@user9769097035115: #CapCut

embah guru
embah guru
Open In TikTok:
Region: ID
Friday 29 August 2025 22:31:03 GMT
212
41
0
3

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @user9769097035115, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

{প্রেমপত্র নাকি রাইফেল?! } পর্ব ১৫ রাত ৮ টা আসিফ হাসনাত এবং বাকের এসেছে আকিব ভাইয়ের বাড়িতে। উঠোনের ভেতর প্রবেশ করতেই দেখলো আকিব ভাই সিগারেট হাতে উঠোনে দাঁড়িয়ে আছেন।
{প্রেমপত্র নাকি রাইফেল?! } পর্ব ১৫ রাত ৮ টা আসিফ হাসনাত এবং বাকের এসেছে আকিব ভাইয়ের বাড়িতে। উঠোনের ভেতর প্রবেশ করতেই দেখলো আকিব ভাই সিগারেট হাতে উঠোনে দাঁড়িয়ে আছেন। "তোমরা এসেছো তাহলে?" আকিব সামনে এগোতে এগোতে বললো। বাকের হ্যাঁ সূচক মাথা নড়লো। " শোনো, তোমাদের ডাকায় পিছনে কারণ আছে। তোমাদের নদীর ওপারে যেতে হবে। নৌকা প্রস্তুত থাকবে, গোপন মাধ্যমে খবর পেয়েছি হামলা হবে দেশে। নদীর ওপারে পূর্ব পাকিস্তান এর কিছু সেনা থাকবে। তোমাদের সেখানে গিয়েই একটা কোড বলতে হবে তাহলেই তোমাদের ওরা চিনবে এবং তোমাদের নিয়ে যাবে গোপন আস্তানায়। সেখান থেকে বুলেট দেওয়া হবে তোমাদের। এখন বুলেট নদীর এপারে কিভাবে আনবে সেটা তোমাদের বিষয়। আমি জানি তোমরা সঠিক ভাবেই দায়িত্ব পালন করবে। এই যুদ্ধের সময় তোমরা শুধুই দেশ নিয়ে ভাববে আশা করছি। " আকিব ভাইয়ের কথাগুলো তারা তিনজনই খুব মনোযোগ সহকারে শুনলো। "আমরা শুধু ৩ জন যাবো?" আসিফ জিজ্ঞেস করলো। "না না, আরো যাবে কিন্তু তোমাদের পরে যাবে ওরা। এতজন থাকলে ঝামেলা।" "আচ্ছা কোডটা কি?" "মুক্তিবাহিনী৩৬৫" "তোমাদের দেশের নামে প্রতিজ্ঞা নিতে হবে যে এ কথা ভুলোও কেউ যেন না জানে। "৷ আাবারও বললো আকিব। আসিফের মনে এখন নেই কোনো প্রেম, নেই পরিবারের চিন্তা। দেশকেই যদি সে ঠিক রাখতে না পারে তাহলে পরিবার নিয়ে কোথায় যাবে? আকিব ভাইয়ের বাসা থেকে বের হয়েই আসিফ সিগারেট জ্বালালো। এই বদ অভ্যাস কখন যে তৈরি হলো টেরই পায়নি সে। লাবণ্যদের বাসায় যেতে হবে। ব্যাপারটা ভিন্ন, লাবণ্যের জন্য না, যাবে রাশেদের কাছে। এই মুহূর্তে তরুণ ছেলেদের যে দরকার। ~~~ দরজা খুললেন পারভিন। আসিফকে দেখে কিছুটা অবাক হলেন। “একি বাবা তুমি? এতো রাতে?” “না মানে আঙ্কেলের শরীর কেমন তা জানতে এসেছিলাম।” “ও তাই বলো। এসো ভিতরে এসো।” আসিফ ভিতরে ঢুকেই হাসান সাহেবের ঘরে ঢুকে পড়ল। “আসসালামু আলাইকুম আঙ্কেল। কেমন আছেন? প্রেসার কি এখনো হাই?” “না না বাবা, আগের চেয়ে ভালো আছি। বসো বসো, চেয়ারটা টেনে বসো।” “না না আঙ্কেল, পরে একদিন বসব।” আসিফ হাসান সাহেবের সঙ্গে কথা বলে তার ঘর থেকে বের হলো। তার চোখ খুঁজছে রাশেদকে। “আসিফ ভাইইই!!!” হঠাৎ এমন জোরে আওয়াজ হাওয়ায় আসিফ কেঁপে উঠল। একটু নিচে তাকিয়ে দেখলো লাবণ্য। “হঠাৎ এমন জোরে চিৎকার দেওয়ার মানে হয় লাবণ্য?” “এই যা... রেগে গেলেন?” “না না, রাগব কেন? আদর করব। চলো ঘরে চলো।” “আপনিও না...” লাবণ্যের গাল টমেটোর মতো লাল হয়ে গেল। “লাবণ্য, রাশেদ কোথায় বলতো?” “ছাদে মনে হয়। কেন?” “না না, আমার বিয়েতে আমার শালার কী লাগবে সেটা জানতে এসেছি।” “ডেকে দেবো ওকে?” “না না, আমি-ই যাচ্ছি।” “আসিফ ভাই, আমি যাই আপনার সাথে?” আসিফ লাবণ্যকে না-ও করতে পারবে না। কিন্তু আসিফ যে বিষয় নিয়ে কথা বলবে তা আবার লাবণ্যকে জানানোও যাবে না। আসিফের মাথায় দুষ্টু বুদ্ধি চলে এলো। “লাবণ্য, একটু বারান্দায় চলো তো। তোমার ঠোঁটটা আজ বেশ লাল হয়ে আছে। একটু টেস্ট নেওয়া দরকার।” “ধুর!...” লাবণ্য এই বলে দৌড়ে নিজের ঘরে চলে গেল। এখন আসিফ যেতে পারে ছাদে। আসিফ এক-দুই না ভেবে ছাদে চলে গেল। গিয়ে দেখলো রাশেদ রেলিংয়ে পা ঝুলিয়ে বসে আছে। "রাশেদ...." রাশেদ হঠাৎ আসিফের গলা শুনে চমকে উঠলো। পিছন ফিরে দেখলো আসলেই আসিফ। "আরে ভাই আপনি? এত রাতে?" রাশেদ অবাক হয়ে আসিফের দিকে এগোল। "দরকারি কথা আছে। একটু আসবা আমার সঙ্গে জলিল মিয়ার চায়ের স্টলে?" "জরুরি কথা বুঝলাম, কিন্তু এত রাতে মা বের হতে দেবে?" "আরে আমি আছি তো!" আসিফ একটু জোর দিয়েই কথাটা বলল। ~~~ আসিফ আর রাশেদ জলিল মিয়ার চায়ের স্টলে এসে বসল। কৌতূহলী স্বরে রাশেদ জিজ্ঞেস করল, "এবার বলুনতো ব্যাপারটা কি? যে কারণে আমাকে এখানে ডাকলেন?" আসিফ ধীরে ধীরে আকিব ভাইয়ের সব কথা গুছিয়ে রাশেদকে শোনাল। সব শুনে রাশেদ কিছুক্ষণ চুপ করে বসে রইল। তারপর বলল, "এখন আমাকে কী করতে হবে?" আসিফ নিচু গলায় উত্তর দিল, "আমরা যখন নদীর ওপার থেকে বুলেট নিয়ে ফিরব, তখন তুমি আর তোমার কয়েকজন বন্ধু সেখানে অপেক্ষা করবে। আমরা যারা বড়, আমাদের হাতে ভারি কিছু দেখলেই মিলিটারিরা সন্দেহ করবে। তাই তোমাদের গায়ে বুলেট বেঁধে দেব আমরা। ওপরে শার্ট থাকবে, কেউ কিছু টের পাবে না।" "কিন্তু এত সকালে মা বের হতে দেবে? " "বন্ধুদের সাথে মিলে একটা প্ল্যান বানিয়ে ফেলো। ইনশাআল্লাহ কাজটা আমরা করবই !!" ~~~ রাশেদ দরজা খুলে চুপিচুপি ঘরে ঢুকলো। "আসিফ ভাইয়ের সাথে কোথায় গিয়েছিলি রে? " পিছন থেকে লাবণ্যর ডাক শুনে রাশে দাঁড়িয়ে পড়লো। "না আপা তেমন কিছু না । ভাই জিজ্ঞেস করছিল তোমাদের বিয়েতে আমার কি লাগবে। " " সেটার জন্য বাহিরে যাওয়া লাগে? " "উফ আপা! তুমি না অনেক বিরক্ত কর, ভাল্লাগেনা এসব!" রাশেদের এমন হঠাৎ রেগে যাওয়ায় লাবণ্য খুব অবাক হল। যে ছেলে কখনো লাবণ্যের মুখের উপরেই কথা বলে না সে আজ এমন করলো? লাবণ্যের আর কি করা? সে নিজের মতো কাজ করতে লাগলো। " . . . .(long time no see!!) #foryou #CapCut #ff

About