@simplymarlana: Anything that will transition from season to season…TAKE MY MONEY! #OOTD #transitionaloutfits #casualstyle #momstyle #ootds #comfyclothes #fallfashion

simplymarlana ❌
simplymarlana ❌
Open In TikTok:
Region: US
Sunday 17 August 2025 17:42:53 GMT
853
15
2
1

Music

Download

Comments

holleyhicks142
holley :
Thank you for sharing this with us 🤩🤩🤩
2025-08-17 23:01:19
1
To see more videos from user @simplymarlana, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

##কসম_কাটা ​ অনেকেরই কথায় কথায় কসম কাটার প্রবণতা রয়েছে। তাদের সামান্য কোনো বিষয়েই কসম করতে দেখা যায়। যা কোনোভাবেই উচিত নয়। বরং পবিত্র কোরআনে এমন ব্যক্তিদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, মিথ্যা কসমকারীর শাস্তি হিসেবে পরকালে জাহান্নাম অবধারিত।  পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তুমি তার অনুসরণ করো না, যে বেশি বেশি কসম খায় আর যে বারবার মিথ্যা কসম খাওয়ার কারণে মানুষের কাছে লাঞ্ছিত। (সুরা আল-কলম, আয়াত: ১০) এ আয়াতটির মাধ্যমে স্পষ্ট যে, কসম করা ব্যক্তিরা ইসলামের দৃষ্টিতে প্রত্যাখিত। তবে বর্তমান সময়ে কথায় কথায় মানুষকে কসম কাটতে দেখা যায়। অনেকে আবার কোনোকিছুতে বিশ্বাসযোগ্যতা বোঝাতে বাবা-মা কিংবা সন্তানের নামে কসম কাটেন। এ ক্ষেত্রেও ইসলামে কঠোর নিষেধ রয়েছে।  হাদিসে এসেছে, আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) উমর ইবনু খাত্তার (রা.)-কে কোনো বাহনের ওপর আরোহণ অবস্থায় পেলেন। ওই সময় তিনি তার বাবার নামে কসম করছিলেন। পরে রাসুল (সা.) বললেন, সাবধান! আল্লাহ তা’আলা তোমাদের পিতৃপুরুষদের নামে কসম করতে নিষেধ করেছেন। কেউ যদি কসম করতে চায়, সে যেন আল্লাহর নামে কসম করে, নতুবা চুপ থাকে। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬১৯১) তবে প্রয়োজনে কসম কাটা জায়েজ থাকলেও কোনোভাবেই মিথ্যা কসম কাটা যাবে না। মিথ্যা কসম কাটা কবীরা গুনাহের মধ্যে অন্যতম। মিথ্যা কসমকারীর জন্য পরকালে জাহান্নাম অবধারিত। ইমরান ইবন হুসাইন (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো হাকিমের আদালতে বন্দি থাকা অবস্থায় মিথ্যা কসম খায়, সে যেন তার আবাসস্থল জাহান্নামে বানিয়ে নেয়। (সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ৩২২৭)  তবে প্রয়োজনে কসম বা শপথ করা জায়েজ। এ ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারও নামে কসম করা জায়েজ নয়, এটি শিরকের সমতুল্য।
##কসম_কাটা ​ অনেকেরই কথায় কথায় কসম কাটার প্রবণতা রয়েছে। তাদের সামান্য কোনো বিষয়েই কসম করতে দেখা যায়। যা কোনোভাবেই উচিত নয়। বরং পবিত্র কোরআনে এমন ব্যক্তিদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, মিথ্যা কসমকারীর শাস্তি হিসেবে পরকালে জাহান্নাম অবধারিত। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তুমি তার অনুসরণ করো না, যে বেশি বেশি কসম খায় আর যে বারবার মিথ্যা কসম খাওয়ার কারণে মানুষের কাছে লাঞ্ছিত। (সুরা আল-কলম, আয়াত: ১০) এ আয়াতটির মাধ্যমে স্পষ্ট যে, কসম করা ব্যক্তিরা ইসলামের দৃষ্টিতে প্রত্যাখিত। তবে বর্তমান সময়ে কথায় কথায় মানুষকে কসম কাটতে দেখা যায়। অনেকে আবার কোনোকিছুতে বিশ্বাসযোগ্যতা বোঝাতে বাবা-মা কিংবা সন্তানের নামে কসম কাটেন। এ ক্ষেত্রেও ইসলামে কঠোর নিষেধ রয়েছে। হাদিসে এসেছে, আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) উমর ইবনু খাত্তার (রা.)-কে কোনো বাহনের ওপর আরোহণ অবস্থায় পেলেন। ওই সময় তিনি তার বাবার নামে কসম করছিলেন। পরে রাসুল (সা.) বললেন, সাবধান! আল্লাহ তা’আলা তোমাদের পিতৃপুরুষদের নামে কসম করতে নিষেধ করেছেন। কেউ যদি কসম করতে চায়, সে যেন আল্লাহর নামে কসম করে, নতুবা চুপ থাকে। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬১৯১) তবে প্রয়োজনে কসম কাটা জায়েজ থাকলেও কোনোভাবেই মিথ্যা কসম কাটা যাবে না। মিথ্যা কসম কাটা কবীরা গুনাহের মধ্যে অন্যতম। মিথ্যা কসমকারীর জন্য পরকালে জাহান্নাম অবধারিত। ইমরান ইবন হুসাইন (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো হাকিমের আদালতে বন্দি থাকা অবস্থায় মিথ্যা কসম খায়, সে যেন তার আবাসস্থল জাহান্নামে বানিয়ে নেয়। (সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ৩২২৭) তবে প্রয়োজনে কসম বা শপথ করা জায়েজ। এ ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারও নামে কসম করা জায়েজ নয়, এটি শিরকের সমতুল্য।

About