@iishxe_4: #اكسبلور #علوم #مطويات #سادس #fyp

iishxe_4
iishxe_4
Open In TikTok:
Region: SA
Thursday 25 September 2025 12:00:03 GMT
3661
29
4
16

Music

Download

Comments

bt_1549
b :
مبدعتنااا ماشاءالله 💗💗💗
2025-09-25 19:32:01
2
sosp018
sosp :
لو ابي مطويه كيف الطلب ؟
2025-11-09 13:14:48
0
shiimy.24
دفـــتـــــري 📒✨ :
فنانه 💗💗💗
2025-09-25 12:03:36
2
sosp018
sosp :
السلام عليكم
2025-11-09 13:14:34
0
To see more videos from user @iishxe_4, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

সব সময় মানসিক কষ্টে থাকেন? সূরা আদ-দোহার এই আমলটি করুন—ধীরে ধীরে বদলে যাবে আপনার জীবন। কখনো কি এমন হয়েছে—সবকিছু ঠিক আছে, তবুও মনটা অদ্ভুত ভারী লাগে? কোনো কারণ ছাড়াই দুশ্চিন্তা আসে। ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয় কাজ করে। মনে হয়—জীবনটা যেন কোথাও আটকে গেছে। অনেক মানুষ এই অবস্থার মধ্য দিয়ে যায়। বাইরে হাসে, মানুষের সাথে কথা বলে, কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা অজানা কষ্ট বয়ে বেড়ায়। এমন সময়ে কুরআনের একটি ছোট সূরা আছে, যেটি আল্লাহ নাযিল করেছিলেন ঠিক এমন একটি মুহূর্তে—যখন একজন মানুষ গভীর মানসিক কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই মানুষটি হলেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ। কেন নাযিল হয়েছিল সূরা আদ-দোহা? এক সময় কয়েকদিন পর্যন্ত ওহি নাযিল হওয়া বন্ধ ছিল। এতে নবীজি ﷺ খুব চিন্তিত ও বিষণ্ন হয়ে পড়েন। তখন কিছু মানুষ বলতে শুরু করেছিল— মনে হয় আল্লাহ তাকে ছেড়ে দিয়েছেন। এই কঠিন মুহূর্তে আল্লাহ নাযিল করেন একটি সান্ত্বনার সূরা— সূরা আদ-দোহা। এই সূরার মধ্যেই আল্লাহ নবীজিকে আশ্বাস দিয়ে বলেন—মা ওয়াদ্দা’আকা রাব্বুকা ওয়া মা ক্বালা অর্থ:তোমার রব তোমাকে ত্যাগ করেননি, এবং তোমার উপর অসন্তুষ্টও নন। ভাবুন একবার— এই আয়াত শুধু নবীজির জন্য নয়, বরং প্রত্যেক সেই মানুষের জন্য, যে কখনো মনে করে— আল্লাহ হয়তো আমাকে ভুলে গেছেন। সূরা আদ-দোহার একটি সহজ আমল (মানসিক কষ্ট দূরের জন্য) অনেক আলেম বলেন, যদি কেউ মানসিক কষ্ট, হতাশা বা অস্থিরতার মধ্যে থাকে, তাহলে নিয়মিত সূরা আদ-দোহা পড়া হৃদয়ে প্রশান্তি এনে দেয়। আমলটি করার নিয়ম ▪️অজু করে নিন। ▪️শান্ত কোনো জায়গায় বসুন। ▪️প্রথমে ৩–১১ বার দরূদ শরীফ পড়ুন। ▪️তারপর সূরা আদ-দোহা ১১ বার বা ২১ বার তিলাওয়াত করুন। শেষে আবার ৩–১১ বার দরূদ পড়ুন। তারপর আল্লাহর কাছে মন খুলে দোয়া করুন। কখন করবেন? ▪️ফজরের পর ▪️মাগরিব বা এশার পর ▪️অথবা রাতের শেষ সময় (তাহাজ্জুদের সময়) কতদিন করবেন ৭ দিন, ১১ দিন বা ২১ দিন নিয়মিত করলে অনেকেই হৃদয়ের ভেতর পরিবর্তন অনুভব করেন। সূরা আদ-দোহা আমাদের কী শেখায়? এই সূরাটি শুধু একটি আমল নয়, বরং একটি বড় শিক্ষা। এখানে আল্লাহ আমাদের তিনটি বড় বিষয় মনে করিয়ে দেন— ১️⃣ কঠিন সময় চিরস্থায়ী নয় “নিশ্চয়ই পরের সময় আগের সময়ের চেয়ে উত্তম হবে।” ২️⃣ আল্লাহ কখনো তাঁর বান্দাকে ছেড়ে দেন না যদিও আমরা কখনো কখনো তা অনুভব করতে পারি না। ৩️⃣ কষ্টের পরই আসে স্বস্তি যখন মন খুব ভেঙে যায়, যখন মনে হবে— সবকিছু শেষ হয়ে যাচ্ছে… যখন মনে হবে— আপনার দোয়া কেউ শুনছে না… তখন একটু থামুন। অজু করুন। দুই রাকাত নামাজ পড়ুন। তারপর সূরা আদ-দোহা তিলাওয়াত করুন। হয়তো আপনি সঙ্গে সঙ্গে কোনো বড় পরিবর্তন দেখবেন না। কিন্তু ধীরে ধীরে অনুভব করবেন— আপনার হৃদয়ের ভেতর একটা শান্তি নেমে আসছে। শেষ কথা অনেক সময় জীবনের সবচেয়ে বড় অলৌকিক ঘটনা হয় হৃদয়ের পরিবর্তন। যখন আল্লাহ আমাদের ভেতরের অস্থিরতাকে শান্তিতে বদলে দেন— সেটাই আসলে সবচেয়ে বড় নিয়ামত। তাই যদি আপনি আজ মানসিক কষ্টে থাকেন— তাহলে সূরা আদ-দোহা পড়ে আল্লাহকে ডাকুন। হয়তো নিঃশব্দেই আল্লাহ আপনার জীবনের পথ সহজ করে দিতে শুরু করবেন।#FYP #bdtiktok #trending #ইনশাআল্লাহ_যাবে_foryou_তে।
সব সময় মানসিক কষ্টে থাকেন? সূরা আদ-দোহার এই আমলটি করুন—ধীরে ধীরে বদলে যাবে আপনার জীবন। কখনো কি এমন হয়েছে—সবকিছু ঠিক আছে, তবুও মনটা অদ্ভুত ভারী লাগে? কোনো কারণ ছাড়াই দুশ্চিন্তা আসে। ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয় কাজ করে। মনে হয়—জীবনটা যেন কোথাও আটকে গেছে। অনেক মানুষ এই অবস্থার মধ্য দিয়ে যায়। বাইরে হাসে, মানুষের সাথে কথা বলে, কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা অজানা কষ্ট বয়ে বেড়ায়। এমন সময়ে কুরআনের একটি ছোট সূরা আছে, যেটি আল্লাহ নাযিল করেছিলেন ঠিক এমন একটি মুহূর্তে—যখন একজন মানুষ গভীর মানসিক কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই মানুষটি হলেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ। কেন নাযিল হয়েছিল সূরা আদ-দোহা? এক সময় কয়েকদিন পর্যন্ত ওহি নাযিল হওয়া বন্ধ ছিল। এতে নবীজি ﷺ খুব চিন্তিত ও বিষণ্ন হয়ে পড়েন। তখন কিছু মানুষ বলতে শুরু করেছিল— মনে হয় আল্লাহ তাকে ছেড়ে দিয়েছেন। এই কঠিন মুহূর্তে আল্লাহ নাযিল করেন একটি সান্ত্বনার সূরা— সূরা আদ-দোহা। এই সূরার মধ্যেই আল্লাহ নবীজিকে আশ্বাস দিয়ে বলেন—মা ওয়াদ্দা’আকা রাব্বুকা ওয়া মা ক্বালা অর্থ:তোমার রব তোমাকে ত্যাগ করেননি, এবং তোমার উপর অসন্তুষ্টও নন। ভাবুন একবার— এই আয়াত শুধু নবীজির জন্য নয়, বরং প্রত্যেক সেই মানুষের জন্য, যে কখনো মনে করে— আল্লাহ হয়তো আমাকে ভুলে গেছেন। সূরা আদ-দোহার একটি সহজ আমল (মানসিক কষ্ট দূরের জন্য) অনেক আলেম বলেন, যদি কেউ মানসিক কষ্ট, হতাশা বা অস্থিরতার মধ্যে থাকে, তাহলে নিয়মিত সূরা আদ-দোহা পড়া হৃদয়ে প্রশান্তি এনে দেয়। আমলটি করার নিয়ম ▪️অজু করে নিন। ▪️শান্ত কোনো জায়গায় বসুন। ▪️প্রথমে ৩–১১ বার দরূদ শরীফ পড়ুন। ▪️তারপর সূরা আদ-দোহা ১১ বার বা ২১ বার তিলাওয়াত করুন। শেষে আবার ৩–১১ বার দরূদ পড়ুন। তারপর আল্লাহর কাছে মন খুলে দোয়া করুন। কখন করবেন? ▪️ফজরের পর ▪️মাগরিব বা এশার পর ▪️অথবা রাতের শেষ সময় (তাহাজ্জুদের সময়) কতদিন করবেন ৭ দিন, ১১ দিন বা ২১ দিন নিয়মিত করলে অনেকেই হৃদয়ের ভেতর পরিবর্তন অনুভব করেন। সূরা আদ-দোহা আমাদের কী শেখায়? এই সূরাটি শুধু একটি আমল নয়, বরং একটি বড় শিক্ষা। এখানে আল্লাহ আমাদের তিনটি বড় বিষয় মনে করিয়ে দেন— ১️⃣ কঠিন সময় চিরস্থায়ী নয় “নিশ্চয়ই পরের সময় আগের সময়ের চেয়ে উত্তম হবে।” ২️⃣ আল্লাহ কখনো তাঁর বান্দাকে ছেড়ে দেন না যদিও আমরা কখনো কখনো তা অনুভব করতে পারি না। ৩️⃣ কষ্টের পরই আসে স্বস্তি যখন মন খুব ভেঙে যায়, যখন মনে হবে— সবকিছু শেষ হয়ে যাচ্ছে… যখন মনে হবে— আপনার দোয়া কেউ শুনছে না… তখন একটু থামুন। অজু করুন। দুই রাকাত নামাজ পড়ুন। তারপর সূরা আদ-দোহা তিলাওয়াত করুন। হয়তো আপনি সঙ্গে সঙ্গে কোনো বড় পরিবর্তন দেখবেন না। কিন্তু ধীরে ধীরে অনুভব করবেন— আপনার হৃদয়ের ভেতর একটা শান্তি নেমে আসছে। শেষ কথা অনেক সময় জীবনের সবচেয়ে বড় অলৌকিক ঘটনা হয় হৃদয়ের পরিবর্তন। যখন আল্লাহ আমাদের ভেতরের অস্থিরতাকে শান্তিতে বদলে দেন— সেটাই আসলে সবচেয়ে বড় নিয়ামত। তাই যদি আপনি আজ মানসিক কষ্টে থাকেন— তাহলে সূরা আদ-দোহা পড়ে আল্লাহকে ডাকুন। হয়তো নিঃশব্দেই আল্লাহ আপনার জীবনের পথ সহজ করে দিতে শুরু করবেন।#FYP #bdtiktok #trending #ইনশাআল্লাহ_যাবে_foryou_তে।

About