@linhleee_96: Đi ăn tân gia bốc trúng secret 😭😭😭 #meshibam #fyp #kotex #bangquan #pantycool

Linh Lee
Linh Lee
Open In TikTok:
Region: VN
Thursday 25 September 2025 12:08:27 GMT
139242
2740
23
37

Music

Download

Comments

trieuthuhien1006
Hien :
Đầu tiên nhé chị
2025-09-25 12:13:05
2
kimhien2990
kim hiền >< :
sớm ạ
2025-09-25 12:13:07
1
lethithuylinhcute
🐣 Lιɴн⁀ᶦᵈᵒᶫ🎀 :
Đáng iuuuu ❤
2025-09-25 12:43:40
1
l.minh.tun0823
Yuxi baby pants :
Ok
2025-09-30 02:19:13
0
kimngoc.ngo8
kimngoc Ngo :
🥰🥰🥰🥰
2025-10-11 01:38:50
1
tn.doan.trang
ai hỏi :
🥰🥰🥰
2025-09-25 12:13:04
0
l.lam417
Lệ Săn Sale :
🥺🥺🥺
2025-10-05 00:58:33
0
hoangdao_1992
Hoàng Đào Clothing :
😁😁😁
2025-10-19 02:43:14
0
ngocanh_1102
ngocanh_1102 :
🥰🥰🥰
2025-09-26 12:52:34
0
cokhitonghopxuanloan
Xưởng SX Cơ Khí Xuân Loan :
🥰🥰🥰
2025-10-01 06:10:25
0
vml.1704
Mỹ linh🥰170422🥰 :
❤️❤❤️❤
2025-09-28 14:05:52
0
tungtunghuar
ổn lùa :) :
😂
2025-09-29 02:08:17
0
phm.thanh.hng298
YUXI Mềm Mại Cho Bé :
💕💕💕
2025-09-28 02:37:28
0
thuyjune1996
Thúy June :
😁
2025-09-26 15:29:41
0
nghoaithu1812
thuslay_5 :
🍀
2025-11-22 02:28:02
0
ng.thyln_ttl
thl :
🥰
2025-09-26 08:14:54
0
thythyne231121112
Nguyễn phạm bảo Thy❤️ :
🥰
2025-12-25 08:13:47
0
phamphuongthao20065
phamphuongthao20065 :
❤❤❤
2026-01-11 07:41:29
0
To see more videos from user @linhleee_96, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

সঙ্গীন হৃদয় অনুভূতি” 🤍 part 40. .Pond, Phuwin-কে নিয়ে পার্কের পাশে হওয়া মেলায় ঘুরতে যায়। এদিকে বাকি সবাই কিছুক্ষণ পার্কে হাঁটাচলা করে। Mahi একপর্যায়ে বলে ওঠে সে নৌকায় চড়বে। বাকিরাও এক কথাতে রাজি হয়। Dunk প্রথমে ইতস্তত করছিলো কেননা সে একটু ভয় পায় সাঁতার না জানার কারণে, কিন্তু সবাই যেহেতু আছে তাই আর তেমন ভয় পেলো না। অগত্যা সবাই মিলে নৌকায় চড়ার প্রস্তুতি নেয়। নৌকায় চড়তে এসেও ঘটে আরেক বিপত্তি। তারা যে নৌকায় উঠবে সেখানে মানুষজন ভর্তি। Joong এসব দেখে বাঁকা হাসে। বলে, —এখানে তো আর বেশি মানুষ উঠলে সমস্যা হতে পারে। Aou তুই এদের নিয়ে এই নৌকা দিয়ে যা। আমরা পরের নৌকায় আসছি। Aou-এর মনে মনে আবারও কিছু একটা আঁচ করলো। অথচ মুখে মেকি হাসি দিয়ে বললো, —ওকে ভাইয়া। বলেই সে নৌকায় ওঠে। এদিকে Dunk-এর মনটা আবারও খারাপ হয়ে যায়। ও একপর্যায়ে বলে—না না আমিও তাদের সাথে যাবো। একজন মানুষ বেশি উঠলে কি আর এমন হবে! প্লিজ আমিও উঠবো তাদের সাথে। Dunk-এর কথা শুনে মেকি রাগ দেখায় Joong। —তোকে বললাম না আমরা আলাদা নৌকায় যাবো? ওরা যাক এই নৌকায়। তুই আমার সাথে আয়। বলেই Dunk-কে আর কিছু বলতে না দিয়ে তার হাত ধরে একটি খালি নৌকায় উঠে পড়ে। মাঝিকে বলে দেয়, —মামা পুরো নৌকা আমি ভাড়া নিচ্ছি। আপনি বৈঠা তুলুন। আর হ্যাঁ অবশ্যই সাবধানে চালাবেন। ​মাঝিও Joong-এর কথামতো বৈঠা তোলে। Dunk-এর যেনো অবস্থা যায় যায়। সে কোনো রকমে হেলেদুলে দুলতে থাকা নৌকায় বসে পড়ে। কিছুটা ভীত কণ্ঠে Joong-কে বলে, —Joong ভাই, আমরা একা একটা নৌকায় কেন যাচ্ছি? বেশি মানুষ থাকলে তো অন্তত আমার ভয়টা কম লাগতো। Joong, Dunk-এর থেকে সামান্য দূরত্বে দাঁড়িয়ে। Dunk-এর কথা শেষ হতেই মেজাজ দেখিয়ে বলে, —তুই কিভাবে ভাবলি আমি তোকে অতোগুলো মানুষের মাঝখানে নিয়ে যাবো? আর রইলো বাকি তোর ভয়ের কথা, মনে রাখিস আমি থাকতে তোর কিচ্ছু হতে দিবো না। ​Dunk অবাক চোখে তাকিয়ে রইলো Joong-এর পানে। এই মানুষটা তার কাছে বরাবরই এক মায়াজাল। বোঝা বড় দায়! কিন্তু এই মুহূর্তে Dunk কিছুতেই শান্ত হতে পারছে না। দুলতে থাকা নৌকায় তার জান যায় যায় অবস্থা। মনে হচ্ছে এই বুঝি নৌকাটা উল্টে গেলো। Dunk ভয়ের চোটে চোখ বন্ধ করে নেয়। হঠাৎ করে Dunk অনুভব করলো সে কারোর খুব কাছে। একটা পুরুষালী মনমাতানো সুঘ্রাণ তার নাকে এসে বারি খাচ্ছে। Dunk চট করে চোখ খোলে। কিন্তু পর মুহূর্তেই যেনো তার চক্ষু চড়কগাছ। Joong, Dunk-এর খুব কাছে ঘেঁষে বসে এবং Dunk-এর কোমরে হাত দিয়ে তাকে নিজের বুকের খুব কাছাকাছি নিয়ে আসে। Joong-এর স্পর্শ পেতেই Dunk আবারও চোখ বন্ধ করে নেয়। বুকের খাঁচার ভেতরের বস্তুটি যেন এক্ষুনি লাফিয়ে বের হয়ে আসবে Dunk-এর। আবারও যেন কাঁপন ধরে যায় শরীরে। ​হঠাৎই Dunk-এর কানে আসে এক মন্ত্রমুগ্ধ ডাক।
সঙ্গীন হৃদয় অনুভূতি” 🤍 part 40. .Pond, Phuwin-কে নিয়ে পার্কের পাশে হওয়া মেলায় ঘুরতে যায়। এদিকে বাকি সবাই কিছুক্ষণ পার্কে হাঁটাচলা করে। Mahi একপর্যায়ে বলে ওঠে সে নৌকায় চড়বে। বাকিরাও এক কথাতে রাজি হয়। Dunk প্রথমে ইতস্তত করছিলো কেননা সে একটু ভয় পায় সাঁতার না জানার কারণে, কিন্তু সবাই যেহেতু আছে তাই আর তেমন ভয় পেলো না। অগত্যা সবাই মিলে নৌকায় চড়ার প্রস্তুতি নেয়। নৌকায় চড়তে এসেও ঘটে আরেক বিপত্তি। তারা যে নৌকায় উঠবে সেখানে মানুষজন ভর্তি। Joong এসব দেখে বাঁকা হাসে। বলে, —এখানে তো আর বেশি মানুষ উঠলে সমস্যা হতে পারে। Aou তুই এদের নিয়ে এই নৌকা দিয়ে যা। আমরা পরের নৌকায় আসছি। Aou-এর মনে মনে আবারও কিছু একটা আঁচ করলো। অথচ মুখে মেকি হাসি দিয়ে বললো, —ওকে ভাইয়া। বলেই সে নৌকায় ওঠে। এদিকে Dunk-এর মনটা আবারও খারাপ হয়ে যায়। ও একপর্যায়ে বলে—না না আমিও তাদের সাথে যাবো। একজন মানুষ বেশি উঠলে কি আর এমন হবে! প্লিজ আমিও উঠবো তাদের সাথে। Dunk-এর কথা শুনে মেকি রাগ দেখায় Joong। —তোকে বললাম না আমরা আলাদা নৌকায় যাবো? ওরা যাক এই নৌকায়। তুই আমার সাথে আয়। বলেই Dunk-কে আর কিছু বলতে না দিয়ে তার হাত ধরে একটি খালি নৌকায় উঠে পড়ে। মাঝিকে বলে দেয়, —মামা পুরো নৌকা আমি ভাড়া নিচ্ছি। আপনি বৈঠা তুলুন। আর হ্যাঁ অবশ্যই সাবধানে চালাবেন। ​মাঝিও Joong-এর কথামতো বৈঠা তোলে। Dunk-এর যেনো অবস্থা যায় যায়। সে কোনো রকমে হেলেদুলে দুলতে থাকা নৌকায় বসে পড়ে। কিছুটা ভীত কণ্ঠে Joong-কে বলে, —Joong ভাই, আমরা একা একটা নৌকায় কেন যাচ্ছি? বেশি মানুষ থাকলে তো অন্তত আমার ভয়টা কম লাগতো। Joong, Dunk-এর থেকে সামান্য দূরত্বে দাঁড়িয়ে। Dunk-এর কথা শেষ হতেই মেজাজ দেখিয়ে বলে, —তুই কিভাবে ভাবলি আমি তোকে অতোগুলো মানুষের মাঝখানে নিয়ে যাবো? আর রইলো বাকি তোর ভয়ের কথা, মনে রাখিস আমি থাকতে তোর কিচ্ছু হতে দিবো না। ​Dunk অবাক চোখে তাকিয়ে রইলো Joong-এর পানে। এই মানুষটা তার কাছে বরাবরই এক মায়াজাল। বোঝা বড় দায়! কিন্তু এই মুহূর্তে Dunk কিছুতেই শান্ত হতে পারছে না। দুলতে থাকা নৌকায় তার জান যায় যায় অবস্থা। মনে হচ্ছে এই বুঝি নৌকাটা উল্টে গেলো। Dunk ভয়ের চোটে চোখ বন্ধ করে নেয়। হঠাৎ করে Dunk অনুভব করলো সে কারোর খুব কাছে। একটা পুরুষালী মনমাতানো সুঘ্রাণ তার নাকে এসে বারি খাচ্ছে। Dunk চট করে চোখ খোলে। কিন্তু পর মুহূর্তেই যেনো তার চক্ষু চড়কগাছ। Joong, Dunk-এর খুব কাছে ঘেঁষে বসে এবং Dunk-এর কোমরে হাত দিয়ে তাকে নিজের বুকের খুব কাছাকাছি নিয়ে আসে। Joong-এর স্পর্শ পেতেই Dunk আবারও চোখ বন্ধ করে নেয়। বুকের খাঁচার ভেতরের বস্তুটি যেন এক্ষুনি লাফিয়ে বের হয়ে আসবে Dunk-এর। আবারও যেন কাঁপন ধরে যায় শরীরে। ​হঠাৎই Dunk-এর কানে আসে এক মন্ত্রমুগ্ধ ডাক। "Dunk!" ডাকটি শোনামাত্রই Dunk-এর শিরদাঁড়া বেয়ে এক শীতল স্রোত নেমে যায়। নিজের মনের উৎপীড়নে অতিষ্ঠ হয়ে ঠোঁট কামড়ে ধরে। এদিকে Dunk-এর বন্ধ চোখ, কাঁপতে থাকা শরীর, অবশেষে ঠোঁট কামড়ে ধরা—সবকিছুই যেনো Joong-কে এক ঘোর অমানিশায় ফেলে দিচ্ছে। বারেবারে তার মনে নিষিদ্ধ ইচ্ছেরা উঁকি দিয়ে যাচ্ছে। Joong, Dunk-এর কোমর থেকে হাত সরিয়ে দ্রুত দাঁড়িয়ে পড়ে। অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে ঘন ঘন নিঃশ্বাস ফেলে নিজেকে ধাতস্থ করার আশায়। কিছুক্ষণ পর নিজেকে স্বাভাবিক করে Dunk-এর দিকে ফিরে দেখে Joong যে, Dunk এখনো চোখ বন্ধ করে আছে। আবারও Dunk-এর পাশে গিয়ে বসে সে। এবার অবশ্য সামান্য দূরত্ব বজায় রেখে বসেছে। শান্ত নিরেট কণ্ঠে বললো, —চোখ খোল Dunk। Dunk হালকা ঢোক গিলে ধীরস্থিরভাবে চোখ মেলে। Joong ফের বলে, —নৌকায় বসে যদি পরিবেশটাই উপভোগ না করিস তাহলে নৌকায় উঠে কি লাভ বলতো। Dunk-এর ইচ্ছে করলো একবার বলতে, "আপনি আর উপভোগ করতে দিচ্ছেন কই! আপনি জানেন না আপনি সামনে আসলেই আমি বাকহারা হয়ে যাই!" কিন্তু মুখে কিছুই বলতে পারলো না। চুপ করে মাথা নিচু করে বসে রইলো। Joong তার মৌনতা দেখে বুঝে নিলো যা বোঝার। এবার Joong-এর মাথায় এক দুষ্ট বুদ্ধি খেলে গেলো। সে হালকা কঠোর গলায় বললো, —দেখ Dunk! এভাবে বসে থেকে কোনো কিছুই উপভোগ করতে পারবি না। আই থিংক তোর ভয় হচ্ছে। তাহলে তুই এক কাজ কর, আমার হাতটা ধরে বসে থাক। এতে তোর ভয় কিছুটা কমবে। বলেই নিজের পকেট থেকে ফোন বের করে তার ওপর আঙুল চালাতে থাকে। কিন্তু তার মনোযোগ সবটাই Dunk-এর ওপর। Dunk কিছুক্ষণ ইতস্তত করে। কিন্তু পরিস্থিতির ভয়ও যেন মাথা চাড়া দিয়ে বসে তার। তাই কোনো উপায়ান্তর না পেয়ে Joong-এর এক হাত জড়িয়ে ধরে সে। Joong-ও মুচকি হাসে কিন্তু পরক্ষণেই নিজের মুখভঙ্গি স্বাভাবিক করে নেয়। Dunk-এর ভয়টা এখন কিছুটা কমে আসে। সে সামনে তাকিয়ে মুগ্ধ নয়নে পরিবেশটা উপভোগ করে। মাথার ওপর সাদা-নীল মিশেলের আকাশ, নিচেই নদী, নৌকার বৈঠার তালে তালে হওয়া নদীর কলকল শব্দ। দূরে তাকালে মনে হচ্ছে যেন আকাশের সাথে নদীটিও মিশে একাকার। অথচ তারা যতটা সামনে যাচ্ছে ততই যেন #foryoupage

About