@ainyrchh:

ainipanggilnya
ainipanggilnya
Open In TikTok:
Region: ID
Wednesday 15 October 2025 11:21:23 GMT
6725
190
11
4

Music

Download

Comments

nasyamai
nasyamai :
Kakkkk ak ga dikasi nih????😭
2025-10-15 11:59:13
0
hellookitty059
miyya :
saya sebagai temennya mengakui bahwa, kapan niee di kasih gratis juga🤭
2025-10-15 11:39:56
1
sc_urw4h
urwaa :
gacorr kakaaaaa sayanggg😍💗
2025-10-15 11:48:24
1
ftriiiiyaniiii
fitriyanii🧚 :
pliss ini bunda gue baiknya kebangeten😘
2025-10-15 12:41:01
1
bilaaa_anjalll21
𝙮𝙣𝙖𝙖𝙖𝙖😡 :
yaudaaa mintaaa
2025-10-18 16:23:00
1
esyaa_xa
abcdefghijk :
AKU GAMAU GRATIS, TAPI MAU DIAJARIN SAMPE BENER' PUTIH BENING KINCLONG KAYA KA AINYYY 🙂‍↕️🫴🏻🫴🏻🫴🏻 *tapi bole la gratis ehehe
2025-10-15 11:24:15
0
shaylafiaa_basalamah
بسلامہ :
wihhh
2025-10-15 11:26:09
0
haikalmauludi54
ICALLL⚡ :
😁
2025-10-15 11:27:15
0
aciii1907
cerrysi🍒🍌 :
hahahahahaha enak ya jadi temen kamuu😆😆,,, "bolee dongg 🥲🦅"
2025-10-15 11:43:24
0
aciii1907
cerrysi🍒🍌 :
boleee niehhh biarr menyalaa bareng²
2025-10-15 11:43:53
0
neyyiieee0
neyyssaa :
kitaa temen lo bupp🥺
2025-10-16 03:15:23
0
To see more videos from user @ainyrchh, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

১. বনু হাশেম বা আহলে বাইতের সদস্যবৃন্দ (১–১৮) এই ধারার শহীদগণ সরাসরি মহানবী (ﷺ)-এর পরিবার এবং বনু হাশেম গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ইমাম হুসাইন (আ.)-এর পরিবার (১) হযরত হুসাইন ইবনে আলী (আ.): প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর দৌহিত্র, হযরত আলী (আ.) ও মা ফাতেমা (সা.আ.)-এর কনিষ্ঠ পুত্র এবং কারবালার বিপ্লবের মহান নেতা। ৬১ হিজরির ১০ই মহররম চরম তৃষ্ণার্ত অবস্থায় তাঁকে নির্মমভাবে শহীদ করা হয়। (৩) হযরত আলী আকবার ইবনে হুসাইন (আ.): ইমাম হুসাইনের জ্যেষ্ঠ পুত্র। তিনি দেখতে হুবহু রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মতো ছিলেন। আশুরার দিন বনু হাশেমের যুবকদের মধ্যে তিনিই প্রথম ময়দানে গিয়ে বীরত্বের সাথে লড়াই করে শহীদ হন। (৪) হযরত আলী আসগার ইবনে হুসাইন (আ.): ইমাম হুসাইনের মাত্র ৬ মাস বয়সী দুগ্ধপোষ্য শিশু। তৃষ্ণায় কাতর এই শিশুকে যখন ইমাম ময়দানে নিয়ে পানি চেয়েছিলেন, তখন হারমালা ইবনে কাহিল লানাতুল্লাহর তীর তাঁর কচি গলা বিদ্ধ করে। হযরত আলী (আ.)-এর অন্যান্য পুত্রগণ (ইমাম হুসাইনের ভাই) (২) হযরত আব্বাস ইবনে আলী (আ.): ইমাম হুসাইনের বীর ভ্রাতা এবং কারবালার ইমামিয়া কাফেলার পতাকাবাহী (আলমদার)। শিশুদের জন্য ফোরাত নদী থেকে পানি আনতে গিয়ে তিনি দুই হাত ও চোখ হারিয়ে চরম বীরত্বের সাথে শহীদ হন। তাঁকে 'ক্বামারে বনু হাশেম' বা বনু হাশেমের চাঁদ বলা হয়। (৫) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে আলী (আ.): হযরত আলী (আ.) এবং উম্মুল বানিনের সন্তান। হযরত আব্বাসের আপন ছোট ভাই। (৬) হযরত জাফার ইবনে আলী (আ.): উম্মুল বানিনের আরেক পুত্র এবং হযরত আব্বাসের সহোদর ভাই। (৭) হযরত উসমান ইবনে আলী (আ.): উম্মুল বানিনের পুত্র এবং হযরত আব্বাসের সহোদর। যুবকদের নিয়ে লড়াই করতে করতে শহীদ হন। (৮) হযরত আবুবাকার ইবনে আলী (আ.): হযরত আলী (আ.)-এর অন্যতম পুত্র (লায়লা বিনতে মাসউদের গর্ভজাত), যিনি কারবালার ময়দানে ভাইদের সাথে বীরত্বের সাথে লড়াই করে শহীদ হন। ইমাম হাসান (আ.)-এর পুত্রগণ (ইমাম হুসাইনের ভাতিজা) (৯) হযরত আবুবাকার ইবনে হাসান (আ.): ইমাম হাসানের পুত্র, যিনি চাচা হুসাইনের পক্ষে লড়াই করে কারবালায় শহীদ হন। (১০) হযরত কাসিম ইবনে হাসান (আ.): ইমাম হাসানের কিশোর পুত্র। বিয়ের বয়স না হতেই কারবালায় আসেন এবং শাহাদাতকে
১. বনু হাশেম বা আহলে বাইতের সদস্যবৃন্দ (১–১৮) এই ধারার শহীদগণ সরাসরি মহানবী (ﷺ)-এর পরিবার এবং বনু হাশেম গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ইমাম হুসাইন (আ.)-এর পরিবার (১) হযরত হুসাইন ইবনে আলী (আ.): প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর দৌহিত্র, হযরত আলী (আ.) ও মা ফাতেমা (সা.আ.)-এর কনিষ্ঠ পুত্র এবং কারবালার বিপ্লবের মহান নেতা। ৬১ হিজরির ১০ই মহররম চরম তৃষ্ণার্ত অবস্থায় তাঁকে নির্মমভাবে শহীদ করা হয়। (৩) হযরত আলী আকবার ইবনে হুসাইন (আ.): ইমাম হুসাইনের জ্যেষ্ঠ পুত্র। তিনি দেখতে হুবহু রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মতো ছিলেন। আশুরার দিন বনু হাশেমের যুবকদের মধ্যে তিনিই প্রথম ময়দানে গিয়ে বীরত্বের সাথে লড়াই করে শহীদ হন। (৪) হযরত আলী আসগার ইবনে হুসাইন (আ.): ইমাম হুসাইনের মাত্র ৬ মাস বয়সী দুগ্ধপোষ্য শিশু। তৃষ্ণায় কাতর এই শিশুকে যখন ইমাম ময়দানে নিয়ে পানি চেয়েছিলেন, তখন হারমালা ইবনে কাহিল লানাতুল্লাহর তীর তাঁর কচি গলা বিদ্ধ করে। হযরত আলী (আ.)-এর অন্যান্য পুত্রগণ (ইমাম হুসাইনের ভাই) (২) হযরত আব্বাস ইবনে আলী (আ.): ইমাম হুসাইনের বীর ভ্রাতা এবং কারবালার ইমামিয়া কাফেলার পতাকাবাহী (আলমদার)। শিশুদের জন্য ফোরাত নদী থেকে পানি আনতে গিয়ে তিনি দুই হাত ও চোখ হারিয়ে চরম বীরত্বের সাথে শহীদ হন। তাঁকে 'ক্বামারে বনু হাশেম' বা বনু হাশেমের চাঁদ বলা হয়। (৫) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে আলী (আ.): হযরত আলী (আ.) এবং উম্মুল বানিনের সন্তান। হযরত আব্বাসের আপন ছোট ভাই। (৬) হযরত জাফার ইবনে আলী (আ.): উম্মুল বানিনের আরেক পুত্র এবং হযরত আব্বাসের সহোদর ভাই। (৭) হযরত উসমান ইবনে আলী (আ.): উম্মুল বানিনের পুত্র এবং হযরত আব্বাসের সহোদর। যুবকদের নিয়ে লড়াই করতে করতে শহীদ হন। (৮) হযরত আবুবাকার ইবনে আলী (আ.): হযরত আলী (আ.)-এর অন্যতম পুত্র (লায়লা বিনতে মাসউদের গর্ভজাত), যিনি কারবালার ময়দানে ভাইদের সাথে বীরত্বের সাথে লড়াই করে শহীদ হন। ইমাম হাসান (আ.)-এর পুত্রগণ (ইমাম হুসাইনের ভাতিজা) (৯) হযরত আবুবাকার ইবনে হাসান (আ.): ইমাম হাসানের পুত্র, যিনি চাচা হুসাইনের পক্ষে লড়াই করে কারবালায় শহীদ হন। (১০) হযরত কাসিম ইবনে হাসান (আ.): ইমাম হাসানের কিশোর পুত্র। বিয়ের বয়স না হতেই কারবালায় আসেন এবং শাহাদাতকে "মাদুর চেয়েও মিষ্টি" মনে করে ময়দানে গিয়ে বীরদর্পে লড়াই করে শহীদ হন। (১১) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে হাসান (আ.): ইমাম হাসানের ছোট শিশুপুত্র। আশুরার শেষ মুহূর্তে যখন শিমর ইমাম হুসাইনের বুকে চড়ে বসেছিল, তখন এই শিশুটি চাচাকে বাঁচাতে গিয়ে নিজের হাত বাড়িয়ে দেয় এবং হাত কেটে শহীদ হয়। হযরত জাফর-এ-তৈয়ার (রা.)-এর বংশধর (১২) হযরত আওন ইবনে আব্দুল্লাহ্ (আ.): ইমাম হুসাইনের বোন হযরত যয়নব (সা.আ.) এবং হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে জাফরের পুত্র। (১৩) হযরত মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ্ (আ.): হযরত যয়নব (সা.আ.) ও আব্দুল্লাহ ইবনে জাফরের দ্বিতীয় পুত্র। এই দুই ভাই মায়ের দোয়ায় চাচার জন্য জীবন উৎসর্গ করেন। হযরত আকীল ইবনে আবী তালিব (রা.)-এর বংশধর (১৪) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে মুসলিম (আ.): হযরত মুসলিম ইবনে আকীলের জ্যেষ্ঠ পুত্র। বনু হাশেমের পক্ষ থেকে কারবালার মূল ময়দানে লড়াইয়ে নামা প্রথম দিকের শহীদদের একজন। (১৫) হযরত মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম (আ.): মুসলিম ইবনে আকীলের দ্বিতীয় পুত্র, যিনি কারবালার মূল যুদ্ধক্ষেত্রে শহীদ হন (কুফায় শহীদ হওয়া দুই মাসুম শিশু আলাদা)। (১৬) মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ ইবনে আকীল (আ.): আকীল পরিবারের তরুণ সদস্য, যিনি ইমাম হুসাইনের প্রতিরক্ষায় শহীদ হন। (১৭) হযরত আব্দুল রহমান ইবনে আকীল (আ.): হযরত আকীলের পুত্র এবং ইমাম হুসাইনের চাচাতো ভাই। (১৮) হযরত জাফার ইবনে আকীল (আ.): আকীল পরিবারের অন্যতম বীর সদস্য যিনি কারবালায় অসীম সাহসিকতার সাথে লড়াই করেন। ২. মদীনা, মক্কা ও বসরার বিশ্বস্ত সঙ্গী ও আনসারগণ (১৯–৪০) এই শহীদগণ ইমাম হুসাইনের সাথে মদীনা বা মক্কা থেকে এসেছিলেন অথবা ইরাকের বিভিন্ন গোত্র থেকে এসে কারবালায় যোগ দিয়েছিলেন। এদের মধ্যে অনেকে প্রবীণ সাহাবী ও তাবেয়ী ছিলেন। আসাদ ও হামদান গোত্রের বীরবৃন্দ (১৯) হযরত উনস্ ইবনে হার্স আসাদী (আ.): রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একজন প্রবীণ সাহাবী, যিনি বদর ও হানাইনের যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। বার্ধক্যে এসেও ইমাম হুসাইনের পক্ষে বীরের মতো লড়াই করেন। (২০) হযরত হাবীব ইবনে মাজাহির আসাদী (আ.): ইমাম হুসাইনের বাল্যবন্ধু, কুফার প্রবীণ শিয়া নেতা ও তাবেয়ী। কারবালায় ইমামের ডান পাশের সেনাদলের প্রধান ছিলেন। (২১) হযরত মুসলিম ইবনে আওসাজা আসাদী (আ.): মহানবীর প্রবীণ সাহাবী এবং কুফার একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। কারবালার মূল যুদ্ধে সাধারণ সঙ্গীদের মধ্যে তিনিই প্রথম শহীদ হন। সম্পূর্ণ লেখাটি আমাদের ফেসবুক পেজ এ চেক করুন। পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন এবং ফলো করে সাথে থাকুন। #aloreshara

About