@successifyplus: Isaac Hadjar had one of the craziest near-misses of the F2 season. Inside the Monaco tunnel. zero visibility, full speed, and no room for error he dodged a car that appeared out of nowhere. Most drivers would’ve braked too late or frozen. Hadjar didn’t. He snapped the car out of danger instantly. That’s the difference between instinct and hesitation. Between walking away… and not. Moments like this remind you how brutal and unforgiving F2 really is. Every corner, every tunnel, every blind spot can end your race in half a second. #formula1 #humanhighlights #lifelessons #positiveenergy #entrepreneur #successmindset #motivation #motivationalvideo

SuccessifyPlus
SuccessifyPlus
Open In TikTok:
Region: US
Friday 06 February 2026 22:00:00 GMT
144178
4841
55
630

Music

Download

Comments

lasgna31
Ricky :
I mean, you can see it coming up
2026-02-16 01:40:51
308
jectayheda
JeCTayheda :
Maybe you sped up the video?
2026-04-13 18:15:47
4
thibaultgeorge
P.L :
Its isack hadjar 😉🦾
2026-05-04 23:33:50
1
frankkkiboy
Frank :
He was also listening to music and not being focused
2026-05-04 12:35:29
12
michaelruizdechavez
michaelruizdechavez :
my ego..
2026-03-18 03:27:24
4
mak_and_ch33se
mak_and_ch33se :
This is very possible but the ability to turn the steering wheel that fast at that reaction time is what’s impressive
2026-03-18 00:54:56
57
sharklacrosse.com
sideline lacrosse :
are people afraid to comment😭😭😭
2026-02-15 22:51:55
61
danielpartlan6
Daniel :
Why should it not be possible
2026-04-06 04:22:29
2
starry.edit3
𝐬𝐭✰𝐫𝐫𝐲 :
That gotta be like super powers bro or smt 😭
2026-02-16 00:45:28
16
httpsvm.tiktok.comznrwe1
lilbucaa :
yes it is
2026-04-24 13:51:58
0
danield4200
Dan⚽️🏎️ :
@𝐂𝐚𝐭𝐫𝐢𝐧ꨄ
2026-03-17 17:35:08
2
To see more videos from user @successifyplus, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

সাবধান,,! এখন পাকিস্তানের পর টার্গেট বাংলাদেশ|‍ কয়েক বছর আগে পাকিস্তানেও শুরুটা হয়েছিল প্রেমের গল্প দিয়ে,  অনলাইন পরিচয়, প্রেম, তারপর বিয়ের প্রস্তাব। পরে তদন্তে যা বের হলো, সেটা ছিল ভয়ংকর। Associated Press-এর তদন্ত অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ সালের মধ্যে অন্তত ৬২৯ জন পাকিস্তানি নারী ও তরুণীকে ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে চীনে নিয়ে যাওয়া হয়। পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় চীনা ও স্থানীয় দালালরা দরিদ্র এবং অল্পবয়সী মেয়েদের টার্গেট করত। তারপর ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে বিয়ের মাধ্যমে তাদের চীনে নিয়ে যাওয়া হতো। যেসব ভুক্তভোগী কৌশলে পাকিস্তানে ফিরতে পেরেছিলেন, তারা অভিযোগ করেন যে চীনে নিয়ে যাওয়ার পর প্রথম কিছুদিন ভালো ব্যবহার করা হলেও পরে তারা বুঝতে পারেন যে তারা পাচারের শিকার হয়েছেন। তাদের ওপর শারীরিক নির্যাতন, যৌন নির্যাতন, জোরপূর্বক গর্ভধারণের চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং অনেককে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রশাসন চীনা নাগরিক এবং স্থানীয় দালালদের আটক করে। চীনে নারী পাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর পাকিস্তানে আর সুবিধা করতে পারেনি চক্রটি। একই চক্র এবার টার্গেট করেছে বাংলাদেশের দরিদ্র মেয়েদের। সেই একই প্যাটার্নে প্রতারণার ফাঁদ পাতা হচ্ছে। প্রায় প্রতি সপ্তাহেই নিউজ দেখি, চীনা যুবক প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসেছে। মুসলিম পরিবারগুলোর জন্য আরও বড় বিষয় হলো, একজন মুসলিম মেয়ের জন্য কোনো অমুসলিম পুরুষকে বিয়ে করা ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ নয়। এটি স্পষ্ট হারাম। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী চীনে দীর্ঘদিনের এক সন্তান নীতির কারণে সেখানে কোটি কোটি পুরুষ নারীর তুলনায় বেশি। তাই গ্রামের দরিদ্র মেয়েগুলোকে শুধুমাত্র ভোগ করার জন্যই ভুয়া বিয়ের ফাঁদ পাতা হয়েছে। মনে রাখবেন, মানবপাচারকারী কখনো নিজেকে মানবপাচারকারী বলে পরিচয় দেয় না। সুতরাং যেসব এলাকায় চীনা নাগরিক আসবে, এলাকাবাসীর উচিত বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো। বাংলাদেশ সরকারকেও অনুরোধ করছি, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। মিডিয়া বিষয়গুলোতে হাওয়া দিচ্ছে। মিডিয়া উচিত এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা। শেয়ার করা সারাদেশে ছড়িয়ে দিন।  © সংগ্রহে - শাইখুনা মিডিয়া।  মাওলানা Ali Hasan Taib (হাফিযাহুল্লাহু) এর ওয়াল থেকে।
সাবধান,,! এখন পাকিস্তানের পর টার্গেট বাংলাদেশ|‍ কয়েক বছর আগে পাকিস্তানেও শুরুটা হয়েছিল প্রেমের গল্প দিয়ে, অনলাইন পরিচয়, প্রেম, তারপর বিয়ের প্রস্তাব। পরে তদন্তে যা বের হলো, সেটা ছিল ভয়ংকর। Associated Press-এর তদন্ত অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ সালের মধ্যে অন্তত ৬২৯ জন পাকিস্তানি নারী ও তরুণীকে ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে চীনে নিয়ে যাওয়া হয়। পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় চীনা ও স্থানীয় দালালরা দরিদ্র এবং অল্পবয়সী মেয়েদের টার্গেট করত। তারপর ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে বিয়ের মাধ্যমে তাদের চীনে নিয়ে যাওয়া হতো। যেসব ভুক্তভোগী কৌশলে পাকিস্তানে ফিরতে পেরেছিলেন, তারা অভিযোগ করেন যে চীনে নিয়ে যাওয়ার পর প্রথম কিছুদিন ভালো ব্যবহার করা হলেও পরে তারা বুঝতে পারেন যে তারা পাচারের শিকার হয়েছেন। তাদের ওপর শারীরিক নির্যাতন, যৌন নির্যাতন, জোরপূর্বক গর্ভধারণের চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং অনেককে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রশাসন চীনা নাগরিক এবং স্থানীয় দালালদের আটক করে। চীনে নারী পাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর পাকিস্তানে আর সুবিধা করতে পারেনি চক্রটি। একই চক্র এবার টার্গেট করেছে বাংলাদেশের দরিদ্র মেয়েদের। সেই একই প্যাটার্নে প্রতারণার ফাঁদ পাতা হচ্ছে। প্রায় প্রতি সপ্তাহেই নিউজ দেখি, চীনা যুবক প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসেছে। মুসলিম পরিবারগুলোর জন্য আরও বড় বিষয় হলো, একজন মুসলিম মেয়ের জন্য কোনো অমুসলিম পুরুষকে বিয়ে করা ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ নয়। এটি স্পষ্ট হারাম। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী চীনে দীর্ঘদিনের এক সন্তান নীতির কারণে সেখানে কোটি কোটি পুরুষ নারীর তুলনায় বেশি। তাই গ্রামের দরিদ্র মেয়েগুলোকে শুধুমাত্র ভোগ করার জন্যই ভুয়া বিয়ের ফাঁদ পাতা হয়েছে। মনে রাখবেন, মানবপাচারকারী কখনো নিজেকে মানবপাচারকারী বলে পরিচয় দেয় না। সুতরাং যেসব এলাকায় চীনা নাগরিক আসবে, এলাকাবাসীর উচিত বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো। বাংলাদেশ সরকারকেও অনুরোধ করছি, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। মিডিয়া বিষয়গুলোতে হাওয়া দিচ্ছে। মিডিয়া উচিত এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা। শেয়ার করা সারাদেশে ছড়িয়ে দিন। © সংগ্রহে - শাইখুনা মিডিয়া। মাওলানা Ali Hasan Taib (হাফিযাহুল্লাহু) এর ওয়াল থেকে।

About