@natty__daddy: thanks for being here #hogtok #hogtalk #friendship #funny

natty daddy
natty daddy
Open In TikTok:
Region: US
Thursday 26 February 2026 18:47:31 GMT
2423
134
3
6

Music

Download

Comments

scourge.mayhem
scourge.mayhen :
ppl are funny🤣🤣🤣🤣🤣you're funny
2026-02-26 19:24:32
0
sunbrnt
sunbrnt :
This feels too intimate being this early. I’ll come back
2026-02-26 18:56:05
1
perfectdesecration
Perfect Desecration :
She has excellent taste 👏🏿👏🏿👏🏿
2026-02-27 18:02:39
1
To see more videos from user @natty__daddy, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

দীনে ফেরার পর অনেকেই মনে করেন— “এখন থেকে আমার সব ইবাদত perfect থাকবে।” “আমি নিয়মিত তাহাজ্জুদে উঠব।” “ফজর কখনো মিস হবে না।” “প্রতিদিন কুরআন পড়ব।” “আর কখনো গাফিলতি হবে না।” কিন্তু বাস্তবে কিছুদিন পর দেখা যায়— একদিন তাহাজ্জুদে উঠতে পারলেন না। কখনো ফজর মিস হয়ে গেল। কখনো কয়েকদিন কুরআন ছোঁয়াও হলো না। কখনো আগের মতো মনোযোগ থাকল না। কখনো শয়তান আবার পুরোনো দুর্বল জায়গায় টানতে লাগল। তারপর ভেতরে ভয় শুরু হয়— “আমি কি তাহলে ভণ্ড?” “আমি কি মুনাফিক হয়ে গেলাম?” “মানুষ আমাকে ভালো ভাবে, অথচ আমি নিজের অবস্থাই সামলাতে পারছি না।” “কেউ আমাকে তাহাজ্জুদে ডাকতে বলে, অথচ আমি নিজেই ফজর নিয়ে লড়ছি!” এই কষ্টটা খুব বাস্তব। বিশেষ করে যারা নতুনভাবে দ্বীনের পথে ফিরেছেন, তারা এই চাপটা বেশি অনুভব করেন। কিন্তু মনে রাখুন— ঈমানের উঠানামা হওয়া মানেই আপনি মুনাফিক হয়ে গেছেন—এটা ঠিক নয়। মুমিন ভুল করে, কিন্তু ভুলকে নিজের পরিচয় বানায় না। মুমিন পড়ে যায়, কিন্তু পড়ে থাকে না। মুমিন দুর্বল হয়, কিন্তু আল্লাহর দরজা ছেড়ে দেয় না। আল্লাহ বলেন— যারা কোনো অশ্লীল কাজ করে ফেললে অথবা নিজেদের উপর জুলুম করলে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজেদের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে…” 📖 সূরা আলে ইমরান: ১৩৫ খেয়াল করুন—আল্লাহ বলেছেন, তারা ভুল করে ফেললে আল্লাহকে স্মরণ করে। অর্থাৎ মুমিনের পরিচয় এই নয় যে, সে কখনো ভুল করবে না; বরং ভুলের পর সে কোথায় ফিরে যায়—এটাই আসল। আপনি যদি গাফিলতির পর কষ্ট পান, ফজর মিস হলে বুক ভারী লাগে, কুরআন থেকে দূরে গেলে অপরাধবোধ হয়, গুনাহের পর তাওবা করতে ইচ্ছা করে— তাহলে এই অনুভূতিগুলোকে নষ্ট হতে দেবেন না। এগুলোই আপনাকে আবার আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে আনতে পারে। কিন্তু শয়তান খুব ধূর্ত। সে প্রথমে আপনাকে গুনাহে ফেলবে। তারপর বলবে—“তুমি তো hypocrite, তোমার দিয়ে হবে না।” তারপর দোয়া, নামাজ, কুরআন—সবকিছু থেকে দূরে রাখতে চাইবে। আপনি শয়তানের এই ফাঁদে পড়বেন না। আজ তাহাজ্জুদ না হলে অন্তত ফজর ঠিক করুন। আজ এক পৃষ্ঠা কুরআন না হলে অন্তত ৫ আয়াত পড়ুন। আজ মনোযোগ না থাকলেও নামাজ ছাড়বেন না। আজ আমল কম হলেও তাওবা বন্ধ করবেন না। আজ পড়ে গেলে আবার উঠুন। কারণ আল্লাহ perfect মানুষের জন্য দরজা খোলেননি; আল্লাহ ফিরে আসা বান্দার জন্য দরজা খোলা রেখেছেন। রাসূল ﷺ বলেছেন— আদম সন্তানের সবাই ভুল করে; আর ভুলকারীদের মধ্যে উত্তম তারা, যারা তাওবা করে।” 📚 তিরমিজি, ইবনু মাজাহ তাই নিজের দুর্বলতা দেখে হতাশ হবেন না। বরং দুর্বলতাকে চিনে নিন, আল্লাহর কাছে সাহায্য চান, ছোট ছোট আমল ধরে রাখুন। নিজেকে মানুষের image দিয়ে বিচার করবেন না। মানুষ আপনাকে “বুযুর্গ” ভাবতে পারে, কিন্তু আপনি জানেন আপনার লড়াই কোথায়। এই কারণে অহংকারী হবেন না, আবার হতাশও হবেন না। বরং বলুন— “ইয়া আল্লাহ, মানুষ আমাকে যা ভাবে আমি তার চেয়ে দুর্বল। আপনি আমার গোপন দুর্বলতা জানেন। আমাকে ছেড়ে দেবেন না।” এই দোয়া, এই কান্না, এই চেষ্টা—একজন বান্দাকে আবার দাঁড় করিয়ে দিতে পারে। আজ নিজের কাছে প্রশ্ন করুন— আমি কি ভুলের পর আল্লাহর দিকে ফিরছি, নাকি হতাশ হয়ে দূরে সরে যাচ্ছি? আমি কি মানুষের ভালো ধারণার চাপে নিজেকে ভণ্ড ভাবছি, নাকি আল্লাহর কাছে সত্যভাবে সাহায্য চাইছি? আমি কি আমল কমে গেলে আবার ছোট করে শুরু করছি? মনে রাখবেন— দীনে ফেরার পরও দুর্বলতা আসতে পারে। ঈমানের ওঠানামা হতে পারে। কিন্তু চেষ্টা বন্ধ করে দেওয়া, তাওবা ছেড়ে দেওয়া, গুনাহকে normal বানিয়ে ফেলা—এটাই ভয়ংকর। তাই আপাতত perfect হওয়ার চাপ নয়— আল্লাহর পথে ফিরে আসার চেষ্টা চালিয়ে যান। আজ কম পড়েছেন? কাল আবার পড়ুন। আজ উঠতে পারেননি? কাল আবার alarm দিন। আজ মন দুর্বল? তবু নামাজে দাঁড়ান। আজ চোখে পানি নেই? তবু বলুন—“ইয়া আল্লাহ, আমাকে ফিরিয়ে নিন।” কারণ যে বান্দা বারবার আল্লাহর দরজায় ফিরে আসে, সে হারিয়ে যায় না—ইন শা আল্লাহ। 🌿 ঈমান দুর্বল লাগলে ৭টি ছোট কাজ করুন: ১. ফরজ নামাজ আগে ঠিক করুন, বিশেষ করে ফজর। ২. প্রতিদিন অল্প হলেও কুরআন পড়ুন—৫ আয়াত হলেও। ৩. গুনাহ হলে দেরি না করে তাওবা করুন। ৪. নিজেকে মানুষের image দিয়ে বিচার করবেন না। ৫. ভালো সঙ্গ ও দ্বীনি reminder-এর সাথে থাকুন। ৬. ছোট কিন্তু নিয়মিত আমল বেছে নিন। ৭. বেশি বেশি বলুন—“ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব, আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের উপর স্থির রাখুন।” 🤍 পোস্টটি Save করে রাখুন, যখন ঈমান দুর্বল লাগবে এবং মনে হবে “আমার দিয়ে হবে না।” 📤 যে মানুষ দ্বীনে ফেরার পর নিজের ওঠানামা দেখে হতাশ হয়ে যাচ্ছে, তাকে পোস্টটি নরমভাবে পাঠিয়ে দিন। 💬 আপনার মতে ঈমান দুর্বল হলে সবচেয়ে বেশি কী দরকার—সবর, ভালো সঙ্গ, নাকি ছোট নিয়মিত আমল? 📌 পোস্ট-টি সদকায়ে জারিয়া এবং ইসলাম প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করে অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হোন। এই পোস্ট আপনার আখেরাতের কঠিন মুসিবাতের সময় নাজাতের ওসিলা হয়ে যাক, আমিন🤲 #f#fypt#trendingট#টিকটক_বাংলাদেশ_অফিসিয়াল🇧🇩🇧🇩🇧🇩
দীনে ফেরার পর অনেকেই মনে করেন— “এখন থেকে আমার সব ইবাদত perfect থাকবে।” “আমি নিয়মিত তাহাজ্জুদে উঠব।” “ফজর কখনো মিস হবে না।” “প্রতিদিন কুরআন পড়ব।” “আর কখনো গাফিলতি হবে না।” কিন্তু বাস্তবে কিছুদিন পর দেখা যায়— একদিন তাহাজ্জুদে উঠতে পারলেন না। কখনো ফজর মিস হয়ে গেল। কখনো কয়েকদিন কুরআন ছোঁয়াও হলো না। কখনো আগের মতো মনোযোগ থাকল না। কখনো শয়তান আবার পুরোনো দুর্বল জায়গায় টানতে লাগল। তারপর ভেতরে ভয় শুরু হয়— “আমি কি তাহলে ভণ্ড?” “আমি কি মুনাফিক হয়ে গেলাম?” “মানুষ আমাকে ভালো ভাবে, অথচ আমি নিজের অবস্থাই সামলাতে পারছি না।” “কেউ আমাকে তাহাজ্জুদে ডাকতে বলে, অথচ আমি নিজেই ফজর নিয়ে লড়ছি!” এই কষ্টটা খুব বাস্তব। বিশেষ করে যারা নতুনভাবে দ্বীনের পথে ফিরেছেন, তারা এই চাপটা বেশি অনুভব করেন। কিন্তু মনে রাখুন— ঈমানের উঠানামা হওয়া মানেই আপনি মুনাফিক হয়ে গেছেন—এটা ঠিক নয়। মুমিন ভুল করে, কিন্তু ভুলকে নিজের পরিচয় বানায় না। মুমিন পড়ে যায়, কিন্তু পড়ে থাকে না। মুমিন দুর্বল হয়, কিন্তু আল্লাহর দরজা ছেড়ে দেয় না। আল্লাহ বলেন— যারা কোনো অশ্লীল কাজ করে ফেললে অথবা নিজেদের উপর জুলুম করলে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজেদের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে…” 📖 সূরা আলে ইমরান: ১৩৫ খেয়াল করুন—আল্লাহ বলেছেন, তারা ভুল করে ফেললে আল্লাহকে স্মরণ করে। অর্থাৎ মুমিনের পরিচয় এই নয় যে, সে কখনো ভুল করবে না; বরং ভুলের পর সে কোথায় ফিরে যায়—এটাই আসল। আপনি যদি গাফিলতির পর কষ্ট পান, ফজর মিস হলে বুক ভারী লাগে, কুরআন থেকে দূরে গেলে অপরাধবোধ হয়, গুনাহের পর তাওবা করতে ইচ্ছা করে— তাহলে এই অনুভূতিগুলোকে নষ্ট হতে দেবেন না। এগুলোই আপনাকে আবার আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে আনতে পারে। কিন্তু শয়তান খুব ধূর্ত। সে প্রথমে আপনাকে গুনাহে ফেলবে। তারপর বলবে—“তুমি তো hypocrite, তোমার দিয়ে হবে না।” তারপর দোয়া, নামাজ, কুরআন—সবকিছু থেকে দূরে রাখতে চাইবে। আপনি শয়তানের এই ফাঁদে পড়বেন না। আজ তাহাজ্জুদ না হলে অন্তত ফজর ঠিক করুন। আজ এক পৃষ্ঠা কুরআন না হলে অন্তত ৫ আয়াত পড়ুন। আজ মনোযোগ না থাকলেও নামাজ ছাড়বেন না। আজ আমল কম হলেও তাওবা বন্ধ করবেন না। আজ পড়ে গেলে আবার উঠুন। কারণ আল্লাহ perfect মানুষের জন্য দরজা খোলেননি; আল্লাহ ফিরে আসা বান্দার জন্য দরজা খোলা রেখেছেন। রাসূল ﷺ বলেছেন— আদম সন্তানের সবাই ভুল করে; আর ভুলকারীদের মধ্যে উত্তম তারা, যারা তাওবা করে।” 📚 তিরমিজি, ইবনু মাজাহ তাই নিজের দুর্বলতা দেখে হতাশ হবেন না। বরং দুর্বলতাকে চিনে নিন, আল্লাহর কাছে সাহায্য চান, ছোট ছোট আমল ধরে রাখুন। নিজেকে মানুষের image দিয়ে বিচার করবেন না। মানুষ আপনাকে “বুযুর্গ” ভাবতে পারে, কিন্তু আপনি জানেন আপনার লড়াই কোথায়। এই কারণে অহংকারী হবেন না, আবার হতাশও হবেন না। বরং বলুন— “ইয়া আল্লাহ, মানুষ আমাকে যা ভাবে আমি তার চেয়ে দুর্বল। আপনি আমার গোপন দুর্বলতা জানেন। আমাকে ছেড়ে দেবেন না।” এই দোয়া, এই কান্না, এই চেষ্টা—একজন বান্দাকে আবার দাঁড় করিয়ে দিতে পারে। আজ নিজের কাছে প্রশ্ন করুন— আমি কি ভুলের পর আল্লাহর দিকে ফিরছি, নাকি হতাশ হয়ে দূরে সরে যাচ্ছি? আমি কি মানুষের ভালো ধারণার চাপে নিজেকে ভণ্ড ভাবছি, নাকি আল্লাহর কাছে সত্যভাবে সাহায্য চাইছি? আমি কি আমল কমে গেলে আবার ছোট করে শুরু করছি? মনে রাখবেন— দীনে ফেরার পরও দুর্বলতা আসতে পারে। ঈমানের ওঠানামা হতে পারে। কিন্তু চেষ্টা বন্ধ করে দেওয়া, তাওবা ছেড়ে দেওয়া, গুনাহকে normal বানিয়ে ফেলা—এটাই ভয়ংকর। তাই আপাতত perfect হওয়ার চাপ নয়— আল্লাহর পথে ফিরে আসার চেষ্টা চালিয়ে যান। আজ কম পড়েছেন? কাল আবার পড়ুন। আজ উঠতে পারেননি? কাল আবার alarm দিন। আজ মন দুর্বল? তবু নামাজে দাঁড়ান। আজ চোখে পানি নেই? তবু বলুন—“ইয়া আল্লাহ, আমাকে ফিরিয়ে নিন।” কারণ যে বান্দা বারবার আল্লাহর দরজায় ফিরে আসে, সে হারিয়ে যায় না—ইন শা আল্লাহ। 🌿 ঈমান দুর্বল লাগলে ৭টি ছোট কাজ করুন: ১. ফরজ নামাজ আগে ঠিক করুন, বিশেষ করে ফজর। ২. প্রতিদিন অল্প হলেও কুরআন পড়ুন—৫ আয়াত হলেও। ৩. গুনাহ হলে দেরি না করে তাওবা করুন। ৪. নিজেকে মানুষের image দিয়ে বিচার করবেন না। ৫. ভালো সঙ্গ ও দ্বীনি reminder-এর সাথে থাকুন। ৬. ছোট কিন্তু নিয়মিত আমল বেছে নিন। ৭. বেশি বেশি বলুন—“ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব, আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের উপর স্থির রাখুন।” 🤍 পোস্টটি Save করে রাখুন, যখন ঈমান দুর্বল লাগবে এবং মনে হবে “আমার দিয়ে হবে না।” 📤 যে মানুষ দ্বীনে ফেরার পর নিজের ওঠানামা দেখে হতাশ হয়ে যাচ্ছে, তাকে পোস্টটি নরমভাবে পাঠিয়ে দিন। 💬 আপনার মতে ঈমান দুর্বল হলে সবচেয়ে বেশি কী দরকার—সবর, ভালো সঙ্গ, নাকি ছোট নিয়মিত আমল? 📌 পোস্ট-টি সদকায়ে জারিয়া এবং ইসলাম প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করে অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হোন। এই পোস্ট আপনার আখেরাতের কঠিন মুসিবাতের সময় নাজাতের ওসিলা হয়ে যাক, আমিন🤲 #f#fypt#trendingট#টিকটক_বাংলাদেশ_অফিসিয়াল🇧🇩🇧🇩🇧🇩

About