@yaponkaaa1: даже #владикавказ #чечня #дагестан

yaponkaaa1
yaponkaaa1
Open In TikTok:
Region: NL
Thursday 07 August 2025 11:30:25 GMT
38503
1438
80
142

Music

Download

Comments

ami77796
amin :
таджики😍
2025-08-07 22:29:57
2
user13598757681938
Марьям :
ооо табасаранцы😍😍😍
2025-08-08 13:57:57
7
rsm.050
RASMUS :
Гьарай гьурай табасаран улихьна ⚔️
2025-08-08 06:27:20
13
kazan.tatar4
🇸🇦Rustam at-Tatarstani🇸🇦 :
Че я сделать успел…
2025-08-08 06:00:12
4
ar_ia666
ar_ia666 :
Мояя
2025-08-07 19:58:59
0
dag_style105
Dag Style :
Хорошо быть МураДом
2025-08-10 20:21:40
3
vdumkkah
vdumkah :
одаа лезгины
2025-08-07 22:12:07
1
ramazan.777
Magomedov_01 :
Ай сау
2025-08-11 07:00:52
2
almgdv_01
almgdv_01 :
Хорошо
2025-08-10 19:01:21
1
user1486155406216
user1486155406216 :
Умняша 🥰
2025-10-05 15:14:20
0
nokhchi_saske
мами к|ант :
Вроде вечно жить, вроде молча жить, че делать то?
2025-08-08 17:13:26
2
tre64668
tre :
это дура из Африке каторе раздилает натцю разви пророк Мухаммад мир ему он бил чо осетин иле даргинес иле табасаранес ? он бил мусульманином
2025-08-30 07:17:32
0
tabak0006
PERFECTO :
им и дар, а вуьшт динахь ц1ахь хуьли хьо?
2025-08-14 10:04:35
0
zaur20090
Amirhanov :
А кумыки
2025-10-28 19:41:26
1
alievvvvv3
Барму дагъы къойганинг? :
почему кумыков не добавила?
2025-08-07 15:40:34
0
_0999749
, :
Полу даргинка полу лачка❤️
2025-09-03 09:29:02
1
usename05reg
Murad0456 :
Фух я Мурад аварец
2025-08-07 15:26:22
1
nwleewq
Wentam• G1alh1a :
Я Ингуш Но Маги что сделали 😂?
2025-08-07 18:45:59
1
kabarda.circassia
Хаширова 👑⚔️ :
не Кабардинцы а Черкесы
2025-08-07 12:57:08
2
.majakesully
majake 𖣂 :
мой батя че сделал
2025-08-07 18:20:53
2
chevroletusman
chevroletusman :
За даргинцев респект за Магу обидно
2025-08-07 17:27:52
2
karavaliev_77
Я Гриффит :
я тебе чо сделал?
2025-08-07 19:52:44
1
tre64668
tre :
мы все братия по рилиги
2025-08-30 07:18:03
0
user2328493814714
софка❤ :
😂
2025-08-09 08:40:30
1
user6328101739530
user6328101739530 :
👏👏👏
2025-09-28 17:06:25
0
To see more videos from user @yaponkaaa1, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

অসম্ভব দোয়া কবুলের গল্প ✨ কয়েক বছর আগের ঘটনা। আমার ডিভোর্স হয়। আমার পৃথিবী অন্ধকার, অপরিচিত। আমার আর বেঁচে থাকার কোন ইচ্ছাই নেই। আমার সবসময় কান্না পেত। কখনো কখনো কেঁদে বুক ভাসাতাম। শরীরে এমন এক ব্যাথা অনুভব করা শুরু করলাম যা এর আগে কখনোই করিনি । মনের মধ্যে রাজ্যের খারাপ চিন্তা দানা বাঁধতে শুরু করল। কোনো কিছুতেই মন দিতে পারছিলাম না। নিজেকে গুনাহগার ও মূল্যহীন মনে হচ্ছিল। বিধ্বস্ত আমি দু চোখে অন্ধকার দেখতে শুরু করলাম। আমার প্রাক্তন স্বামীর সাথে আমার বিয়েটা ছিল একটা বড় দুর্ঘটনা। আমার পরিবার আমাকে হাজারবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু আমি তাদের বারণ শুনিনি। বরং তাদের মতামতকে অগ্রাহ্য করে তার সাথে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলাম। পরিবারের সবাই তাকে সন্দেহ করেছিল। কিন্তু আমি যেভাবেই হোক বিয়ে করতে চেয়েছিলাম তাকে। এটাকেই হয়ত “অন্ধ ভালোবাসা” বলে। আমি পাকিস্তান থেকে ইউকেতে এসেছিলাম উচ্চতর শিক্ষা নেওয়ার জন্য। বিজনেস ভিসায় ইউকে-তে আসা আমার প্রাক্তন স্বামীর সাথে এখানেই আমার প্রথম দেখা। দেখা থেকেই ভালো লাগা। তারপর বিয়ে। বিয়ের পর এমন কোন দিন ছিলনা যে আমাকে কাঁদতে হয়নি। পরিবারের সম্মতিতে আমরা পাকিস্তানে বিয়ে করি। এরপর একসাথে ইউকে-তেই বসবাস করতে শুরু করি। আমরা বড়জোর ছয় মাস একসাথে কাঁটাতে পেরেছিলাম। এরপর সে ইউএসএ-তে শিফট করতে চাইল। ইউকে তার কাছে আর ভাল লাগছিল না। সে সবসময় বাসায়ই থাকত। ঘরে বসে বসে পিসিতে বিভিন্ন গায়েরে মাহরাম নারীদের সাথে চ্যাট করত। আমি কোন অভিযোগ করতাম না। সবসময় এটা ভাবতাম যে, একদিন সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। এভাবেই চলছিল আমাদের দাম্পত্য জীবন। একদিন হঠাৎ করে সে আমাকে বলল ইউএসএ-তে সে একটা চাকরী পেয়েছে। তাকে এখনই যেতে হবে।আমার সাথে আপাততঃ মোবাইলে আর নেটে যোগাযোগ হবে। এরপর বাসা ঠিক করে দুজনে মিলে ইউএসএ-তে পাড়ি জমাব। সে ইউএসএ চলে গেল আর দিন দিন আমার প্রতি সে বিরুপ আচরণ করতে লাগল।চোখের আড়াল হলে মনের আড়াল হয়- এরকম আর কি। আমি কল করলে সে কেটে দিত। ধরলেও দুর্ব্যবহার করত। মাঝে মাঝে এও বলত যে, আমাকে বিয়ে করে সে ঠকেছে। কারণ জিজ্ঞেস করলে কী সব খোঁড়া যুক্তি দিত। সে বলত, “আমাদের মধ্যে বোঝাপড়া ভালো না” বা “মনের মিল নেই” ইত্যাদি। এ অবস্থায় আমি এও জানতে পারলাম যে ইতিমধ্যে পাকিস্তানে তার এক স্ত্রী রয়েছে। তার সাথেও সে প্রতারণা করছে। আমি তখনও তার সাথে ছাড়াছাড়ি চায়নি বা তালাক্ব দাবী করিনি। ‘তালাক্ব’ নামক শব্দটা শুনলে আমার খুব ভয় লাগে। আমি আল্লাহ’র কাছে দু’আ করলাম, তিনি যেন আমাদের মধ্যে তালাক্ব থেকে দূরে রাখেন আর আমার স্বামীকে আমার কাছে ফিরিয়ে দেন। সবাই আমাকে নাসিহা দিল, তার সাথে যেন ছাড়াছাড়ি করে ফেলি। কিন্তু আমার সাহসে কুলাচ্ছিল না। আমি ইতিমধ্যে ত্রিশে পা দিয়েছি আর এই মুহুর্তে ‘ডিভোর্সি’ নামক শব্দটা গায়ে লাগালে কেউ আমাকে আর গ্রহণ করবে না, সবাই ফেলে চলে যাবে-এরকম ভয় মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। আমার মনে পড়ে সেই রামাদ্বান মাসের কথা। যখন আমি দিনে সিয়াম পালন করতাম আর সারারাত স্বালাত আদায় করতাম। এরকম একদিন সকাল বেলায় আমি ঘুম থেকে উঠেই আম্মার ফোনকল পাই। আম্মা জানালেন, ডাকযোগে আমার স্বামী আমাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছে । আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম একদম কি বলব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। আমি চিন্তা করতে লাগলাম। আল্লাহ্ আমার দু’আ কেন কবুল করলেন না। আমার আম্মা আমাকে শান্তনা দিয়ে বললেন “নিশ্চয়ই এর মধ্যে আল্লাহ্ কল্যাণ লুকিয়ে রেখেছেন; প্রতিটি ঘটনার পিছনে সুনির্দিষ্ট কারণ রয়েছে আর মহান আল্লাহ’ই সেটা ভালো জানেন”। আমি বিষন্ন মনে অবুঝের মত কাঁদতেই থাকলাম সারাদিন। আমি সে রাতে ঘুমাতে পারছিলাম না। বারবার ঘুম ভেঙ্গে যাচ্ছিল। হতাশায় ভুগছিলাম একদম । আমি হাত তুলে দু’আ করতে থাকলাম। ভাঙ্গা মন নিয়ে আল্লাহ’র সাহায্য চাইলাম। হঠাৎ আমার মনে পড়ে গেল বছর খানেক আগে আম্মা আমাকে অনুবাদ ও তাফসীরসহ একখানা ক্বুর’আন গিফট করেছিলেন। তখন বলেছিলেন, আমি যেন নিয়মিত তিলোওয়াত করি। এতে আত্না প্রশান্ত হয়, অন্তরে শান্তি আসে। আমি বিছানা ছাড়লাম। অজু করে ক্বুর’আন হাতে তুলে নিলাম। কয়েক পাতা উল্টালাম।  আমার সামনে সূরা তালাক্বের এই আয়াতগুলি ভেসে উঠলঃ
অসম্ভব দোয়া কবুলের গল্প ✨ কয়েক বছর আগের ঘটনা। আমার ডিভোর্স হয়। আমার পৃথিবী অন্ধকার, অপরিচিত। আমার আর বেঁচে থাকার কোন ইচ্ছাই নেই। আমার সবসময় কান্না পেত। কখনো কখনো কেঁদে বুক ভাসাতাম। শরীরে এমন এক ব্যাথা অনুভব করা শুরু করলাম যা এর আগে কখনোই করিনি । মনের মধ্যে রাজ্যের খারাপ চিন্তা দানা বাঁধতে শুরু করল। কোনো কিছুতেই মন দিতে পারছিলাম না। নিজেকে গুনাহগার ও মূল্যহীন মনে হচ্ছিল। বিধ্বস্ত আমি দু চোখে অন্ধকার দেখতে শুরু করলাম। আমার প্রাক্তন স্বামীর সাথে আমার বিয়েটা ছিল একটা বড় দুর্ঘটনা। আমার পরিবার আমাকে হাজারবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু আমি তাদের বারণ শুনিনি। বরং তাদের মতামতকে অগ্রাহ্য করে তার সাথে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলাম। পরিবারের সবাই তাকে সন্দেহ করেছিল। কিন্তু আমি যেভাবেই হোক বিয়ে করতে চেয়েছিলাম তাকে। এটাকেই হয়ত “অন্ধ ভালোবাসা” বলে। আমি পাকিস্তান থেকে ইউকেতে এসেছিলাম উচ্চতর শিক্ষা নেওয়ার জন্য। বিজনেস ভিসায় ইউকে-তে আসা আমার প্রাক্তন স্বামীর সাথে এখানেই আমার প্রথম দেখা। দেখা থেকেই ভালো লাগা। তারপর বিয়ে। বিয়ের পর এমন কোন দিন ছিলনা যে আমাকে কাঁদতে হয়নি। পরিবারের সম্মতিতে আমরা পাকিস্তানে বিয়ে করি। এরপর একসাথে ইউকে-তেই বসবাস করতে শুরু করি। আমরা বড়জোর ছয় মাস একসাথে কাঁটাতে পেরেছিলাম। এরপর সে ইউএসএ-তে শিফট করতে চাইল। ইউকে তার কাছে আর ভাল লাগছিল না। সে সবসময় বাসায়ই থাকত। ঘরে বসে বসে পিসিতে বিভিন্ন গায়েরে মাহরাম নারীদের সাথে চ্যাট করত। আমি কোন অভিযোগ করতাম না। সবসময় এটা ভাবতাম যে, একদিন সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। এভাবেই চলছিল আমাদের দাম্পত্য জীবন। একদিন হঠাৎ করে সে আমাকে বলল ইউএসএ-তে সে একটা চাকরী পেয়েছে। তাকে এখনই যেতে হবে।আমার সাথে আপাততঃ মোবাইলে আর নেটে যোগাযোগ হবে। এরপর বাসা ঠিক করে দুজনে মিলে ইউএসএ-তে পাড়ি জমাব। সে ইউএসএ চলে গেল আর দিন দিন আমার প্রতি সে বিরুপ আচরণ করতে লাগল।চোখের আড়াল হলে মনের আড়াল হয়- এরকম আর কি। আমি কল করলে সে কেটে দিত। ধরলেও দুর্ব্যবহার করত। মাঝে মাঝে এও বলত যে, আমাকে বিয়ে করে সে ঠকেছে। কারণ জিজ্ঞেস করলে কী সব খোঁড়া যুক্তি দিত। সে বলত, “আমাদের মধ্যে বোঝাপড়া ভালো না” বা “মনের মিল নেই” ইত্যাদি। এ অবস্থায় আমি এও জানতে পারলাম যে ইতিমধ্যে পাকিস্তানে তার এক স্ত্রী রয়েছে। তার সাথেও সে প্রতারণা করছে। আমি তখনও তার সাথে ছাড়াছাড়ি চায়নি বা তালাক্ব দাবী করিনি। ‘তালাক্ব’ নামক শব্দটা শুনলে আমার খুব ভয় লাগে। আমি আল্লাহ’র কাছে দু’আ করলাম, তিনি যেন আমাদের মধ্যে তালাক্ব থেকে দূরে রাখেন আর আমার স্বামীকে আমার কাছে ফিরিয়ে দেন। সবাই আমাকে নাসিহা দিল, তার সাথে যেন ছাড়াছাড়ি করে ফেলি। কিন্তু আমার সাহসে কুলাচ্ছিল না। আমি ইতিমধ্যে ত্রিশে পা দিয়েছি আর এই মুহুর্তে ‘ডিভোর্সি’ নামক শব্দটা গায়ে লাগালে কেউ আমাকে আর গ্রহণ করবে না, সবাই ফেলে চলে যাবে-এরকম ভয় মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। আমার মনে পড়ে সেই রামাদ্বান মাসের কথা। যখন আমি দিনে সিয়াম পালন করতাম আর সারারাত স্বালাত আদায় করতাম। এরকম একদিন সকাল বেলায় আমি ঘুম থেকে উঠেই আম্মার ফোনকল পাই। আম্মা জানালেন, ডাকযোগে আমার স্বামী আমাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছে । আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম একদম কি বলব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। আমি চিন্তা করতে লাগলাম। আল্লাহ্ আমার দু’আ কেন কবুল করলেন না। আমার আম্মা আমাকে শান্তনা দিয়ে বললেন “নিশ্চয়ই এর মধ্যে আল্লাহ্ কল্যাণ লুকিয়ে রেখেছেন; প্রতিটি ঘটনার পিছনে সুনির্দিষ্ট কারণ রয়েছে আর মহান আল্লাহ’ই সেটা ভালো জানেন”। আমি বিষন্ন মনে অবুঝের মত কাঁদতেই থাকলাম সারাদিন। আমি সে রাতে ঘুমাতে পারছিলাম না। বারবার ঘুম ভেঙ্গে যাচ্ছিল। হতাশায় ভুগছিলাম একদম । আমি হাত তুলে দু’আ করতে থাকলাম। ভাঙ্গা মন নিয়ে আল্লাহ’র সাহায্য চাইলাম। হঠাৎ আমার মনে পড়ে গেল বছর খানেক আগে আম্মা আমাকে অনুবাদ ও তাফসীরসহ একখানা ক্বুর’আন গিফট করেছিলেন। তখন বলেছিলেন, আমি যেন নিয়মিত তিলোওয়াত করি। এতে আত্না প্রশান্ত হয়, অন্তরে শান্তি আসে। আমি বিছানা ছাড়লাম। অজু করে ক্বুর’আন হাতে তুলে নিলাম। কয়েক পাতা উল্টালাম। আমার সামনে সূরা তালাক্বের এই আয়াতগুলি ভেসে উঠলঃ "এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিযিক দেবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট। আল্লাহ তার কাজ পূর্ণ করবেন। আল্লাহ সবকিছুর জন্যে একটি পরিমাণ স্থির করে রেখেছেন।" (আত-তালাক্ব, আয়াত : ৩) "এটা আল্লাহর নির্দেশ, যা তিনি তোমাদের প্রতি নাযিল করেছেন। যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার পাপ মোচন করেন এবং তাকে মহাপুরস্কার দেন।" (আত-তালাক্ব, আয়াত : ৫) . বিঃদ্রঃ দোয়া কবুলের গল্পটি সম্পূর্ণভাবে এখানে দেওয়া যাচ্ছে না সেজন্য দুঃখিত। আপনাদের দোয়া কবুলের গল্পগুলো চাইলে ইনবক্সে শেয়ার করতে পারেন🤍🤍#islamic_video #fryyyy #foryoupage

About