@gfgh24734: ¡Genial! Por fin llegaron los auriculares Bluetooth que tanto esperaba. ¡Escuchemos música juntos!🎧🎧🎧🎁🎁🎁#audifonos #audifonosbluetooth #auticulares #elamorestaenelcarrito #HailisMX

Tienda de gadgets
Tienda de gadgets
Open In TikTok:
Region: MX
Sunday 08 March 2026 13:41:00 GMT
744
4
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @gfgh24734, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

মহাবিশ্বের অপার বিস্ময় নাকি গায়েবী কোনো ইশারা? 🌙✨ আজ সন্ধ্যার আকাশে চাঁদের ঠিক উপরে হঠাৎ দৃশ্যমান সেই রহস্যময় আলো কিংবা তারাটি কি আপনারও চোখে পড়েছে? কিছুক্ষণ স্বমহিমায় জ্বলজ্বল করে জ্বলে থাকার পর অলৌকিকভাবে তা আবার আঁধারে মিলিয়ে গেল! বিজ্ঞান হয়তো একে কোনো গ্রহের অবস্থান, বিরল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল দৃশ্য কিংবা মেঘের আড়ালে নক্ষত্রের আত্মগোপন বলবে। কিন্তু বিশ্বাসীর হৃদয় কি শুধু বিজ্ঞানেই শান্ত হয়? আল্লাহ তাআলার প্রতিটি সৃষ্টি এবং আকাশের প্রতিটি পরিবর্তন আমাদের জন্য এক গভীর ভাবনার খোরাক। ইসলামিক দৃষ্টিতে মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেছেন: "তিনিই তো সেই সত্তা যিনি সূর্যকে আলোকোজ্জ্বল এবং চাঁদকে আলোকময় করেছেন এবং এর কক্ষপথ সঠিকভাবে নির্ধারণ করেছেন, যাতে তোমরা বছর গণনা ও হিসাব জানতে পারো। আল্লাহ এগুলো অনর্থক সৃষ্টি করেননি।" — (সূরা ইউনুস, আয়াত: ৫) > তিনি আরও এর সৌন্দর্য সম্পর্কে আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে বলেছেন: > "আমি মহাশূন্যে সুরম্য প্রাসাদতুল্য নক্ষত্ররাজি সৃষ্টি করেছি এবং দর্শকবৃন্দের জন্য সেগুলোকে সুশোভিত করেছি।" — (সূরা আল-হিজর, আয়াত: ১৬) > আমাদের জন্য শিক্ষা: ১. ঈমান বৃদ্ধি পাওয়া: আকাশের এমন সৌন্দর্য দেখে একজন মুমিনের হৃদয় আল্লাহর প্রতি ভালোবাসায় ভরে ওঠে। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, এই বিশাল মহাবিশ্ব এক মহা-কারিগরের নিপুণ হাতে পরিচালিত হচ্ছে। ২. অহংকার চূর্ণ হওয়া: বিশাল এই মহাবিশ্বের তুলনায় মানুষ কতটা ক্ষুদ্র! চাঁদের পাশে এই গ্রহের অবস্থান আমাদের নিজেদের সীমাবদ্ধতা ও আল্লাহর মহানুভবতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ৩. তাসবীহ পাঠ করা: মহানবীর (সা.) সুন্নাহ অনুযায়ী, মহাকাশ বা প্রকৃতির এমন বিস্ময়কর সৌন্দর্য দেখলে অন্তরে আল্লাহর প্রশংসা করা উচিত এবং বলা উচিত — ‘সুবহানাল্লাহ’ (আল্লাহ পরম পবিত্র), ‘আলহামদুলিল্লাহ’ (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর) এবং ‘আল্লাহু আকবার’ (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ)। আসুন, মহাকাশের এই সুশোভিত রূপ দেখে আমরা সৃষ্টির প্রতি মুগ্ধ না হয়ে, সেই সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের প্রতি কৃতজ্ঞ হই যিনি এই বিশ্বকে সুন্দরভাবে সাজিয়েছেন। " width="135" height="240">
মহাবিশ্বের অপার বিস্ময় নাকি গায়েবী কোনো ইশারা? 🌙✨ আজ সন্ধ্যার আকাশে চাঁদের ঠিক উপরে হঠাৎ দৃশ্যমান সেই রহস্যময় আলো কিংবা তারাটি কি আপনারও চোখে পড়েছে? কিছুক্ষণ স্বমহিমায় জ্বলজ্বল করে জ্বলে থাকার পর অলৌকিকভাবে তা আবার আঁধারে মিলিয়ে গেল! বিজ্ঞান হয়তো একে কোনো গ্রহের অবস্থান, বিরল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল দৃশ্য কিংবা মেঘের আড়ালে নক্ষত্রের আত্মগোপন বলবে। কিন্তু বিশ্বাসীর হৃদয় কি শুধু বিজ্ঞানেই শান্ত হয়? আল্লাহ তাআলার প্রতিটি সৃষ্টি এবং আকাশের প্রতিটি পরিবর্তন আমাদের জন্য এক গভীর ভাবনার খোরাক। ইসলামিক দৃষ্টিতে মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেছেন: "তিনিই সত্তা যিনি সূর্যকে আলোকোজ্জ্বল ও চাঁদকে জ্যোতির্ময় করেছেন এবং এর জন্য মঞ্জিল নির্দিষ্ট করেছেন..." (সূরা ইউনুস: ৫) আকাশের এই ক্ষণস্থায়ী আলো আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় এই পৃথিবীর কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়। মহাবিশ্বের প্রতিটি নক্ষত্র, প্রতিটি আলো কেবল মহান স্রষ্টার হুকুমেই জ্বলে এবং নিভে যায়। এই অদ্ভুত সুন্দর ও রহস্যময় দৃশ্যটি আমাদের অন্তরে আল্লাহর কুদরতের প্রতি ভয় ও ভালোবাসা একযোগে জাগিয়ে তোলে। আপনি কি আজ সন্ধ্যার এই অলৌকিক দৃশ্যটি নিজের চোখে দেখেছেন? কমেন্টে জানান আপনার অনুভূতি! 👇 #MoonAndStar #MysteriousSky #IslamicReminder #SubhanAllah #AllahIsGreat মহাকাশে প্রভূর অপূর্ব কারুকাজ: চাঁদ ও শুক্র গ্রহের বিরল মেলবন্ধন গতকাল সন্ধ্যার আকাশে চাঁদের গা ঘেঁষে এক অপরূপ উজ্জ্বল তারার মতো বস্তু ভেসে থাকতে দেখা গেছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় এটি চাঁদ ও শুক্র গ্রহের সংযোজন (Conjunction of Moon and Venus), যা এক অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সৃষ্টি করেছিল। এই শুভ্র মহাজাগতিক দৃশ্যটি আমাদের মনকে প্রফুল্লা করে তোলে এবং সৃষ্টিকর্তার অসীম ক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ইসলামিক দৃষ্টিতে মহাজাগতিক নিদর্শন: ইসলামের দৃষ্টিতে আকাশমণ্ডল, চাঁদ, সূর্য এবং নক্ষত্ররাজির এই শৃংখলা ও সৌন্দর্য নিছক কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়; বরং এগুলো মহান আল্লাহ তাআলার একত্ববাদ (তৌহিদ) ও কুদরতের সুস্পষ্ট নিদর্শন (আয়াত)। কোরআন মাজীদে আল্লাহ তাআলা বলেন: > "তিনিই তো সেই সত্তা যিনি সূর্যকে আলোকোজ্জ্বল এবং চাঁদকে আলোকময় করেছেন এবং এর কক্ষপথ সঠিকভাবে নির্ধারণ করেছেন, যাতে তোমরা বছর গণনা ও হিসাব জানতে পারো। আল্লাহ এগুলো অনর্থক সৃষ্টি করেননি।" — (সূরা ইউনুস, আয়াত: ৫) > তিনি আরও এর সৌন্দর্য সম্পর্কে আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে বলেছেন: > "আমি মহাশূন্যে সুরম্য প্রাসাদতুল্য নক্ষত্ররাজি সৃষ্টি করেছি এবং দর্শকবৃন্দের জন্য সেগুলোকে সুশোভিত করেছি।" — (সূরা আল-হিজর, আয়াত: ১৬) > আমাদের জন্য শিক্ষা: ১. ঈমান বৃদ্ধি পাওয়া: আকাশের এমন সৌন্দর্য দেখে একজন মুমিনের হৃদয় আল্লাহর প্রতি ভালোবাসায় ভরে ওঠে। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, এই বিশাল মহাবিশ্ব এক মহা-কারিগরের নিপুণ হাতে পরিচালিত হচ্ছে। ২. অহংকার চূর্ণ হওয়া: বিশাল এই মহাবিশ্বের তুলনায় মানুষ কতটা ক্ষুদ্র! চাঁদের পাশে এই গ্রহের অবস্থান আমাদের নিজেদের সীমাবদ্ধতা ও আল্লাহর মহানুভবতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ৩. তাসবীহ পাঠ করা: মহানবীর (সা.) সুন্নাহ অনুযায়ী, মহাকাশ বা প্রকৃতির এমন বিস্ময়কর সৌন্দর্য দেখলে অন্তরে আল্লাহর প্রশংসা করা উচিত এবং বলা উচিত — ‘সুবহানাল্লাহ’ (আল্লাহ পরম পবিত্র), ‘আলহামদুলিল্লাহ’ (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর) এবং ‘আল্লাহু আকবার’ (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ)। আসুন, মহাকাশের এই সুশোভিত রূপ দেখে আমরা সৃষ্টির প্রতি মুগ্ধ না হয়ে, সেই সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের প্রতি কৃতজ্ঞ হই যিনি এই বিশ্বকে সুন্দরভাবে সাজিয়েছেন।

About