@s_rabon_402: আজ তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস। আজ ৭ মার্চ ২০২৬ বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের তৃণমূল রাজনীতির প্রবক্তা, উৎপাদন, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির রাজনীতিক জনাব তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস। ২০০৭ সালের বিভীষিকাময় সেই কালো রাতেই কোনো ওয়ারেন্ট, মামলা, জিডি এমনকি সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই বিতর্কিত সেনা সমর্থিত সরকারের জরুরি বিধিমালায় গ্রেফতার করা হয় সমকালীন বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই রাজনীতিককে। বস্তুত ১/১১-এর জরুরি অবস্থাকালীন দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের মূল টার্গেট হন জনাব তারেক রহমান। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ২ বছর ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সরকারের ১৫ বছরে রাষ্ট্রীয় সর্বশক্তি দিয়ে টাস্কফোর্স, এনবিআর, দুদকসহ সকল সংস্থাই দেশে-বিদেশে তন্ন তন্ন করে অনুসন্ধান করেও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, চাঁদা দাবি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের কোনো অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। তাকে দন্ড দিতে জরুরি অবস্থাকালীন দ্রুত বিচার আইনে দফায় দফায় সংশোধনীও আনা হয়। বর্তমান ক্ষমতাসীন আমলে সরকারের উচ্চ পর্যােয়ের নির্দেশে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা ও সাজানো মামলায় ফরমায়েশি রায়ে দন্ড দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর আগে নিম্ন আদালতের এক বিচারককে তাঁকে সাজা না দেওয়ায় দেশান্তরিত হতে হয়েছে। ১/১১ সরকারের গ্রেফতারের পর পুলিশ রিমান্ড ও কেন্দ্রীয় কারাগারের অন্ধপ্রকোষ্ঠে নিষ্ঠুর নির্যাতনের কারণে আজও অত্যন্ত কষ্টে দিনাতিপাত করছেন এই রাজনীতিক। কেন্দ্রীয় কারাগারের অন্ধপ্রকোষ্ঠে নির্মম নির্যাতনের পর একটানা ৫৫৪ দিন বা ১৮ মাস কারাবাসের পর ১২টি মামলায় জামিন পেয়ে ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি পিজি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুক্তি পান। ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহিংসায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নিষ্ঠুর নির্যাতনে জননেতা তারেক রহমানের মেরুদন্ড ভেঙে দেয়ার কারণে মুক্তির পর তিনি হাসপাতালের বিছানা থেকে উঠতে পারছিলেন না। এই অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় এ তরুণ নেতার জীবন এখনও বিপন্ন। এখনও তাঁকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। ১/১১ সরকারের ধারবাহিকতায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারও রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সারাদেশে শতাধিক মামলা দায়ের করেছে। গ্রেফতারের পর থেকে তারেক রহমানের প্রতি ফ্যাসিস্ট সরকারের আচরণ ও মামলাগুলো পর্যালোচনা করলেই দেখা যায় কত নিষ্ঠুরভাবেই বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় একজন নেতাকে মিথ্যা কালিমা লেপন করে রাজনীতি থেকে বিদায় করতে চেয়েছিল। গ্রেফতারের পরদিন ৮ মার্চ কাফরুল থানার ওসি তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এক জিডিতে উল্লেখ করেন তিনি নিজে ও দলীয় নেতাকর্মী, বন্ধুবান্ধব, ব্যবসায়িক পার্টনারদের দিয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন বিদেশি টেন্ডার ক্রয়, বিমান মন্ত্রণালয়ের কমিশন, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে দুর্নীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ উপার্জন করেছেন। তাঁর নিজ ও আত্মীয় স্বজনের নামে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিপুল অঙ্কের অর্থ জমার প্রাথমিক প্রমাণাদি আছে। জরুরি অবস্থাকালীন সরকারের সকল সংস্থার সহায়তায় তদন্ত শেষে দুদক ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একটি প্রতিবেদন দেয়। এতে ব্যাংকস্থিতি হিসেবে ঢাকা ব্যাংকের একাউন্টে ২৮১৬২ টাকা ও এবি ব্যাংকের গুলশান শাখায় ৬ হাজার ২৯০ টাকার সন্ধান পায়। স্থাবর সম্পত্তি হিসেবে ১৯৮২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সরকার থেকে পাওয়া ঢাকা ও বগুড়ায় কিছু জমি পায়। এর বাইরে আজ পর্যন্ত কোনো কিছুই পাওয়া যায়নি। অবশ্য ২০০৯ সালের ১৪ এপ্রিল কাফরুল থানায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করা জিডির বিষয়ে ওসির ক্ষমা প্রার্থনা ও অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদনের প্রেক্ষিতে তারেক রহমানকে অব্যাহতি দিয়ে জিডিটি নথিভুক্ত করা হয়। অব্যাহতি দেয়া হয় দৈনিক দিনকাল সংক্রান্ত মামলা থেকেও। গ্রেফতারের ১৬ ঘণ্টা পর গুলশান থানায় এক কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ এনে ব্যবসায়ী আমিন উদ্দিন চৌধুরী মামলা দায়ের করে। এই মামলায় ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের পর তারেক রহমানকে পুলিশের হেফাজতে না দিয়ে অজ্ঞাত স্থানে অজ্ঞাত লোকদের হেফাজতে নিয়ে চোখ বেঁধে বর্বরোচিত কায়দায় শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয় বলে পরে তিনি আদালতকে অবহিত করেন। জরুরি অবস্থাকালীনই মামলার বাদী আমিন উদ্দিন এক সংবাদ সম্মেলন এবং স্ট্যাম্পে হলফ নামায় দাবি করেন এক বিভীষিকাময় মুহূর্তে যৌথ বাহিনী তাকে আটকিয়ে রেখে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়। তারেক রহমান তার নিকট কোন সময়ে চাঁদা দাবি করেননি বা তিনি কোথাও এ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ করেননি। এভাবে সেনা সমর্থিত সরকারের সময়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ৭টি চাঁদা দাবি ও দুদক বাদী হয়ে চারটি মামলা করে। চাঁদা দাবির কোন মামলাতেই সামান্যতম প্রমাণ পাওয়া যায়নি। প্রতিটি মামলাতেই তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বাদীদের কোন অভিযোগ নেই। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ১/১
—͟͞͞𝐒raβ𝐨𝐧_ᥫ᭡
Region: BD
Saturday 07 March 2026 04:41:05 GMT
Music
Download
Comments
🍁KAUSAR🍂 :
ধৈর্য ধারণ কারি কে আল্লাহ তায়ালা পছন্দ করে...এখন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান,🇧🇩🌾✊
2026-03-07 05:54:37
247
I.H. SOHAN :
কি কারনে জেলের ভাত খাইচে অইটা বলেন 😏
2026-03-07 10:15:15
42
Maya :
মাশাআল্লাহ ক্রাশ খাইছিস
2026-03-14 06:00:40
6
ᥫ᭡অপূর্ণতা 🕊 :
তারেক এর কথা গুলো আমার অনেক ভালো লাগে সব কথা কি সুন্দর গুছিয়ে বলে
2026-03-08 08:51:57
27
⚔️عمل التوحيد⚔️ :
2026-03-08 12:46:59
2
🇧🇷Brazil🇧🇷 :
খালেদা জিয়া আর তারেক রহমান কে ভালো লাগে❤️❤️বিএনপি'র নেতাকর্মীদের না🤮
2026-03-07 14:58:08
14
🔰❣️Max JoNy❣️🔰 :
আপনি হাসলে বাংলাদেশ হাসে,🇧🇩❣️আপনার প্রতি একটা'ই আশা থাকবে সেটা হলো দেশকে কিভাবে আরো উন্নত করা যায়,💚🤎🌾🌾
Tarique Rahman
2026-05-01 12:16:08
3
SAKIB🤐❤️ :
জিয়ার ব্যাটা 🌾🤟
2026-03-07 08:57:12
13
👑 Bx _ σ֟፝ꪜɪ˟ _"!£ 👑 :
দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিন্দাবাদ🥰
2026-05-01 04:31:50
8
❤️🩹Rasel❤️🩹 :
এই ছেলে এখন প্রধানমন্ত্রী
2026-03-07 12:45:23
5
𓆩⚡𓆪 MARUF 𓆩⚡𓆪 :
নেতা 🥺🥺🥹
2026-04-02 06:01:48
2
🧃🥂꧁♛𝕀𝕥𝕫.(Shimul )♛꧂🧃🥂 :
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ 🌾💝
2026-05-05 11:15:56
1
MD ♥️NIROB💔 :
@♡_ধ্বংসবতী🍒:তারেক এর কথা গুলো আমার অনেক ভালো লাগে সব কথা কি সুন্দর গুছিয়ে বলে
2026-08-11 06:52:39
1
mdalidehasan1 :
2026-05-03 04:42:51
3
দুষ্টু ছেলের মিষ্টি হাসি :
🥰🥰🥰🥰 প্রিয় নেতা ❤❤আপনাকে অনেক ভালোবাসি,🌾🌾
2026-03-07 09:15:16
14
👑🥰🥰🥰MdAMAN🥰🥰🥰👑 :
🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰
2026-03-07 08:59:05
6
🍃.TAMIM.☪️ :
তারেক রহমান জিন্দাবাদ
2026-04-30 07:22:20
1
❤️ :
৫ বার চ্যাম্পিয়ান
2026-03-08 16:47:18
3
Rii ⊹ 🧃 :
আমার প্রিয় নেতা 🥰
2026-03-14 17:39:41
3
Lx nayem :
:বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জিন্দাবাদ ♥️♥️♥️🇧🇩🇧🇩🇧🇩🌾🌾🌾🌾🌾
2026-03-07 15:54:11
2
Md Sojib :
2026-03-07 11:18:36
2
Md Ashraful :
হুম
2026-05-03 08:51:30
1
R A H A T 🌾 :
✊🌾🌾✊
2026-03-08 13:43:12
1
To see more videos from user @s_rabon_402, please go to the Tikwm
homepage.