@jojo_botman: #CapCut #كبرت_حبيبة_البي🥹💗💗🐥 #عيد_ميلاد_بنوتي🌸 #وحفلة_سنونيتا🌷❤️‍🔥❤️‍🔥

اݪۛخٓــٰـانــم👸🏼🫰🏻💜 ﹺ؍ۛ
اݪۛخٓــٰـانــم👸🏼🫰🏻💜 ﹺ؍ۛ
Open In TikTok:
Region: TR
Wednesday 28 January 2026 23:07:07 GMT
61544
494
0
208

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @jojo_botman, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

Outfit from FURQAN🌸 ১. কখন দান করা সবচেয়ে উত্তম? আল্লাহর কাছে দানের মর্যাদা নির্ধারণে শুধু টাকার পরিমাণ নয়, বরং নিয়ত, ত্যাগ, প্রয়োজন এবং দানের পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ। ১. যখন নিজেরও টাকার প্রয়োজন আছে, তবুও দান করেন রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কোন সদকায় সবচেয়ে বেশি প্রতিদান? তিনি বলেছেন, সুস্থ অবস্থায়, সম্পদের প্রতি আকর্ষণ থাকা সত্ত্বেও এবং দারিদ্র্যের আশঙ্কা করার সময় দান করা উত্তম। সূত্র: সহিহ বুখারি, হাদিস ১৪১৯।  ২. স্বচ্ছলতা ও অভাব—দুই অবস্থাতেই দান করেন আল্লাহ বলেন: “যারা সচ্ছলতা ও অসচ্ছলতা উভয় অবস্থায় ব্যয় করে…” — সূরা আলে ইমরান, ৩:১৩৪।  অর্থাৎ, শুধু ধনী হওয়ার পর দান করব—এমন মানসিকতা না রেখে সামর্থ্য অনুযায়ী অভাবের সময়ও দান করা প্রশংসনীয়। ২. তাহলে টাকা না থাকলে দান করা কি বেশি উত্তম? এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য বুঝতে হবে। নিজের প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও সামর্থ্য অনুযায়ী দান করা আর নিজের দায়িত্ব পালনের টাকা না রেখে দান করা এক বিষয় নয়। ধরুন, আপনার কাছে ১,০০০ টাকা আছে। একজনের কাছে এটি অতিরিক্ত টাকা; তিনি ১০০ টাকা দান করলেন। আরেকজনের কাছে এই ১,০০০ টাকা দিয়ে পরিবারের প্রয়োজন মেটাতে হবে। তিনি কষ্ট করে ১০০ টাকা দান করলেন। দ্বিতীয় ব্যক্তির দানে ত্যাগের দিকটি বেশি থাকতে পারে। তবে শুধু এই হিসাব থেকে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না যে তাঁর সওয়াব অবশ্যই বেশি হবে—আল্লাহই নিয়ত ও পরিস্থিতি সবচেয়ে ভালো জানেন। আপনার জন্য বাস্তব নীতি: সন্তানদের খাবার, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, পরিবারের অপরিহার্য খরচ কিংবা মানুষের পাওনা নষ্ট করে দান করবেন না। সামর্থ্য অনুযায়ী দান করুন। পরিবারকে ভরণপোষণ করাও সওয়াবের কাজ। ৩. আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দান করলে কি আল্লাহ অনেক বেশি প্রতিদান দেন? হ্যাঁ, এটি কুরআন দ্বারা প্রমাণিত। তবে প্রতিদান কীভাবে আসবে, সেটি বুঝতে হবে। আল্লাহ বলেন: “যারা আল্লাহর পথে নিজেদের সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উপমা একটি শস্যবীজের মতো, যা সাতটি শীষ উৎপন্ন করে; প্রতিটি শীষে থাকে একশত শস্যদানা। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা আরও বাড়িয়ে দেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।” — সূরা আল-বাকারা, ২:২৬১।  একটি বীজ থেকে ৭০০ দানার উপমা দিয়ে আল্লাহ তাঁর পথে ব্যয়ের প্রতিদান কত ব্যাপক হতে পারে, তা বুঝিয়েছেন। কিন্তু এখানে দুটি বিষয় মনে রাখবেন: এটি দানের বিনিময়ে দুনিয়ায় ৭০০ গুণ টাকা ফেরত পাওয়ার কোনো আর্থিক চুক্তি নয়। আয়াতটি আল্লাহর পথে ব্যয়ের প্রতিদান সম্পর্কে; সেই প্রতিদান দুনিয়ায় ঠিক কীভাবে বা কত টাকা হিসেবে আসবে, তা নির্দিষ্ট করে না। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দান করলে আল্লাহ প্রতিদান দেওয়ার ওয়াদা করেছেন। কিন্তু প্রতিটি দানের পরপরই ব্যবসায় লাভ, বেশি আয় বা নগদ অর্থ আসবে—এমন নিশ্চয়তা দেওয়া ঠিক নয়। প্রতিদান আখিরাতে হতে পারে, দুনিয়ায় কল্যাণের মাধ্যমেও আসতে পারে; নির্দিষ্ট ফল আল্লাহর জ্ঞান ও ইচ্ছাধীন। ৪. তাহলে কি বেশি দান করলে আল্লাহ বেশি খুশি হন? সব সময় শুধু পরিমাণ দিয়ে বিচার করা যায় না। দানের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ: ইখলাস: মানুষকে দেখানোর জন্য নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দান করা। হালাল সম্পদ: হালাল উপার্জন থেকে দান করা। সামর্থ্য ও ত্যাগ: নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী আন্তরিকভাবে দান করা। সঠিক প্রাপক: প্রকৃত অভাবী ও উপযুক্ত ব্যক্তিকে সাহায্য করা। দায়িত্বের ভারসাম্য: নিজের ও পরিবারের হক নষ্ট না করা।
Outfit from FURQAN🌸 ১. কখন দান করা সবচেয়ে উত্তম? আল্লাহর কাছে দানের মর্যাদা নির্ধারণে শুধু টাকার পরিমাণ নয়, বরং নিয়ত, ত্যাগ, প্রয়োজন এবং দানের পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ। ১. যখন নিজেরও টাকার প্রয়োজন আছে, তবুও দান করেন রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কোন সদকায় সবচেয়ে বেশি প্রতিদান? তিনি বলেছেন, সুস্থ অবস্থায়, সম্পদের প্রতি আকর্ষণ থাকা সত্ত্বেও এবং দারিদ্র্যের আশঙ্কা করার সময় দান করা উত্তম। সূত্র: সহিহ বুখারি, হাদিস ১৪১৯। ২. স্বচ্ছলতা ও অভাব—দুই অবস্থাতেই দান করেন আল্লাহ বলেন: “যারা সচ্ছলতা ও অসচ্ছলতা উভয় অবস্থায় ব্যয় করে…” — সূরা আলে ইমরান, ৩:১৩৪। অর্থাৎ, শুধু ধনী হওয়ার পর দান করব—এমন মানসিকতা না রেখে সামর্থ্য অনুযায়ী অভাবের সময়ও দান করা প্রশংসনীয়। ২. তাহলে টাকা না থাকলে দান করা কি বেশি উত্তম? এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য বুঝতে হবে। নিজের প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও সামর্থ্য অনুযায়ী দান করা আর নিজের দায়িত্ব পালনের টাকা না রেখে দান করা এক বিষয় নয়। ধরুন, আপনার কাছে ১,০০০ টাকা আছে। একজনের কাছে এটি অতিরিক্ত টাকা; তিনি ১০০ টাকা দান করলেন। আরেকজনের কাছে এই ১,০০০ টাকা দিয়ে পরিবারের প্রয়োজন মেটাতে হবে। তিনি কষ্ট করে ১০০ টাকা দান করলেন। দ্বিতীয় ব্যক্তির দানে ত্যাগের দিকটি বেশি থাকতে পারে। তবে শুধু এই হিসাব থেকে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না যে তাঁর সওয়াব অবশ্যই বেশি হবে—আল্লাহই নিয়ত ও পরিস্থিতি সবচেয়ে ভালো জানেন। আপনার জন্য বাস্তব নীতি: সন্তানদের খাবার, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, পরিবারের অপরিহার্য খরচ কিংবা মানুষের পাওনা নষ্ট করে দান করবেন না। সামর্থ্য অনুযায়ী দান করুন। পরিবারকে ভরণপোষণ করাও সওয়াবের কাজ। ৩. আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দান করলে কি আল্লাহ অনেক বেশি প্রতিদান দেন? হ্যাঁ, এটি কুরআন দ্বারা প্রমাণিত। তবে প্রতিদান কীভাবে আসবে, সেটি বুঝতে হবে। আল্লাহ বলেন: “যারা আল্লাহর পথে নিজেদের সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উপমা একটি শস্যবীজের মতো, যা সাতটি শীষ উৎপন্ন করে; প্রতিটি শীষে থাকে একশত শস্যদানা। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা আরও বাড়িয়ে দেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।” — সূরা আল-বাকারা, ২:২৬১। একটি বীজ থেকে ৭০০ দানার উপমা দিয়ে আল্লাহ তাঁর পথে ব্যয়ের প্রতিদান কত ব্যাপক হতে পারে, তা বুঝিয়েছেন। কিন্তু এখানে দুটি বিষয় মনে রাখবেন: এটি দানের বিনিময়ে দুনিয়ায় ৭০০ গুণ টাকা ফেরত পাওয়ার কোনো আর্থিক চুক্তি নয়। আয়াতটি আল্লাহর পথে ব্যয়ের প্রতিদান সম্পর্কে; সেই প্রতিদান দুনিয়ায় ঠিক কীভাবে বা কত টাকা হিসেবে আসবে, তা নির্দিষ্ট করে না। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দান করলে আল্লাহ প্রতিদান দেওয়ার ওয়াদা করেছেন। কিন্তু প্রতিটি দানের পরপরই ব্যবসায় লাভ, বেশি আয় বা নগদ অর্থ আসবে—এমন নিশ্চয়তা দেওয়া ঠিক নয়। প্রতিদান আখিরাতে হতে পারে, দুনিয়ায় কল্যাণের মাধ্যমেও আসতে পারে; নির্দিষ্ট ফল আল্লাহর জ্ঞান ও ইচ্ছাধীন। ৪. তাহলে কি বেশি দান করলে আল্লাহ বেশি খুশি হন? সব সময় শুধু পরিমাণ দিয়ে বিচার করা যায় না। দানের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ: ইখলাস: মানুষকে দেখানোর জন্য নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দান করা। হালাল সম্পদ: হালাল উপার্জন থেকে দান করা। সামর্থ্য ও ত্যাগ: নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী আন্তরিকভাবে দান করা। সঠিক প্রাপক: প্রকৃত অভাবী ও উপযুক্ত ব্যক্তিকে সাহায্য করা। দায়িত্বের ভারসাম্য: নিজের ও পরিবারের হক নষ্ট না করা।

About