@taphoanhamin98: Trả lời @Sức Khỏe Vàng 24h 💊 Trà lá mâm xôi - thảo mộc quý cho sức khỏe chị em phụ nữ, bổ huyết điều k.inh, kháng vi.êm gi.ảm hôi ng.ứa, làm dầy thành niên mạc, tăng khả năng 2 vạch cho chị em đang mong con, cân bằng nội t.iết, gi.ảm khô hạn #tramamxoi #roiloannoitiet #roiloankinhnguyet #noitiettonu #khohan @TẠP HOÁ NHÀ MIN @TẠP HOÁ NHÀ MIN @TẠP HOÁ NHÀ MIN

TẠP HOÁ NHÀ MIN
TẠP HOÁ NHÀ MIN
Open In TikTok:
Region: VN
Monday 09 March 2026 10:14:56 GMT
34779
189
73
118

Music

Download

Comments

ng.thi.kim.thoa
Kim thoa 2024 :
trà uống ngon lắm
2026-04-27 04:37:34
1
chaubaongoc1980
chaubaongoc :
Trà thơm dễ uống
2026-04-12 16:44:21
1
useri664p6gnzb
Như ý bán đủ thứ :
Uống thơm lắm
2026-05-11 05:06:48
1
me.embuoi
yêu gia đình :
uống vào nhìu nước hơn
2026-04-28 11:05:57
1
thegioitienich_8
Trần Hiền gia dụng :
Dễ uống
2026-05-12 08:26:17
1
ngataybac8
Nga Tây Bắc :
Uống vào nước nôi tràn trề
2026-04-29 04:31:38
1
fragrantdam2
Thơm Cần Thơ 65 :
sao mình uống kinh k ra luôn
2026-04-27 14:11:18
0
kimngocgiadung5
Kim Ngọc Gia dụng :
Uống ngon lắm bạn
2026-05-11 14:41:59
1
diepreviewtattuontuot
Tạp hóa mẹ ChiLongChi :
Dùng thích lắm luôn
2026-05-04 08:01:13
1
hng.tr.th
THANH HẰNG :
dễ uống và thơm , mình dùng đã có hiệu quả như ý tham khảo đi các chị em
2026-05-22 08:45:45
0
kim.duyn828
Kim Duyên gia dung :
tra uông ngon , ma con đẹp da
2026-04-29 05:43:18
1
hongloan696969
Hồng Loan Store :
uống thấy dễ ko chát
2026-05-11 05:56:47
1
imcoconut7
imcoconut :
Uống thơm lắm😁
2026-04-28 08:38:07
1
mecuabap_92
Mẹ của Bắp :
Uống tốt lắm ạ
2026-04-29 10:33:32
1
555.decor
555 Decor :
qus ưng ý
2026-03-09 10:23:34
1
hanyvuive
hanyvuive :
Tuyệt vời nè
2026-04-27 03:58:55
1
amacool.vn
AMACool :
Rất tốt
2026-04-25 16:14:55
1
l.h0063
Lê Hà :
Bao nhiêu tiền vậy
2026-05-02 16:04:07
0
suckhoechudong111
Sức khoẻ chủ động :
Uống thôi còn nghĩ giề
2026-04-25 17:24:23
1
thaythongdat
Mộc An Trà :
Huyết áp thấp có uống được không bạn ?
2026-04-26 02:39:04
1
b.nghi.sc.trng
Phượng :
Trà uống tốt lắm nha
2026-03-09 10:22:51
1
chichilinh.19
Chi Chi Linh :
Trà dễ uống ngon lắm ạ cảm ơn shop
2026-04-25 10:32:34
1
miu.miu.daily9
🧸ིྀ ᴹᴵᵁᴹᴵᵁ🧸ིྀ :
Xịn
2026-03-09 11:02:30
0
yeusuckhoe68
Yêu Sức Khỏe :
: Tui uống trộm vía lắm nhé
2026-03-28 15:07:37
0
ngocnga72.voicon
ngocngavt72 :
Có bầu uống đc ko
2026-05-02 07:15:08
0
To see more videos from user @taphoanhamin98, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

লুকিয়ে রাখা ইতিহাস, ব্যর্থতা আড়ালের অপপ্রয়াস। এমন দুর্ভিক্ষ যেনো আর না আসে এ জাতির দুর্ভাগ্য হয়ে। কেন ১৯৭৪ সালে এ দুর্ভিক্ষ ঘটেছিল? কেন এটি ১৯৭২ বা ১৯৭৩ সালে, যুদ্ধের পরপরই ঘটেনি? এর কারণ কী? এটি কি মতাদর্শগত সংঘাত, আদর্শগত পার্থক্য, নাকি কেবল দুর্নীতি ও অব্যবস্হাপনার ফল ! দুর্ভিক্ষের সময়কাল হিসেবে ১৯৭৪ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর বিবেচনা করা হলেও বাস্তবে এর ব্যাপকতা ছিলো আরও বেশি। যে সময়ে শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হয়, সেই সময়েও দুর্ভিক্ষের প্রভাবে মানুষ মারা যাচ্ছিল। আর এক্ষেত্রে ততকালীন শেখ মুজিব সরকারের ব্যর্থতা, সীমাহীন দুর্নীতি, আন্তর্জাতিক কৌশলগত অবস্থান বুঝতে অপরাগতা, মুক্তিকামী জনতার আবেগ-সমাজসংস্কৃতি ভুলে কমিউনিজমের দেশী-বিদেশী চক্রান্তের ফাঁদে পা দেওয়া, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিনষ্ট আর দেশের আভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুরোপুরি ব্যর্থতা ও ফ্যাসিবাদী লীগের নিত্যনৈমিত্তিক সন্ত্রাসী কার্যক্রম, প্রতিবেশী দেশগুলোতে-ভারত, নেপালে খাদ্যশস্য চোরাচালান, দুর্নীতি-স্বজনপ্রীতি ছিলো উল্লেখযোগ্য কারণ।  আন্তর্জাতিক ভাবে যে পরিমাণ খাদ্যসহায়তা পাওয়া গিয়েছিল, তার ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি ও অদক্ষতা দেখা গিয়েছিল। বাংলাদেশ তখন খাদ্যসহায়তার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ছিল। তবে এ সহায়তা মূলত মধ্যবিত্ত ও অপরিহার্য কর্মীদের জন্যই সংরক্ষিত ছিল। উদাহরণস্বরূপ, টিসিবি (ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ) রেশন ব্যবস্থা, যা আজও চালু আছে, ১৯৭০-এর দশকে মূলত সরকারি কর্মচারীদের জন্য কার্যকর ছিল। যদি কেউ সরকারি চাকরি করতেন, সেনাবাহিনীতে থাকতেন বা বড় কোনো কারখানায় কাজ করতেন, তবে তিনি রেশন সুবিধা পেতেন। কিন্তু দরিদ্র কৃষিজীবীরা এ সুবিধার বাইরে ছিলেন, কারণ তারা ‘প্রয়োজনীয় ক্যাটাগরির’ আওতায় পড়তেন না। দুর্ভিক্ষে মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবে আনুমানিক ২৭,০০০। বেসরকারি হিসাবে আনুমানিক ৫,০০,০০০ থেকে ১,৫০০,০০০ জন পর্যন্ত। আওয়ামী লীগের সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাকও ১৯৯০-এর দশকে চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষে মৃত হিসেবে দেড় মিলিয়নের কথা উল্লেখ করেছিলেন।  নোবেল বিজয়ী অমর্ত্য সেন এর Poverty and Famines বইয়ে ৭৪ এর দুর্ভিক্ষ বিষয়ে লিখেছেন- “সেসময়ে দুঃখী মানুষকে বিনামূল্যে খাবার খাওয়ানোর জন্য দেশে প্রায় ৯ হাজার লঙ্গরখানা খোলা হয়েছিল। সেখান থেকে প্রায় ৪৪ লাখ মানুষকে খাওয়ানো সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু সরকারি ব্যাপক দুর্নীতি ও রাজনৈতিকবিদদের লুটপাটে সাধারণ মানুষের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে পড়েছিল।
লুকিয়ে রাখা ইতিহাস, ব্যর্থতা আড়ালের অপপ্রয়াস। এমন দুর্ভিক্ষ যেনো আর না আসে এ জাতির দুর্ভাগ্য হয়ে। কেন ১৯৭৪ সালে এ দুর্ভিক্ষ ঘটেছিল? কেন এটি ১৯৭২ বা ১৯৭৩ সালে, যুদ্ধের পরপরই ঘটেনি? এর কারণ কী? এটি কি মতাদর্শগত সংঘাত, আদর্শগত পার্থক্য, নাকি কেবল দুর্নীতি ও অব্যবস্হাপনার ফল ! দুর্ভিক্ষের সময়কাল হিসেবে ১৯৭৪ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর বিবেচনা করা হলেও বাস্তবে এর ব্যাপকতা ছিলো আরও বেশি। যে সময়ে শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হয়, সেই সময়েও দুর্ভিক্ষের প্রভাবে মানুষ মারা যাচ্ছিল। আর এক্ষেত্রে ততকালীন শেখ মুজিব সরকারের ব্যর্থতা, সীমাহীন দুর্নীতি, আন্তর্জাতিক কৌশলগত অবস্থান বুঝতে অপরাগতা, মুক্তিকামী জনতার আবেগ-সমাজসংস্কৃতি ভুলে কমিউনিজমের দেশী-বিদেশী চক্রান্তের ফাঁদে পা দেওয়া, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিনষ্ট আর দেশের আভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুরোপুরি ব্যর্থতা ও ফ্যাসিবাদী লীগের নিত্যনৈমিত্তিক সন্ত্রাসী কার্যক্রম, প্রতিবেশী দেশগুলোতে-ভারত, নেপালে খাদ্যশস্য চোরাচালান, দুর্নীতি-স্বজনপ্রীতি ছিলো উল্লেখযোগ্য কারণ। আন্তর্জাতিক ভাবে যে পরিমাণ খাদ্যসহায়তা পাওয়া গিয়েছিল, তার ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি ও অদক্ষতা দেখা গিয়েছিল। বাংলাদেশ তখন খাদ্যসহায়তার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ছিল। তবে এ সহায়তা মূলত মধ্যবিত্ত ও অপরিহার্য কর্মীদের জন্যই সংরক্ষিত ছিল। উদাহরণস্বরূপ, টিসিবি (ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ) রেশন ব্যবস্থা, যা আজও চালু আছে, ১৯৭০-এর দশকে মূলত সরকারি কর্মচারীদের জন্য কার্যকর ছিল। যদি কেউ সরকারি চাকরি করতেন, সেনাবাহিনীতে থাকতেন বা বড় কোনো কারখানায় কাজ করতেন, তবে তিনি রেশন সুবিধা পেতেন। কিন্তু দরিদ্র কৃষিজীবীরা এ সুবিধার বাইরে ছিলেন, কারণ তারা ‘প্রয়োজনীয় ক্যাটাগরির’ আওতায় পড়তেন না। দুর্ভিক্ষে মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবে আনুমানিক ২৭,০০০। বেসরকারি হিসাবে আনুমানিক ৫,০০,০০০ থেকে ১,৫০০,০০০ জন পর্যন্ত। আওয়ামী লীগের সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাকও ১৯৯০-এর দশকে চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষে মৃত হিসেবে দেড় মিলিয়নের কথা উল্লেখ করেছিলেন। নোবেল বিজয়ী অমর্ত্য সেন এর Poverty and Famines বইয়ে ৭৪ এর দুর্ভিক্ষ বিষয়ে লিখেছেন- “সেসময়ে দুঃখী মানুষকে বিনামূল্যে খাবার খাওয়ানোর জন্য দেশে প্রায় ৯ হাজার লঙ্গরখানা খোলা হয়েছিল। সেখান থেকে প্রায় ৪৪ লাখ মানুষকে খাওয়ানো সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু সরকারি ব্যাপক দুর্নীতি ও রাজনৈতিকবিদদের লুটপাটে সাধারণ মানুষের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে পড়েছিল।" ড. অমর্ত্য সেন লিখেছেন, "খাদ্য আমদানির উপর নির্ভরশীল সরকারকে দেশে তীব্র দুর্ভিক্ষ হওয়া সত্ত্বেও খাদ্য ঘাটতির আমদানিতে সাফল্য দেখাতে পারেনি। ১৯৭৩ সালের তুলনায় ১৯৭৪ সালে খাদ্যশস্য কম আমদানি হয়েছে।” উল্লেখ্য যে, Poverty and Famines বইয়ের জন্য ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পান অমর্ত্য সেন

About