@ai_devil1: #AI #kidscartoons #trending #storyforkids #baby

why
why
Open In TikTok:
Region: PK
Sunday 22 March 2026 02:38:25 GMT
25907363
803096
10299
37272

Music

Download

Comments

kirmess1
 Ҝιямєѕѕ  :
2026-03-23 17:59:18
593
cristina6163407451807
1cristina@99 :
está melhor
2026-04-03 08:19:04
15
userdaastar
daakwame :
good
2026-03-29 10:47:24
14
agarthadonkor725
Ebenezer Polley :
hi😁😁😁😁😁😁
2026-03-25 08:17:38
22
souleymaneyacouba89
Blagueur.227.Ex-motivateur🇳🇪 :
merci
2026-03-23 16:38:54
29
issiakadiabate26gmail.co
Noura la star :
222222
2026-03-24 12:12:49
39
ceba.ceda
ceba ceda :
geteme🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥰🥺🥺🥺🥺🥺🥺🥺🥺🥺
2026-04-03 08:38:23
9
mariaemilyjesus
Maria fernanda :
La envidia es algo serio
2026-03-26 15:13:52
15
mummyboy72
mummy boy 7 :
good work 🥰🥰🥰
2026-03-26 14:38:15
12
urarafat__07
—͞𝑨𝑹𝑨𝑭𝑨𝑻 :
2026-04-02 08:00:29
11
rahmon646
farahanolowo :
this is masterpiece
2026-03-27 15:20:19
5
sueli.silva.de.ol62
Sueli Silva de oliveira :
2 parte
2026-03-25 00:32:50
30
nhlamulomkanzi
nhlamulo 11 :
happy birthday
2026-04-04 20:23:02
6
user6279966651540
user6279966651540 :
²
2026-04-03 09:15:54
5
mido20675
mido :
merci😄
2026-03-25 07:48:14
23
moshemogorosi671
Mosheshaxy :
hi
2026-03-25 11:59:39
13
isaachf22
J.R 🇧🇷⚽ :
merci
2026-04-03 19:46:48
6
laya.laya55
Laya Laya :
hi
2026-04-03 12:32:46
5
user6574619386122
Stylish :
love you 😍
2026-03-25 05:29:22
31
scolobtc2764645377
Elon making money :
GOOD
2026-03-25 07:29:42
11
elfukumel
ማሜ ሬፕ 😴🤑🇪🇹 :
goob
2026-04-02 07:28:54
8
user470159281106
Tunde♥️😘😍 :
suite 😂😂😂😂
2026-03-25 15:52:27
16
user3239828892606
Elizandra Gaspar :
Part2
2026-03-24 20:09:24
8
ninawolfz2
Gisela :
SEE MY REPOSTT
2026-04-10 03:33:52
7
To see more videos from user @ai_devil1, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

জংকুকের সাথে দেখা হওয়া দুই মেয়ের মধ্যে জ্যানেট নামের মেয়েটা ভিডিও শুরু করে ওদের দেখা করার ডিটেইল বলছে :💜আমি আজকেই কোরিয়া পৌঁছেছি। আমি আর আমার বান্ধবী ঠিক করলাম কোরিয়ায় সূর্যাস্ত মিস করব না, তাই আমরা হান নদীর ধারে হাঁটতে গেলাম। ঠিক তখনই জংকুক ইন্সটায় স্টোরি দিল: 'যদি আমাকে ধরতে পারো তাহলে ছবি তুলব'। মেয়ে দুইটা বলল ওদের পক্ষে ওকে খুঁজে পাওয়া অসম্ভব, কারণ হান নদীর ধারে অনেক রাস্তা। ওরা হাঁটতে হাঁটতে হান নদীর ব্রিজ পর্যন্ত গেল আর জংকুকের বাইকের মতো একটা মোটরসাইকেল দেখতে পেল। জ্যানেট বান্ধবীকে বলল এটা জংকুকের বাইকের মতো। বান্ধবী বলল নিশ্চয়ই জংকুকের না, কারণ জংকুক কেন অন্ধকার ব্রিজের নিচে বাইক রাখবে। কৌতূহল নিয়ে ওরা বাইকের মালিকের জন্য অপেক্ষা করতে লাগল। অনেকক্ষণ পর একজন বয়স্ক কোরিয়ান লোক আসল। তখন ওরা হেসে দিল আর বান্ধবী আশা ছেড়ে হোটেলে ফিরতে চাইল। কিন্তু জ্যানেট মানা করল, ওর মনে হলো বাইকটা একটা ইশারা। তাই ও আরো অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিল। আরো কিছুক্ষণ পর কিছু না হওয়ায় ওরা হোটেলে ফিরতে যাবে, ঠিক তখন জংকুক হাজির হলো ।জ্যানেট বলে: 'ঠিক যখন আমরা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম, দেখলাম অন্ধকার হাঁটার রাস্তা দিয়ে দূর থেকে দুইজন যুবক আসছে। দুজনেই কালো ঢিলেঢালা জামা, মাথা ঢাকা টুপি আর পুরো মুখ ঢাকা মাস্ক পরা। ওরা কাছে আসতেই আমার পুরো শরীরে শিহরণ বয়ে গেল। আমি ওর বাহুর দিকে তাকালাম, দেখলাম হাতের তালু পর্যন্ত বিস্তৃত বিখ্যাত ট্যাটুগুলো! আমি জায়গায় জমে গেলাম, বান্ধবীর শার্ট শক্ত করে ধরে ভয় আর টেনশনে ফিসফিস করে বললাম: 'ও-ই... আমি কসম করে বলছি ও জংকুক!' সেই মুহূর্তে আমরা দ্রুত ঠিক করলাম চিৎকার করব না বা পাগল পর্যটকের মতো ওর দিকে দৌড়াব না, যাতে ও ভয় না পায় বা বিরক্ত না হয়। আমরা শান্তভাবে ওর পাশ দিয়ে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিলাম। স্পষ্টতই জংকুক আর ওর বন্ধু মেইন রোডের রাস্তা ভুল করেছিল, তাই ওরা ফিরে এসে ঠিক আমাদের সামনে দিয়ে গেল।ঠিক তখন একজন কোরিয়ান মেয়ে ওকে চিনে ফেলে বলল: 'জংকুক-শি? একটা ছবি তুলতে পারি?' কিন্তু জংকুক নিচু আর খুব নরম গলায় মাথা নুইয়ে বলল: 'আহ, ছবি না, আমি দুঃখিত'। মেয়েটা বলল: 'ঠিক আছে, বুঝেছি'। কিন্তু ও জংকুকের পিছনে হাঁটতে থাকল আর ওর সাথে কথা বলার চেষ্টা করল আর ফোন দেখাতে লাগল। জংকুক আবার ক্ষমা চাইল আর পা দ্রুত করে বলল: 'বিদায়, শুভ রাত্রি'। জ্যানেট জানে না কেন জংকুক ওর সাথে ছবি তুলতে মানা করল।জংকুক যখন চলে যাবে তখন জ্যানেট সাহস করে ডাকল: 'আমি সম্মান আর ভদ্রতার সাথে ডাকলাম: জংকুক! এক সেকেন্ড দাঁড়াও প্লিজ! আমি তোমাকে বিরক্ত করতে চাই না, কিন্তু আমি শুধু আমার ট্যাটুটা তোমাকে দেখাতে চাই!' জংকুক হঠাৎ থেমে গেল আর কৌতূহল নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বলল: 'কোথায়?' তাই আমি প্যান্টের অংশ তুলে পায়ে BTS আর ওদের লোগোর বড় ট্যাটু দেখালাম। জংকুকের চোখ বড় হয়ে গেল, ও মুগ্ধ আর অনেক কৃতজ্ঞ মনে হলো। কাছে এসে ট্যাটু দেখে বলল: 'ওয়াও! এটা সত্যিই দারুণ... অনেক ধন্যবাদ তোমাকে'। আমি টেনশনে বললাম: 'আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি, আমি BTS-কে ভালোবাসি, আর আমি তোমার কাছে অনেক কৃতজ্ঞ'। ঠিক তখন কোরিয়ান মেয়েটা আবার ফিরে এলো আর জংকুককে ওর ফোনে ওর নিজের ডান্স ভিডিও দেখাতে লাগল। একই সময়ে জ্যানেটের বান্ধবী ওকে বলল জংকুকের কাছে বুসান কনসার্টের টিকিট চাইতে। জ্যানেট বলে: 'আমি টেনশনে তোতলাতে তোতলাতে ইংরেজিতে জংকুকের সাথে সরাসরি কথা বললাম: আমরা এসেছি... দূর থেকে... বুসান কনসার্ট... টিকিট?' জংকুক পুরোপুরি না বুঝে আমার দিকে তাকাল, কারণ ওর ইংরেজি সীমিত আর আমার উচ্চারণ টেনশনে অদ্ভুত ছিল, তাই বলল: 'দুঃখিত?' আমি দ্রুত ফোন বের করে ট্রান্সলেটর অ্যাপ খুলে কোরিয়ানে লিখলাম: 'আমরা অন্য মহাদেশ থেকে অনেক দূর থেকে শুধু আপনাদের দেখার আশায় এসেছি, কিন্তু বুসান কনসার্টের টিকিট পুরো বিক্রি হয়ে যাওয়ায় পাইনি, আপনি কি আমাদের সাহায্য করতে পারবেন?'জংকুক ফোনটা নিল আর মেসেজটা পড়ল। ঠিক তখন ওর মুখের ভাব দুঃখ আর সহানুভূতিতে বদলে গেল। ও আমাদের দিকে তাকিয়ে হাত বুকের উপর রেখে অনেক দুঃখের সাথে বলল: 'আহ... আমি সত্যিই দুঃখিত... খুব দুঃখিত, আমি পারব না'। কারণ ওর কাছে রাস্তায় ছাপানো টিকিট দেওয়ার ক্ষমতা নেই। জ্যানেট বলল: 'সমস্যা নেই, আমরা বুঝি। আমি কি তোমার সাথে হ্যান্ডশেক করতে পারি?' জংকুক বলল: 'অবশ্যই!' গ্লাভস খুলে জ্যানেটের সাথে উষ্ণতা আর ভদ্রতার সাথে হ্যান্ডশেক করল।আমার সাথে হ্যান্ডশেক করার পর জংকুক ভদ্রভাবে আমার বান্ধবীর দিকে হাত বাড়াল, কিন্তু ও জমে গিয়ে ওর হাতের ট্যাটুর দিকে তাকিয়ে ছিল আর বাড়ানো হাত খেয়াল করেনি। তাই আমি টেনশনে ওর হাত ঠেলে দিয়ে বললাম: 'ওর সাথে হ্যান্ডশেক কর, বোকা! তাড়াতাড়ি হাত দে!' বান্ধবী তখন খেয়াল করে দ্রুত ক্ষমা চেয়ে লজ্জায় মরতে মরতে হাসতে হাসতে ওর সাথে হ্যান্ডশেক করলো ।#bdbtsarmy🇧🇩 #bighit_official_bts
জংকুকের সাথে দেখা হওয়া দুই মেয়ের মধ্যে জ্যানেট নামের মেয়েটা ভিডিও শুরু করে ওদের দেখা করার ডিটেইল বলছে :💜আমি আজকেই কোরিয়া পৌঁছেছি। আমি আর আমার বান্ধবী ঠিক করলাম কোরিয়ায় সূর্যাস্ত মিস করব না, তাই আমরা হান নদীর ধারে হাঁটতে গেলাম। ঠিক তখনই জংকুক ইন্সটায় স্টোরি দিল: 'যদি আমাকে ধরতে পারো তাহলে ছবি তুলব'। মেয়ে দুইটা বলল ওদের পক্ষে ওকে খুঁজে পাওয়া অসম্ভব, কারণ হান নদীর ধারে অনেক রাস্তা। ওরা হাঁটতে হাঁটতে হান নদীর ব্রিজ পর্যন্ত গেল আর জংকুকের বাইকের মতো একটা মোটরসাইকেল দেখতে পেল। জ্যানেট বান্ধবীকে বলল এটা জংকুকের বাইকের মতো। বান্ধবী বলল নিশ্চয়ই জংকুকের না, কারণ জংকুক কেন অন্ধকার ব্রিজের নিচে বাইক রাখবে। কৌতূহল নিয়ে ওরা বাইকের মালিকের জন্য অপেক্ষা করতে লাগল। অনেকক্ষণ পর একজন বয়স্ক কোরিয়ান লোক আসল। তখন ওরা হেসে দিল আর বান্ধবী আশা ছেড়ে হোটেলে ফিরতে চাইল। কিন্তু জ্যানেট মানা করল, ওর মনে হলো বাইকটা একটা ইশারা। তাই ও আরো অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিল। আরো কিছুক্ষণ পর কিছু না হওয়ায় ওরা হোটেলে ফিরতে যাবে, ঠিক তখন জংকুক হাজির হলো ।জ্যানেট বলে: 'ঠিক যখন আমরা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম, দেখলাম অন্ধকার হাঁটার রাস্তা দিয়ে দূর থেকে দুইজন যুবক আসছে। দুজনেই কালো ঢিলেঢালা জামা, মাথা ঢাকা টুপি আর পুরো মুখ ঢাকা মাস্ক পরা। ওরা কাছে আসতেই আমার পুরো শরীরে শিহরণ বয়ে গেল। আমি ওর বাহুর দিকে তাকালাম, দেখলাম হাতের তালু পর্যন্ত বিস্তৃত বিখ্যাত ট্যাটুগুলো! আমি জায়গায় জমে গেলাম, বান্ধবীর শার্ট শক্ত করে ধরে ভয় আর টেনশনে ফিসফিস করে বললাম: 'ও-ই... আমি কসম করে বলছি ও জংকুক!' সেই মুহূর্তে আমরা দ্রুত ঠিক করলাম চিৎকার করব না বা পাগল পর্যটকের মতো ওর দিকে দৌড়াব না, যাতে ও ভয় না পায় বা বিরক্ত না হয়। আমরা শান্তভাবে ওর পাশ দিয়ে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিলাম। স্পষ্টতই জংকুক আর ওর বন্ধু মেইন রোডের রাস্তা ভুল করেছিল, তাই ওরা ফিরে এসে ঠিক আমাদের সামনে দিয়ে গেল।ঠিক তখন একজন কোরিয়ান মেয়ে ওকে চিনে ফেলে বলল: 'জংকুক-শি? একটা ছবি তুলতে পারি?' কিন্তু জংকুক নিচু আর খুব নরম গলায় মাথা নুইয়ে বলল: 'আহ, ছবি না, আমি দুঃখিত'। মেয়েটা বলল: 'ঠিক আছে, বুঝেছি'। কিন্তু ও জংকুকের পিছনে হাঁটতে থাকল আর ওর সাথে কথা বলার চেষ্টা করল আর ফোন দেখাতে লাগল। জংকুক আবার ক্ষমা চাইল আর পা দ্রুত করে বলল: 'বিদায়, শুভ রাত্রি'। জ্যানেট জানে না কেন জংকুক ওর সাথে ছবি তুলতে মানা করল।জংকুক যখন চলে যাবে তখন জ্যানেট সাহস করে ডাকল: 'আমি সম্মান আর ভদ্রতার সাথে ডাকলাম: জংকুক! এক সেকেন্ড দাঁড়াও প্লিজ! আমি তোমাকে বিরক্ত করতে চাই না, কিন্তু আমি শুধু আমার ট্যাটুটা তোমাকে দেখাতে চাই!' জংকুক হঠাৎ থেমে গেল আর কৌতূহল নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বলল: 'কোথায়?' তাই আমি প্যান্টের অংশ তুলে পায়ে BTS আর ওদের লোগোর বড় ট্যাটু দেখালাম। জংকুকের চোখ বড় হয়ে গেল, ও মুগ্ধ আর অনেক কৃতজ্ঞ মনে হলো। কাছে এসে ট্যাটু দেখে বলল: 'ওয়াও! এটা সত্যিই দারুণ... অনেক ধন্যবাদ তোমাকে'। আমি টেনশনে বললাম: 'আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি, আমি BTS-কে ভালোবাসি, আর আমি তোমার কাছে অনেক কৃতজ্ঞ'। ঠিক তখন কোরিয়ান মেয়েটা আবার ফিরে এলো আর জংকুককে ওর ফোনে ওর নিজের ডান্স ভিডিও দেখাতে লাগল। একই সময়ে জ্যানেটের বান্ধবী ওকে বলল জংকুকের কাছে বুসান কনসার্টের টিকিট চাইতে। জ্যানেট বলে: 'আমি টেনশনে তোতলাতে তোতলাতে ইংরেজিতে জংকুকের সাথে সরাসরি কথা বললাম: আমরা এসেছি... দূর থেকে... বুসান কনসার্ট... টিকিট?' জংকুক পুরোপুরি না বুঝে আমার দিকে তাকাল, কারণ ওর ইংরেজি সীমিত আর আমার উচ্চারণ টেনশনে অদ্ভুত ছিল, তাই বলল: 'দুঃখিত?' আমি দ্রুত ফোন বের করে ট্রান্সলেটর অ্যাপ খুলে কোরিয়ানে লিখলাম: 'আমরা অন্য মহাদেশ থেকে অনেক দূর থেকে শুধু আপনাদের দেখার আশায় এসেছি, কিন্তু বুসান কনসার্টের টিকিট পুরো বিক্রি হয়ে যাওয়ায় পাইনি, আপনি কি আমাদের সাহায্য করতে পারবেন?'জংকুক ফোনটা নিল আর মেসেজটা পড়ল। ঠিক তখন ওর মুখের ভাব দুঃখ আর সহানুভূতিতে বদলে গেল। ও আমাদের দিকে তাকিয়ে হাত বুকের উপর রেখে অনেক দুঃখের সাথে বলল: 'আহ... আমি সত্যিই দুঃখিত... খুব দুঃখিত, আমি পারব না'। কারণ ওর কাছে রাস্তায় ছাপানো টিকিট দেওয়ার ক্ষমতা নেই। জ্যানেট বলল: 'সমস্যা নেই, আমরা বুঝি। আমি কি তোমার সাথে হ্যান্ডশেক করতে পারি?' জংকুক বলল: 'অবশ্যই!' গ্লাভস খুলে জ্যানেটের সাথে উষ্ণতা আর ভদ্রতার সাথে হ্যান্ডশেক করল।আমার সাথে হ্যান্ডশেক করার পর জংকুক ভদ্রভাবে আমার বান্ধবীর দিকে হাত বাড়াল, কিন্তু ও জমে গিয়ে ওর হাতের ট্যাটুর দিকে তাকিয়ে ছিল আর বাড়ানো হাত খেয়াল করেনি। তাই আমি টেনশনে ওর হাত ঠেলে দিয়ে বললাম: 'ওর সাথে হ্যান্ডশেক কর, বোকা! তাড়াতাড়ি হাত দে!' বান্ধবী তখন খেয়াল করে দ্রুত ক্ষমা চেয়ে লজ্জায় মরতে মরতে হাসতে হাসতে ওর সাথে হ্যান্ডশেক করলো ।#bdbtsarmy🇧🇩 #bighit_official_bts

About