@newspaper974: #tiktok #news #fyppppppppppppppppppppppp

newspaper974
newspaper974
Open In TikTok:
Region: US
Tuesday 03 March 2026 09:19:21 GMT
1953
21
2
2

Music

Download

Comments

papabigga
Bigga and Papa :
where were the parnets???
2026-03-14 07:26:44
2
maggieperez34
Maggie Perez :
🥰🥰🥰
2026-03-07 05:07:55
0
To see more videos from user @newspaper974, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#বাঁধন_রুপের_অধিকারী #লেখিকা_সুমি_চৌধুরী[৩১](৩য় অংশ)  কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থাকে তৃষা। হঠাৎই যেন মাথায় কোনো বুদ্ধি খেলে যায় তার। ঠোঁটের কোণে ধীরে ধীরে ফুটে ওঠে শয়তানি এক হাসি। চোখ দুটো চিকচিক করে ওঠে অদ্ভুত এক আনন্দে। শান্তার দিকে তাকিয়ে রহস্যময় কণ্ঠে বলে।   -----
#বাঁধন_রুপের_অধিকারী #লেখিকা_সুমি_চৌধুরী[৩১](৩য় অংশ) কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থাকে তৃষা। হঠাৎই যেন মাথায় কোনো বুদ্ধি খেলে যায় তার। ঠোঁটের কোণে ধীরে ধীরে ফুটে ওঠে শয়তানি এক হাসি। চোখ দুটো চিকচিক করে ওঠে অদ্ভুত এক আনন্দে। শান্তার দিকে তাকিয়ে রহস্যময় কণ্ঠে বলে। -----" মন খারাপ করিস না, দোস একটা উপায় আছে।" কৌতূহলী দৃষ্টিতে তৃষার দিকে তাকিয়ে বলে শান্তা, -----" কী উপায়?" মুচকি হেসে শান্তার দিকে তাকিয়ে বলে তৃষা, -----" তোর কাছে কী বাঁধনের কোনো ছবি আছে?" মাথা নেড়ে বলে শান্তা, -----" হ্যাঁ, আছে। কেন?" ঠোঁটের কোণে শয়তানি হাসিটা আরও গাঢ় করে বলে তৃষা, -----" তাহলে মন দিয়ে শোন।" অতঃপর ধীরে ধীরে নিজের পরিকল্পনাটা খুলে বলে তৃষা। কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনে শান্তা। পরিকল্পনার শেষটুকু শুনতেই বিস্ময়ে বড় হয়ে যায় তার চোখ। পরক্ষণেই আনন্দে জড়িয়ে ধরে তৃষাকে। উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলে। -----" দোস, বিশ্বাস কর, এমন বুদ্ধি আমার মাথাতেই আসেনি। তুই সত্যিই অসাধারণ!" একজন আরেকজনের দিকে তাকাতেই ঠোঁটের কোণে ফুটে ওঠে একই রকম শয়তানি হাসি। পরমুহূর্তেই ঘরজুড়ে প্রতিধ্বনিত হতে থাকে দুই বান্ধবীর সেই রহস্যময় হাসি। ---------- কলেজ থেকে ফিরে শাওয়ার নিয়েই গভীর ঘুমে তলিয়ে গিয়েছিল রূপা। ঘুম ভাঙতেই দেয়াল ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে, সন্ধ্যা সাতটা বেজে গেছে। পাশ ফিরে তাকাতেই কপাল কুঁচকে আসে তার। ক্যান্ডি নেই। মুহূর্তেই ঘুমটা উড়ে যায়। এলোমেলো চুলে বিছানা থেকে উঠে পড়ে রূপা। তাড়াহুড়ো করে পুরো রুমে খুঁজতে শুরু করে। বিছানার নিচে, টেবিলের পাশে, পর্দার আড়ালে, এক কোণ থেকে আরেক কোণ, কিন্তু কোথাও ক্যান্ডির দেখা মেলে না। একই এলোমেলো চুলে তড়িঘড়ি করে নিচে নেমে আসে সে। ড্রয়িংরুমে বসে হাজি রহমানের সঙ্গে কোনো একটা বিষয় নিয়ে কথা বলছে আকাশ। এখন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছে সে। অস্থির পায়ে আকাশের সামনে এসে বলে রূপা, -----" ভাইয়া, আমার ক্যান্ডিকে দেখেছ?" রূপার এলোমেলো চুল আর ঘুমভাঙা মুখের দিকে তাকিয়ে ভ্রু কুঁচকে আসে আকাশের। বিস্মিত কণ্ঠে বলে, -----" না, দেখিনি। কিন্তু তুই এমন এলোমেলো চুলে পাগলের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছিস কেন?" আকাশের কথার কোনো উত্তর না দিয়েই আবার নিজের রুমে ফিরে আসে রূপা। পুনরায় পুরো রুম খুঁজে দেখে, কিন্তু এবারও কোথাও ক্যান্ডির দেখা মেলে না। ধপ করে ফ্লোরে বসে পড়ে সে। ঠোঁট দুটো অভিমানে ফুলিয়ে চারপাশে তাকিয়ে বলে, -----" ক্যান্ডি সোনা, কোথায় তুমি?" ঠিক তখনই রুমে প্রবেশ করে রজনী রহমান। ফ্লোরে বসে থাকা রূপাকে দেখে কপাল কুঁচকে এগিয়ে আসে তিনি। এলোমেলো চুল আর অস্থির চেহারা দেখে উদ্বিগ্ন কণ্ঠে বলে রজনী রহমান, -----" কী হয়েছে তোর, এভাবে ফ্লোরে বসে আছিস কেন? আর মাথার চুলের এই অবস্থা কেন?" ঠোঁট ফুলিয়ে, চোখের জল সামলে নিয়ে অস্ফুট স্বরে জবাব দেয় রূপা, -----" ক্যান্ডিকে পাচ্ছি না।" রজনী রহমানের হঠাৎ মনে পড়ে যায়, একটু আগে খরগোশটাকে তিনি বাঁধনের রুমের করিডোর দিয়ে যেতে দেখেছিলেন। তিনি মৃদু হেসে বললেন, -----" ক্যান্ডিকে তো আমি বাঁধনের রুমের দিকে যেতে দেখেছিলাম।" কথাটা শোনার সাথে রূপার দুচোখ বড় বড় হয়ে উঠে। বাঁধনের রুমের দিকে? বাঁধনের রুমে মানে! সত্যি সত্যি আবার সে বাঁধনের রুমে ঢুকে পড়েনি তো? এর আগে একবার সে ওখানে গিয়ে বাঁধনের ল্যাপটপটা ভেঙে ফেলেছিল, এখন যদি আবার গিয়ে সে নতুন কিছু তছনছ করে, তবে তার মরণ নিশ্চিত! এক মুহূর্তও আর দেরি করল না রূপা। রজনী রহমানকে কিছু বলার প্রয়োজনও বোধ করল না সে, উস্কুখুস্কু এলোমেলো চুলেই দৌড় শুরু করল বাঁধনের রুমের দিকে। পিছনে দাঁড়িয়ে রইলেন রজনী রহমান। মেয়ের এমন তাড়াহুড়ো আর বাঁধনের নাম শুনলেই তার অস্থির হয়ে ওঠার ভঙ্গিটা তিনি লক্ষ্য করলেন। মেয়েটা যেন ইদানীং তাকে বড্ড বেশি এড়িয়ে চলে, আগের মতো আর মা-মা বলে জড়িয়ে ধরে না। এই দূরত্ব আর রূপার আচরণ নিয়ে রজনী রহমানের মনে সন্দেহের মেঘ দানা বাঁধতে শুরু করল। রানিং....!!

About