@joslinwww: Wait for results

joslinw
joslinw
Open In TikTok:
Region: US
Friday 20 February 2026 21:43:22 GMT
2336
167
0
3

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @joslinwww, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

বয়স মাত্র ২৫। হাতে টাকা, বুকে স্বপ্ন, চোখে ভবিষ্যৎ। নাম কেতন আগরওয়াল। মহারাষ্ট্রের সফল রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী। নিজের বয়সী ছেলেরা যখন ক্যারিয়ার গড়তে হিমশিম খাচ্ছে, কেতন তখন কোটি কোটি রুপির ডিল করছে। জীবনটা তার পক্ষেই ছিল। আর এখন সে বিয়ে করবে। বিয়ের প্রস্তুতিটা দেখলে চোখ কপালে উঠে যায়। রাজস্থানের উদয়পুরে ঐতিহাসিক রাজপ্রাসাদ বুক করা হয়েছে — ভাড়া ১৭ কোটি রুপি। শুধু একটা রাতের জন্য। অতিথিদের আনতে দুটো প্রাইভেট বিমান ভাড়া করা। বিয়ের আগে হবু বউয়ের জন্মদিনে মহাবালেশ্বরের পাঁচতারা রিসোর্টে ৪০টা রুম বুক। বিয়ের পরে বালি ট্রিপের টিকেট কাটা। সব প্ল্যান রেডি, সব বুকিং কনফার্ম। কেতন একটাই স্বপ্ন দেখছিল — হবু বউ সিয়াকে সুখে রাখবে, রাজকুমারীর মতো রাখবে। সেটা সে রাখতেও চেয়েছিল। মনে প্রাণে। কিন্তু সিয়া গোয়েল ভিন্ন কথা ভাবছিল। ২০ বছরের এই মেয়েটার মনে অন্য একজন ছিল। ছেতন চৌধুরী। পরিবারের ঠিক করা পাত্রকে বিয়ে করার কোনো ইচ্ছাই তার ছিল না। কিন্তু পরিবারকে মানা করার সাহসও ছিল না। তাই সে আর ছেতন মিলে অন্য একটা পথ বেছে নিল। কেতনকে সরিয়ে দাও। সিম্পল। পরিকল্পনাটা ছিল ঠান্ডা মাথার। লোহাগড় দুর্গ। মহারাষ্ট্রের ঐতিহাসিক এই কেল্লা পুনে থেকে বেশি দূরে না। ট্রেকারদের পছন্দের জায়গা। কিন্তু পাথরের কিনারায় ৪০০ ফুট গভীর খাদ — একটু অসাবধান হলেই শেষ। সিয়া প্ল্যান করল — জন্মদিনের উত্সব। বন্ধুদের নিয়ে লোহাগড় যাবে, ট্রেকিং করবে, আনন্দ করবে। কেতনকেও নিয়ে যাবে। সাথে থাকবে ছেতন। কেতন রাজি হয়ে গেল। হবু বউয়ের জন্মদিনে না বলবে কেন? ১৮ জুন, ২০২৬। ট্রেকিং চলছে। পাহাড়ের ঢালে রোদ পড়েছে। বন্ধুরা হাসছে, ছবি তুলছে। একটা মুহূর্তে কেতন কিনারার দিকে গেল। তারপর আর ফিরল না। ৪০০ ফুট নিচে পাথরের খাঁজে পাওয়া গেল তার শরীর। তিন ঘণ্টার রেসকিউ অপারেশনের পর মরদেহ তুলে আনা হলো। প্রথমে সবাই ভাবল — ট্রেকিং করতে করতে পড়ে গেছে। সেলফি তুলতে গিয়ে হয়তো পা পিছলে গেছে। এই ধরনের দুর্ঘটনা হয়। কিন্তু কেতনের পরিবার মানতে পারছিল না। কারণ কেতন ছিল অভিজ্ঞ ট্রেকার। পাহাড়ে সে ছোটবেলা থেকে উঠেছে। কিনারায় দাঁড়িয়ে পা পিছলানোর মানুষ সে না। আর একটা জিনিস সবাইকে কষ্ট দিল। কেতনের মরদেহ যখন বাড়িতে আনা হলো, বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়লেন। বন্ধুরা স্তব্ধ হয়ে গেল। কিন্তু সিয়ার চোখে একটুও জল নেই। কোনো কান্না নেই। কোনো শোক নেই। মুখে কোনো ভাব নেই। কেতনের বাবা পুলিশকে বললেন,
বয়স মাত্র ২৫। হাতে টাকা, বুকে স্বপ্ন, চোখে ভবিষ্যৎ। নাম কেতন আগরওয়াল। মহারাষ্ট্রের সফল রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী। নিজের বয়সী ছেলেরা যখন ক্যারিয়ার গড়তে হিমশিম খাচ্ছে, কেতন তখন কোটি কোটি রুপির ডিল করছে। জীবনটা তার পক্ষেই ছিল। আর এখন সে বিয়ে করবে। বিয়ের প্রস্তুতিটা দেখলে চোখ কপালে উঠে যায়। রাজস্থানের উদয়পুরে ঐতিহাসিক রাজপ্রাসাদ বুক করা হয়েছে — ভাড়া ১৭ কোটি রুপি। শুধু একটা রাতের জন্য। অতিথিদের আনতে দুটো প্রাইভেট বিমান ভাড়া করা। বিয়ের আগে হবু বউয়ের জন্মদিনে মহাবালেশ্বরের পাঁচতারা রিসোর্টে ৪০টা রুম বুক। বিয়ের পরে বালি ট্রিপের টিকেট কাটা। সব প্ল্যান রেডি, সব বুকিং কনফার্ম। কেতন একটাই স্বপ্ন দেখছিল — হবু বউ সিয়াকে সুখে রাখবে, রাজকুমারীর মতো রাখবে। সেটা সে রাখতেও চেয়েছিল। মনে প্রাণে। কিন্তু সিয়া গোয়েল ভিন্ন কথা ভাবছিল। ২০ বছরের এই মেয়েটার মনে অন্য একজন ছিল। ছেতন চৌধুরী। পরিবারের ঠিক করা পাত্রকে বিয়ে করার কোনো ইচ্ছাই তার ছিল না। কিন্তু পরিবারকে মানা করার সাহসও ছিল না। তাই সে আর ছেতন মিলে অন্য একটা পথ বেছে নিল। কেতনকে সরিয়ে দাও। সিম্পল। পরিকল্পনাটা ছিল ঠান্ডা মাথার। লোহাগড় দুর্গ। মহারাষ্ট্রের ঐতিহাসিক এই কেল্লা পুনে থেকে বেশি দূরে না। ট্রেকারদের পছন্দের জায়গা। কিন্তু পাথরের কিনারায় ৪০০ ফুট গভীর খাদ — একটু অসাবধান হলেই শেষ। সিয়া প্ল্যান করল — জন্মদিনের উত্সব। বন্ধুদের নিয়ে লোহাগড় যাবে, ট্রেকিং করবে, আনন্দ করবে। কেতনকেও নিয়ে যাবে। সাথে থাকবে ছেতন। কেতন রাজি হয়ে গেল। হবু বউয়ের জন্মদিনে না বলবে কেন? ১৮ জুন, ২০২৬। ট্রেকিং চলছে। পাহাড়ের ঢালে রোদ পড়েছে। বন্ধুরা হাসছে, ছবি তুলছে। একটা মুহূর্তে কেতন কিনারার দিকে গেল। তারপর আর ফিরল না। ৪০০ ফুট নিচে পাথরের খাঁজে পাওয়া গেল তার শরীর। তিন ঘণ্টার রেসকিউ অপারেশনের পর মরদেহ তুলে আনা হলো। প্রথমে সবাই ভাবল — ট্রেকিং করতে করতে পড়ে গেছে। সেলফি তুলতে গিয়ে হয়তো পা পিছলে গেছে। এই ধরনের দুর্ঘটনা হয়। কিন্তু কেতনের পরিবার মানতে পারছিল না। কারণ কেতন ছিল অভিজ্ঞ ট্রেকার। পাহাড়ে সে ছোটবেলা থেকে উঠেছে। কিনারায় দাঁড়িয়ে পা পিছলানোর মানুষ সে না। আর একটা জিনিস সবাইকে কষ্ট দিল। কেতনের মরদেহ যখন বাড়িতে আনা হলো, বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়লেন। বন্ধুরা স্তব্ধ হয়ে গেল। কিন্তু সিয়ার চোখে একটুও জল নেই। কোনো কান্না নেই। কোনো শোক নেই। মুখে কোনো ভাব নেই। কেতনের বাবা পুলিশকে বললেন, "যে মেয়েটার সাথে আমার ছেলের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল, তার চোখে একফোঁটা জল দেখলাম না। এটা কি স্বাভাবিক?" পুলিশ নড়েচড়ে বসল। তদন্ত শুরু হলো। কল রেকর্ড বের হলো। মোবাইল লোকেশন ডেটা মিলিয়ে দেখা হলো। সাক্ষীদের একে একে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো। আর তখনই বেরিয়ে এলো আসল ঘটনা। এটা দুর্ঘটনা ছিল না। এটা ছিল পরিকল্পিত হত্যা। শুধু তাই না — এটা ছিল দ্বিতীয় চেষ্টা। এর মাত্র চারদিন আগেও সিয়া আর ছেতন একইভাবে কেতনকে মারার চেষ্টা করেছিল। সেবার ব্যর্থ হয়েছিল। এবার সফল হলো। জিজ্ঞাসাবাদে সিয়া আর ছেতন দুজনেই ভেঙে পড়ল। স্বীকার করল সব। বিয়ের ভয়ে না, বিয়ে ভাঙার সাহস ছিল না বলে না — শুধু একটাই কারণ। ছেতনের সাথে সম্পর্ক রাখতে চেয়েছিল, আর কেতন সেই পথে বাধা ছিল। তাই কেতনকে সরিয়ে দেওয়াই সহজ মনে হয়েছিল। পুলিশ দুজনকেই গ্রেফতার করেছে। যে রাজপ্রাসাদ বুক হয়েছিল, সেখানে এখন বিয়ে হবে না। যে প্রাইভেট বিমান ভাড়া করা ছিল, সেটা আর উড়বে না। বালি ট্রিপের টিকেট পড়ে আছে কোথাও। আর কেতন — যে ছেলেটা সত্যিই ভালোবাসত, রাজকুমারীর মতো রাখতে চেয়েছিল — সে এখন নেই। জীবনে সবচেয়ে বিপজ্জনক জায়গা কোনটা? পাহাড়ের খাদ না। যে মানুষকে বিশ্বাস করছ — তার মন। #প্রেম #বিয়ে #ভালোবাসা_অভিরামッ_প্রিয়_all😍❤ッবন্ধুরা

About