@bocobb1: #hunt #hunter #hunting #turkey #gobbler

BoCobb
BoCobb
Open In TikTok:
Region: US
Friday 27 February 2026 15:01:00 GMT
137800
238
7
32

Music

Download

Comments

blaynetj29
blaynetj29 :
Yeah until they see the inside of that hood from 125 yards away
2026-02-28 19:48:37
14
craytan8
craytan :
Not for turkeys, it’s white on the inside of the hood
2026-02-28 11:49:43
9
stephenchinton
Stephen :
matching pants?
2026-03-08 17:25:46
1
k_coryy
Kason_cory :
Good for dove ig
2026-04-04 21:00:13
1
user898930359
Ryan Wood :
Tell me you don’t turkey hunt without telling me you don’t turkey hunt
2026-02-28 17:48:05
6
propertylinekennels
Greene60 :
Nice but the White hood will screw ya
2026-04-05 13:29:14
0
To see more videos from user @bocobb1, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

❖𝐋𝐀𝐅𝐀𝐍𝐆𝐀 𝐉𝐔𝐍𝐆𝐊𝐎𝐎𝐊 𝐒𝐇𝐈𝐊𝐃𝐀𝐑࿐ 𝐏𝐀𝐑𝐓 || 102 || -ফোন বন্ধ দেখে মেসেজেও পাচ্ছিলাম না ওরে। পিয়াস বলেই আর এক মুহূর্ত দাঁড়াল না। প্রায় দৌড়ে সিঁড়ির দিকে ছুটল সে। তার পেছন পেছন রাজ, আরিয়ান, রুহান, রাহা, ইরা, তিতাস আর জিমিনও ছুটে গেল। এতক্ষণ নিচেই ছিল Yn। ডাইনিং টেবিলে বসে মনযোগ দিয়ে ধনেপাতা কুচি করছিল। ডিম রান্না করেছে সে। সেগুলোর উপর ছড়িয়ে দেয়ার জন্য ধনেপাতা ছোট ছোট করে কাটছিল Yn। মেডের হাতের রান্না তার বেশি ভালো লাগে না। কিন্তু ছেলে গুলোকে এভাবে হুড়মুড় করে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে দেখে আর স্থির থাকতে পারল না। হাতের ধনে পাতা আর ছুরিটা এক পাশে রেখে উঠে দাঁড়াল সে। মনের ভেতর অকারণে ধুকপুক করছে।এখন যদি সত্যিই কিছু হয়ে থাকে?মাথায় আসতে বুকের ভেতর আরও কেঁপে উঠল। যদি বড় কোন সমস্যা হয়? সবাই যদি তার উপরই রাগ করে? মামলা-টামলা করে বসবে না তো? নিজের চিন্তাতে ভয় পেয়ে চিবুকটা সামান্য নিচু করে হাত কচলাতে কচলাতে বাকিদের পেছনে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠল Yn। কিছুটা এগোতে করিডোরের দৃশ্য চোখে পড়ল। সবাই Jungkook-র দরজার সামনে দাঁড়িয়ে। রাজ দরজায় জোরে জোরে ধাক্কা দিচ্ছে আর ডাকছে -দোস্ত দরজা খুল। সারা দিন রুমে কি করছিস তুই? কোন উত্তর নিই। পিয়াস আবার দরজায় হাত ঠুকে বলল -Jungkook শুন, একবার অন্তত কথা বল। জিমিন কোমরে দুহাত রেখে চিন্তিত মুখে বলল -সিসিটিভির ফুটেজও চেক করার সিস্টেম নিই। সব কিছু Jungkook-র ফোনের সঙ্গে সেট করা। রুহান উৎকণ্ঠিত গলায় বলল -এইভাবে তো আর বসে থাকা যায় না। আরিয়ান দরজার দিকে তাকিয়ে বলল -ভেতর থেকে লক করা। কিছু একটা করতে হবে। তিতাস অস্থির হয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে বলল -আমি তো সত্যি ভয় পাচ্ছি রে। এমন সময় পিয়াস হঠাৎ বলে উঠল -এই, আমি পিলার বেয়ে জানালা দিয়ে দেখে আসি ভাই। আমার শ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। Yn চুপচাপ দাঁড়িয়ে সব শুনছিল। হঠাৎ তার মাথায় ঝলকের মত কিছু একটা এলো। গত দু'দিনে Jungkook-র কিছু জিনিস সে নিজের চোখে দেখেছে। কোথায় কি রাখা এসবের কিছুটা তার নজরে পড়েছিল কারণ রুটিতে সে একাই থাকে। কোন কথা না বলে ঘুরে দাঁড়াল। -কোথায় যাচ্ছো? রাহার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে দ্রুত পাশের রুরে ঢুকে পড়ল সে। সোজা এগিয়ে গেল Jungkook-এর ব্যবহৃত ক্লোজেটের সামনে গিয়ে থামল। দরজা খুলে ভেতরের জিনিস পত্র দ্রুত চোখ বুলিয়ে দেখতে লাগল। চোখ আটকে গেল একটি ধাতব চাবির রিংয়ের উপর। চাবিটা মুঠোয় শক্ত করে ধরে আর এক মুহূর্তও নষ্ট করল না সে। দৌড়ে বেরিয়ে করিডোরে এসে রাহা আর ইরার সামনে দাঁড়াল। -তোমরা সরে দাঁড়াও আমি দেখছি। রাহা সঙ্গে সঙ্গে পাশে সরে গেল। Yn লকে চাবি পুরে দিয়ে ট্রাই করতে থাকল। তৃতীয় নাম্বার চাবিটি ঘুরিয়ে আবার চেষ্টা করতে খুলে গেল। রাজ, পিয়াস, আরিয়ান সবাই একসঙ্গে দরজার দিকে তাকাল। Yn হাতলটা নামিয়ে দরজাটা ঠেলে খুলে দিল। সবাই হড়বড়িয়ে এক সঙ্গে রুমের ভেতরে ঢুকে পড়ল।ভেতরে ঢুকে মুহূর্তের জন্য সবাই থমকাল বটে। হিমরুমে পরিণত হয়েছে। এসির পাওয়ার এতটাই বাড়ানো যে দরজা দিয়ে ঢুকার সঙ্গে সঙ্গে বরফশীতল বাতাস শরীর ভেদ করে গেল। রাহা আর ইরা নিজেদের হাত দুটো ঘষতে শুরু করল। তিতাস কাঁধ গুটিয়ে নিল। রাজও ভ্রু কুঁচকে বিছানার উপর তাকাল। Jungkook উপুড় হয়ে নিশ্চিন্তে শুয়ে আছে। এতক্ষণ ধরে তার খুঁজে পেতে সবার জান বের হয়ে যাচ্ছিল। ঠিক তখন আবার জানালার দিক থেকে হালকা শব্দ হলো। পিলার টপকে কোন রকমে জানালা দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ল পিয়াস আর রুহান। দুজনের চেহারাতেও দুশ্চিন্তার ছাপ স্পষ্ট। তবে কেউ কোন কথা বলল না। সবার দৃষ্টি শুধু বিছানার উপর স্থির। Yn ধীরে ধীরে সামনে এগিয়ে গেল। Jungkook-র দিকে ভালো করে তাকাল। এতক্ষণ যে ভয় বুকের ভেতর জমে ছিল, এখন তার জায়গা নিয়েছে প্রবল বিরক্তি। সে বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে নাক ফুলিয়ে বলল -আপনার নাটক শেষ হলে উঠুন। Jungkook কোন প্রতিক্রিয়া দেখাল না। Yn ভ্রু কুঁচকে আবারও বলল -নাটক করতে গিয়ে এদের অবস্থা দেখুন। পারলে কেঁদেই দিতো ওরা। চারপাশে নিস্তব্ধতা। সবাই এক সঙ্গে নির্বাক হয়ে Jungkook-র দিকে তাকিয়ে আছে। Jungkook-র কোন নড়াচড়া নিই দেখে Yn-র বিরক্তি আরও বাড়ল।  হাত বাড়িয়ে তার কাঁধে হালকা ধাক্কা দিল। —উঠুন তো... ধাক্কা লাগার সঙ্গে সঙ্গেই Jungkook-র চোখ আচমকা খুলে গেল। রক্তিম, চোখ দুটো মুহূর্তেই তীক্ষ্ণ হয়ে উঠল। বজ্রপাতের ন্যায় উঠে দাঁড়ানোয় Yn এক পা পিছিয়ে গেল। সে কিছু বলার পূর্বে Jungkook তার হাতটা ধরে ফেলল। শার্ট তুলে এক হাতের সাহায্যে গায়ে পরতে পরতে দ্রুত রুম থেকে বের হয়ে গেল। বাকিরা অবাক চোখে তাকিয়ে আছে। Yn হতভম্ব হয়ে গেছে। Jungkook তাকে নিয়ে সোজা নিজের রুমে আসল।  প্রথম পর্ব গুলো এই আইডিতে @∩︵ɴᴜʀ◕‿◕  আর ধীরে ধীরে সেখানে সব গুলো দিয়ে ওই আইডিতে চলে যাব।
❖𝐋𝐀𝐅𝐀𝐍𝐆𝐀 𝐉𝐔𝐍𝐆𝐊𝐎𝐎𝐊 𝐒𝐇𝐈𝐊𝐃𝐀𝐑࿐ 𝐏𝐀𝐑𝐓 || 102 || -ফোন বন্ধ দেখে মেসেজেও পাচ্ছিলাম না ওরে। পিয়াস বলেই আর এক মুহূর্ত দাঁড়াল না। প্রায় দৌড়ে সিঁড়ির দিকে ছুটল সে। তার পেছন পেছন রাজ, আরিয়ান, রুহান, রাহা, ইরা, তিতাস আর জিমিনও ছুটে গেল। এতক্ষণ নিচেই ছিল Yn। ডাইনিং টেবিলে বসে মনযোগ দিয়ে ধনেপাতা কুচি করছিল। ডিম রান্না করেছে সে। সেগুলোর উপর ছড়িয়ে দেয়ার জন্য ধনেপাতা ছোট ছোট করে কাটছিল Yn। মেডের হাতের রান্না তার বেশি ভালো লাগে না। কিন্তু ছেলে গুলোকে এভাবে হুড়মুড় করে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে দেখে আর স্থির থাকতে পারল না। হাতের ধনে পাতা আর ছুরিটা এক পাশে রেখে উঠে দাঁড়াল সে। মনের ভেতর অকারণে ধুকপুক করছে।এখন যদি সত্যিই কিছু হয়ে থাকে?মাথায় আসতে বুকের ভেতর আরও কেঁপে উঠল। যদি বড় কোন সমস্যা হয়? সবাই যদি তার উপরই রাগ করে? মামলা-টামলা করে বসবে না তো? নিজের চিন্তাতে ভয় পেয়ে চিবুকটা সামান্য নিচু করে হাত কচলাতে কচলাতে বাকিদের পেছনে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠল Yn। কিছুটা এগোতে করিডোরের দৃশ্য চোখে পড়ল। সবাই Jungkook-র দরজার সামনে দাঁড়িয়ে। রাজ দরজায় জোরে জোরে ধাক্কা দিচ্ছে আর ডাকছে -দোস্ত দরজা খুল। সারা দিন রুমে কি করছিস তুই? কোন উত্তর নিই। পিয়াস আবার দরজায় হাত ঠুকে বলল -Jungkook শুন, একবার অন্তত কথা বল। জিমিন কোমরে দুহাত রেখে চিন্তিত মুখে বলল -সিসিটিভির ফুটেজও চেক করার সিস্টেম নিই। সব কিছু Jungkook-র ফোনের সঙ্গে সেট করা। রুহান উৎকণ্ঠিত গলায় বলল -এইভাবে তো আর বসে থাকা যায় না। আরিয়ান দরজার দিকে তাকিয়ে বলল -ভেতর থেকে লক করা। কিছু একটা করতে হবে। তিতাস অস্থির হয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে বলল -আমি তো সত্যি ভয় পাচ্ছি রে। এমন সময় পিয়াস হঠাৎ বলে উঠল -এই, আমি পিলার বেয়ে জানালা দিয়ে দেখে আসি ভাই। আমার শ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। Yn চুপচাপ দাঁড়িয়ে সব শুনছিল। হঠাৎ তার মাথায় ঝলকের মত কিছু একটা এলো। গত দু'দিনে Jungkook-র কিছু জিনিস সে নিজের চোখে দেখেছে। কোথায় কি রাখা এসবের কিছুটা তার নজরে পড়েছিল কারণ রুটিতে সে একাই থাকে। কোন কথা না বলে ঘুরে দাঁড়াল। -কোথায় যাচ্ছো? রাহার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে দ্রুত পাশের রুরে ঢুকে পড়ল সে। সোজা এগিয়ে গেল Jungkook-এর ব্যবহৃত ক্লোজেটের সামনে গিয়ে থামল। দরজা খুলে ভেতরের জিনিস পত্র দ্রুত চোখ বুলিয়ে দেখতে লাগল। চোখ আটকে গেল একটি ধাতব চাবির রিংয়ের উপর। চাবিটা মুঠোয় শক্ত করে ধরে আর এক মুহূর্তও নষ্ট করল না সে। দৌড়ে বেরিয়ে করিডোরে এসে রাহা আর ইরার সামনে দাঁড়াল। -তোমরা সরে দাঁড়াও আমি দেখছি। রাহা সঙ্গে সঙ্গে পাশে সরে গেল। Yn লকে চাবি পুরে দিয়ে ট্রাই করতে থাকল। তৃতীয় নাম্বার চাবিটি ঘুরিয়ে আবার চেষ্টা করতে খুলে গেল। রাজ, পিয়াস, আরিয়ান সবাই একসঙ্গে দরজার দিকে তাকাল। Yn হাতলটা নামিয়ে দরজাটা ঠেলে খুলে দিল। সবাই হড়বড়িয়ে এক সঙ্গে রুমের ভেতরে ঢুকে পড়ল।ভেতরে ঢুকে মুহূর্তের জন্য সবাই থমকাল বটে। হিমরুমে পরিণত হয়েছে। এসির পাওয়ার এতটাই বাড়ানো যে দরজা দিয়ে ঢুকার সঙ্গে সঙ্গে বরফশীতল বাতাস শরীর ভেদ করে গেল। রাহা আর ইরা নিজেদের হাত দুটো ঘষতে শুরু করল। তিতাস কাঁধ গুটিয়ে নিল। রাজও ভ্রু কুঁচকে বিছানার উপর তাকাল। Jungkook উপুড় হয়ে নিশ্চিন্তে শুয়ে আছে। এতক্ষণ ধরে তার খুঁজে পেতে সবার জান বের হয়ে যাচ্ছিল। ঠিক তখন আবার জানালার দিক থেকে হালকা শব্দ হলো। পিলার টপকে কোন রকমে জানালা দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ল পিয়াস আর রুহান। দুজনের চেহারাতেও দুশ্চিন্তার ছাপ স্পষ্ট। তবে কেউ কোন কথা বলল না। সবার দৃষ্টি শুধু বিছানার উপর স্থির। Yn ধীরে ধীরে সামনে এগিয়ে গেল। Jungkook-র দিকে ভালো করে তাকাল। এতক্ষণ যে ভয় বুকের ভেতর জমে ছিল, এখন তার জায়গা নিয়েছে প্রবল বিরক্তি। সে বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে নাক ফুলিয়ে বলল -আপনার নাটক শেষ হলে উঠুন। Jungkook কোন প্রতিক্রিয়া দেখাল না। Yn ভ্রু কুঁচকে আবারও বলল -নাটক করতে গিয়ে এদের অবস্থা দেখুন। পারলে কেঁদেই দিতো ওরা। চারপাশে নিস্তব্ধতা। সবাই এক সঙ্গে নির্বাক হয়ে Jungkook-র দিকে তাকিয়ে আছে। Jungkook-র কোন নড়াচড়া নিই দেখে Yn-র বিরক্তি আরও বাড়ল। হাত বাড়িয়ে তার কাঁধে হালকা ধাক্কা দিল। —উঠুন তো... ধাক্কা লাগার সঙ্গে সঙ্গেই Jungkook-র চোখ আচমকা খুলে গেল। রক্তিম, চোখ দুটো মুহূর্তেই তীক্ষ্ণ হয়ে উঠল। বজ্রপাতের ন্যায় উঠে দাঁড়ানোয় Yn এক পা পিছিয়ে গেল। সে কিছু বলার পূর্বে Jungkook তার হাতটা ধরে ফেলল। শার্ট তুলে এক হাতের সাহায্যে গায়ে পরতে পরতে দ্রুত রুম থেকে বের হয়ে গেল। বাকিরা অবাক চোখে তাকিয়ে আছে। Yn হতভম্ব হয়ে গেছে। Jungkook তাকে নিয়ে সোজা নিজের রুমে আসল। প্রথম পর্ব গুলো এই আইডিতে @∩︵ɴᴜʀ◕‿◕ আর ধীরে ধীরে সেখানে সব গুলো দিয়ে ওই আইডিতে চলে যাব।

About