলে হয়তো তার নিজের অস্থিরতা আরও বাড়বে। তাই চুপচাপ গেটের দিকে এগিয়ে গেল। চৌধুরী বাড়ির বড় গেট খুলে গেল। তুর্য গাড়িতে উঠে বসে ইঞ্জিন স্টার্ট করল। তারপর একবার আয়নায় নিজের মুখের দিকে তাকিয়ে খুব নিচু স্বরে বলল, —নিজেকে আগে সামলাতে হবে। গাড়িটা ধীরে ধীরে বাড়ির সামনে থেকে বেরিয়ে গেল। কেউ দেখল না। কেউ জানল না। ড্রয়িং রুমে তখনও হাসি-আড্ডা চলছে। তানভি মায়েদের মাঝখানে বসে আছে, নিজের নতুন জীবনের কথা ভাবতে ভাবতে লাজুক হাসি হাসছে। গাড়িটা থামল তুর্যের নিজস্ব অ্যাপার্টমেন্টের সামনে। রাত অনেকটাই গভীর হয়ে এসেছে। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকতেই চারপাশের নিস্তব্ধতা যেন তাকে এক মুহূর্তে ঘিরে ধরল। বিশাল অ্যাপার্টমেন্টটা সাধারণত যতটা পরিচিত মনে হয়, আজ যেন ততটাই অচেনা লাগছে। তুর্য ধীরে দরজাটা বন্ধ করল। কিছুক্ষণ সেখানেই দাঁড়িয়ে রইল। কোনো মানুষের কণ্ঠ নেই। হাসির শব্দ নেই। নিচতলার মতো কোলাহল নেই। শুধু নিস্তব্ধতা। সে ধীরে ধীরে ঘরের ভেতর এগিয়ে গেল। হঠাৎ তার মনে হলো— এই বাড়িটাই কি একদিন তানভির হাসিতে ভরে উঠবে? এই নিঃশব্দ ঘরগুলোতে কি একদিন তানভির পায়ের শব্দ শোনা যাবে? মেয়েটা হয়তো একদিন ঘরের একেকটা জিনিস আগ্রহ নিয়ে দেখবে, জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকাবে, নিজের পছন্দমতো কোনো কোণ সাজিয়ে নেবে। তুর্যের ঠোঁটে অজান্তেই মৃদু হাসি ফুটে উঠল। তবে পরক্ষণেই তার মনে পড়ল— তানভি এই অ্যাপার্টমেন্টে একেবারে নতুন নয়। অনেকবার এসেছে সে এখানে। কখনো রোদের সঙ্গে, কখনো সূর্যের সঙ্গে। বেশ কয়েকবার রুশা আর মাহিয়াও সঙ্গে ছিল। তবে প্রতিবারই কয়েক ঘণ্টার জন্য এসে গল্প, হাসাহাসি, খুনসুটি করেই ফিরে গেছে। কখনো থাকেনি। তুর্যের মনে পড়ে গেল সেইসব দিনের কথা। বন্ধুরা এলে পুরো অ্যাপার্টমেন্টটা মুহূর্তেই যেন প্রাণ ফিরে পেত। তানভি কখনো সোফায় বসে রুশার সঙ্গে গল্প করত, কখনো মাহিয়ার সঙ্গে হাসতে হাসতে রান্নাঘর পর্যন্ত চলে যেত। আর ফ্রিজ? চলবে
#প্রফেসর_সাহেব #লেখনীতে_তামান্না_ইসলাম_তানজিলা #পর্ব_১৬ তুর্যের ভেতরের সমস্ত রাগ মুহূর্তেই নিজের ওপর ফিরে এলো। সে চায় না তার কারণে তানভি কখনো অস্বস্তিতে থাকুক। সে চায় না তার ভালোবাসা তানভির স্বাধীনতা বা আনন্দের ওপর কোনো বোঝা হয়ে দাঁড়াক! তবু সত্যিটা অস্বীকার করার উপায় নেই— তানভিকে অন্য কারও চোখে মুগ্ধতার কারণ হতে দেখলে তার ভেতরে একটা অস্বস্তি জন্ম নেয়। এটাই তার রাগের আসল কারণ। ভালোবাসার সঙ্গে মিশে থাকা ঈর্ষা। আর সেই ঈর্ষাকে সামলাতে না পারার জন্যই সে নিচ থেকে উঠে এসেছে। তুর্য ধীরে চোখ বন্ধ করল। মনে মনে বলল, “তানভি, রাগটা তোমার ওপর না। রাগটা নিজের ওপর—কারণ তোমাকে এতটা ভালোবেসে ফেলেছি যে তোমাকে নিয়ে নিজের মনটাকেও আর ঠিকমতো বুঝতে পারছি না।” নিচে তখন গান থেমে গেছে। তুর্য কিছুক্ষণ স্থির দাঁড়িয়ে রইল। তারপর দরজার দিকে তাকাল। মনের ভেতর একটা কথাই ঘুরছে— তানভির কাছে তাকে ফিরে যেতে হবে। কারণ তার রাগের জন্য মেয়েটার হাসি থেমে থাকুক—এটা সে কোনোভাবেই চায় না। ড্রয়িং রুমের হাসি-আড্ডা তখনও চলছে। তানভি মায়েদের সঙ্গে বসে গল্প করছে। কখনো অহনা বেগমের কথা শুনে হাসছে, কখনো জয়া বেগমের সঙ্গে টুকটাক কথা বলছে। তাসফিয়া চৌধুরীও মাঝে মাঝে পুরোনো কোনো ঘটনা তুলে সবাইকে হাসাচ্ছেন। কেউ খেয়ালই করল না—তুর্য আর সেখানে নেই। উপরের নিজের ঘরে ঢুকে তুর্য কিছুক্ষণ দরজার সামনে স্থির দাঁড়িয়ে রইল। মাথার ভেতর অদ্ভুত এক অস্থিরতা। আজ তাদের বিয়ের রাত। রীতি অনুযায়ী আজকের রাতটা তাদের একসঙ্গে থাকার কথা। কিন্তু তুর্য নিজের মনের অবস্থাটা বুঝতে পারছে। আজ সে অস্বাভাবিক রকম অস্থির। তার ওপর তানভিকে নিয়ে তৈরি হওয়া সেই ঈর্ষা আর রাগ এখনও পুরোপুরি কাটেনি। তুর্য নিজের হাতের দিকে তাকাল। তারপর ধীরে দীর্ঘশ্বাস ফেলল। “না। এভাবে তানভির সামনে যাওয়া ঠিক হবে না।” তানভির কোনো দোষ নেই। সে চায় না নিজের অস্থিরতার কারণে মেয়েটাকে এক মুহূর্তের জন্যও অস্বস্তিতে ফেলতে। তাই একটা সিদ্ধান্ত নিল। আজ রাতে সে দূরে থাকবে। নিজেকে একটু সময় দেবে। মাথাটা ঠান্ডা করবে। তারপর যখন নিজের আবেগকে স্বাভাবিকভাবে সামলাতে পারবে, তখনই তানভির সামনে যাবে। তুর্য দ্রুত পোশাক বদলে নিল। তারপর টেবিলের ওপর থেকে গাড়ির চাবিটা তুলে নিল। একবার ঘরের চারপাশে তাকাল। এই ঘরেই তো আজ নতুন একটা জীবনের শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে জানে, নতুন সম্পর্কের প্রথম রাতের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো—সামনের মানুষটাকে নিরাপদ, স্বস্তিতে আর সম্মানের সঙ্গে রাখা। দরজা খুলে নিঃশব্দে বেরিয়ে এল সে। সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার সময় একবার ড্রয়িং রুমের দিকে তাকাল। দূর থেকে তানভির হাসির শব্দ ভেসে আসছে। তুর্য কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে রইল। তার চোখে মায়া ফুটে উঠল। মনে হলো, মেয়েটাকে কিছু না জানিয়েই চলে যাওয়া ঠিক হচ্ছে না। কিন্তু আবার মনে হলো—এখন সামনে গেলে হয়তো তার নিজের অস্থিরতা আরও বাড়বে। তাই চুপচাপ গেটের দিকে এগিয়ে গেল। চৌধুরী বাড়ির বড় গেট খুলে গেল। তুর্য গাড়িতে উঠে বসে ইঞ্জিন স্টার্ট করল। তারপর একবার আয়নায় নিজের মুখের দিকে তাকিয়ে খুব নিচু স্বরে বলল, —নিজেকে আগে সামলাতে হবে। গাড়িটা ধীরে ধীরে বাড়ির সামনে থেকে বেরিয়ে গেল। কেউ দেখল না। কেউ জানল না। ড্রয়িং রুমে তখনও হাসি-আড্ডা চলছে। তানভি মায়েদের মাঝখানে বসে আছে, নিজের নতুন জীবনের কথা ভাবতে ভাবতে লাজুক হাসি হাসছে। গাড়িটা থামল তুর্যের নিজস্ব অ্যাপার্টমেন্টের সামনে। রাত অনেকটাই গভীর হয়ে এসেছে। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকতেই চারপাশের নিস্তব্ধতা যেন তাকে এক মুহূর্তে ঘিরে ধরল। বিশাল অ্যাপার্টমেন্টটা সাধারণত যতটা পরিচিত মনে হয়, আজ যেন ততটাই অচেনা লাগছে। তুর্য ধীরে দরজাটা বন্ধ করল। কিছুক্ষণ সেখানেই দাঁড়িয়ে রইল। কোনো মানুষের কণ্ঠ নেই। হাসির শব্দ নেই। নিচতলার মতো কোলাহল নেই। শুধু নিস্তব্ধতা। সে ধীরে ধীরে ঘরের ভেতর এগিয়ে গেল। হঠাৎ তার মনে হলো— এই বাড়িটাই কি একদিন তানভির হাসিতে ভরে উঠবে? এই নিঃশব্দ ঘরগুলোতে কি একদিন তানভির পায়ের শব্দ শোনা যাবে? মেয়েটা হয়তো একদিন ঘরের একেকটা জিনিস আগ্রহ নিয়ে দেখবে, জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকাবে, নিজের পছন্দমতো কোনো কোণ সাজিয়ে নেবে। তুর্যের ঠোঁটে অজান্তেই মৃদু হাসি ফুটে উঠল। তবে পরক্ষণেই তার মনে পড়ল— তানভি এই অ্যাপার্টমেন্টে একেবারে নতুন নয়। অনেকবার এসেছে সে এখানে। কখনো রোদের সঙ্গে, কখনো সূর্যের সঙ্গে। বেশ কয়েকবার রুশা আর মাহিয়াও সঙ্গে ছিল। তবে প্রতিবারই কয়েক ঘণ্টার জন্য এসে গল্প, হাসাহাসি, খুনসুটি করেই ফিরে গেছে। কখনো থাকেনি। তুর্যের মনে পড়ে গেল সেইসব দিনের কথা। বন্ধুরা এলে পুরো অ্যাপার্টমেন্টটা মুহূর্তেই যেন প্রাণ ফিরে পেত। তানভি কখনো সোফায় বসে রুশার সঙ্গে গল্প করত, কখনো মাহিয়ার সঙ্গে হাসতে হাসতে রান্নাঘর পর্যন্ত চলে যেত। আর ফ্রিজ? চলবে"...................????

About