@papodeenfermagem: Bebês prematuros extremos — aqueles que nascem com menos de 28 semanas de gestação — exigem uma abordagem especializada, imediata e multidisciplinar para garantir sobrevivência e desenvolvimento saudável. O cuidado começa antes mesmo do primeiro choro. ➡️ Principais cuidados nas primeiras horas: - Estabilização térmica: uso de incubadora aquecida ou saco plástico esterilizado para evitar hipotermia - Suporte respiratório: frequência respiratória monitorada e, se necessário, ventilação mecânica ou CPAP neonatal - Avaliação da vitalidade: Apgar, exames laboratoriais e observação neurológica precoce - Manutenção da glicemia: controle rigoroso da glicose via acesso venoso ou UCI neonatal - Cuidados com a pele frágil: uso mínimo de manipulação, curativos específicos e higiene cuidadosa - Monitoramento contínuo: saturação, frequência cardíaca, pressão arterial e perfusão periférica - Contato com os pais: mesmo com suporte tecnológico, estimular vínculo afetivo com toque e presença é fundamental Esses primeiros cuidados são parte de um protocolo intensivo, humanizado e ajustado ao perfil clínico de cada recém-nascido. Cada detalhe é uma estratégia de proteção à vida. 💜👩‍⚕️ 💬 Gostou desse vídeo? Deixe seu comentário! 📹 Créditos: maede_umprematuro na rede vizinha. . . . . . #neonatalogia #Enfermagem #enfermagemporamor #Enfermeiros #EstudantesDeEnfermagem #nurse

papodeenfermagem
papodeenfermagem
Open In TikTok:
Region: BR
Thursday 17 July 2025 18:12:43 GMT
371
27
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @papodeenfermagem, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

আমি বুঝতে পারছি—আমি বদলে গেছি। আগের সেই হাসিখুশি, সবার সাথে মিশে যাওয়া আমি আর নেই। আগের মতো আর এত কথা বলা হয় না, এখন কথাগুলোও যেন ভীষণ ভারী লাগে। প্রয়োজন ছাড়া কিছু বলতে ইচ্ছা করে না, মনে হয় চুপ থাকলেই ভালো। চুপ করে থাকা এখন আমার অভ্যাস হয়ে গেছে, আর এই নীরবতার মাঝেই আমি নিজেকে লুকিয়ে রাখতে শিখেছি। কখনো কখনো নিজেকেই নিজের কাছে অচেনা লাগে। মনে হয়, এই আমি কে? কোথায় হারিয়ে গেল আগের সেই আমি? কোথায় গেল সেই ছোট ছোট কথায় হাসতে পারা মনটা? সত্যি বলতে, আমি সহজে এমন হয়ে যাইনি। অনেক কিছু সহ্য করতে হয়েছে, অনেক কথা বুকের ভেতর জমিয়ে রেখেছি, অনেক কষ্ট মুখে হাসি দিয়ে লুকিয়েছি। সেই সব কিছু মিলিয়েই হয়তো আমাকে বদলে দিয়েছে। এখন আমি দূরত্ব বজায় রাখি। সবার সাথে মিশতে ইচ্ছা করে না। মানুষকে ভালো লাগে না, বিশ্বাস করতে ইচ্ছা করে না। কারো কথা সত্যি মনে হয় না, কারো হাসি যেন প্রয়োজনের। তাই নিজেকে সরিয়ে নেই, নিজের একটা ছোট জগৎ তৈরি করেছি যেখানে আমি নিজের মতো থাকতে পারি। এটা হয়তো সবার চোখে “চেঞ্জ”, কিন্তু আমার চোখে এটা নিজেকে বাঁচানো। মানুষ এখন আমাকে নিষ্ঠুর বলে। তারা বলে, “তুমি আগের মতো না।” কিন্তু কেউ জিজ্ঞেস করে না—কেন আমি এমন হয়ে গেলাম? কেউ দেখে না সেই রাতগুলো, যখন ঘুম হারিয়ে গেছে। কেউ বোঝে না বুকের ভেতরের চাপা কষ্টগুলো। সবাই শুধু পরিবর্তনটা দেখে, কিন্তু পরিবর্তনের পেছনের গল্পটা কেউ শুনতে চায় না। আমি নিষ্ঠুর হয়ে যাইনি, আমি শুধু ক্লান্ত হয়ে গেছি। ক্লান্ত হয়ে গেছি সবাইকে বোঝাতে বোঝাতে, ক্লান্ত হয়ে গেছি সবাইকে খুশি রাখতে রাখতে। এখন আমি নিজেকে বাঁচাতে চাই, নিজের মনকে একটু শান্তি দিতে চাই। যদি এর জন্য আমাকে নিষ্ঠুর বলা হয়, তাহলে ঠিক আছে—আমি সেই নিষ্ঠুরই। তবুও, আমার ভেতরে একটা নরম জায়গা আজও আছে। সেই জায়গায় এখনও অনেক স্বপ্ন থাকে, অনেক সুন্দর অনুভূতি লুকিয়ে থাকে। এখনও ইচ্ছে করে কেউ আমার চোখের ভেতরের গল্পটা বুঝুক, কেউ আমার চুপ করে থাকার মানেটা বুঝুক। কিন্তু সেই মানুষটা সবসময় পাওয়া যায় না। তাই এখন আমি নিজের সাথেই থাকতে শিখছি। নিজের সাথে কথা বলতে শিখছি, নিজের চোখের জল নিজেই মুছে ফেলতে শিখছি। হয়তো আমি বদলে গেছি, কিন্তু এই বদলে যাওয়াটাই আমার বেঁচে থাকার উপায়। আগের আমি হারিয়ে যায়নি, সে আজও আমার ভেতরে আছে—শুধু একটু লুকিয়ে, একটু নীরব হয়ে। আর যদি কেউ জিজ্ঞেস করে—“তুমি এমন কেন?” তাহলে আমি হেসে বলবো, “সময় আমাকে এমন করেছে।” কারণ সময়ই সবচেয়ে বড় শিক্ষক, আর সেই শিক্ষাই আমাকে এই নতুন আমি বানিয়েছে।😌🫶 লিখা:ঐশি🤍
আমি বুঝতে পারছি—আমি বদলে গেছি। আগের সেই হাসিখুশি, সবার সাথে মিশে যাওয়া আমি আর নেই। আগের মতো আর এত কথা বলা হয় না, এখন কথাগুলোও যেন ভীষণ ভারী লাগে। প্রয়োজন ছাড়া কিছু বলতে ইচ্ছা করে না, মনে হয় চুপ থাকলেই ভালো। চুপ করে থাকা এখন আমার অভ্যাস হয়ে গেছে, আর এই নীরবতার মাঝেই আমি নিজেকে লুকিয়ে রাখতে শিখেছি। কখনো কখনো নিজেকেই নিজের কাছে অচেনা লাগে। মনে হয়, এই আমি কে? কোথায় হারিয়ে গেল আগের সেই আমি? কোথায় গেল সেই ছোট ছোট কথায় হাসতে পারা মনটা? সত্যি বলতে, আমি সহজে এমন হয়ে যাইনি। অনেক কিছু সহ্য করতে হয়েছে, অনেক কথা বুকের ভেতর জমিয়ে রেখেছি, অনেক কষ্ট মুখে হাসি দিয়ে লুকিয়েছি। সেই সব কিছু মিলিয়েই হয়তো আমাকে বদলে দিয়েছে। এখন আমি দূরত্ব বজায় রাখি। সবার সাথে মিশতে ইচ্ছা করে না। মানুষকে ভালো লাগে না, বিশ্বাস করতে ইচ্ছা করে না। কারো কথা সত্যি মনে হয় না, কারো হাসি যেন প্রয়োজনের। তাই নিজেকে সরিয়ে নেই, নিজের একটা ছোট জগৎ তৈরি করেছি যেখানে আমি নিজের মতো থাকতে পারি। এটা হয়তো সবার চোখে “চেঞ্জ”, কিন্তু আমার চোখে এটা নিজেকে বাঁচানো। মানুষ এখন আমাকে নিষ্ঠুর বলে। তারা বলে, “তুমি আগের মতো না।” কিন্তু কেউ জিজ্ঞেস করে না—কেন আমি এমন হয়ে গেলাম? কেউ দেখে না সেই রাতগুলো, যখন ঘুম হারিয়ে গেছে। কেউ বোঝে না বুকের ভেতরের চাপা কষ্টগুলো। সবাই শুধু পরিবর্তনটা দেখে, কিন্তু পরিবর্তনের পেছনের গল্পটা কেউ শুনতে চায় না। আমি নিষ্ঠুর হয়ে যাইনি, আমি শুধু ক্লান্ত হয়ে গেছি। ক্লান্ত হয়ে গেছি সবাইকে বোঝাতে বোঝাতে, ক্লান্ত হয়ে গেছি সবাইকে খুশি রাখতে রাখতে। এখন আমি নিজেকে বাঁচাতে চাই, নিজের মনকে একটু শান্তি দিতে চাই। যদি এর জন্য আমাকে নিষ্ঠুর বলা হয়, তাহলে ঠিক আছে—আমি সেই নিষ্ঠুরই। তবুও, আমার ভেতরে একটা নরম জায়গা আজও আছে। সেই জায়গায় এখনও অনেক স্বপ্ন থাকে, অনেক সুন্দর অনুভূতি লুকিয়ে থাকে। এখনও ইচ্ছে করে কেউ আমার চোখের ভেতরের গল্পটা বুঝুক, কেউ আমার চুপ করে থাকার মানেটা বুঝুক। কিন্তু সেই মানুষটা সবসময় পাওয়া যায় না। তাই এখন আমি নিজের সাথেই থাকতে শিখছি। নিজের সাথে কথা বলতে শিখছি, নিজের চোখের জল নিজেই মুছে ফেলতে শিখছি। হয়তো আমি বদলে গেছি, কিন্তু এই বদলে যাওয়াটাই আমার বেঁচে থাকার উপায়। আগের আমি হারিয়ে যায়নি, সে আজও আমার ভেতরে আছে—শুধু একটু লুকিয়ে, একটু নীরব হয়ে। আর যদি কেউ জিজ্ঞেস করে—“তুমি এমন কেন?” তাহলে আমি হেসে বলবো, “সময় আমাকে এমন করেছে।” কারণ সময়ই সবচেয়ে বড় শিক্ষক, আর সেই শিক্ষাই আমাকে এই নতুন আমি বানিয়েছে।😌🫶 লিখা:ঐশি🤍

About