@dungcubonsaimini: Uốn bonsai mini #uoncaycanh #uonbonsai #uoncaybonsai #caycanh #bonsai

Dụng cụ Bonsai
Dụng cụ Bonsai
Open In TikTok:
Region: VN
Monday 07 July 2025 12:43:14 GMT
4994
49
1
1

Music

Download

Comments

canhy1213p
Bạch cảnh kỳ :
Uốn cái cây mà gắn cái nhạc vậy chịu,nghe mà thương cái cây
2025-07-08 00:22:37
0
To see more videos from user @dungcubonsaimini, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মিথ্যাচারের প্রতিবাদ গতকাল ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, “১৯৯৬ সালে ভূমি মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য হিসেবে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি পরিদর্শন করেছিলাম। তখন দেখা যায়, প্রায় আড়াই একর সম্পত্তি সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাকি সম্পত্তি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল।” তিনি আরও বলেছেন, “ওই সময় সরকারের হাতে থাকা আড়াই একর জমি মূলত শ্মশানের জায়গা ছিল। শ্মশান না হলে সেটিও দখল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল।” বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এহেন মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। তিনি সম্ভবত জানেন না যে, শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের জমিতে কোন শ্মশান নেই, কখনও ছিলও না। সরকারের একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রী হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জানা উচিত, সিএস ক্ষতিয়ান মূলে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি ছিল ২০ বিঘা (আনুমানিক ৬.৬ একর)। এরমধ্যে ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান সরকার ‘মোমিন মটরস’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২.৫৬ একর জমি হুকুম দখল করে বরাদ্দ দেয়। ১৯৮২ সালে তৎকালীন সরকার বর্ণিত ২.৫৬ একর জমি অবমুক্ত করে ১.৭৫ একর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-কে হস্তান্তর করে এবং অবশিষ্ট ১.৭৫ একর জমি মন্দিরকে ফেরত না দিয়ে মোমিন মটরসকে দিয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সরকারের বিশেষ উদ্যোগে ২০১৮ সালে ১.৫ বিঘা জমি জনৈক আজম গংদের কবল থেকে উদ্ধার করে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের নিকট হস্তান্তর করেন। বলাবাহুল্য, সেই আজম গংদের রাজনৈতিক পরিচয় হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের দলের সাথে সম্পৃক্ত। এই সকল বিষয়ের দালিলিক প্রমাণ সরকারের নথিপত্রে সংরক্ষিত রয়েছে। বাংলাদেশের সনাতন ধর্মের অনুসারীরা জানেন, শারদীয় দুর্গোৎসবে ঢাকেশ্বরী মন্দির ও রামকৃষ্ণ আশ্রম পরিদর্শন ছিল বঙ্গবন্ধুকন্যার প্রতিবছরের রাষ্ট্রীয় আচারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনিই বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা উদযাপনের পাশাপাশি শুভ জন্মাষ্টমী, বুদ্ধ পূর্ণিমা এবং বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময়ের অনুষ্ঠানে সারাদেশের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ধর্মের নেতৃস্থানীয় প্রতিনিধিবর্গকে আমন্ত্রণ জানানোর রেওয়াজ প্রথম প্রচলন করেছিলেন। দেশবাসী নিশ্চয়ই জানেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশ ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। কিন্তু পঁচাত্তরের নির্মম হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন মোশতাক-জিয়া-এরশাদ-খালেদা গং বাংলাদেশকে একটি সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ পুনরায় অসাম্প্রদায়িকতার ধারায় ফিরিয়ে এনে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলের নাগরিক অধিকার ও মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়ত জানেন না যে, বঙ্গবন্ধুকন্যা সারাদেশে শুধু মডেল মসজিদ নয়, বরং হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর নাগরিকদের জন্যও রাজধানী ঢাকায় মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা নির্মাণের জন্য জমি বরাদ্দ ও অর্থ বরাদ্দ করেছিলেন। অত্যন্ত দুঃখজনক হলো, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকেই সারাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের চাকরিচ্যুতি, পদোন্নতি বঞ্চিত, চাকুরীতে প্রবেশে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা, বাড়ি-জমি-ব্যবসা দখল সহ নানা ধরনের অত্যাচার-নির্যাতন চলছে। সম্প্রতি রংপুরের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারকে হত্যা এবং সরকার-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরবর্তী পদক্ষেপ এটাই প্রমাণ করে যে, ৫ আগস্টের পর থেকে চলমান নির্যাতনের প্রধান কুশীলব বর্তমান সাম্প্রদায়িক সরকার ও সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রব্যবস্থা। বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন ও মানবাধিকার সংস্থাসমূহ এই নিয়ে ইতোমধ্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর এহেন মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং একইসাথে মিথ্যাচার বাদ দিয়ে দেশে সকল মানুষের ধর্মীয় অধিকার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছে। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। আঁধার কেটে ভোর হোক  বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।  #Bangladesh #DhakeshwariTemple#bangladeshcrisis🇧🇩 #ভারত_বাংলাদেশ #সংখ্যালঘু হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নির্যাতনের প্রতিবাদে ভিডিও
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মিথ্যাচারের প্রতিবাদ গতকাল ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, “১৯৯৬ সালে ভূমি মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য হিসেবে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি পরিদর্শন করেছিলাম। তখন দেখা যায়, প্রায় আড়াই একর সম্পত্তি সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাকি সম্পত্তি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল।” তিনি আরও বলেছেন, “ওই সময় সরকারের হাতে থাকা আড়াই একর জমি মূলত শ্মশানের জায়গা ছিল। শ্মশান না হলে সেটিও দখল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল।” বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এহেন মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। তিনি সম্ভবত জানেন না যে, শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের জমিতে কোন শ্মশান নেই, কখনও ছিলও না। সরকারের একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রী হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জানা উচিত, সিএস ক্ষতিয়ান মূলে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি ছিল ২০ বিঘা (আনুমানিক ৬.৬ একর)। এরমধ্যে ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান সরকার ‘মোমিন মটরস’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২.৫৬ একর জমি হুকুম দখল করে বরাদ্দ দেয়। ১৯৮২ সালে তৎকালীন সরকার বর্ণিত ২.৫৬ একর জমি অবমুক্ত করে ১.৭৫ একর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-কে হস্তান্তর করে এবং অবশিষ্ট ১.৭৫ একর জমি মন্দিরকে ফেরত না দিয়ে মোমিন মটরসকে দিয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সরকারের বিশেষ উদ্যোগে ২০১৮ সালে ১.৫ বিঘা জমি জনৈক আজম গংদের কবল থেকে উদ্ধার করে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের নিকট হস্তান্তর করেন। বলাবাহুল্য, সেই আজম গংদের রাজনৈতিক পরিচয় হলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের দলের সাথে সম্পৃক্ত। এই সকল বিষয়ের দালিলিক প্রমাণ সরকারের নথিপত্রে সংরক্ষিত রয়েছে। বাংলাদেশের সনাতন ধর্মের অনুসারীরা জানেন, শারদীয় দুর্গোৎসবে ঢাকেশ্বরী মন্দির ও রামকৃষ্ণ আশ্রম পরিদর্শন ছিল বঙ্গবন্ধুকন্যার প্রতিবছরের রাষ্ট্রীয় আচারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনিই বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা উদযাপনের পাশাপাশি শুভ জন্মাষ্টমী, বুদ্ধ পূর্ণিমা এবং বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময়ের অনুষ্ঠানে সারাদেশের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ধর্মের নেতৃস্থানীয় প্রতিনিধিবর্গকে আমন্ত্রণ জানানোর রেওয়াজ প্রথম প্রচলন করেছিলেন। দেশবাসী নিশ্চয়ই জানেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশ ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। কিন্তু পঁচাত্তরের নির্মম হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন মোশতাক-জিয়া-এরশাদ-খালেদা গং বাংলাদেশকে একটি সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ পুনরায় অসাম্প্রদায়িকতার ধারায় ফিরিয়ে এনে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলের নাগরিক অধিকার ও মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়ত জানেন না যে, বঙ্গবন্ধুকন্যা সারাদেশে শুধু মডেল মসজিদ নয়, বরং হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর নাগরিকদের জন্যও রাজধানী ঢাকায় মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা নির্মাণের জন্য জমি বরাদ্দ ও অর্থ বরাদ্দ করেছিলেন। অত্যন্ত দুঃখজনক হলো, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকেই সারাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের চাকরিচ্যুতি, পদোন্নতি বঞ্চিত, চাকুরীতে প্রবেশে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা, বাড়ি-জমি-ব্যবসা দখল সহ নানা ধরনের অত্যাচার-নির্যাতন চলছে। সম্প্রতি রংপুরের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারকে হত্যা এবং সরকার-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরবর্তী পদক্ষেপ এটাই প্রমাণ করে যে, ৫ আগস্টের পর থেকে চলমান নির্যাতনের প্রধান কুশীলব বর্তমান সাম্প্রদায়িক সরকার ও সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রব্যবস্থা। বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন ও মানবাধিকার সংস্থাসমূহ এই নিয়ে ইতোমধ্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর এহেন মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং একইসাথে মিথ্যাচার বাদ দিয়ে দেশে সকল মানুষের ধর্মীয় অধিকার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছে। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। আঁধার কেটে ভোর হোক বাংলাদেশ চিরজীবী হোক। #Bangladesh #DhakeshwariTemple#bangladeshcrisis🇧🇩 #ভারত_বাংলাদেশ #সংখ্যালঘু হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নির্যাতনের প্রতিবাদে ভিডিও

About