Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
API
Home
How To Use
Language
English
عربي
Tiếng Việt
русский
français
español
日本語
한글
Deutsch
हिन्दी
简体中文
繁體中文
Home
Detail
@unoisthenamenow:
Uno No dos ☝🏾🥷🏽
Open In TikTok:
Region: US
Sunday 12 April 2026 19:06:09 GMT
3419
197
6
4
Music
Download
No Watermark .mp4 (
2.25MB
)
No Watermark(HD) .mp4 (
2.45MB
)
Watermark .mp4 (
2.04MB
)
Music .mp3
Comments
Don’t look for Drooo :
ima calling ya uber
2026-04-13 00:33:14
1
Leah🤍 :
What is your problem yo😂
2026-04-13 01:56:14
0
Ronald Willis :
😍😍😍
2026-04-12 19:31:31
0
SocialAnx5 :
😂😂😂
2026-04-12 20:13:46
0
To see more videos from user @unoisthenamenow, please go to the Tikwm homepage.
Other Videos
সঙ্গীন হৃদয় অনুভূতি” 🤍 part 67 . .বাবা! শরীর খারাপ লাগছে তোর? চোখ-মুখের এ অবস্থা কেন? মায়ের কথায় Joong মৌনতা ভেঙে নরম গলায় বলল, ~ নাহ, তেমন কিছু না। জাস্ট একটু মাইগ্রেনের ব্যথা হচ্ছে। জুবাইদা বেগম ছেলের জন্য মুহূর্তেই বিচলিত হয়ে উঠলেন। মায়ের এমন অস্থিরতা দেখেও Joong আজকে কেমন ভ্রূক্ষেপহীন। তার ব্যস্ত আঁখিযুগল একবার পুরো ডাইনিং জুড়ে বিচরণ করে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত মুখাবয়বকে না দেখতে পেরে আশাহত হয়। Joong কোনোমতে নিজেকে স্বাভাবিক রেখে খাওয়া শুরু করে। এরই মাঝে কবির সাহেব হালকা গলা খাঁকারি দিয়ে সকলের দৃষ্টি নিজের ওপর আনেন। তারপর গম্ভীর কণ্ঠে বলতে থাকেন আজকের পরিকল্পনাগুলো। সকলেই বেশ মনোযোগ দিয়ে সবটা শুনলেও Joong-এর যেন সেদিকে বিন্দুমাত্র খেয়াল নেই। সে তো ডুবে আছে নিজের ভাবনায়। কবির সাহেব কথা বলার একফাঁকে অন্যমনস্ক হয়ে থাকা ছেলেকে দেখলেন। কথা বলার মাঝেই তার কপালে দৃশ্যমান হয় গুটি দুয়েক ভাঁজ। কবির সাহেব এবার নিজের কথা থামালেন। রাশভারী গলায় ছেলের উদ্দেশ্যে বললেন, ~ Joong! তুমি কি কিছু শুনেছো? বাবার ডাকে তৎক্ষণাৎ সংবিত ফিরে পায় Joong। হতবাক হয়ে বলতে থাকে, ~ হু? কিছু বললে? ছেলের এমন বেখেয়ালি আচরণে কিছুটা বিরক্ত হন কবির সাহেব। তিনি ঝাঁঝালো কণ্ঠে কিছু বলতেই যাবেন, তার আগেই তাকে থামিয়ে দিয়ে সাব্বির সাহেব বললেন, ~ ভাইজান, আমার মনে হয় Joong-এর শরীরটা আজ একটু বেশিই খারাপ। দেখোনা ছেলেটার চেহারাটা কেমন মলিন হয়ে আছে! তুমি বরং ওর ভাগের কাজগুলো আমাদের আর Aou-কে দিয়ে দাও। আমরাই করে ফেলবো ঠিকঠাক। কবির সাহেব আর কিছু বলতে গিয়েও বললেন না। একবার আড়চোখে ছেলের দিকে তাকালেন। দেখলেন, সত্যি ছেলেটার চেহারা একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে আছে। কবির সাহেব মনে মনে ক্ষুদ্র নিশ্বাস ফেললেন। গম্ভীর গলায় শুধালেন, ~ শরীর যখন এতটাই অসুস্থ, তাহলে আজকে হসপিটালে না গেলেই পারো! রেস্ট করো বাসায়। কবির সাহেবের কথাকে বড্ড নরম সুরে উপেক্ষা করে Joong। বলল, ~ নাহ, তার প্রয়োজন নেই। আই'ল ম্যানেজ। কবির সাহেব ছেলের কথায় আবারও আড়চোখে তাকালেন। অতঃপর মুখভঙ্গি আগের ন্যায় করে শুরু করলেন বাকি কথাবার্তা। ~ রাফু, দেখ না ভাই, মিষ্টিটা কি ঠিক আছে? ~ তোকে আর কতবার বলবো জবা সবটাই ঠিক আছে। তুই এতো টেনশন করছিস কেন বলতো? আজকে রুহির বিয়ের ডেট ফিক্সড হবে, একেবারে বিয়ে হয়ে যাবে না। রাফিয়া বেগমের করা কৌতুকে রান্নাঘরে উপস্থিত বাড়ির বাকি দু বউ খিলখিলিয়ে হেসে ওঠে। জুবাইদা বেগম কৃত্রিম মুখ ফুলিয়ে বলল, ~ যাহ! তুইও না। একটা স্কোপ ছাড়িস না আমার কান টানার। রাফিয়া বেগমসহ বাকিরা আবারও হেসে ওঠে। মাইমুনা বেগম কোনোরকম হাসি থামিয়ে বলল, ~ বড়বু, বলি কি তুমি নাহয় রান্নাটা বাদ দাও। আমি আর মেজোবু মিলে সবটা সামলে নেবো। ~ আরে না না। কি বলিস! আমি চলে গেলে এতো কিছু একা হাতে সামলাবি কি করে তোরা? দরকার নেই বাপু। একসঙ্গে হাতাহাতি সবটা করে ফেলি বরং। কথাগুলো বলে আবারও চারজন মিলে মেহমানদের জন্য খাবার প্রস্তুতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ***************★★ বিকেল ৫ টা🌸 Joong বাড়িতে এসেছে প্রায় আধঘণ্টা হতে চললো, অথচ একবারও Dunk তার সামনে পড়লো না। আচ্ছা ছেলেটা কি খুব কষ্ট পেয়েছে গতকালকের ব্যবহারে? সময়ের সাথে সাথে Dunk-কে একপলক দেখার তৃষ্ণাও কেমন বেড়ে চলছে Joong-এর। মনে হচ্ছে, এই মুহূর্তে Dunk-কে না দেখলে হয়তো বুক ফেটে মরে যাবে ও। Joong নিজেকে আর সামলাতে পারে না। ধৈর্যের বাঁধ একেবারে শূন্যের কোঠায় পৌঁছে গেছে। Joong হন্তদন্ত হয়ে ড্রয়িং রুমে চলে আসে। এদিক-ওদিক হন্য হয়ে খুঁজতে থাকে Dunk-কে। কোথাও না পেয়ে আবারও সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে চলে যায় ছাঁদে। কিন্তু নাহ! এখানেও Dunk নেই। Joong এবার ভেবে নেয়, Dunk হয়তো তার রুমেই আছে। তাই সে ব্যস্ত পায়ে ছোটে Dunk-এর রুমের দিকে। Dunk-এর রুমের দরজার সামনে এসে Joong-এর বুঝি আর ভেতরে যাওয়ার সাহস হচ্ছে না। সে কাঁপা কাঁপা হাতে দরজার নবে মোচড় দেয়। মুহূর্তেই লকটি খুলে গিয়ে ঘরের ভেতর উন্মুক্ত হয়। কিন্তু Joong-কে অবাক করে দিয়ে ভেতরেও কোথাও Dunk-এর টিকিটাও নেই। Joong আশাহত হয়ে নিচে নামে। আলগোছে ড্রয়িং রুমের সোফায় গিয়ে বসে। মুখখানায় তার রাজ্যের আঁধার নেমেছে যেন। Joong কি মনে করে মেজো মা'র কাছে যায়। রাফিয়া বেগম রান্নাটা সেরে কেবলই ড্রয়িং রুমে এসে দাঁড়িয়েছেন, ওমনি তার সামনে সটান হয়ে দাঁড়ায় Joong। রাফিয়া বেগম Joong-কে সামনে পেয়ে মুচকি হাসেন। গায়ে আদরের হাত বুলিয়ে বলেন, ~ বাবা! শরীরটা এখন কেমন লাগছে তোর? Joong একথার কোনোরূপ জবাব না দিয়ে উল্টো জিজ্ঞেস করে, ~ মেজোমা, Dunk-কে কোথাও দেখছি না যে? কোথায় ও? Dunk-এর কথা শুনে রাফিয়া বেগমের মুখটা ছোট হয়ে আসে। চোখের কোনা কেমন চিকচিক করে ওঠে সাথে সাথে। Joong সবটা খেয়াল করে বলল, ~ কি হলো? রাফিয়া বেগম হঠাৎই কেমন করে বলতে লাগলেন, ~ জানিস বাবা! ছেলেটা বুঝি আমার বড্ড পর হয়ে গেল রে। #foryou #fypシ゚viral #joongdunk #blfangir
At the critical moment the handgun suddenly jammed what should be done?#police #cops #fyp #foryou #tiktok
Episode" জিবনে যে থাকার সে এভাবেই থেকে যাবে"😅 #trending #viralvideo #fyppppppppppppppppppppppp #foruoupage #unfrezzmyaccount
Te ensino a ganhar cupons de desconto e comprar baratinho. #cupomdesconto #promocao #donadecasa
Woman Turns A Parking Ticket Into 10 Years
About
Robot
API
Legal
Privacy Policy