@sienna.sacco_: Yay LA but I’m literally here for 24 hours.

Sienna Sacco
Sienna Sacco
Open In TikTok:
Region: US
Sunday 22 February 2026 23:18:41 GMT
42927
2281
12
48

Music

Download

Comments

divaaadavisss
Davis Roe :
U need to get the other mac n cheese
2026-02-23 00:12:50
9
mollyw321
Molly Walker :
2026-02-22 23:54:07
10
jaydenbanks04
Jayden Banks :
ugh SO jealous i wanna try erewhon SO badd
2026-02-23 15:39:29
2
dgagz
daria francesca gagliano :
bro the sushi sandwich i need
2026-02-22 23:59:26
0
laurenfabio
lucky lauren kitchen :
Omg I’m so jealous
2026-02-22 23:25:25
0
dgagz
daria francesca gagliano :
wait i’m so mad i need this sushi sandwich
2026-02-22 23:59:44
2
dgagz
daria francesca gagliano :
wait ur so cute taste testing the erewhon on ur solo moment in la
2026-02-23 00:00:07
1
mollyw321
Molly Walker :
2026-02-22 23:54:11
0
babybellz21
babybellz21 :
get the heavenly green juice next time !!
2026-02-23 00:28:51
1
To see more videos from user @sienna.sacco_, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

বিয়ে করা ছাড়া ঈমান ধরে রাখা কঠিন, আর বিয়ে করা তার চেয়েও কঠিন! রাত তখন প্রায় দুইটা। শহরের সব আলো ধীরে ধীরে নিভে যাচ্ছিল। অথচ রাফির চোখে কোনো ঘুম ছিল না। বিছানায় শুয়ে বারবার ফোনটা হাতে নিচ্ছিল, আবার রেখে দিচ্ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম খুললেই একের পর এক অশ্লীলতা, হারাম সম্পর্কের গল্প, ভালোবাসার নামে প্রতারণা—সবকিছু যেন তার ঈমানকে প্রতিদিন একটু একটু করে দুর্বল করে দিচ্ছিল। রাফি নিজেকে বোঝাত, “আমি তো খারাপ হতে চাই না। আমি শুধু একজন ভালো মানুষকে বিয়ে করতে চাই। এমন একজন, যার কাছে গেলে আমার মন শান্ত হবে।” কিন্তু বাস্তবতা ছিল কঠিন। বিয়ের কথা বললেই পরিবার বলত, “এখনও সময় হয়নি।” কেউ বলত, “আগে প্রতিষ্ঠিত হও।” কেউ বলত, “বিয়েতে এত খরচ! আগে টাকা জমাও।” আর রাফি প্রতিদিন নিজের নফসের সঙ্গে যুদ্ধ করত। এক রাতে ফজরের আজান ভেসে এলো। “আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম…” ঘুমন্ত শহরের বুক চিরে সেই ডাক যেন সরাসরি রাফির হৃদয়ে গিয়ে আঘাত করল। সে উঠে বসল। হঠাৎ তার মনে হলো— “আমি একজন মানুষের ভালোবাসার জন্য এতটা অস্থির, অথচ যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর ভালোবাসা পাওয়ার জন্য আমি কতটা অস্থির?” চোখের কোণে পানি জমে গেল। রাফি অজু করে জায়নামাজে দাঁড়াল। সিজদায় গিয়ে আর নিজেকে সামলাতে পারল না। কাঁদতে কাঁদতে বলল, “হে আল্লাহ… আমি দুর্বল। আমার নফস দুর্বল। চারপাশের ফিতনা আমাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। আপনি আমাকে বাঁচান। আমি হারাম চাই না। আমি এমন ভালোবাসা চাই, যেটা আপনার সন্তুষ্টির পথে নিয়ে যাবে।” সেদিন সিজদা থেকে উঠতে তার অনেক সময় লেগেছিল। পরদিন রাফি বাবার কাছে গেল। খুব নিচু স্বরে বলল, “আব্বু, আমি বিয়ে করতে চাই।” বাবা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “বাবা, আমিও চাই তুমি সংসার করো। কিন্তু আমাদের সামর্থ্য কম। বিয়ের জন্য এত আয়োজন, এত খরচ… আমি পারব না।” রাফি বাবার হাত ধরে বলল, “আব্বু, আমার বড় অনুষ্ঠান চাই না। দামি খাবার চাই না। হাজার মানুষের দাওয়াত চাই না। শুধু একজন নেক জীবনসঙ্গী চাই। সহজভাবে বিয়ে করব। আপনি শুধু আমার পাশে থাকবেন।” বাবার চোখ ভিজে গেল। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন, “বাবা, সমাজের ভয়েই আমরা অনেক সময় এমন বোঝা নিজেদের ওপর চাপিয়ে দিই, যা আল্লাহ চাপিয়ে দেননি।” অবশেষে খুব সাধারণভাবে রাফির বিয়ে হলো। না ছিল বিশাল আয়োজন, না ছিল অযথা খরচ। ছিল শুধু কয়েকজন মানুষ, কিছু দোয়া আর আল্লাহর নাম। বিয়ের রাতে রাফির স্ত্রী তাকে বলল, “একটা কথা বলব?” “বলো।” “আমি চাই না তুমি আমাকে তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভালোবাসা বানাও।” রাফি অবাক হয়ে তাকাল। সে বলল, “তাহলে?” মেয়েটি মৃদু হেসে বলল, “আমাদের দুজনের সবচেয়ে বড় ভালোবাসা যেন আল্লাহ হন। তুমি আমাকে আল্লাহর দিকে নিয়ে যাবে, আমিও তোমাকে আল্লাহর দিকে নিয়ে যাব। কারণ মানুষকে কেন্দ্র করে গড়া সম্পর্ক একদিন ভেঙে যেতে পারে, কিন্তু আল্লাহকে কেন্দ্র করে গড়া সম্পর্ক দুনিয়া পেরিয়ে আখিরাতেও যেতে পারে।” রাফির চোখ আবার ভিজে গেল। সে মনে মনে বলল, “হে আল্লাহ, এতদিন আমি ভাবতাম বিয়ে আমাকে ফিতনা থেকে বাঁচাবে। আজ বুঝলাম—বিয়ের চেয়েও বেশি দরকার আপনার ভয়, আপনার ভালোবাসা আর আপনার ওপর ভরসা।” বছর কয়েক পর এক রাতে রাফি তার ছোট ছেলেকে কোলে নিয়ে বসেছিল। ছেলেটি ঘুমিয়ে পড়েছে। স্ত্রী পাশে বসে কুরআন পড়ছিল। রাফি নীরবে তাদের দিকে তাকিয়ে ছিল। তার মনে পড়ে গেল সেই রাতটার কথা—যেদিন সে একা, অসহায় হয়ে সিজদায় কেঁদেছিল। চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ল। স্ত্রী জিজ্ঞেস করল, “কাঁদছ কেন?” রাফি হাসতে হাসতে বলল, “ভাবছি… সেদিন যদি আল্লাহ আমার কান্না শুনে আমাকে নিজের দিকে ফিরিয়ে না নিতেন, তাহলে আজ হয়তো আমার জীবন অন্যরকম হতো।” তারপর সে আকাশের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল, “আলহামদুলিল্লাহ… আমি একজন জীবনসঙ্গী চাইতে গিয়ে আমার রবকে খুঁজে পেয়েছিলাম।” **শিক্ষা:** এই যুগে বিয়ে সত্যিই অনেকের জন্য কঠিন হয়ে গেছে। কিন্তু বিয়ের আগে সবচেয়ে জরুরি হলো নিজেকে আল্লাহর জন্য তৈরি করা। হারাম থেকে বেঁচে থাকা, দৃষ্টি হেফাজত করা, নামাজ আঁকড়ে ধরা এবং আল্লাহর কাছে কান্না করে সাহায্য চাওয়া। আর পরিবার ও সমাজের উচিত বিয়েকে অযথা কঠিন না করা। কারণ একজন যুবক যখন হালাল পথে যেতে চায়, তখন তাকে বাধা নয়—সহযোগিতা করা দরকার। মনে রেখো— **যে হৃদয় আল্লাহর জন্য কাঁদে, আল্লাহ সেই হৃদয়কে কখনো একা ছেড়ে দেন না।** আজ যদি তুমি হারাম থেকে বাঁচতে গিয়ে কষ্ট পাও, রাতের অন্ধকারে সিজদায় গিয়ে শুধু বলো— “হে আল্লাহ, আমি পারছি না… আপনি আমাকে বাঁচান।” হয়তো তোমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর গল্পটা সেখান থেকেই শুরু হবে। ❤️‍🩹 #fyp #fypシ #foryou #foryoupag #fypシ゚viral @TikTok @TikTok Bangladesh
বিয়ে করা ছাড়া ঈমান ধরে রাখা কঠিন, আর বিয়ে করা তার চেয়েও কঠিন! রাত তখন প্রায় দুইটা। শহরের সব আলো ধীরে ধীরে নিভে যাচ্ছিল। অথচ রাফির চোখে কোনো ঘুম ছিল না। বিছানায় শুয়ে বারবার ফোনটা হাতে নিচ্ছিল, আবার রেখে দিচ্ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম খুললেই একের পর এক অশ্লীলতা, হারাম সম্পর্কের গল্প, ভালোবাসার নামে প্রতারণা—সবকিছু যেন তার ঈমানকে প্রতিদিন একটু একটু করে দুর্বল করে দিচ্ছিল। রাফি নিজেকে বোঝাত, “আমি তো খারাপ হতে চাই না। আমি শুধু একজন ভালো মানুষকে বিয়ে করতে চাই। এমন একজন, যার কাছে গেলে আমার মন শান্ত হবে।” কিন্তু বাস্তবতা ছিল কঠিন। বিয়ের কথা বললেই পরিবার বলত, “এখনও সময় হয়নি।” কেউ বলত, “আগে প্রতিষ্ঠিত হও।” কেউ বলত, “বিয়েতে এত খরচ! আগে টাকা জমাও।” আর রাফি প্রতিদিন নিজের নফসের সঙ্গে যুদ্ধ করত। এক রাতে ফজরের আজান ভেসে এলো। “আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম…” ঘুমন্ত শহরের বুক চিরে সেই ডাক যেন সরাসরি রাফির হৃদয়ে গিয়ে আঘাত করল। সে উঠে বসল। হঠাৎ তার মনে হলো— “আমি একজন মানুষের ভালোবাসার জন্য এতটা অস্থির, অথচ যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর ভালোবাসা পাওয়ার জন্য আমি কতটা অস্থির?” চোখের কোণে পানি জমে গেল। রাফি অজু করে জায়নামাজে দাঁড়াল। সিজদায় গিয়ে আর নিজেকে সামলাতে পারল না। কাঁদতে কাঁদতে বলল, “হে আল্লাহ… আমি দুর্বল। আমার নফস দুর্বল। চারপাশের ফিতনা আমাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। আপনি আমাকে বাঁচান। আমি হারাম চাই না। আমি এমন ভালোবাসা চাই, যেটা আপনার সন্তুষ্টির পথে নিয়ে যাবে।” সেদিন সিজদা থেকে উঠতে তার অনেক সময় লেগেছিল। পরদিন রাফি বাবার কাছে গেল। খুব নিচু স্বরে বলল, “আব্বু, আমি বিয়ে করতে চাই।” বাবা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “বাবা, আমিও চাই তুমি সংসার করো। কিন্তু আমাদের সামর্থ্য কম। বিয়ের জন্য এত আয়োজন, এত খরচ… আমি পারব না।” রাফি বাবার হাত ধরে বলল, “আব্বু, আমার বড় অনুষ্ঠান চাই না। দামি খাবার চাই না। হাজার মানুষের দাওয়াত চাই না। শুধু একজন নেক জীবনসঙ্গী চাই। সহজভাবে বিয়ে করব। আপনি শুধু আমার পাশে থাকবেন।” বাবার চোখ ভিজে গেল। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন, “বাবা, সমাজের ভয়েই আমরা অনেক সময় এমন বোঝা নিজেদের ওপর চাপিয়ে দিই, যা আল্লাহ চাপিয়ে দেননি।” অবশেষে খুব সাধারণভাবে রাফির বিয়ে হলো। না ছিল বিশাল আয়োজন, না ছিল অযথা খরচ। ছিল শুধু কয়েকজন মানুষ, কিছু দোয়া আর আল্লাহর নাম। বিয়ের রাতে রাফির স্ত্রী তাকে বলল, “একটা কথা বলব?” “বলো।” “আমি চাই না তুমি আমাকে তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভালোবাসা বানাও।” রাফি অবাক হয়ে তাকাল। সে বলল, “তাহলে?” মেয়েটি মৃদু হেসে বলল, “আমাদের দুজনের সবচেয়ে বড় ভালোবাসা যেন আল্লাহ হন। তুমি আমাকে আল্লাহর দিকে নিয়ে যাবে, আমিও তোমাকে আল্লাহর দিকে নিয়ে যাব। কারণ মানুষকে কেন্দ্র করে গড়া সম্পর্ক একদিন ভেঙে যেতে পারে, কিন্তু আল্লাহকে কেন্দ্র করে গড়া সম্পর্ক দুনিয়া পেরিয়ে আখিরাতেও যেতে পারে।” রাফির চোখ আবার ভিজে গেল। সে মনে মনে বলল, “হে আল্লাহ, এতদিন আমি ভাবতাম বিয়ে আমাকে ফিতনা থেকে বাঁচাবে। আজ বুঝলাম—বিয়ের চেয়েও বেশি দরকার আপনার ভয়, আপনার ভালোবাসা আর আপনার ওপর ভরসা।” বছর কয়েক পর এক রাতে রাফি তার ছোট ছেলেকে কোলে নিয়ে বসেছিল। ছেলেটি ঘুমিয়ে পড়েছে। স্ত্রী পাশে বসে কুরআন পড়ছিল। রাফি নীরবে তাদের দিকে তাকিয়ে ছিল। তার মনে পড়ে গেল সেই রাতটার কথা—যেদিন সে একা, অসহায় হয়ে সিজদায় কেঁদেছিল। চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ল। স্ত্রী জিজ্ঞেস করল, “কাঁদছ কেন?” রাফি হাসতে হাসতে বলল, “ভাবছি… সেদিন যদি আল্লাহ আমার কান্না শুনে আমাকে নিজের দিকে ফিরিয়ে না নিতেন, তাহলে আজ হয়তো আমার জীবন অন্যরকম হতো।” তারপর সে আকাশের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল, “আলহামদুলিল্লাহ… আমি একজন জীবনসঙ্গী চাইতে গিয়ে আমার রবকে খুঁজে পেয়েছিলাম।” **শিক্ষা:** এই যুগে বিয়ে সত্যিই অনেকের জন্য কঠিন হয়ে গেছে। কিন্তু বিয়ের আগে সবচেয়ে জরুরি হলো নিজেকে আল্লাহর জন্য তৈরি করা। হারাম থেকে বেঁচে থাকা, দৃষ্টি হেফাজত করা, নামাজ আঁকড়ে ধরা এবং আল্লাহর কাছে কান্না করে সাহায্য চাওয়া। আর পরিবার ও সমাজের উচিত বিয়েকে অযথা কঠিন না করা। কারণ একজন যুবক যখন হালাল পথে যেতে চায়, তখন তাকে বাধা নয়—সহযোগিতা করা দরকার। মনে রেখো— **যে হৃদয় আল্লাহর জন্য কাঁদে, আল্লাহ সেই হৃদয়কে কখনো একা ছেড়ে দেন না।** আজ যদি তুমি হারাম থেকে বাঁচতে গিয়ে কষ্ট পাও, রাতের অন্ধকারে সিজদায় গিয়ে শুধু বলো— “হে আল্লাহ, আমি পারছি না… আপনি আমাকে বাঁচান।” হয়তো তোমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর গল্পটা সেখান থেকেই শুরু হবে। ❤️‍🩹 #fyp #fypシ #foryou #foryoupag #fypシ゚viral @TikTok @TikTok Bangladesh

About