Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
API
Home
How To Use
Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
Home
Detail
@vtvthoitiet: Dự báo thời tiết 6h15 - 31/03/2026 | Hình thế gây nắng nóng | VTVWDB
Dự Báo Thời Tiết VTV
Open In TikTok:
Region: VN
Tuesday 31 March 2026 03:00:07 GMT
5791
114
2
10
Music
Download
No Watermark .mp4 (
14.66MB
)
No Watermark(HD) .mp4 (
10.65MB
)
Watermark .mp4 (
17.11MB
)
Music .mp3
Comments
Cửa Hàng Phụ Kiện Hảo Mobile :
hà nội làm gì có nắng. tôi hà nội có thấy nắng đâu
2026-03-31 03:07:10
1
Ae mc cool :
😳😳😳
2026-03-31 06:57:35
0
To see more videos from user @vtvthoitiet, please go to the Tikwm homepage.
Other Videos
ピンクのお菓子たいむ🍓セブンイレブンで買ったモーモークレープふわふわで美味しかった(˶' ᵕ ' ˶)🩷ピンクの牛柄かわいい🐮 #mymelody #マイメロ #ピンク系統 #cutecore #sanrio
اقوال وامثال و حكم رائعة عن الحياة | أجمل ماقيل عن الحياة #
Top 3 Stocks to Watch for Monday August 31st trading day. 8/31/26 #daytrading #stockstowatch #investing #melontrading #howtotrade
অচেনা থেকে আপন পাঠ–৯ লিখিকা—নিহা *** পাঁচ বছর পর দেশের মাটিতে পা দিল ইশান আর সামির। পাঁচ বছর আগে পড়াশোনার জন্য দেশের বাইরে গিয়েছিল তারা। এরপর পড়াশোনা আর ব্যস্ততার কারণে দেশে ফেরা হয়নি। এমনকি আরিয়ানের বিয়ের সময়ও তারা দেশে থাকতে পারেনি। কিন্তু এবার আর কয়েকদিনের জন্য নয়। এবার তারা একেবারে দেশে ফিরে এসেছে। বিমানবন্দরের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল রায়ান। বারবার ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছিল সে। হঠাৎ পরিচিত দুটো মুখ দেখতে পেল। —ইশান! সামির! ইশান দূর থেকেই হেসে হাত নাড়ল। সামির ব্যাগ টেনে রায়ানের সামনে এসে বলল— —কী রে, এত শুকিয়ে গেছিস কেন? রায়ান হেসে বলল— —পাঁচ বছর পর দেশে ফিরেছিস, আর আমাকে দেখেই শরীরের হিসাব শুরু করলি? সামির হেসে ফেলল। ইশান মাথা নাড়িয়ে বলল— —ওর স্বভাব পাঁচ বছরেও বদলায়নি। —তোরও বদলায়নি! —রায়ান বলল। তিনজন হাসতে হাসতে গাড়ির দিকে এগিয়ে গেল। গাড়িতে বসেও গল্প থামল না। পুরোনো স্মৃতি, বিদেশের গল্প আর দুষ্টুমি নিয়ে হাসাহাসি চলতে লাগল। হঠাৎ রায়ান বলল— —বাড়িতে সবাই তোদের জন্য অপেক্ষা করছে। ইশান জানালার বাইরে তাকিয়ে মৃদু হাসল। —অনেকদিন পর সবাইকে দেখব। কিছুক্ষণ পর ইশান জিজ্ঞেস করল— —আরিয়ান ভাই কেমন আছে? গাড়ির ভেতর কয়েক সেকেন্ড নীরবতা নেমে এল। রায়ান ধীরে বলল— —ভালো আছে... তবে এখনো বাইরে। ইশান আর কিছু জিজ্ঞেস করল না। চৌধুরী বাড়িতে তখন উৎসবের মতো পরিবেশ। ইশানের মা নাজমা ছেলের পছন্দের খাবার সাজাচ্ছিলেন। ইরা বারবার দরজার দিকে তাকাচ্ছিল। —মা, ওরা এখনো এলো না কেন? —এই তো আসবে। অন্যদিকে সামিরের মা রুবিনাও ছেলের অপেক্ষায় ছিলেন। সারা হেসে বলল— —ভাইয়া এলে প্রথমে ওর ব্যাগটা লুকাব। সবাই হেসে উঠল। চৌধুরী বাড়ির সবচেয়ে বড় বউ মেহেরিনও সবার জন্য চা-নাশতার ব্যবস্থা করছিল। আয়রা এসে বলল— —ভাবি, তুমি বসো না। মেহেরিন হেসে বলল— —বাড়িতে এত মানুষ এসেছে, একটু কাজ করলেই বা কী? আয়রা বুঝতে পারছিল, মেহেরিনের মন এখনো পুরোপুরি ভালো নেই। গত কয়েকদিনের অদ্ভুত মেসেজগুলো তাকে ভিতর থেকে অস্থির করে রেখেছে। অবশেষে গাড়ির শব্দ শোনা গেল। ইরা ছুটে দরজার কাছে গেল। —এসেছে! সবাই বাইরে বেরিয়ে এল। গাড়ি থেকে প্রথমে রায়ান, তারপর ইশান আর সামির নামল। পাঁচ বছর পর বাড়িতে ফিরে ইশান কিছুক্ষণ চারপাশে তাকিয়ে রইল। একই বাড়ি। একই উঠান। কিন্তু মানুষগুলো যেন অনেক বদলে গেছে। পরিবারের সবাই তাদের ঘিরে ধরল। মায়ের সঙ্গে দেখা, বাবার আদর, বোনের হাসি—সব মিলিয়ে বাড়িটা আনন্দে ভরে উঠল। এরপর ইশানের চোখ গিয়ে থামল মেহেরিনের ওপর। সে রায়ানকে নিচু গলায় জিজ্ঞেস করল— —ও কে? রায়ান বলল— —মেহেরিন। আমাদের বড় বউ। আরিয়ান ভাইয়ার স্ত্রী। ইশান কিছুক্ষণ চুপ থেকে মাথা নাড়ল। মেহেরিনও শান্তভাবে সালামের উত্তর দিল। সন্ধ্যার পর মিশু আর আদনানও চৌধুরী বাড়িতে এল। মিশু মেহেরিনের পাশে বসে বলল— —আজ আমি তোর সাথেই থাকব। আদনান পাশ থেকে বলল— —ওকে একা রাখলে আবার রাতে ভূতের গল্প বানিয়ে ভয় পাবে। —তুই চুপ কর! —মিশু বিরক্ত হয়ে বলল। মেহেরিন হেসে ফেলল। কিছুক্ষণ পর মিশু পানি আনতে উঠে দাঁড়াল। ঠিক তখনই তার চোখ পড়ল ইশানের ওপর। ইশানও তাকিয়ে ছিল তার দিকে। দুজনের চোখাচোখি হলো। এক মুহূর্ত। দুই মুহূর্ত। মিশুর মুখের হাসি মিলিয়ে গেল। সে কোনো কথা না বলে চোখ সরিয়ে নিল। ইশানও চুপ করে রইল। কিন্তু তার চোখে যেন পাঁচ বছর আগের কোনো স্মৃতি ভেসে উঠল। একটা ছোট্ট কথা... একটা অসমাপ্ত অনুভূতি... দূর থেকে রায়ান পুরো ব্যাপারটা দেখছিল। কিন্তু সে কিছু বলল না। রাতে মেহেরিন মিশুকে জিজ্ঞেস করল— —মিশু... তুই ইশানকে চিনিস? মিশু কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল— —না। মেহেরিন আর কিছু বলল না। কিন্তু তার মনে হলো— উত্তরটা হয়তো পুরো সত্যি নয়। অন্যদিকে নিজের ঘরে বসে ইশান জানালার বাইরে তাকিয়ে ছিল। তার চোখে বারবার ভেসে উঠছিল একটা মুখ। মিশু। ইশান চোখ বন্ধ করে খুব আস্তে বলল— —কিছু কথা কি সত্যিই এত বছর পরেও মনে থাকে? কেউ উত্তর দিল না। আর চৌধুরী বাড়ির অন্ধকার এক কোণে— কেউ একজন ফোনের স্ক্রিনে একটা ছবি দেখছিল। ছবিটা দেখে তার ঠোঁটের কোণে হালকা হাসি ফুটল। —খেলা তো মাত্র শুরু। চলবে...
#creatorsearchinsights #relatebale
About
Robot
API
Legal
Privacy Policy