@tuanvu_njr_10: messi vs ronaldo ⚽️🔥❤️😂#xuhuong #bongda #vairal #messi #ronaldo

Tuấn Vũ NJR 10✅
Tuấn Vũ NJR 10✅
Open In TikTok:
Region: VN
Sunday 15 March 2026 06:20:49 GMT
810277
24501
797
19059

Music

Download

Comments

ha.hala03
Chan đê :
Fan messi
2026-08-13 02:16:22
3
l.g.huy15092012
huychillboy :
cái j
2026-03-15 12:28:54
10
p_a130813
! :
2 goat sắp rời xa sân cỏ r
2026-03-16 03:56:20
80
vietchungfishing
Việt chung fishing :
7 thì làm j có 🤓
2026-03-15 13:44:49
79
user6978132473019
Phúc An :
cay
2026-03-15 13:26:23
55
minhdanglequang0
minhdanglequang0 :
a7 cay à:))
2026-03-15 07:30:55
36
bakai6a1
ờ! :
Thiên tài + chăm chỉ =@
2026-03-15 15:43:49
6
user82epbi1g33
tuấn anh^^ :
Chào bố chưa con
2026-03-15 13:51:11
12
k_121408
DK? :
cả 2 đều vĩ đại họ sắp giải nghệ r đừng so sánh
2026-03-15 14:35:07
84
cacocala1
coca và bo :
bình luận kiểu
2026-08-21 06:16:19
1
cao.truong153
Garena FC Mobile VN ✅ :
sicon làm gì có
2026-03-17 12:47:15
0
phuongdz01
anh hè ơi :
Neymar+Sài Gòn ngày xưa
2026-03-15 12:33:45
9
duongminhtienskibidi
t :
ae Ronaldo đâu hết rồi
2026-03-16 14:19:41
2
conncacc36
3️⃣6️⃣ :
cả hai người đều vĩ đại mà
2026-03-15 22:55:30
6
siliconluatsu
No.1 Lương Tài :
Hãy tôn trọng cả 2 😳😳
2026-03-16 03:57:25
12
tiendat_938
vip 8 là nhà lè nhè nek :
[nhãn dán] nah
2026-03-16 10:16:01
5
buikhoinguyen14
🤖 :
2026-03-15 12:55:22
13
theendzz0
lt :
2026-03-15 23:31:51
6
leanhkietthongminhnhatvn
A.Kiệt :
2026-03-15 14:13:06
5
_phuong569
..,🔥🔥🔥 :
chào bố này Ronaldo 😁
2026-05-14 06:23:33
0
chu.be.dan013
Sao cung duocc :
Cả đời chỉ có thế dùng AI để kìm hãm Messi
2026-09-06 02:54:12
1
alahuongdz
2 ka 15 🐯 :
😂
2026-03-16 03:53:40
4
dccu.guiuuuuuu
2k16🐵🐵 :
Cả đời messi ko làm được xe đạp chổng ngược
2026-03-16 13:40:03
0
kit.em719
kit em :
2026-03-16 10:53:38
1
To see more videos from user @tuanvu_njr_10, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

#প্রফেসর_সাহেব  #লেখনীতে_তামান্না_ইসলাম_তানজিলা  #পর্ব_১২  রুশা মেহেদির চিকন রেখায় তানভির হাতের তালুতে ধীরে ধীরে লিখতে শুরু করল— ‘শান ভাইয়ের বউ।’ লেখাটা শেষ করে রুশা মেহেদির কোনটা সরিয়ে একটু দূরে গিয়ে নিজের কাজটা দেখল। তারপর হঠাৎ মুখ চেপে হাসতে শুরু করল। —ও মা! একদম পারফেক্ট হয়েছে! মাহিয়া তানভির হাতটা নিজের দিকে টেনে নিয়ে লেখা দেখে খিলখিল করে হেসে উঠল। —শান ভাইয়ের বউ! তানভি লজ্জায় হাতটা দ্রুত নিজের আঁচলের আড়ালে নিয়ে ফেলল। —তোরা দুজন একদম অসহ্য! রুশা এবার আরও জোরে হেসে বলল, —কী করব? কথাটা তো সত্যি! তানভি কোনো উত্তর দিল না। শুধু নিচের দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসল। কিন্তু ঠিক তখনই তার চোখ অজান্তেই ঘরের অন্য প্রান্তে চলে গেল। সেখানে কিছুক্ষণ আগেও তুর্য বসেছিল। কিন্তু এখন জায়গাটা খালি। তানভি একটু অবাক হয়ে চারপাশে তাকাল। —তুর্য ভাই কোথায়? প্রশ্নটা শুনে রুশা আর মাহিয়া একে অপরের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসল। মাহিয়া ভ্রু নাচিয়ে বলল, —ওহ! স্বামী কোথায় গেছে সেটা এত তাড়াতাড়ি খেয়াল হয়ে গেল? —মাহি! তানভি লজ্জায় মাহিয়ার হাতে হালকা চাপ দিল। —আমি এমনি জিজ্ঞেস করেছি। রুশা এবার চারপাশে তাকিয়ে বলল, —শুধু তুর্য ভাই না। দেখ, বড় মামু, ছোট মামু , পাপা, রণ ভাইয়া , রোদ ভাইয়া, সূর্য ভাইয়া, তুর্য ভাই আর ইশান—সবাই নেই। মাহিয়া অবাক হয়ে বলল, —সত্যিই তো! এতজন একসঙ্গে কখন উঠে গেল? কেউই বিষয়টা তেমন গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি। কারণ সবাই তখন নিজেদের আড্ডায় ব্যস্ত ছিল। হঠাৎ করেই ড্রয়িং রুমের আলো কিছুটা ম্লান হয়ে গেল। সবাই অবাক হয়ে চারপাশে তাকাল। তারপর— সাউন্ড বক্স থেকে জোরে বাজতে শুরু করল ‘লুঙ্গি ডান্স’। এক মুহূর্তের জন্য পুরো ঘর নিস্তব্ধ। তারপর করিডোরের দিক থেকে একসঙ্গে কয়েকজনের হাসির শব্দ শোনা গেল। সবাই সেদিকে তাকাতেই দেখা গেল— সবার আগে তামিম চৌধুরী! পরনে লুঙ্গি আর শার্ট। তার পেছনে তৌসিফ চৌধুরী, রিহান খান, রোদ, তুর্য, রণ, সূর্য আর ইশান—সবার একই অবস্থা! লুঙ্গি আর শার্ট পরে একেবারে প্রস্তুত হয়ে ড্রয়িং রুমে এন্ট্রি নিল সবাই। এক মুহূর্তের জন্য কেউ যেন বিশ্বাসই করতে পারল না। তারপর পুরো ঘর হাসিতে ফেটে পড়ল। ড্রয়িং রুমটা বড় হওয়ায় মাঝখানের বেশ খানিকটা জায়গা আগে থেকেই খালি রাখা ছিল। আর সেই জায়গাতেই হলুদ, নীল আর লাল রঙের লাইট জ্বলছে-নিভছে। গানের তালে আলো বদলে যাচ্ছে। তামিম চৌধুরী হাত তুলে নাচ শুরু করতেই তৌসিফ চৌধুরী আর রিহান খান ও যোগ দিলেন। রোদ তো আগে থেকেই যেন এই মুহূর্তটার জন্য অপেক্ষা করছিল। সে একেবারে মাঝখানে গিয়ে এমনভাবে নাচ শুরু করল যে সবাই হেসে কুটিকুটি। রণও আর চুপ করে থাকল না। সূর্য আর ইশান পাশে দাঁড়িয়ে তাল মিলিয়ে নাচতে লাগল। আর তুর্য— যে মানুষটাকে এতক্ষণ সবাই শান্ত, গম্ভীর আর সংযত অবস্থায় দেখছিল, সেই তুর্যকেও এবার সম্পূর্ণ অন্যরকম লাগছে। সাদা-কালো কোনো গম্ভীর পোশাক নয়— সাধারণ শার্ট, লুঙ্গি, এলোমেলো চুল আর মুখভরা হাসি। গানের তালে সে খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে নাচছিল। কোনো বাড়াবাড়ি নেই, তবু তার উপস্থিতিই যেন সবার চোখ কেড়ে নিচ্ছে। তানভি একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। তার চোখে বিস্ময়। এই মানুষটাকে সে আগে কখনো এভাবে দেখেনি। যে তুর্যকে সবসময় এত গম্ভীর মনে হয়, সেই মানুষটাই আজ পরিবারের সঙ্গে শিশুর মতো আনন্দ করছে! তানভির ঠোঁটের কোণে অজান্তেই হাসি ফুটে উঠল। মনে হলো— আজকে যেন তুর্য ভাইকে নতুন করে চিনল সে। আর সেই নতুন রূপটাই তার মনে আলাদা একটা ভালো লাগা তৈরি করে দিল। পাশ থেকে রুশা তানভির মুখের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসল। —কী রে? চোখ তো সরছেই না! তানভি চমকে উঠে বলল, —চুপ কর! রুশা হেসে বলল, —আমি কিন্তু কিছুই বলিনি! তানভি লজ্জায় মুখ নিচু করে ফেলল। অন্যদিকে মাহিয়ারও একই অবস্থা। সে রোদের দিকে তাকিয়ে আছে। রোদ তখন গানের তালে এমনভাবে নাচছে যে মাহিয়ার মুখেও অজান্তে হাসি ফুটে উঠেছে। রুশা সেটা দেখে মাহিয়াকে কনুই দিয়ে ধাক্কা দিল। —তুই আবার কার দিকে তাকিয়ে আছিস? মাহিয়া সঙ্গে সঙ্গে চোখ সরিয়ে বলল, —কোথায়? কাউকে না! রুশা মুচকি হেসে বলল, —হুম, বুঝেছি। মাহিয়া লজ্জায় রুশার হাত চেপে ধরল। এদিকে তাসফি, অহনা বেগম, জয়া বেগম আর তাসফিয়া চৌধুরীও বসে বসে ছেলেদের কাণ্ড দেখছেন। অহনা বেগম হাসতে হাসতে বললেন, —এই বয়সে এসে আমার ছেলেকে এমন নাচতে দেখব, ভাবিনি! জয়া বেগমও হেসে বললেন, চলবে'.............????
#প্রফেসর_সাহেব #লেখনীতে_তামান্না_ইসলাম_তানজিলা #পর্ব_১২ রুশা মেহেদির চিকন রেখায় তানভির হাতের তালুতে ধীরে ধীরে লিখতে শুরু করল— ‘শান ভাইয়ের বউ।’ লেখাটা শেষ করে রুশা মেহেদির কোনটা সরিয়ে একটু দূরে গিয়ে নিজের কাজটা দেখল। তারপর হঠাৎ মুখ চেপে হাসতে শুরু করল। —ও মা! একদম পারফেক্ট হয়েছে! মাহিয়া তানভির হাতটা নিজের দিকে টেনে নিয়ে লেখা দেখে খিলখিল করে হেসে উঠল। —শান ভাইয়ের বউ! তানভি লজ্জায় হাতটা দ্রুত নিজের আঁচলের আড়ালে নিয়ে ফেলল। —তোরা দুজন একদম অসহ্য! রুশা এবার আরও জোরে হেসে বলল, —কী করব? কথাটা তো সত্যি! তানভি কোনো উত্তর দিল না। শুধু নিচের দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসল। কিন্তু ঠিক তখনই তার চোখ অজান্তেই ঘরের অন্য প্রান্তে চলে গেল। সেখানে কিছুক্ষণ আগেও তুর্য বসেছিল। কিন্তু এখন জায়গাটা খালি। তানভি একটু অবাক হয়ে চারপাশে তাকাল। —তুর্য ভাই কোথায়? প্রশ্নটা শুনে রুশা আর মাহিয়া একে অপরের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসল। মাহিয়া ভ্রু নাচিয়ে বলল, —ওহ! স্বামী কোথায় গেছে সেটা এত তাড়াতাড়ি খেয়াল হয়ে গেল? —মাহি! তানভি লজ্জায় মাহিয়ার হাতে হালকা চাপ দিল। —আমি এমনি জিজ্ঞেস করেছি। রুশা এবার চারপাশে তাকিয়ে বলল, —শুধু তুর্য ভাই না। দেখ, বড় মামু, ছোট মামু , পাপা, রণ ভাইয়া , রোদ ভাইয়া, সূর্য ভাইয়া, তুর্য ভাই আর ইশান—সবাই নেই। মাহিয়া অবাক হয়ে বলল, —সত্যিই তো! এতজন একসঙ্গে কখন উঠে গেল? কেউই বিষয়টা তেমন গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি। কারণ সবাই তখন নিজেদের আড্ডায় ব্যস্ত ছিল। হঠাৎ করেই ড্রয়িং রুমের আলো কিছুটা ম্লান হয়ে গেল। সবাই অবাক হয়ে চারপাশে তাকাল। তারপর— সাউন্ড বক্স থেকে জোরে বাজতে শুরু করল ‘লুঙ্গি ডান্স’। এক মুহূর্তের জন্য পুরো ঘর নিস্তব্ধ। তারপর করিডোরের দিক থেকে একসঙ্গে কয়েকজনের হাসির শব্দ শোনা গেল। সবাই সেদিকে তাকাতেই দেখা গেল— সবার আগে তামিম চৌধুরী! পরনে লুঙ্গি আর শার্ট। তার পেছনে তৌসিফ চৌধুরী, রিহান খান, রোদ, তুর্য, রণ, সূর্য আর ইশান—সবার একই অবস্থা! লুঙ্গি আর শার্ট পরে একেবারে প্রস্তুত হয়ে ড্রয়িং রুমে এন্ট্রি নিল সবাই। এক মুহূর্তের জন্য কেউ যেন বিশ্বাসই করতে পারল না। তারপর পুরো ঘর হাসিতে ফেটে পড়ল। ড্রয়িং রুমটা বড় হওয়ায় মাঝখানের বেশ খানিকটা জায়গা আগে থেকেই খালি রাখা ছিল। আর সেই জায়গাতেই হলুদ, নীল আর লাল রঙের লাইট জ্বলছে-নিভছে। গানের তালে আলো বদলে যাচ্ছে। তামিম চৌধুরী হাত তুলে নাচ শুরু করতেই তৌসিফ চৌধুরী আর রিহান খান ও যোগ দিলেন। রোদ তো আগে থেকেই যেন এই মুহূর্তটার জন্য অপেক্ষা করছিল। সে একেবারে মাঝখানে গিয়ে এমনভাবে নাচ শুরু করল যে সবাই হেসে কুটিকুটি। রণও আর চুপ করে থাকল না। সূর্য আর ইশান পাশে দাঁড়িয়ে তাল মিলিয়ে নাচতে লাগল। আর তুর্য— যে মানুষটাকে এতক্ষণ সবাই শান্ত, গম্ভীর আর সংযত অবস্থায় দেখছিল, সেই তুর্যকেও এবার সম্পূর্ণ অন্যরকম লাগছে। সাদা-কালো কোনো গম্ভীর পোশাক নয়— সাধারণ শার্ট, লুঙ্গি, এলোমেলো চুল আর মুখভরা হাসি। গানের তালে সে খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে নাচছিল। কোনো বাড়াবাড়ি নেই, তবু তার উপস্থিতিই যেন সবার চোখ কেড়ে নিচ্ছে। তানভি একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। তার চোখে বিস্ময়। এই মানুষটাকে সে আগে কখনো এভাবে দেখেনি। যে তুর্যকে সবসময় এত গম্ভীর মনে হয়, সেই মানুষটাই আজ পরিবারের সঙ্গে শিশুর মতো আনন্দ করছে! তানভির ঠোঁটের কোণে অজান্তেই হাসি ফুটে উঠল। মনে হলো— আজকে যেন তুর্য ভাইকে নতুন করে চিনল সে। আর সেই নতুন রূপটাই তার মনে আলাদা একটা ভালো লাগা তৈরি করে দিল। পাশ থেকে রুশা তানভির মুখের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসল। —কী রে? চোখ তো সরছেই না! তানভি চমকে উঠে বলল, —চুপ কর! রুশা হেসে বলল, —আমি কিন্তু কিছুই বলিনি! তানভি লজ্জায় মুখ নিচু করে ফেলল। অন্যদিকে মাহিয়ারও একই অবস্থা। সে রোদের দিকে তাকিয়ে আছে। রোদ তখন গানের তালে এমনভাবে নাচছে যে মাহিয়ার মুখেও অজান্তে হাসি ফুটে উঠেছে। রুশা সেটা দেখে মাহিয়াকে কনুই দিয়ে ধাক্কা দিল। —তুই আবার কার দিকে তাকিয়ে আছিস? মাহিয়া সঙ্গে সঙ্গে চোখ সরিয়ে বলল, —কোথায়? কাউকে না! রুশা মুচকি হেসে বলল, —হুম, বুঝেছি। মাহিয়া লজ্জায় রুশার হাত চেপে ধরল। এদিকে তাসফি, অহনা বেগম, জয়া বেগম আর তাসফিয়া চৌধুরীও বসে বসে ছেলেদের কাণ্ড দেখছেন। অহনা বেগম হাসতে হাসতে বললেন, —এই বয়সে এসে আমার ছেলেকে এমন নাচতে দেখব, ভাবিনি! জয়া বেগমও হেসে বললেন, চলবে'.............????

About