@del000t: kena virus #tanteholic

dellaa♍
dellaa♍
Open In TikTok:
Region: ID
Monday 29 December 2025 01:59:05 GMT
918
78
1
1

Music

Download

Comments

poatoskju1
Happytoskju :
Info toko mana ka mau beli rokoo
2025-12-29 12:51:04
0
To see more videos from user @del000t, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

আপনিময় আসক্তি  লেখিকা:বন্যা আক্তার  পর্ব:১৪২ (প্রথমাংশ) রাত তখন বারো'টা। সাইফা মাথায় ঘোম'টা দিয়ে বিছানায় বসে আছে।মুখে লজ্জামাখা হাসি।তার স্বপ্নের পুরুষ এখন পুরোপুরি তার।নেই কোনো বাঁধা। নিরব দরজা খোলো ভিতরে প্রবেশ করে,গলা খাঁকারি দিলো।হাত বাড়িয়ে দরজা বন্ধ করে,দেয়।নিরব এগিয়ে আসলো।বিছানায় ভর দিয়ে সাইফার ঘোম'টা সরালো।কপালে ঢিপলি একটা চুমু খেলো।লজ্জাবতীর নেয় সাইফা মাথা নিচু করে ফেললো।নিরব সাইফা কোলে মাথা রেখে শুয়ে পরে। সাইফা নিরবের মাথায় চুল টেনে দিয়ে বলে উঠে, -
আপনিময় আসক্তি লেখিকা:বন্যা আক্তার পর্ব:১৪২ (প্রথমাংশ) রাত তখন বারো'টা। সাইফা মাথায় ঘোম'টা দিয়ে বিছানায় বসে আছে।মুখে লজ্জামাখা হাসি।তার স্বপ্নের পুরুষ এখন পুরোপুরি তার।নেই কোনো বাঁধা। নিরব দরজা খোলো ভিতরে প্রবেশ করে,গলা খাঁকারি দিলো।হাত বাড়িয়ে দরজা বন্ধ করে,দেয়।নিরব এগিয়ে আসলো।বিছানায় ভর দিয়ে সাইফার ঘোম'টা সরালো।কপালে ঢিপলি একটা চুমু খেলো।লজ্জাবতীর নেয় সাইফা মাথা নিচু করে ফেললো।নিরব সাইফা কোলে মাথা রেখে শুয়ে পরে। সাইফা নিরবের মাথায় চুল টেনে দিয়ে বলে উঠে, -"কি মিস্টার অবশেষে আপনার বউ হয়েই গেলাম।" নিরব সাইফার মুখের দিকে তাকিয়ে বলে, -"হুম।" পূনরায় অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলে উঠলো, -"ভালোবাসি প্রিয়তমা।আমার সাইফা রানী। .. আরিফা রাতের সব কাজ শেষ করে রুমে চলে আসে। ফারিস আধসোয়া হয়ে ফোন চালাচ্ছিলো।তার বুকের ওপর ফাবিহা ঘুমিয়ে আছে। বাবাইকে জড়িয়ে। আরিফার চোখ জড়িয়ে যায় এমন দৃশ্য দেখে।ফাবিহা হওয়ার পর ফারিস আর কখনো কোনো সন্তানের কথা বলেনি।তার এক কথাই ছিলো,আমার আর কোনো সন্তান দরকার নেই।আমার ফাবিহাই আমার জন্য যথেষ্ট। "আরিফা মৃদু হেঁসে ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আসে। আরিফা বিছানায় গিয়ে একপাশে শুয়ে পরে,ফারিস এক হাত দিয়ে আরিফাকে টেনে নিজের পাশে নিয়ে আসলো।আরিফা অলপক হেঁসে মেয়েকে সহ জড়িয়ে ধরে।ফারিস ফোন পাশে রেখে দিলো।আরিফার মাথায় হাত বুলিয়ে বলে, -" তুমি আমাকে আজকে যা যা প্রশ্ন করবে সব বলে দিবো?" আরিফা মুখ তোলে চাইল, হাসোজ্জল গলায় বলে, -"সত্যি। " -"হ্যা।" -"তাহলে বলুন আমার আসল পরিচয় আপনি কিভাবে জানলেন?" ফারিস জানতো এমন প্রশ্নই করবে।ফারিস মেয়ের মুখে তাকিয়ে বলতে শুরু করলো, -"আমি তোমাকে প্রথম ভার্সিটিতে দেখেছিলাম।ফাইজার মাধ্যমে।তখন তোমার চোখ দেখে,আমার ভিতর নাড়িয়ে দিয়েছিলো।সেই কয়েকবছর আগের চোখের সাথে ভীষন মিল ছিলো।তখন থেকেই সন্দেহ হয়, আমি তোমার খোঁজ খবর নিলাম কিন্তু তোমার নাম ব্যতিত কিছু জানলাম না।হউট করে একদিন জানতে পারলাম, তুমি দেশের জন্য কাজ করছো।আমি খুব অবাক হয়েছিলাম।এতোটুকু একটা মেয়ে এতো সাহসী কিভাবে হয়।পরে আমি সেখানে গেলাম।তোর আইডির সকল ইনভোরমিশন পেয়ে গেলাম।তুমি যশোরে থাকো।সেখানে-ও গেলাম।বাড়ি পযন্ত গিয়ে সানিয়া যে নাকি আবিদকে দেখে রাখতো।তার কাছ থেকে জানতে পারলাম,তুমি চট্টগ্রামে ছিলে প্রথমে।এবং আর-ও কিছু জানলাম তোমার নামে। ঢাকায় ফিরলাম।মাঝে মধ্যে দেখতাম আমাকে কে-ও গোপনে খবররা খবর দিতো।ভাগ্য ক্রমে জানতে পারে ইনভোরমিশন'টা তুমি।যে আমাকে সব খবর দিতে।তারপর তোমার আসল পরিচয় জেনে যায়।ব্যাস অপেক্ষায় ছিলাম কবে তুমি সব সত্যি টা বলছো।" আরিফা চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে রইল।তার আগোচড়ে কতো কিছু হয়ে গেছে।আরিফা শুকনো শুকনো ঢক গিলে বলে, -"রাইমা আপি কে কিভাবে পেলেন?" ফারিস মেয়ের মুখের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে,কিন্চিত হেঁসে বলে, -"কয়েক বছর আগে, আমি যখন দেশে ফিরলাম,রাজনীতি নিয়ে বেশ ছুটাছুটি করছিলাম।রাজশাহী গিয়েছিলাম কয়েকবার।এর ভিতর চট্টগ্রামে যাওয়ার জন্য আবেদন পায়।ঠিক সেখানেই গিয়েছিলাম।প্রথমে হোটেল বুক করলাম।কাজ শেষে একটা রাতে শহর'টা একটু ঘুরে দেখছিলাম।আমি আবার জঙ্গলের রাস্তা দিয়ে পার হচ্ছেলাম।তখন হউট করে খেয়াল হয়, কে-ও জঙ্গলের ভিতর আগুনে পুড়ে যাচ্ছে। আর মেয়ে'টা চেয়ারে বাঁধা অবস্থায় ছিলো।যার দরুন আর্তনাদ করছিলো।বারংবার।আমি চারপাশে তাকিয়ে যখন কাউকে দেখলাম না তখন আমি সাহায্য করার জন্য এগিয়ে যায়।নিজের পড়নের শার্ট খোলে মেয়েটাকো আগে পেচিয়ে নেয়।হাত পা দড়ি খোলে, পাজা কোলে তোলে নেয়।রাতে ঠিক মতো চেহারা বুঝা যাচ্ছেলো না।আমি মেয়েটাকে গাড়িতে নিয়ে আসি।সেন্স ছিলো না।গাড়ির ভিতরের লাইটে আমি মেয়েটার চেহারা দেখতে পায়।কিন্ত মেয়েটাকে দেখে আমার শরীরের পশম ঝাড়িয়ে গিয়েছিলো।মেয়েটা আর-কেও না।আমার বোন রাইমা।তখন যদি আমি সময় মতো না যেতাম তাহলে কি হতো ভেবে শরীর কেঁপে উঠছিলো।আমি সনয় নষ্ট না করে রাইমাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।কিন্তু ডক্টর'রা বাহিরের দেশে নিতে বলল।কারন তখন ওর অবস্থা ভালো ছিলো না।আমি তখনি ঠিক করলাম ওকে বাহিরে নিয়ে যাবো।রাইমাকে নিজের সাথে নিয়ে গেলাম।এন্ট সকল ব্যবস্থা করে তাকে দেশের বাইরে পাঠালাম।অবশ্য আমার লোক ছিলো।কিন্তু বাসায় কাউকে জানালাম না।নিজে খোজ নিতে থাকলাম আর কে-ও আদে-ও বেঁচে আছে।কিন্তু কিছু পায়নি।মাস যায় বছর যায় কিন্তু রাইমার কোনো রেসপন্স ছিলো না।বাহিরের দেশে চিকিৎসা হতে লাগলো।ফাইজার বিয়ের কিছুদিন আগে সেন্স ফিরে, আমি ফোনে কোনো কথা জিজ্ঞেস করলে আমাকে কিছু বললো না।শুধু জানালো সে দেশে আসবে।আর সামনাসামনি বলবে।আমি রাজি ছিলাম।দেন বিয়ের দিন সকলের মাঝে অবস্থিত করলাম। দীর্ঘকথা শেষ করে ফারিস পাশের রমনীর দিকে চাইল।চোখ ছলছল করে তাকিয়ে আছে।ফারিস আল্হাদী গলায় বলে, -"কাঁদছো কেনো?এখন সব ঠিক হয়ে গেছে তো।" আর একটা পর্ব হবে।ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

About