@shabzofficial: ENGWE EP-2 BOOST Folding Electric Bike,20‘×4.0’ Fat Tire 7-Speed Electric Bicycle 48V 13Ah Removable Battery, Up to 120 km Range E-bike for Every Terrain & MTB & Beach & Snow #bike #ebike #roadlegal #electricbike #tiktokmademebuylt

ShabS
ShabS
Open In TikTok:
Region: GB
Saturday 14 March 2026 15:25:00 GMT
25753
161
10
18

Music

Download

Comments

im2good361
⚡︎𝑮𝒓𝒆𝒚_𝑬𝒏𝒈𝒘𝒆⚡︎ :
2026-06-05 15:53:04
1
jaco095d
user353420911355 :
I dont think your stearing bar is feeling good
2026-07-28 15:58:41
0
taysirk0
taysirk :
what is the motor is it 250w or 750w?
2026-03-18 14:52:00
0
throughmyeyez_
Through My Eyes :
Does everything work, he said 😂 why wouldn't it?
2026-03-22 16:23:28
0
xhhffv
mom :
nice bike
2026-03-15 03:29:33
0
abbyh024
aaby :
fantastic bike
2026-03-16 10:51:48
0
tiktokpricedrops
tiktokpricedrops :
Road legal ?
2026-03-15 13:38:27
0
To see more videos from user @shabzofficial, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#একটি মাত্র ডিম কারও কাছে হয়তো খুব সাধারণ একটি খাবার। কিন্তু অভাবের সংসারে অনেক সময় একটি ডিমও হয়ে ওঠে ভালোবাসার সবচেয়ে বড় ভাষা যেখানে অনেক শিশু নিজের পছন্দের খাবার নিয়ে আবদার করে সেখানে ছয় বছরের ছোট্ট খুশি নিজের ভাগের ডিমটুকুও মুখে তোলেনি। নিজের ভাগের ডিম না খেয়ে ফ্রকের পকেটে লুকিয়ে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছিল। কারণ, বাড়িতে তার জন্য অপেক্ষা করছিল তারই ছোট ভাই। ভারতের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেই ছোট্ট মেয়েটির নাম খুশি কর। স্কুলের মিড-ডে মিলের সময় শিক্ষক লক্ষ্য করেন, খুশির পাতে ডিম নেই। অবাক হয়ে জানতে চাইলে, ফোকলা দাঁতের মিষ্টি হাসি নিয়ে সে আস্তে করে বলে,পকেটে। এরপর ফ্রগের ছোট্ট পকেট থেকে বেরিয়ে আসে একটি সেদ্ধ ডিম। কেন লুকিয়ে রেখেছে জানতে চাইলে, খুশির সরল উত্তর আমি তো রোজ খাই  ভাই একদিন খাক। কয়েকটি নিস্পাপ শব্দেই যেন থমকে যায় চারপাশ। ক্যামেরার পেছনের মানুষ আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। আর ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়তেই লাখো মানুষ চোখের পানি লুকাতে পারেননি। পরে জানা যায়, খুশিদের সংসার খুবই কষ্টের। বাবা শম্ভু কর টোটো চালিয়ে যা আয় করেন, তা দিয়ে কোনোমতে চলে পরিবারের চারজনের জীবন। প্রতিটি দিনই যেখানে হিসাব করে চলতে হয়। সপ্তাহে একদিন স্কুলে যে ডিম দেওয়া হয়, সেটিও নিজের জন্য নয়, ভাইয়ের মুখে তুলে দিতে চেয়েছিল ছোট্ট খুশি। খুশির বাবা বলেন, সংসারের অভাবের কথা সন্তানরা খুব ছোট বয়সেই বুঝে গেছে। হয়তো সেই কারণেই মেয়েটি নিজের চাওয়ার আগে ভাইয়ের কথা ভাবে। বাবার এই কথাগুলো নেটিজেনদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অসংখ্য মানুষ খুশির প্রশংসা করেছেন। কেউ লিখেছেন, ভালোবাসার সবচেয়ে বড় সংজ্ঞা হয়তো এই ছোট্ট মেয়েটিই শিখিয়ে দিল।” আবার কেউ বলেছেন, “অভাব মানুষের ঘরে থাকতে পারে, কিন্তু ভালোবাসার ঘাটতি সেখানে নেই। একটি ডিমের দাম হয়তো খুব বেশি নয় কিন্তু সেই ডিমে লুকিয়ে থাকে একটি বোনের ভালোবাসা, একটি পরিবারের সংগ্রাম এবং একটি শিশুর নিঃস্বার্থ মন। আজ সেই ছোট্ট খুশি লাখো মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে।
#একটি মাত্র ডিম কারও কাছে হয়তো খুব সাধারণ একটি খাবার। কিন্তু অভাবের সংসারে অনেক সময় একটি ডিমও হয়ে ওঠে ভালোবাসার সবচেয়ে বড় ভাষা যেখানে অনেক শিশু নিজের পছন্দের খাবার নিয়ে আবদার করে সেখানে ছয় বছরের ছোট্ট খুশি নিজের ভাগের ডিমটুকুও মুখে তোলেনি। নিজের ভাগের ডিম না খেয়ে ফ্রকের পকেটে লুকিয়ে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছিল। কারণ, বাড়িতে তার জন্য অপেক্ষা করছিল তারই ছোট ভাই। ভারতের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেই ছোট্ট মেয়েটির নাম খুশি কর। স্কুলের মিড-ডে মিলের সময় শিক্ষক লক্ষ্য করেন, খুশির পাতে ডিম নেই। অবাক হয়ে জানতে চাইলে, ফোকলা দাঁতের মিষ্টি হাসি নিয়ে সে আস্তে করে বলে,পকেটে। এরপর ফ্রগের ছোট্ট পকেট থেকে বেরিয়ে আসে একটি সেদ্ধ ডিম। কেন লুকিয়ে রেখেছে জানতে চাইলে, খুশির সরল উত্তর আমি তো রোজ খাই ভাই একদিন খাক। কয়েকটি নিস্পাপ শব্দেই যেন থমকে যায় চারপাশ। ক্যামেরার পেছনের মানুষ আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। আর ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়তেই লাখো মানুষ চোখের পানি লুকাতে পারেননি। পরে জানা যায়, খুশিদের সংসার খুবই কষ্টের। বাবা শম্ভু কর টোটো চালিয়ে যা আয় করেন, তা দিয়ে কোনোমতে চলে পরিবারের চারজনের জীবন। প্রতিটি দিনই যেখানে হিসাব করে চলতে হয়। সপ্তাহে একদিন স্কুলে যে ডিম দেওয়া হয়, সেটিও নিজের জন্য নয়, ভাইয়ের মুখে তুলে দিতে চেয়েছিল ছোট্ট খুশি। খুশির বাবা বলেন, সংসারের অভাবের কথা সন্তানরা খুব ছোট বয়সেই বুঝে গেছে। হয়তো সেই কারণেই মেয়েটি নিজের চাওয়ার আগে ভাইয়ের কথা ভাবে। বাবার এই কথাগুলো নেটিজেনদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অসংখ্য মানুষ খুশির প্রশংসা করেছেন। কেউ লিখেছেন, ভালোবাসার সবচেয়ে বড় সংজ্ঞা হয়তো এই ছোট্ট মেয়েটিই শিখিয়ে দিল।” আবার কেউ বলেছেন, “অভাব মানুষের ঘরে থাকতে পারে, কিন্তু ভালোবাসার ঘাটতি সেখানে নেই। একটি ডিমের দাম হয়তো খুব বেশি নয় কিন্তু সেই ডিমে লুকিয়ে থাকে একটি বোনের ভালোবাসা, একটি পরিবারের সংগ্রাম এবং একটি শিশুর নিঃস্বার্থ মন। আজ সেই ছোট্ট খুশি লাখো মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে।

About