@mizanni5: ##headset #headsetbluetooth #headphones #earphones #lenovoerazerxt80proheadset

MIZANI
MIZANI
Open In TikTok:
Region: ID
Sunday 08 February 2026 00:20:08 GMT
364
1
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @mizanni5, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

জীবনে অনেক সময় এমন হয় যে, আমরা দিনরাত পরিশ্রম করছি, চাকরির জন্য দৌড়াদৌড়ি করছি, কিন্তু সঠিক সুযোগ যেন আসতেই চায় না। মনে হয় সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে, রিজিকের পথ আটকে আছে। কিন্তু আল্লাহ তা'আলা তো বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমার উপর পূর্ণ ভরসা রাখে, আমি তার জন্য যথেষ্ট।” (তাওয়াক্কুলের সুন্দর উদাহরণ হলো পাখির মতো—সকালে খালি পেটে বের হয়, আর সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে।)   আমি আজ আপনাদের সাথে কিছু সহজ, কিন্তু খুবই কার্যকরী আমল শেয়ার করতে চাই। এগুলো কুরআন ও হাদিসের আলোকে, আলেম-ওলামাদের পরামর্শ অনুসারে। অনেক ভাই-বোন এগুলো নিয়মিত করে আল্লাহর রহমতে উপকার পেয়েছেন। আশা করি, আপনারাও এগুলো আমল করে দেখুন—ইনশাআল্লাহ দরজা খুলে যাবে।   ১. বেশি বেশি ইস্তেগফার করুন   হাদিস শরীফে এসেছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তেগফার করে, আল্লাহ তার প্রত্যেক দুশ্চিন্তা দূর করে দেন, প্রত্যেক সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে রিজিক দান করেন।” (আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)   তাই উঠতে-বসতে, চলতে-ফিরতে যতবার পারেন বলুন:   *আসতাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইহি* (অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর দিকে ফিরে আসি।)   প্রতিদিন অন্তত ১০০ বার পড়ার চেষ্টা করুন। গুনাহ মাফ হলে রিজিকের পথ সহজ হয়ে যায়।   ২. প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়াহ পড়ুন   হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেছেন: “যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়াহ তিলাওয়াত করবে, সে কখনো দারিদ্র্যের শিকার হবে না।” (শু'আবুল ঈমান)   এ সূরাটি রাতে (মাগরিব বা এশার পর যেকোনো সময়) পড়ুন। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সুন্নাহ অনুসারে এতে রিজিকের বরকত আসে, দারিদ্র্য দূর হয়।   ৩. দোয়া-ই-ইউনুস (আ.) পড়ুন   হজরত ইউনুস (আ.) মাছের পেটে থেকে এই দোয়া করেছিলেন, আর আল্লাহ তাঁকে মুক্তি দিয়েছিলেন। এ দোয়া সমস্যা থেকে মুক্তির চাবিকাঠি। প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর বা যখনই মনে পড়ে পড়ুন:   لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনাজ জালিমীন।   অর্থ: তুমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তুমি পবিত্র, নিশ্চয় আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম।   ৪. তাহাজ্জুদের সময় দোয়া করুন   রাতের শেষ প্রহরে উঠে দুই রাকাত নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে মন খুলে বলুন:   “ইয়া আল্লাহ! আমাকে হালাল, উত্তম ও বরকতময় রিজিক দান করুন। আমার জন্য সঠিক চাকরি/কাজের ব্যবস্থা করে দিন।”   এ সময় দোয়া কবুলের শ্রেষ্ঠ সময়।   ৫. নিয়মিত সদকা দিন   রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “সদকা বালা-মুসিবত দূর করে।” (তিরমিযি)   প্রতিদিন অল্প হলেও সদকা দিন—একটা রুটি, একটা ফল, কোনো গরিবকে সাহায্য। সদকা রিজিককে টেনে আনে।   ৬. হালাল চেষ্টা চালিয়ে যান   দোয়া ও আমলের সাথে সিভি পাঠানো, ইন্টারভিউ দেওয়া, নেটওয়ার্কিং—এগুলো চেষ্টা চালিয়ে যান।  ৭. নজর-বদ নজর থেকে রক্ষা পান   প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা সূরা ফালাক ও নাস পড়ে নিজের উপর ফুঁ দিন। অনেক সময় নজরের কারণে রিজিক আটকে যায়।   ভাই-বোনেরা, এ আমলগুলো মন থেকে, ভালোবাসা নিয়ে করুন। আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখুন। তিনি যখন চান, তখন অসম্ভবকেও সম্ভব করে দেন। ইনশাআল্লাহ আপনার জন্য দ্রুত হালাল রিজিকের দরজা খুলে যাবে।   আল্লাহ আমাদের সবাইকে হালাল রিজিকে বরকত দান করুন, চাকরি-বাকরিতে সফলতা দান করুন। আমীন, ইয়া রাব্বাল আলামীন।   এ পোস্টটি শেয়ার করে অন্য ভাই-বোনদেরও উপকার করুন। আল্লাহ আপনাদের আমল কবুল করুন।
জীবনে অনেক সময় এমন হয় যে, আমরা দিনরাত পরিশ্রম করছি, চাকরির জন্য দৌড়াদৌড়ি করছি, কিন্তু সঠিক সুযোগ যেন আসতেই চায় না। মনে হয় সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে, রিজিকের পথ আটকে আছে। কিন্তু আল্লাহ তা'আলা তো বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমার উপর পূর্ণ ভরসা রাখে, আমি তার জন্য যথেষ্ট।” (তাওয়াক্কুলের সুন্দর উদাহরণ হলো পাখির মতো—সকালে খালি পেটে বের হয়, আর সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে।) আমি আজ আপনাদের সাথে কিছু সহজ, কিন্তু খুবই কার্যকরী আমল শেয়ার করতে চাই। এগুলো কুরআন ও হাদিসের আলোকে, আলেম-ওলামাদের পরামর্শ অনুসারে। অনেক ভাই-বোন এগুলো নিয়মিত করে আল্লাহর রহমতে উপকার পেয়েছেন। আশা করি, আপনারাও এগুলো আমল করে দেখুন—ইনশাআল্লাহ দরজা খুলে যাবে। ১. বেশি বেশি ইস্তেগফার করুন হাদিস শরীফে এসেছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তেগফার করে, আল্লাহ তার প্রত্যেক দুশ্চিন্তা দূর করে দেন, প্রত্যেক সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে রিজিক দান করেন।” (আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ) তাই উঠতে-বসতে, চলতে-ফিরতে যতবার পারেন বলুন: *আসতাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইহি* (অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর দিকে ফিরে আসি।) প্রতিদিন অন্তত ১০০ বার পড়ার চেষ্টা করুন। গুনাহ মাফ হলে রিজিকের পথ সহজ হয়ে যায়। ২. প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়াহ পড়ুন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেছেন: “যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়াহ তিলাওয়াত করবে, সে কখনো দারিদ্র্যের শিকার হবে না।” (শু'আবুল ঈমান) এ সূরাটি রাতে (মাগরিব বা এশার পর যেকোনো সময়) পড়ুন। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সুন্নাহ অনুসারে এতে রিজিকের বরকত আসে, দারিদ্র্য দূর হয়। ৩. দোয়া-ই-ইউনুস (আ.) পড়ুন হজরত ইউনুস (আ.) মাছের পেটে থেকে এই দোয়া করেছিলেন, আর আল্লাহ তাঁকে মুক্তি দিয়েছিলেন। এ দোয়া সমস্যা থেকে মুক্তির চাবিকাঠি। প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর বা যখনই মনে পড়ে পড়ুন: لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনাজ জালিমীন। অর্থ: তুমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তুমি পবিত্র, নিশ্চয় আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। ৪. তাহাজ্জুদের সময় দোয়া করুন রাতের শেষ প্রহরে উঠে দুই রাকাত নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে মন খুলে বলুন: “ইয়া আল্লাহ! আমাকে হালাল, উত্তম ও বরকতময় রিজিক দান করুন। আমার জন্য সঠিক চাকরি/কাজের ব্যবস্থা করে দিন।” এ সময় দোয়া কবুলের শ্রেষ্ঠ সময়। ৫. নিয়মিত সদকা দিন রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “সদকা বালা-মুসিবত দূর করে।” (তিরমিযি) প্রতিদিন অল্প হলেও সদকা দিন—একটা রুটি, একটা ফল, কোনো গরিবকে সাহায্য। সদকা রিজিককে টেনে আনে। ৬. হালাল চেষ্টা চালিয়ে যান দোয়া ও আমলের সাথে সিভি পাঠানো, ইন্টারভিউ দেওয়া, নেটওয়ার্কিং—এগুলো চেষ্টা চালিয়ে যান। ৭. নজর-বদ নজর থেকে রক্ষা পান প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা সূরা ফালাক ও নাস পড়ে নিজের উপর ফুঁ দিন। অনেক সময় নজরের কারণে রিজিক আটকে যায়। ভাই-বোনেরা, এ আমলগুলো মন থেকে, ভালোবাসা নিয়ে করুন। আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখুন। তিনি যখন চান, তখন অসম্ভবকেও সম্ভব করে দেন। ইনশাআল্লাহ আপনার জন্য দ্রুত হালাল রিজিকের দরজা খুলে যাবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হালাল রিজিকে বরকত দান করুন, চাকরি-বাকরিতে সফলতা দান করুন। আমীন, ইয়া রাব্বাল আলামীন। এ পোস্টটি শেয়ার করে অন্য ভাই-বোনদেরও উপকার করুন। আল্লাহ আপনাদের আমল কবুল করুন।
استغفرُللہ اقبر سے آوازیں آنے کے دعوے دنیا کے مختلف معاشروں میں سننے کو ملتے ہیں، لیکن ان کے بارے میں قابلِ اعتماد اور سائنسی شواہد بہت محدود ہیں۔ ‎ ‎اسلامی نقطۂ نظر سے: ‎ ‎* اسلام میں قبر، برزخ، اور مرنے کے بعد کی زندگی پر ایمان رکھا جاتا ہے۔ ‎* بعض احادیث میں ذکر ملتا ہے کہ اللہ تعالیٰ بعض مخلوقات کو ایسی چیزیں سننے یا جاننے کی صلاحیت دے سکتا ہے جو عام انسان نہیں جان سکتے، لیکن عام لوگوں کے لیے قبر سے آوازیں سننا کوئی معمول یا یقینی بات نہیں سمجھی جاتی۔ ‎* کسی خاص واقعے کے بارے میں بغیر مضبوط ثبوت کے یہ کہنا کہ یہ یقیناً قبر کے عذاب یا کسی ماورائی وجہ سے تھا، درست نہیں۔ ‎ ‎ممکنہ دنیاوی وجوہات: ‎ ‎* ہوا کا گزرنا اور اس سے پیدا ہونے والی آوازیں۔ ‎* زمین کے نیچے جانوروں یا کیڑوں کی حرکت۔ ‎* آس پاس کے لوگوں یا گاڑیوں کی آوازوں کا گونج کر مختلف انداز میں سنائی دینا۔ ‎* خوف، ذہنی دباؤ، یا رات کے وقت ماحول کی وجہ سے آوازوں کی غلط تشریح۔ ‎ ‎اگر آپ کسی مخصوص واقعے کے بارے میں پوچھ رہے ہیں تو بتائیں: ‎ ‎* یہ واقعہ کہاں پیش آیا؟ ‎* دن میں تھا یا رات کو؟ ‎* آواز کی نوعیت کیا تھی (رونا، چیخنا، باتیں کرنا وغیرہ)؟ ‎* کیا ایک سے زیادہ لوگوں نے سنی تھی؟ ‎ ‎ان تفصیلات کی بنیاد پر میں اس واقعے کے بارے میں زیادہ مخصوص معلومات دے سکتا ہوں۔ ‎#creatorsearchinsights #tiktoktips #viewgrowth
استغفرُللہ اقبر سے آوازیں آنے کے دعوے دنیا کے مختلف معاشروں میں سننے کو ملتے ہیں، لیکن ان کے بارے میں قابلِ اعتماد اور سائنسی شواہد بہت محدود ہیں۔ ‎ ‎اسلامی نقطۂ نظر سے: ‎ ‎* اسلام میں قبر، برزخ، اور مرنے کے بعد کی زندگی پر ایمان رکھا جاتا ہے۔ ‎* بعض احادیث میں ذکر ملتا ہے کہ اللہ تعالیٰ بعض مخلوقات کو ایسی چیزیں سننے یا جاننے کی صلاحیت دے سکتا ہے جو عام انسان نہیں جان سکتے، لیکن عام لوگوں کے لیے قبر سے آوازیں سننا کوئی معمول یا یقینی بات نہیں سمجھی جاتی۔ ‎* کسی خاص واقعے کے بارے میں بغیر مضبوط ثبوت کے یہ کہنا کہ یہ یقیناً قبر کے عذاب یا کسی ماورائی وجہ سے تھا، درست نہیں۔ ‎ ‎ممکنہ دنیاوی وجوہات: ‎ ‎* ہوا کا گزرنا اور اس سے پیدا ہونے والی آوازیں۔ ‎* زمین کے نیچے جانوروں یا کیڑوں کی حرکت۔ ‎* آس پاس کے لوگوں یا گاڑیوں کی آوازوں کا گونج کر مختلف انداز میں سنائی دینا۔ ‎* خوف، ذہنی دباؤ، یا رات کے وقت ماحول کی وجہ سے آوازوں کی غلط تشریح۔ ‎ ‎اگر آپ کسی مخصوص واقعے کے بارے میں پوچھ رہے ہیں تو بتائیں: ‎ ‎* یہ واقعہ کہاں پیش آیا؟ ‎* دن میں تھا یا رات کو؟ ‎* آواز کی نوعیت کیا تھی (رونا، چیخنا، باتیں کرنا وغیرہ)؟ ‎* کیا ایک سے زیادہ لوگوں نے سنی تھی؟ ‎ ‎ان تفصیلات کی بنیاد پر میں اس واقعے کے بارے میں زیادہ مخصوص معلومات دے سکتا ہوں۔ ‎#creatorsearchinsights #tiktoktips #viewgrowth

About