@rmn_kristeen: Eu ❤️dor KK #academia #exercicios #dormuscular #fyp

rmn_kristeen
rmn_kristeen
Open In TikTok:
Region: BR
Saturday 04 October 2025 19:12:38 GMT
21493
2564
9
116

Music

Download

Comments

jumartins658
jumartins :
Amoooooo, quando não fica dolorido fico triste 😭
2025-10-04 21:31:25
18
sanmylia
~Hadassa cruz~ :
tô morrendo AGR 😭
2025-10-17 18:09:43
3
mih_0633
Mih💙 :
Meu corpo tá queimando tanto que do jeito que eu deitei eu fiquei dói só de se mexer
2026-01-10 02:28:31
2
pv.da.livyyy
livya :
💯💯💯
2025-10-05 17:06:45
1
tvoumatb1
Тгк : NeTvouMat :
😂😂😂
2026-01-06 18:21:43
0
luanyvvitoria
luanyvvitoria :
A dor vira benefício
2025-11-25 17:40:39
0
To see more videos from user @rmn_kristeen, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

জীবনের কিছু অধ্যায় এমন হয়, যেগুলো আমরা কখনোই লিখতে চাই না, তবুও ভাগ্য যেন জোর করেই সেই পৃষ্ঠাগুলো আমাদের দিয়ে লিখিয়ে নেয়। আমি হয়তো বাইরে থেকে এখনো আগের মতোই আছি—হাসি, কথা বলি, সবার সাথে মিশি… কিন্তু ভেতরে ভেতরে আমি কতবার যে ভেঙে গেছি, সেটা কেউ কখনো দেখেনি, দেখার চেষ্টাও করেনি। কিছু রাত আছে, যেগুলো শুধু রাত না—ওগুলো একেকটা যুদ্ধ। চারপাশে নীরবতা থাকে, কিন্তু মাথার ভেতর হাজারটা চিন্তা, হাজারটা স্মৃতি, হাজারটা অপূর্ণতা একসাথে চিৎকার করতে থাকে। ঘুমাতে চাই, কিন্তু ঘুম আসে না… ভুলে যেতে চাই, কিন্তু কিছু স্মৃতি এতটাই গভীর যে চোখ বন্ধ করলেই সব আবার সামনে ভেসে ওঠে। মানুষ বলে, সময় সব ঠিক করে দেয়… কিন্তু সময় শুধু শিখিয়ে দেয় কিভাবে কষ্টটা লুকিয়ে রাখতে হয়। আগে কাঁদতে পারতাম, এখন আর কাঁদতেও পারি না—কারণ কান্নাটাও যেন ভেতরে জমে পাথর হয়ে গেছে। কেউ যদি জিজ্ঞেস করে, “তুমি কেমন আছো?”—আমি হেসে বলি “ভালো আছি”… অথচ সেই “ভালো” শব্দটার ভেতরে কতটা ভাঙাচোরা লুকিয়ে আছে, সেটা কেউ বুঝে না। যাদেরকে এক সময় নিজের থেকেও বেশি বিশ্বাস করেছি, যাদেরকে ভেবেছিলাম জীবনের সবচেয়ে আপন—তারাই একদিন এমনভাবে দূরে চলে গেল, যেন আমি কখনোই তাদের জীবনের অংশ ছিলাম না। সেই দূরত্বটা শুধু শারীরিক না, মানসিকও… আর সেই ফাঁকটা যতই ভরাট করতে চাই, ততই যেন আরও গভীর হয়ে যায়। কখনো কখনো মনে হয়, আমি আসলে কাউকেই আমার সত্যিকারের দিকটা দেখাতে পারিনি। সবাই শুধু আমার একটা মুখ চিনে—যেটা আমি তাদের দেখাতে চেয়েছি। কিন্তু আমার ভেতরের মানুষটা, যে প্রতিদিন ভেঙে পড়ে, যে প্রতিদিন নিজের সাথে যুদ্ধ করে, যে প্রতিদিন নিজের কষ্টগুলোকে লুকিয়ে রাখে—সেই মানুষটাকে কেউ চেনে না। আমি ক্লান্ত… সত্যিই খুব ক্লান্ত। মানুষকে বোঝাতে বোঝাতে ক্লান্ত, নিজের কষ্টগুলোকে চাপা দিতে দিতে ক্লান্ত, হাসির আড়ালে কান্না লুকাতে লুকাতে ক্লান্ত। কখনো কখনো ইচ্ছে করে, সব কিছু ছেড়ে কোথাও হারিয়ে যাই, যেখানে কেউ আমাকে চিনবে না, কেউ কিছু জিজ্ঞেস করবে না, আর আমাকে আর অভিনয় করতে হবে না। তবুও আমি বেঁচে আছি… হয়তো দায়িত্বের জন্য, হয়তো কিছু অপূর্ণ স্বপ্নের জন্য, হয়তো শুধু অভ্যাসের কারণে। প্রতিদিন নিজেকে বলি—“আরেকটু সহ্য কর, হয়তো একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে।” কিন্তু সত্যি বলতে, এখন আর সেই “ঠিক হয়ে যাওয়া” কথাটাতেও বিশ্বাস হয় না। আমি জানি না, এই কষ্টের শেষ কোথায়… জানি না, এই অন্ধকারের পর আদৌ কোনো আলো আছে কিনা। কিন্তু আমি এখনও হাঁটছি—ধীরে, খুব ধীরে… কারণ থেমে যাওয়ার সাহসও আমার নেই, আর পুরোপুরি ভেঙে পড়ার সুযোগও নেই।
জীবনের কিছু অধ্যায় এমন হয়, যেগুলো আমরা কখনোই লিখতে চাই না, তবুও ভাগ্য যেন জোর করেই সেই পৃষ্ঠাগুলো আমাদের দিয়ে লিখিয়ে নেয়। আমি হয়তো বাইরে থেকে এখনো আগের মতোই আছি—হাসি, কথা বলি, সবার সাথে মিশি… কিন্তু ভেতরে ভেতরে আমি কতবার যে ভেঙে গেছি, সেটা কেউ কখনো দেখেনি, দেখার চেষ্টাও করেনি। কিছু রাত আছে, যেগুলো শুধু রাত না—ওগুলো একেকটা যুদ্ধ। চারপাশে নীরবতা থাকে, কিন্তু মাথার ভেতর হাজারটা চিন্তা, হাজারটা স্মৃতি, হাজারটা অপূর্ণতা একসাথে চিৎকার করতে থাকে। ঘুমাতে চাই, কিন্তু ঘুম আসে না… ভুলে যেতে চাই, কিন্তু কিছু স্মৃতি এতটাই গভীর যে চোখ বন্ধ করলেই সব আবার সামনে ভেসে ওঠে। মানুষ বলে, সময় সব ঠিক করে দেয়… কিন্তু সময় শুধু শিখিয়ে দেয় কিভাবে কষ্টটা লুকিয়ে রাখতে হয়। আগে কাঁদতে পারতাম, এখন আর কাঁদতেও পারি না—কারণ কান্নাটাও যেন ভেতরে জমে পাথর হয়ে গেছে। কেউ যদি জিজ্ঞেস করে, “তুমি কেমন আছো?”—আমি হেসে বলি “ভালো আছি”… অথচ সেই “ভালো” শব্দটার ভেতরে কতটা ভাঙাচোরা লুকিয়ে আছে, সেটা কেউ বুঝে না। যাদেরকে এক সময় নিজের থেকেও বেশি বিশ্বাস করেছি, যাদেরকে ভেবেছিলাম জীবনের সবচেয়ে আপন—তারাই একদিন এমনভাবে দূরে চলে গেল, যেন আমি কখনোই তাদের জীবনের অংশ ছিলাম না। সেই দূরত্বটা শুধু শারীরিক না, মানসিকও… আর সেই ফাঁকটা যতই ভরাট করতে চাই, ততই যেন আরও গভীর হয়ে যায়। কখনো কখনো মনে হয়, আমি আসলে কাউকেই আমার সত্যিকারের দিকটা দেখাতে পারিনি। সবাই শুধু আমার একটা মুখ চিনে—যেটা আমি তাদের দেখাতে চেয়েছি। কিন্তু আমার ভেতরের মানুষটা, যে প্রতিদিন ভেঙে পড়ে, যে প্রতিদিন নিজের সাথে যুদ্ধ করে, যে প্রতিদিন নিজের কষ্টগুলোকে লুকিয়ে রাখে—সেই মানুষটাকে কেউ চেনে না। আমি ক্লান্ত… সত্যিই খুব ক্লান্ত। মানুষকে বোঝাতে বোঝাতে ক্লান্ত, নিজের কষ্টগুলোকে চাপা দিতে দিতে ক্লান্ত, হাসির আড়ালে কান্না লুকাতে লুকাতে ক্লান্ত। কখনো কখনো ইচ্ছে করে, সব কিছু ছেড়ে কোথাও হারিয়ে যাই, যেখানে কেউ আমাকে চিনবে না, কেউ কিছু জিজ্ঞেস করবে না, আর আমাকে আর অভিনয় করতে হবে না। তবুও আমি বেঁচে আছি… হয়তো দায়িত্বের জন্য, হয়তো কিছু অপূর্ণ স্বপ্নের জন্য, হয়তো শুধু অভ্যাসের কারণে। প্রতিদিন নিজেকে বলি—“আরেকটু সহ্য কর, হয়তো একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে।” কিন্তু সত্যি বলতে, এখন আর সেই “ঠিক হয়ে যাওয়া” কথাটাতেও বিশ্বাস হয় না। আমি জানি না, এই কষ্টের শেষ কোথায়… জানি না, এই অন্ধকারের পর আদৌ কোনো আলো আছে কিনা। কিন্তু আমি এখনও হাঁটছি—ধীরে, খুব ধীরে… কারণ থেমে যাওয়ার সাহসও আমার নেই, আর পুরোপুরি ভেঙে পড়ার সুযোগও নেই।

About