@jjshahinn: @Fay #longdistance #imissmygirl

jana
jana
Open In TikTok:
Region: KW
Sunday 25 January 2026 18:27:36 GMT
735899
65729
296
12262

Music

Download

Comments

lana1115_
LANA✨ :
I miss my cousin😔
2026-01-30 20:47:53
94
d1vxs
dana🌺 :
the song is ugly wtf
2026-01-25 20:03:29
141
mx.ii2025
. :
اهخخ منجد اسوأ شعور يا بنات والله ودعت صديقة روحي وحياتي كلها ف تاريخ 25/7/2024 والساعه 10:21 كنت احضنها الحضن ذا منجد الغصه والحرقه بوقتها الله لا يذوقها لحد يارب😔😔😔
2026-02-02 18:35:13
27
reemb2a
رِيٍم :
I miss my dad.
2026-02-03 03:38:09
133
aixou________864
maram :
i miss my brother 😭
2026-02-01 08:26:30
22
jungkookk1997o
جك⁷ :
انقذني بعدها عني للمرة الالف
2026-02-01 20:30:56
48
w_sara_1
sara🌷 :
I miss my cousin sooo badddd
2026-01-31 11:42:43
12
wafa.985
Wafa🐣 :
i miss her 🥺
2026-03-18 08:56:03
2
7mayail
𝑀𝑘 :
One of the best friends who travel forever, their place will be empty💔💔😔😔
2026-01-31 15:59:52
5
ins.echb
Innie|إيني🌷 :
2026-02-01 00:23:12
6
7ussah7
7ussah7 :
True😢😢😢😢😢
2026-02-01 23:22:06
1
sabil._.sabil
SABIL._.SABIL…♥️ :
ستاحشتها وهلبا اقسم بالله لكن مستحيل نقدر نرجع زي قبل والشعور اكبر منّي 😞
2026-02-02 15:07:03
2
lmjkrc
7 :
يوجع
2026-02-01 20:58:54
3
w92181
w-9 :
تذكرت صديقتي اللي راحت السودان بس حتى ماتقابلنا عشان اسلم عليها😢
2026-02-04 06:56:53
1
prettyvibesonly_
prettyvibesonly_ :
2026-02-01 22:56:52
1
fatimabarre00
Fatima. :
2026-02-01 18:27:36
2
7mayail
𝑀𝑘 :
2026-01-31 16:00:06
2
marvey.mahrous0
Marven.mahrous0🚩 :
I miss my brother 😭😭😭😭
2026-02-02 01:01:51
8
maycemkhallouli2
🌑 :
plss whyyy I really miss her😭😭😭
2026-04-19 22:34:54
0
svvlmv5
Salma :
2026-07-27 04:41:32
0
masaafadel_
ماسة :
I miss my Egypt
2026-04-28 19:42:29
0
ha.djer033
Ha Djer :
2026-10-07 00:18:17
0
rose.sabbah.10
Rose! :
اشتقت كتيرر كتير 😭😭
2026-05-15 22:40:11
0
imano5559
Hxx :
I'm miss my family's 😭😭
2026-02-27 01:03:20
0
To see more videos from user @jjshahinn, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#Capcut একজন অসুস্থ স্ত্রীর এমন আকুল প্রার্থনা আর ভালোবাসার এক অপূর্ব দৃশ্য এটি। ইনি হচ্ছেন আমাদের সমাজের এক অত্যন্ত সংগ্রামী মানুষ ইউনুস চাচা। শরীরে বাসা বেঁধেছে নানা রোগ; কিন্তু পেটের দায়ে আর ভালোবাসার টানে এক মুহূর্তের জন্যও থেমে থাকেননি তিনি। নিজে অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও যিনি প্রতিদিন মানুষের দ্বারে দ্বারে যান একটু সাহায্যের আশায়, কিংবা নিজে কষ্ট করে গাছের পাতা কেটে ঝাড়ু বানিয়ে তা মানুষের বাড়ি বাড়ি বা বাজারে বিক্রি করে কোনোমতে সংসার চালান।  ​আর তাঁর সবচাইতে বড় শক্তির জায়গা হলেন তাঁর অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী স্ত্রী, যিনি এই পৃথিবীতে এই মানুষটিকে নিজের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ও সুখের ঠিকানা মনে করেন। অভাবের কঠিন তাড়নায় জর্জরিত এই মানুষটির নির্দিষ্ট কোনো পেশা নেই বললেই চলে। কখনো মানুষের দ্বারে দ্বারে হাত পেতে সাহায্য নেন, আবার কখনো নিজে ঝাড়ু বানিয়ে তা বিক্রি করে যা পান, তা দিয়েই দিন পার করেন। দুই সন্তান থেকেও যেন তাঁদের না থাকার সমান, কারণ এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে আজ কেউ তাঁদের খোঁজ নেয় না। মা-বাবার এই চরম দুর্দিনে সন্তানরাও যেন সব থেকেও নেই। ​কিন্তু এত কষ্ট, রোগব্যাধি আর চরম অভাবের পরেও কি তাঁরা একে অপরের কাছ থেকে দূরে সরে গেছেন? একটুও না। বরং জীবনের এই কঠিন পথচলায় তারা একে অপরের পরম ছায়া হয়ে বেঁচে আছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে সংগ্রাম করে সামান্য কিছু চাল বা খাবার জোগাড় করে আনা, ঘরে ফিরে নিজ হাতে তা রান্না করা এবং পরম যত্নে নিজ হাতে অসুস্থ স্ত্রীর মুখে খাবার তুলে দেওয়া—এটাই ইউনুস চাচার প্রতিদিনের রুটিন ও ভালোবাসার নিয়ম। ​একবার ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখুন তো ভাই, আমরা আসলে কতটুকু সুখে আছি? আল্লাহ তাআলা আমাদের কত ভালো রেখেছেন, সুস্থ শরীর ও মাথার ওপর ছাদ দিয়েছেন; তবুও আমরা জীবনে কতটুকু অকৃতজ্ঞ থাকি! সামান্য কিছুতেই আমরা কত অভিযোগ করি। অথচ ইউনুস চাচার চারপাশ জুড়ে শুধু অন্ধকার, অসুস্থতা আর অফুরন্ত অভাব, কিন্তু তারপরও তিনি জীবিকার কাছে হার মানেননি। তিনি পৃথিবীর নিয়মের কাছে হয়তো পিছিয়ে পড়েছেন, কিন্তু ভালোবাসার কাছে ঠিকই জয়ী হয়েছেন।
#Capcut একজন অসুস্থ স্ত্রীর এমন আকুল প্রার্থনা আর ভালোবাসার এক অপূর্ব দৃশ্য এটি। ইনি হচ্ছেন আমাদের সমাজের এক অত্যন্ত সংগ্রামী মানুষ ইউনুস চাচা। শরীরে বাসা বেঁধেছে নানা রোগ; কিন্তু পেটের দায়ে আর ভালোবাসার টানে এক মুহূর্তের জন্যও থেমে থাকেননি তিনি। নিজে অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও যিনি প্রতিদিন মানুষের দ্বারে দ্বারে যান একটু সাহায্যের আশায়, কিংবা নিজে কষ্ট করে গাছের পাতা কেটে ঝাড়ু বানিয়ে তা মানুষের বাড়ি বাড়ি বা বাজারে বিক্রি করে কোনোমতে সংসার চালান। ​আর তাঁর সবচাইতে বড় শক্তির জায়গা হলেন তাঁর অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী স্ত্রী, যিনি এই পৃথিবীতে এই মানুষটিকে নিজের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ও সুখের ঠিকানা মনে করেন। অভাবের কঠিন তাড়নায় জর্জরিত এই মানুষটির নির্দিষ্ট কোনো পেশা নেই বললেই চলে। কখনো মানুষের দ্বারে দ্বারে হাত পেতে সাহায্য নেন, আবার কখনো নিজে ঝাড়ু বানিয়ে তা বিক্রি করে যা পান, তা দিয়েই দিন পার করেন। দুই সন্তান থেকেও যেন তাঁদের না থাকার সমান, কারণ এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে আজ কেউ তাঁদের খোঁজ নেয় না। মা-বাবার এই চরম দুর্দিনে সন্তানরাও যেন সব থেকেও নেই। ​কিন্তু এত কষ্ট, রোগব্যাধি আর চরম অভাবের পরেও কি তাঁরা একে অপরের কাছ থেকে দূরে সরে গেছেন? একটুও না। বরং জীবনের এই কঠিন পথচলায় তারা একে অপরের পরম ছায়া হয়ে বেঁচে আছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে সংগ্রাম করে সামান্য কিছু চাল বা খাবার জোগাড় করে আনা, ঘরে ফিরে নিজ হাতে তা রান্না করা এবং পরম যত্নে নিজ হাতে অসুস্থ স্ত্রীর মুখে খাবার তুলে দেওয়া—এটাই ইউনুস চাচার প্রতিদিনের রুটিন ও ভালোবাসার নিয়ম। ​একবার ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখুন তো ভাই, আমরা আসলে কতটুকু সুখে আছি? আল্লাহ তাআলা আমাদের কত ভালো রেখেছেন, সুস্থ শরীর ও মাথার ওপর ছাদ দিয়েছেন; তবুও আমরা জীবনে কতটুকু অকৃতজ্ঞ থাকি! সামান্য কিছুতেই আমরা কত অভিযোগ করি। অথচ ইউনুস চাচার চারপাশ জুড়ে শুধু অন্ধকার, অসুস্থতা আর অফুরন্ত অভাব, কিন্তু তারপরও তিনি জীবিকার কাছে হার মানেননি। তিনি পৃথিবীর নিয়মের কাছে হয়তো পিছিয়ে পড়েছেন, কিন্তু ভালোবাসার কাছে ঠিকই জয়ী হয়েছেন।

About