@gutoximenes: E ai quem tava errado nessa? #iracing

Guto Ximenes
Guto Ximenes
Open In TikTok:
Region: BR
Thursday 06 November 2025 20:49:19 GMT
798
13
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @gutoximenes, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#Part_484 #villain_can_be_lover  #methuburi_মিথুবুড়ি  দু’হাতে রিচার্ডের গলা পেঁচিয়ে বলল,
#Part_484 #villain_can_be_lover #methuburi_মিথুবুড়ি দু’হাতে রিচার্ডের গলা পেঁচিয়ে বলল, "অনেক সাধনার পর আপনাকে পেয়েছি, জনাব। এই আমি শুধু আপনারই সম্পূর্ণই আপনার। আমার সর্বস্ব উৎসর্গ করেছি আপনাকে। খুব কাছে টানুন,, কাছে আসুন, ভালোবাসুন। থেকে যান আমার ভেতরে, শুধু আমার হয়ে।" রিচার্ড দু’হাতে কোমর চেপে ধরল এলিজাবেথের। নাকের ডগায় নাক ছুঁইয়ে বলে, "ইতিহাসের পাতায় আজ এক নতুন পাতা লেখা হলো। এই পৃথিবীর বুকে এলিজাবেথ ঠাঁই পেয়েছে রিচার্ডের বুকে। জয় হয়েছে ভিলেনের ভালোবাসা, পূর্ণতা পেয়েছে এলিচাডের ভালোবাসা। তাকদীরে লেখা ছিল এ-ই আর আমি সে তাকদীর সজ্ঞানে কবুল করলাম। আজ আমি খুশি, গভীরভাবে, নিঃশেষে খুশি।" 'অতঃপর, তৎক্ষণাৎ রিচার্ড এলিজাবেথের হাঁটু জাপ্টে ধরে ওকে তুলে নিল বুকে। হাসিমুখে এক পাক ঘুরিয়ে নেয় যেন বিশ্বজয়ের আনন্দে মাতোয়ারা রাজপুত্র। চারপাশ ঝিম ধরে দাঁড়িয়ে থাকে। শুধু তাদের ধ্বনি বেজে ওঠে হৃদয়ের গহীনে। আত্মার অন্তস্তল থেকে ধীরে ধীরে উঠে আসে এক গানের উপমা, 'যন্ত্রে বাঁধা মন ছিলো ক্লান্ত অসহায়, অর্থে কেনা সুখ ম্রিয়মান দুঃখের ছায়ায়। দীর্ঘ পথ চলা একাকী, নির্বাক মনোজালে, ছিলাম হারানো, পথহীন, নিঃসঙ্গ কুয়াশায়। আর নয় সময় উদ্দেশ্যহীন মিছিলে— তুমি সেই পূর্ণতা, আমার অনুভবে। আর নয় আঁধার, তুমি স্বপ্নে ডেকে নিলে ভরে মন, অন্তহীন রঙিন এক উৎসবে।' --- 'নিঃশ্বাসে হুইস্কির তীব্র গন্ধ। চোখের দৃষ্টি রিচার্ডের দিকে ছোঁড়া তিরের মতো। লুকাস রুষ্ট কণ্ঠে বলল, "দেখেছো, মুহূর্তেই চোখমুখের রঙ কীভাবে বদলে গেল? কিছুক্ষণ আগেও তো আমার মৃত্যুর খবর শুনে শোকে কাতর হচ্ছিল! নাটক, সবই নাটক! এই যে এখন বিয়ে করছে, বিয়েটা হলেই বউ নিয়ে রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করবে। তখন কি আর এই চিরকুমার লুকাসের কথা মনে থাকবে? হুঁ, কী মনে করেছ? আমি কিছু জানি না? সব জানি! নিজেদের জন্য আলাদা প্রাইভেট জেট ঠিক করে রেখেছিল। ভেতরে সাজানো গোছানো একেকটা স্বর্গ। কী কী এনেছে, কী কী করেছে ছিঃ! ছিঃ! এত কিছু বলাও যায় না। তবে একটা কথা বলি— আমার বোনের জন্য আজকের রাতটা খুবই ভয়ংকর হতে চলেছে। বস'কে ভয় না পেলে এই বিয়ে আমি কখনোই হতে দিতাম না।" 'কিছুক্ষণ চুপ করে রইল সে। বিষন্নতায়, অভিমানে, রাগে টলমল করছিল চোখ। হুইস্কির গ্লাসে চুমুক দিতে দিতে ন্যাসো হেসে বলল, " ছিঃ লোকা, তুমি ওদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এতটা যাচ্ছো কেন?" 'লুকাস হঠাৎই গর্জে উঠল,"আমার বিয়ে ভেঙে গিয়েছে! আমি আর কারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভাবব না? খাটটাই ভেঙে পড়ুক বস, এখন ওটাই কাম্য!" 'লুকাসকে ব্ল্যাক কোবরার বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল। বিষক্রিয়ায় এক পর্যায়ে তার শ্বাসপ্রশ্বাস ও রক্তসঞ্চালন সম্পূর্ণ থমকে যায়। এলিজাবেথ তখন ন্যাসোর কাছ থেকে খবর পেয়ে দৌড়ে গিয়ে দেখে লুকাসের দেহ নিস্তেজ হলেও সামান্য শ্বাস চলছে। চিকিৎসা না হলেও দেহের অতিমানবিক সহ্যশক্তির কারণে এই যাত্রায় লুকাস প্রাণে বেঁচে যায়। অন্যদিকে, এই সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সুইটি অজ্ঞান হয়ে পড়ে। বর্তমানে সে হাসপাতালে ভর্তি। তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সুইটি সুস্থ হলে, বিয়েটা আবারও হবে। আপাতত তারা যেনো না যায়। 'নাটকীয় ভঙ্গিতে ঠোঁট কামড়ে হেসে উঠল ন্যাসো। "লোকা?" 'লুকাস মুখ ফিরিয়ে বিরক্তস্বরে বলল,"কিহ?" "আজ কিন্তু বসের বিয়ে।" "তো?" "বাসর হবে।" "সব বিয়েতেই হয়।" "কিন্তু সবার তো বউ নেই।" "মানে?" "বসের বউ আছে।" "তো?" "আমার তো বউ আছে, আর তোমার?" লুকাস গ্লাস নামিয়ে চিবিয়ে চিবিয়ে বলল, "আজ বউ নেই বলে এমন করছ না। দাঁড়াও, বিয়েটা একবার করে নিই। বিয়েতে পিছিয়ে থাকলেও, বংশবিস্তারে কয়েক দাপ এগিয়ে থাকব। আর যদি না পারি দুটো মূল্যবান জিনিস অনাথাশ্রমে দান করে দিবো।" "দুটো মূল্যবান জিনিস?" "যে জিনিস আমাকে বংশবিস্তারে সাহায্যই করতে পারবে না, সেটা রেখে কী হবে হুঁ? তোমারটাও বোধহয় কাজের না। কাজের হলে এতোদিনে একটা সুখবর আসত। বাদ দাও, ন্যাসো। শরীরের ওজন বাড়িয়ে লাভ নেই। বাড়তি জিনিস ভালো কোনো আশ্রমে দিয়ে দাও।" 'ন্যাসো থমকে গেল। মুখ শুকিয়ে এল। ধীরে বলে, "আসলেই তুমি একটা অসভ্য। এজন্যই বার বার তোমার বিয়ে হয়েও হয় না।" 'লুকাস হেসে উঠে দাঁড়াল। বলল, "শোন ন্যাসো, বিয়ে নিয়ে একদম কোনো কথা বলবে না। এটাকে আমি পার্সোনাল বলি— পার্সোনাল। ওকে? চল এনজয় করি।" 'হঠাৎই সাউন্ডবক্সে গর্জে ওঠে 'গ্যাংস্টার ওয়াইফ'। এমন ভলিউমে যে গোটা হলটা কেঁপে ওঠে। চমকে তাকায় এলিজাবেথ। ঠিক সেই মুহূর্তে আলোর ঝলকে স্টেজে উঠে আসে ন্যাসো লুকার। হাতে ধরা টাকার মেশিন। একটা তালে, একটানা বিটে, মাথার ওপর মেশিন তুলতেই শুরু হয় টাকার ঝড়। গার্ডরা ছুঁড়ে দেয় একের পর এক বান্ডিল। চারপাশ থেকে লোকজনও যেনো পাগল হয়ে গেল। স্টেজে, বাতাসে, এলিজাবেথ আর রিচার্ডের গায়ে পড়ছে টাকার বৃষ্টি। দুজনেই স্তব্ধ, বিস্মিত। পরক্ষণেই হেসে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে। continue_ #fyp #bdtiktokofficial

About