@jenna.rachel.kaplan: I had the pleasure of visiting @ludream_headspa in Markham for their 60 minute head spa treatment and it was beyond relaxing! This treatment helped to relieve stress, rejuvenate my scalp, and send me into the deepest relaxation that I’ve felt in a long time! I cannot recommend this spot more! [hosted] #toronto #influencer #contentcreator #torontoinfluencer #torontocontentcreator #ludreamheadspa #headspa #markham

Jenna Kaplan | Toronto
Jenna Kaplan | Toronto
Open In TikTok:
Region: CA
Monday 07 July 2025 18:37:47 GMT
916
35
0
3

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @jenna.rachel.kaplan, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

𝙊𝙣𝙚𝙨𝙝𝙤𝙩ᥫ✫ ভার্সিটি গেটে বান্ধবীদের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলাম হুট করেই কোথা থেকে এক নাদুস নুদুস ভোলা চেহারার ছেলে ডুকলো। দেখতে পুরাই মদন মার্কা, মাথায় চিপচিপে তেল। শার্টের বোতামগুলো গলা অব্দি লাগানো..চোখে চশমা,হ্যান্ডসাম মনে হচ্ছে তবুও হাবাগোবা সাজে বলদ লাগছে।একটু বাজিয়ে দেখতে মন চাচ্ছে। ছেলেটাকে শুনিয়ে হালকা গলাটা ঝেড়ে শুধালাম, — দৃষ্টিতে যেন সে রাজপুতিন খুন হয়ে যাই আমি প্রতিদিন নাম ধাম জানি না তার কিছু তবুও নিলাম আমি তার পিছু সাদা সানগ্লাসটায় কেনো এতো সুখ? হে যুবক!! লাস্ট লাইন একটু জোরে বলতেই ছেলেটা পিছন ফিরে তাকালো, ??– জ্বি? আ-আমাকে কিছু— — হ্যাঁ।তোকেই। নতুন? ছেলেটি ওপর নিচ মাথা দুলালো। — কোন ইয়ার? ?- প্রথম বর্ষ। — কিরে চম্পু ফেল টেল করেছিস নাকি? দেখতে তো ফাইনাল ইয়ার লাগে, তা নাম কি? ছেলেটা ভ্রু কুঁচকেও মলিন করে ফেললো..চশমা ঠিক করে বললো, Jk– জ-জাংকুক আব্রাহার। — জজাংকুক? মদনের মতো তাকিয়ে আবার উচ্চারণ করলো, Jk– জজাংকুক না.. জাংকুক। নাম শুনে হু হু করে হাসি পেলো। — এই চিত্রা, আমাদের ভার্সিটিতে জাংকু পাংকু নামের নতুন আমদানির বলদের কালেকশন শুরু হয়ে গেছে! ভাবছি এ বছর কালচারাল ফেস্টিভ্যালে
𝙊𝙣𝙚𝙨𝙝𝙤𝙩ᥫ✫ ভার্সিটি গেটে বান্ধবীদের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলাম হুট করেই কোথা থেকে এক নাদুস নুদুস ভোলা চেহারার ছেলে ডুকলো। দেখতে পুরাই মদন মার্কা, মাথায় চিপচিপে তেল। শার্টের বোতামগুলো গলা অব্দি লাগানো..চোখে চশমা,হ্যান্ডসাম মনে হচ্ছে তবুও হাবাগোবা সাজে বলদ লাগছে।একটু বাজিয়ে দেখতে মন চাচ্ছে। ছেলেটাকে শুনিয়ে হালকা গলাটা ঝেড়ে শুধালাম, — দৃষ্টিতে যেন সে রাজপুতিন খুন হয়ে যাই আমি প্রতিদিন নাম ধাম জানি না তার কিছু তবুও নিলাম আমি তার পিছু সাদা সানগ্লাসটায় কেনো এতো সুখ? হে যুবক!! লাস্ট লাইন একটু জোরে বলতেই ছেলেটা পিছন ফিরে তাকালো, ??– জ্বি? আ-আমাকে কিছু— — হ্যাঁ।তোকেই। নতুন? ছেলেটি ওপর নিচ মাথা দুলালো। — কোন ইয়ার? ?- প্রথম বর্ষ। — কিরে চম্পু ফেল টেল করেছিস নাকি? দেখতে তো ফাইনাল ইয়ার লাগে, তা নাম কি? ছেলেটা ভ্রু কুঁচকেও মলিন করে ফেললো..চশমা ঠিক করে বললো, Jk– জ-জাংকুক আব্রাহার। — জজাংকুক? মদনের মতো তাকিয়ে আবার উচ্চারণ করলো, Jk– জজাংকুক না.. জাংকুক। নাম শুনে হু হু করে হাসি পেলো। — এই চিত্রা, আমাদের ভার্সিটিতে জাংকু পাংকু নামের নতুন আমদানির বলদের কালেকশন শুরু হয়ে গেছে! ভাবছি এ বছর কালচারাল ফেস্টিভ্যালে "নিউ এন্ট্রি অফ দ্য ইয়ার" অ্যাওয়ার্ডটা একেই দিয়ে দেওয়া উচিত। চিত্রা হেসেই যাচ্ছে। ছেলেটা কথায় খেই হারিয়ে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইল। — এই মদন , শোন, "গলিতে রাজা, ভার্সিটিতে প্রজা" থিওরিটা মাথায় রেখে চলতে হবে। Jk– জি, আমি চেষ্টা করব। বলতেই ছেলেটিকে চলে যেতে ইশারা করলাম, আর ছেলেটা চলে যেতেই চিত্রাকে বললাম, — আজকাল এতো ভোলা ছেলে পাওয়া যায়? পরদিনে বসন্ত প্রোগ্রাম। যেহেতু ভার্সিটির সিনিয়র তাই উৎসবের দায়িত্ব পড়লো আমাদের ওপর। প্রিন্সিপালকে ইচ্ছে মতো গালমন্দ করলাম। এত দায়িত্ব তার মধ্যে পড়েছি শাড়ি কে সামাল দিবে এখন?! করিডোরের দরজায় চেয়ারে দাঁড়িয়ে গাদা ফুলের মালা দরজায় ঝুলাতে গিয়ে নজরে পড়লো বলদ চম্পুকে। সাদা শার্ট পড়েছে।ছেলেটাকে খুটিয়ে মনে খুব সুন্দর।আজকে চুলে তেল নেই।দূর থেকেও চোখে পড়লো সাদা কলারের পাশে ঘাড়টায় তিল আছে ওর। ভিড়ের পাশ দিয়ে মেয়েদের মতো ঠেসে করিডোর পেরোচ্ছে দেখেই হাসি পেলো। কি মনে হতেই ইচ্ছে করে চেয়ারে হোঁচট গেলাম। তাও পড়লাম না। দুটো শক্তিশালী হাত তার বাহুডোরে আবদ্ধ করে নিল। উপলব্ধি হলো করে পুরুষালী হাতের কঠিনতা। ছেলেটার চশমা নাকের ডগায় ঝুলে আছে, সুন্দর করে ওপরে ওঠিয়ে দিয়ে বললাম, — মি. চম্পু।একটু করিডোরের শেষ প্রান্তে দিয়ে আসবেন? পা টা হয়তো মচকে গেছে। কিছু না বলেই করিডোরের একটা বেঞ্চে বসিয়ে আবার চশমা ঠিক করলো। Jk– না মানে এখন আমি যাই? — তো কি আবার কোলে নিবেন? Jk– না না তা না– বলেই আবারও চশমা ঠিক করে দাঁড়িয়ে এদিক ওদিক তাকাচ্ছে। পাগুলো গুছিয়ে সামনে রেখে বললাম, — কুঁচিগুলে ঠিক করে দিন তো! আপনি কোলে নিয়ে নষ্ট করে দিয়েছেন! Jk– ইয়ে মানে আ-আমি? — তো আপনি নয় তো আর কে? Jk– এতো ভালোভাবে কথা বলছেন? — তো আবারও তুই তুকারি করবো? Jk– ন-নাহ সেটা বলিনি- — জলদি করুন তো! এবার হাঁটু গুজে বসলো..চশমাটা ঠিক করে কুঁচিগুলো কোনোরকমে ঠিক করে দিলো, আমার দৃষ্টি নিস্তব্ধ। নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। — আপনার চুলগুলো ছুঁয়ে দেখতে পারি? Jk– জ-জ্বী? — আপনার চুলগুলো...ছুঁয়ে দেখবো? ওনি কতক্ষণ তাকিয়ে মাথাটা ভালো ছেলের মতো পেতে দিলেন, হাতটা আলতো করে ওপরে তুলে,আঙ্গুলগুলো চালালাম তার চুলের ভাজে..সিল্কি চুল তো! মজাও লাগছে এগুলো নাড়াচাড়া করতে। — চুল তো বেশ সিল্কি! এতো সুন্দর চুলের যত্ন করেন কীভাবে? ছলজ্জায় লাল হয়ে বললো, Jk– আ-আসলে তেমন কিছু না শুধু তেল-- অবাক হয়ে বললাম, — শুধু তেল দিয়ে এমন হয়? তাহলে তো নারকেল তেলের কোম্পানি আপনাকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর বানিয়ে দিতে পারে। চিত্রা করিডোরের কোণে থেকে হেসে দিলো, আমি পাত্তা না দিয়ে চুল নিয়ে নাড়াচাড়া চালিয়ে গেলাম। ছেলেটা আরও বেশি বিব্রত হয়ে উঠে দাঁড়ালো। Jk– আ-আমি একটু যাই? — যেতেই তো দিলাম। জানননন। এভাবে জান বলায় ওনি তড়িঘড়ি পিছু হাঁটতে শুরু করলো। তার কিছুক্ষণ পর অনুষ্ঠান শুরু। হঠাৎ চিত্রা এক কোনায় টেনে নিয়ে গেলো, — কি? টানাটানি করছিস কেন? আমি কি রাবার নাকি! চিত্রা– আরো চুপ! রাখ তোর রাবার!ভার্সিটির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এমপি এবং তার ছেলে। মহা বিরক্ত হয়ে বললাম, — হ্যা তো সেটা আমিও জানি। চিত্রা :- আরে কথাটা সেটা নয় কথা হলো এটা যে এমপি এর ছেলের নাম ও জাংকুক আব্রাহার আর ও নাকি ২দিন আগে ভার্সিটি পর্যবেক্ষণ করতে এসেছিলো, কথাটা বুঝতে কিছুক্ষণ সময় লাগলো, বারান্দা থেকে ওকি দিয়ে দেখলাম, চম্পুর অবস্থা পুরাই উন্নতি, হাতে একটা সিগারেট,অন্য হাতে হকিস্টিক। শার্টের ৩ বোতাম খোলা।এবার প্রথম এই জাংকুককে দেখে হুট করে হাসি পেলো আমার, বারান্দা থেকে চিৎকার করে বললাম, — রঙ চটা জিন্সের প্যান্ট পরা। জ্বলন্ত সিগারেট ঠোঁটে ধরা। লাল শার্ট গায়ে তার বুক খোলা। সানগ্লাস কপালে আছে তোলা। ঢাকো না কেনো রেখে ওই দুটি চোখ। হে যুবক। ~সমাপ্ত~

About