ড় বসাতেই "আউচ" শব্দ করে হাত সরিয়ে নিলো। আমি কোমরে হাত দিয়ে এক নিঃশ্বাসে বললাম, — আমার গাছের পেঁপে চুরি করলে আপনাকে জামাই আদর করবো?! জাংকুক ভাই আমার মাথায় জোরে সোরেই গাট্টা মারল। "উহ" শব্দ করে মাথায় হাত দিলাম আমি। উনি ভ্রুঁ উঁচিয়ে কলার ঠিক করলেন। নিজের টিকটিকি মার্কা চেহারা ভাব মেরে দাঁতে দাঁত চেপে বলল, Jk:- তাই? চোর লাগে আমাকে? আমি মুখ কুঁচকে ভেংচি কাটলাম, — চোরের মতো চেহারা তো চোর বলবো না? খট করে খেঁকিয়ে উঠলেন উনি। Jk:- একটা থাপ্প৳ ড় দিয়ে আসমান ঘুরিয়ে আনবো বেয়াদব! তোর এক বছর দু বছর না গুনে গুনে সাত বছরের বড় আমি! আঙুল তুলে বললাম, — তাহলে আমার গাছের আম চুরি করছিলেন কেনো? জাংকুক ভাই ততক্ষণাৎ আমার চুলের বেনীতে টান মারায় "উফ" শব্দ কর মাথায় হাত দিলাম। Jk:- তাহলে তুই কালকে আমার বাপের গাছের আম ছিঁড়ে খেলি কেনো? আমি কোমরে হাত দিয়ে মুখ কুঁচকে উনার কথা অনুকরণ করে বললাম, — ওটা আমার বড় আব্বু হয়! আমি আমার বড় আব্বুর গাছের আম আমি খেয়েছি!! Jk:- তাহলে আমিও আমার চাচার গাছের পেঁপে নিয়ে যাচ্ছি!হিসাব বরাবর! বলেই আবারও বিনুতে টান দিলো, ব্যাথায় "আহ" শব্দ বের হলো মুখ থেকে, — জ-জাংকুক ভাই! ছাড়ুন! উনি আরো জোরে টানতে আমার পিঠ উনার শক্ত বুকের সাথে বাড়ি খেলো, Jk:- বল সম্মান দিয়ে কথা বলবি... মুখে দাঁত কটমটিয়ে বিরক্ত হয়ে তাকিয়ে উনার পায়ে জোরে পা উঠিয়ে জু& তাসহ চে *পে ধরতেই, Jk:- আহহ!! Yn-র বাচ্চা!! আমি এক দৌড়ে ঘরের মধ্যে ছুট লাগালাম, পিছনে ফিরে মুখ ভেঙিয়ে আবারও দৌড়ে ঘরে চলে এলাম আমি। নিজের ঘরে এসে দৌড়ে দরজা বন্ধ করলাম! নাহলে আজকে আমাকে পেলে ভৎস করে দিবে হনুমানটা! শখ কতো! বন্ধু বান্ধব নিয়ে রাতে আমার বাগানের পেঁপে চুরি করতে আসা..দাঁড়া তোকে একটা উচিত শিক্ষা দিবো। কয়েকবার দরজায় টোকা পড়ল, Jk:- Yn দরজা খোল! ছোট মা তোমার মেয়েকে খুলতে বলো.. মায়ের আওয়াজ শুনলাম, "আবার কি নিয়ে দুটো-তে জগড়া বাধালি!" জাংকুক ভাই রেগে কয়েবার টোকা মেরে চলে গেছে। শব্দ হচ্ছে না আর, আমি দরজা খোলার মতো রিস্ক ভুলেও নিতে চাইনা। তাই বারান্দা গিয়ে দেখার চেষ্টা করলাম উনার রুমের লাইট জ্বলছে কিনা? বারান্দায় পা রাখতেই ঠান্ডা পানি গায়ে পড়লো। কাঁপুনি দিয়ে ওঠলে শরীর, সামনে তাকিয়ে দেখলাম জাংকুক ভাই বালতি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, মুখে তার বিশ্ব জয়ের হাসি। যেন নোবেল পাওয়ার মতো কাজ করেছেন। সাথে বলল, Jk:- আর বেয়াদবি করবি? এমনেতেই ঝড় বৃষ্টিতে ভালোই শীত। আর রাতের বেলা ঠান্ডা পানি! বরফের মতো শরীর জমে গেছে, কাঁপা শরীর নিয়ে উনার চোখে রাগে ফুসতে ফুঁসতে তাকালাম আমি। দাঁতে দাঁত চেপে বললাম, — ১০০ বার করবো! উনি ততক্ষণাৎ আবার বলল, Jk:- এই বেয়াদব! উনাকে পাত্তা না দিয়ে ভেজা শ-! রীর নিয়ে জোরে কয়েকটা ইচ্ছে মতো বলতে বলতে রুমে এলাম, — জাংকুকের বাচ্চা! হনু% মান! বা"ল আমার! গরিলা কোথাকার! তোর বউ দেখবি তোকে ঠান্ডা পানিতে রাতে গোসল করাবে! শ& য়তান একটা! পিছন থেকে হাসির শব্দ ভেসে আসছে।কথাগুলো বিড়বিড় করে বলতে বলতে রুমে গিয়ে জামাকাপড় পাল্টে নিলাম আমি ওর চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার ও করতে পারছি না! কারণ ওর গোষ্ঠীতে আমি আছি! ফা-! লতু! ★ পরদিন সকালে কলেজে যাবো, গ্রামে সহজে অটো পাওয়া যায় না, শিকদার বাড়ির মেয়ে হয়েও অটো ওয়ালাদের কাছে পাত্তা পাইনা বললে মান ইজ্জত সব শেষ আমার। মাকে মিনতি করে বললাম, জাংকুক ভাইকে বলতে, যাতে একটা অটো ঠিক করে দেয় নাহলে ওর বাইক দিয়ে নিয়ে যায়, কিন্তু কে শোনে কার কথা? আমাকেই পাঠালো তার রুমে ঢুকে। উনার ঘরে উঁকি ঝুঁকি মেরে ঢুকলাম আমি। কাঁধে ব্যাগ। তাকিয়ে দেখলাম, উ& দাম গায়ে হাফ প্যান্ট পরে শুয়ে আছে পান্ডার মতো।রুমের চারপাশে চোখ বুলালাম, দুষ্ট হেসে টেবিল থেকে পারমানেন্ট মার্কারটা নিয়ে উনার মুখের দিক তাকালাম। ব্যাগটা বিছানার পাশে রাখলাম। বিজ্ঞদের মতো ভেবে নানান কারুকার্য শুরু করলাম উনার মুখে! উফ! আমার ভেতর যে এতো প্রতিভা! তবে উনি বার বার নড়ে ওঠছিলো, এক পর্যায়ে আঁকার মাঝেই জাংকুক ভাই হঠাৎ হাত ধরে টেনে নিতেই তার পাশের শূন্যস্থানে জায়গা হলো আমার। উনি খুব জোরেসোরেই জরি@ য়ে ধ" রলেন আমাকে। বিস্ফোরিত চোখে তাকিয়ে রইলাম। হাতটা আরো কিছুটা শক্ত হতেই ধাক্কা দিলাম উনার বুকে, তবে হঠাৎ ঘুম জড়ানো বিড়বিড় শব্দে কানে এলো, Jk:- কোলবালিশ.. তুই এতো নরম হলি কবে? কথাটা কর্ণপাত হতেই হা করেই শুষ্ক ঢোক গিললাম আমি। #জাংকুক_ভাই_s2 ||পর্ব-১|| . . . - @kook_x_nusu0"/> ড় বসাতেই "আউচ" শব্দ করে হাত সরিয়ে নিলো। আমি কোমরে হাত দিয়ে এক নিঃশ্বাসে বললাম, — আমার গাছের পেঁপে চুরি করলে আপনাকে জামাই আদর করবো?! জাংকুক ভাই আমার মাথায় জোরে সোরেই গাট্টা মারল। "উহ" শব্দ করে মাথায় হাত দিলাম আমি। উনি ভ্রুঁ উঁচিয়ে কলার ঠিক করলেন। নিজের টিকটিকি মার্কা চেহারা ভাব মেরে দাঁতে দাঁত চেপে বলল, Jk:- তাই? চোর লাগে আমাকে? আমি মুখ কুঁচকে ভেংচি কাটলাম, — চোরের মতো চেহারা তো চোর বলবো না? খট করে খেঁকিয়ে উঠলেন উনি। Jk:- একটা থাপ্প৳ ড় দিয়ে আসমান ঘুরিয়ে আনবো বেয়াদব! তোর এক বছর দু বছর না গুনে গুনে সাত বছরের বড় আমি! আঙুল তুলে বললাম, — তাহলে আমার গাছের আম চুরি করছিলেন কেনো? জাংকুক ভাই ততক্ষণাৎ আমার চুলের বেনীতে টান মারায় "উফ" শব্দ কর মাথায় হাত দিলাম। Jk:- তাহলে তুই কালকে আমার বাপের গাছের আম ছিঁড়ে খেলি কেনো? আমি কোমরে হাত দিয়ে মুখ কুঁচকে উনার কথা অনুকরণ করে বললাম, — ওটা আমার বড় আব্বু হয়! আমি আমার বড় আব্বুর গাছের আম আমি খেয়েছি!! Jk:- তাহলে আমিও আমার চাচার গাছের পেঁপে নিয়ে যাচ্ছি!হিসাব বরাবর! বলেই আবারও বিনুতে টান দিলো, ব্যাথায় "আহ" শব্দ বের হলো মুখ থেকে, — জ-জাংকুক ভাই! ছাড়ুন! উনি আরো জোরে টানতে আমার পিঠ উনার শক্ত বুকের সাথে বাড়ি খেলো, Jk:- বল সম্মান দিয়ে কথা বলবি... মুখে দাঁত কটমটিয়ে বিরক্ত হয়ে তাকিয়ে উনার পায়ে জোরে পা উঠিয়ে জু& তাসহ চে *পে ধরতেই, Jk:- আহহ!! Yn-র বাচ্চা!! আমি এক দৌড়ে ঘরের মধ্যে ছুট লাগালাম, পিছনে ফিরে মুখ ভেঙিয়ে আবারও দৌড়ে ঘরে চলে এলাম আমি। নিজের ঘরে এসে দৌড়ে দরজা বন্ধ করলাম! নাহলে আজকে আমাকে পেলে ভৎস করে দিবে হনুমানটা! শখ কতো! বন্ধু বান্ধব নিয়ে রাতে আমার বাগানের পেঁপে চুরি করতে আসা..দাঁড়া তোকে একটা উচিত শিক্ষা দিবো। কয়েকবার দরজায় টোকা পড়ল, Jk:- Yn দরজা খোল! ছোট মা তোমার মেয়েকে খুলতে বলো.. মায়ের আওয়াজ শুনলাম, "আবার কি নিয়ে দুটো-তে জগড়া বাধালি!" জাংকুক ভাই রেগে কয়েবার টোকা মেরে চলে গেছে। শব্দ হচ্ছে না আর, আমি দরজা খোলার মতো রিস্ক ভুলেও নিতে চাইনা। তাই বারান্দা গিয়ে দেখার চেষ্টা করলাম উনার রুমের লাইট জ্বলছে কিনা? বারান্দায় পা রাখতেই ঠান্ডা পানি গায়ে পড়লো। কাঁপুনি দিয়ে ওঠলে শরীর, সামনে তাকিয়ে দেখলাম জাংকুক ভাই বালতি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, মুখে তার বিশ্ব জয়ের হাসি। যেন নোবেল পাওয়ার মতো কাজ করেছেন। সাথে বলল, Jk:- আর বেয়াদবি করবি? এমনেতেই ঝড় বৃষ্টিতে ভালোই শীত। আর রাতের বেলা ঠান্ডা পানি! বরফের মতো শরীর জমে গেছে, কাঁপা শরীর নিয়ে উনার চোখে রাগে ফুসতে ফুঁসতে তাকালাম আমি। দাঁতে দাঁত চেপে বললাম, — ১০০ বার করবো! উনি ততক্ষণাৎ আবার বলল, Jk:- এই বেয়াদব! উনাকে পাত্তা না দিয়ে ভেজা শ-! রীর নিয়ে জোরে কয়েকটা ইচ্ছে মতো বলতে বলতে রুমে এলাম, — জাংকুকের বাচ্চা! হনু% মান! বা"ল আমার! গরিলা কোথাকার! তোর বউ দেখবি তোকে ঠান্ডা পানিতে রাতে গোসল করাবে! শ& য়তান একটা! পিছন থেকে হাসির শব্দ ভেসে আসছে।কথাগুলো বিড়বিড় করে বলতে বলতে রুমে গিয়ে জামাকাপড় পাল্টে নিলাম আমি ওর চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার ও করতে পারছি না! কারণ ওর গোষ্ঠীতে আমি আছি! ফা-! লতু! ★ পরদিন সকালে কলেজে যাবো, গ্রামে সহজে অটো পাওয়া যায় না, শিকদার বাড়ির মেয়ে হয়েও অটো ওয়ালাদের কাছে পাত্তা পাইনা বললে মান ইজ্জত সব শেষ আমার। মাকে মিনতি করে বললাম, জাংকুক ভাইকে বলতে, যাতে একটা অটো ঠিক করে দেয় নাহলে ওর বাইক দিয়ে নিয়ে যায়, কিন্তু কে শোনে কার কথা? আমাকেই পাঠালো তার রুমে ঢুকে। উনার ঘরে উঁকি ঝুঁকি মেরে ঢুকলাম আমি। কাঁধে ব্যাগ। তাকিয়ে দেখলাম, উ& দাম গায়ে হাফ প্যান্ট পরে শুয়ে আছে পান্ডার মতো।রুমের চারপাশে চোখ বুলালাম, দুষ্ট হেসে টেবিল থেকে পারমানেন্ট মার্কারটা নিয়ে উনার মুখের দিক তাকালাম। ব্যাগটা বিছানার পাশে রাখলাম। বিজ্ঞদের মতো ভেবে নানান কারুকার্য শুরু করলাম উনার মুখে! উফ! আমার ভেতর যে এতো প্রতিভা! তবে উনি বার বার নড়ে ওঠছিলো, এক পর্যায়ে আঁকার মাঝেই জাংকুক ভাই হঠাৎ হাত ধরে টেনে নিতেই তার পাশের শূন্যস্থানে জায়গা হলো আমার। উনি খুব জোরেসোরেই জরি@ য়ে ধ" রলেন আমাকে। বিস্ফোরিত চোখে তাকিয়ে রইলাম। হাতটা আরো কিছুটা শক্ত হতেই ধাক্কা দিলাম উনার বুকে, তবে হঠাৎ ঘুম জড়ানো বিড়বিড় শব্দে কানে এলো, Jk:- কোলবালিশ.. তুই এতো নরম হলি কবে? কথাটা কর্ণপাত হতেই হা করেই শুষ্ক ঢোক গিললাম আমি। #জাংকুক_ভাই_s2 ||পর্ব-১|| . . . - @kook_x_nusu0 - Tikwm"/> ড় বসাতেই "আউচ" শব্দ করে হাত সরিয়ে নিলো। আমি কোমরে হাত দিয়ে এক নিঃশ্বাসে বললাম, — আমার গাছের পেঁপে চুরি করলে আপনাকে জামাই আদর করবো?! জাংকুক ভাই আমার মাথায় জোরে সোরেই গাট্টা মারল। "উহ" শব্দ করে মাথায় হাত দিলাম আমি। উনি ভ্রুঁ উঁচিয়ে কলার ঠিক করলেন। নিজের টিকটিকি মার্কা চেহারা ভাব মেরে দাঁতে দাঁত চেপে বলল, Jk:- তাই? চোর লাগে আমাকে? আমি মুখ কুঁচকে ভেংচি কাটলাম, — চোরের মতো চেহারা তো চোর বলবো না? খট করে খেঁকিয়ে উঠলেন উনি। Jk:- একটা থাপ্প৳ ড় দিয়ে আসমান ঘুরিয়ে আনবো বেয়াদব! তোর এক বছর দু বছর না গুনে গুনে সাত বছরের বড় আমি! আঙুল তুলে বললাম, — তাহলে আমার গাছের আম চুরি করছিলেন কেনো? জাংকুক ভাই ততক্ষণাৎ আমার চুলের বেনীতে টান মারায় "উফ" শব্দ কর মাথায় হাত দিলাম। Jk:- তাহলে তুই কালকে আমার বাপের গাছের আম ছিঁড়ে খেলি কেনো? আমি কোমরে হাত দিয়ে মুখ কুঁচকে উনার কথা অনুকরণ করে বললাম, — ওটা আমার বড় আব্বু হয়! আমি আমার বড় আব্বুর গাছের আম আমি খেয়েছি!! Jk:- তাহলে আমিও আমার চাচার গাছের পেঁপে নিয়ে যাচ্ছি!হিসাব বরাবর! বলেই আবারও বিনুতে টান দিলো, ব্যাথায় "আহ" শব্দ বের হলো মুখ থেকে, — জ-জাংকুক ভাই! ছাড়ুন! উনি আরো জোরে টানতে আমার পিঠ উনার শক্ত বুকের সাথে বাড়ি খেলো, Jk:- বল সম্মান দিয়ে কথা বলবি... মুখে দাঁত কটমটিয়ে বিরক্ত হয়ে তাকিয়ে উনার পায়ে জোরে পা উঠিয়ে জু& তাসহ চে *পে ধরতেই, Jk:- আহহ!! Yn-র বাচ্চা!! আমি এক দৌড়ে ঘরের মধ্যে ছুট লাগালাম, পিছনে ফিরে মুখ ভেঙিয়ে আবারও দৌড়ে ঘরে চলে এলাম আমি। নিজের ঘরে এসে দৌড়ে দরজা বন্ধ করলাম! নাহলে আজকে আমাকে পেলে ভৎস করে দিবে হনুমানটা! শখ কতো! বন্ধু বান্ধব নিয়ে রাতে আমার বাগানের পেঁপে চুরি করতে আসা..দাঁড়া তোকে একটা উচিত শিক্ষা দিবো। কয়েকবার দরজায় টোকা পড়ল, Jk:- Yn দরজা খোল! ছোট মা তোমার মেয়েকে খুলতে বলো.. মায়ের আওয়াজ শুনলাম, "আবার কি নিয়ে দুটো-তে জগড়া বাধালি!" জাংকুক ভাই রেগে কয়েবার টোকা মেরে চলে গেছে। শব্দ হচ্ছে না আর, আমি দরজা খোলার মতো রিস্ক ভুলেও নিতে চাইনা। তাই বারান্দা গিয়ে দেখার চেষ্টা করলাম উনার রুমের লাইট জ্বলছে কিনা? বারান্দায় পা রাখতেই ঠান্ডা পানি গায়ে পড়লো। কাঁপুনি দিয়ে ওঠলে শরীর, সামনে তাকিয়ে দেখলাম জাংকুক ভাই বালতি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, মুখে তার বিশ্ব জয়ের হাসি। যেন নোবেল পাওয়ার মতো কাজ করেছেন। সাথে বলল, Jk:- আর বেয়াদবি করবি? এমনেতেই ঝড় বৃষ্টিতে ভালোই শীত। আর রাতের বেলা ঠান্ডা পানি! বরফের মতো শরীর জমে গেছে, কাঁপা শরীর নিয়ে উনার চোখে রাগে ফুসতে ফুঁসতে তাকালাম আমি। দাঁতে দাঁত চেপে বললাম, — ১০০ বার করবো! উনি ততক্ষণাৎ আবার বলল, Jk:- এই বেয়াদব! উনাকে পাত্তা না দিয়ে ভেজা শ-! রীর নিয়ে জোরে কয়েকটা ইচ্ছে মতো বলতে বলতে রুমে এলাম, — জাংকুকের বাচ্চা! হনু% মান! বা"ল আমার! গরিলা কোথাকার! তোর বউ দেখবি তোকে ঠান্ডা পানিতে রাতে গোসল করাবে! শ& য়তান একটা! পিছন থেকে হাসির শব্দ ভেসে আসছে।কথাগুলো বিড়বিড় করে বলতে বলতে রুমে গিয়ে জামাকাপড় পাল্টে নিলাম আমি ওর চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার ও করতে পারছি না! কারণ ওর গোষ্ঠীতে আমি আছি! ফা-! লতু! ★ পরদিন সকালে কলেজে যাবো, গ্রামে সহজে অটো পাওয়া যায় না, শিকদার বাড়ির মেয়ে হয়েও অটো ওয়ালাদের কাছে পাত্তা পাইনা বললে মান ইজ্জত সব শেষ আমার। মাকে মিনতি করে বললাম, জাংকুক ভাইকে বলতে, যাতে একটা অটো ঠিক করে দেয় নাহলে ওর বাইক দিয়ে নিয়ে যায়, কিন্তু কে শোনে কার কথা? আমাকেই পাঠালো তার রুমে ঢুকে। উনার ঘরে উঁকি ঝুঁকি মেরে ঢুকলাম আমি। কাঁধে ব্যাগ। তাকিয়ে দেখলাম, উ& দাম গায়ে হাফ প্যান্ট পরে শুয়ে আছে পান্ডার মতো।রুমের চারপাশে চোখ বুলালাম, দুষ্ট হেসে টেবিল থেকে পারমানেন্ট মার্কারটা নিয়ে উনার মুখের দিক তাকালাম। ব্যাগটা বিছানার পাশে রাখলাম। বিজ্ঞদের মতো ভেবে নানান কারুকার্য শুরু করলাম উনার মুখে! উফ! আমার ভেতর যে এতো প্রতিভা! তবে উনি বার বার নড়ে ওঠছিলো, এক পর্যায়ে আঁকার মাঝেই জাংকুক ভাই হঠাৎ হাত ধরে টেনে নিতেই তার পাশের শূন্যস্থানে জায়গা হলো আমার। উনি খুব জোরেসোরেই জরি@ য়ে ধ" রলেন আমাকে। বিস্ফোরিত চোখে তাকিয়ে রইলাম। হাতটা আরো কিছুটা শক্ত হতেই ধাক্কা দিলাম উনার বুকে, তবে হঠাৎ ঘুম জড়ানো বিড়বিড় শব্দে কানে এলো, Jk:- কোলবালিশ.. তুই এতো নরম হলি কবে? কথাটা কর্ণপাত হতেই হা করেই শুষ্ক ঢোক গিললাম আমি। #জাংকুক_ভাই_s2 ||পর্ব-১|| . . . - @kook_x_nusu0"/>