@k.dancefan: PandaClass 판다클래스 2026.3.6 Dance Show Part 23 We bring you group dances streamed on Pandalive in Korea, including Jinricp, Mscrew33, and Pandaclass. #DancePerformance #KDance #KoreanDance #pandalive #viral

kdance_fan
kdance_fan
Open In TikTok:
Region: JP
Thursday 23 April 2026 10:27:00 GMT
1984
20
0
0

Music

Download

Comments

There are no more comments for this video.
To see more videos from user @k.dancefan, please go to the Tikwm homepage.

Other Videos

গ্লোব মডেলের ভ্রান্তিসমূহ পর্ব-৩ বিষয়: সূর্যের হেলে চলার বর্ণনা ও গ্লোব মডেল [সূরা আল-কাহাফ ১৮:১৭] – পুরো হেলিওসেন্টিজমকে কবর দেয়! মহান আল্লাহ বলেন, আর তুমি দেখতে পেতে, সূর্য উদিত হলে তাদের গুহার ডানে তা হেলে পড়ছে, আর অস্ত গেলে তাদেরকে বামে রেখে কেটে যাচ্ছে, তখন তারা ছিল তার আঙিনায়। (সূরা আল-কাহাফ, আয়াত ১৭) ভাষাগত দিক থেকে আয়াতটির বিশ্লেষণ: تزٰوَرُ عن كهفهم এর অর্থ: “হেলে যাওয়া” বা “বিচ্যুতি ঘটানো” — অর্থাৎ সূর্য গুহার মুখ বরাবর সরাসরি আসছে না, বরং একপাশ দিয়ে অতিক্রম করছে। تقرضهم ذات الشمال অর্থ: “বাম দিক দিয়ে কেটে যাওয়া” — সূর্য অস্তকালে গুহাবাসীদের এক প্রান্তে আলো দিয়ে চলে যাচ্ছে। এই সব ক্রিয়াপদগুলো সূর্যের নিজস্ব গতি, অবস্থানগত পরিবর্তন এবং একটি নির্দিষ্ট দিক থেকে অন্যদিকে সরার প্রকৃত বাস্তবতা তুলে ধরে। গোলাকার পৃথিবীর তত্ত্ব অনুযায়ী সমস্যা কোথায়? যদি পৃথিবী আবর্তনশীল হয় এবং সূর্য স্থির থাকে (heliocentric model): তাহলে কুরআনে বলা উচিত ছিল: “তুমি দেখতে পাবে, পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে সূর্যের আলো ডান ও বাম দিকে আসে-যায়।” কিন্তু কোনো আয়াতে পৃথিবীর ঘূর্ণনের উল্লেখ নেই, বরং সূর্যের অবস্থানগত পরিবর্তনের কথাই বারবার বলা হয়েছে। এই আয়াতের বর্ণনা বাস্তবে কেবল তখনই সঠিকভাবে মিলে যায় যদি— ১. সূর্য নিজে গতি করে (كما في
গ্লোব মডেলের ভ্রান্তিসমূহ পর্ব-৩ বিষয়: সূর্যের হেলে চলার বর্ণনা ও গ্লোব মডেল [সূরা আল-কাহাফ ১৮:১৭] – পুরো হেলিওসেন্টিজমকে কবর দেয়! মহান আল্লাহ বলেন, আর তুমি দেখতে পেতে, সূর্য উদিত হলে তাদের গুহার ডানে তা হেলে পড়ছে, আর অস্ত গেলে তাদেরকে বামে রেখে কেটে যাচ্ছে, তখন তারা ছিল তার আঙিনায়। (সূরা আল-কাহাফ, আয়াত ১৭) ভাষাগত দিক থেকে আয়াতটির বিশ্লেষণ: تزٰوَرُ عن كهفهم এর অর্থ: “হেলে যাওয়া” বা “বিচ্যুতি ঘটানো” — অর্থাৎ সূর্য গুহার মুখ বরাবর সরাসরি আসছে না, বরং একপাশ দিয়ে অতিক্রম করছে। تقرضهم ذات الشمال অর্থ: “বাম দিক দিয়ে কেটে যাওয়া” — সূর্য অস্তকালে গুহাবাসীদের এক প্রান্তে আলো দিয়ে চলে যাচ্ছে। এই সব ক্রিয়াপদগুলো সূর্যের নিজস্ব গতি, অবস্থানগত পরিবর্তন এবং একটি নির্দিষ্ট দিক থেকে অন্যদিকে সরার প্রকৃত বাস্তবতা তুলে ধরে। গোলাকার পৃথিবীর তত্ত্ব অনুযায়ী সমস্যা কোথায়? যদি পৃথিবী আবর্তনশীল হয় এবং সূর্য স্থির থাকে (heliocentric model): তাহলে কুরআনে বলা উচিত ছিল: “তুমি দেখতে পাবে, পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে সূর্যের আলো ডান ও বাম দিকে আসে-যায়।” কিন্তু কোনো আয়াতে পৃথিবীর ঘূর্ণনের উল্লেখ নেই, বরং সূর্যের অবস্থানগত পরিবর্তনের কথাই বারবার বলা হয়েছে। এই আয়াতের বর্ণনা বাস্তবে কেবল তখনই সঠিকভাবে মিলে যায় যদি— ১. সূর্য নিজে গতি করে (كما في "والشمس تجري") ২. পৃথিবী স্থির থাকে (كما في "إلى الأرض قرارا") ৩. সূর্য নিকটবর্তী হয় এবং আপেক্ষিকভাবে গুহার সম্মুখে ডানে-বামে চলাচল করে। অর্থাৎ সূর্যই চলমান, পৃথিবী স্থির—একেবারে সূরা ইয়াসীন ৩৮-এর মতো: "وَٱلشَّمۡسُ تَجۡرِي لِمُسۡتَقَرّٖ لَّهَاۚ" “সূর্য নিজ নিজ গতিপথে চলে।” NASA ও আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান অনুসারে: সূর্য প্রায় ১৫ কোটি কিমি দূরে। এর আলো সরলরেখায় চলে আসে, ফলে গুহার প্রবেশপথে কোনো “ডান-বাম হেলে যাওয়া” দৃশ্যের প্রশ্নই ওঠে না। অথচ কুরআন বলছে: সূর্য হেলে যাচ্ছে এবং এক পাশ দিয়ে কেটে যাচ্ছে যা তখনই দৃশ্যমান হয় যখন সূর্য আমাদের খুব কাছ দিয়ে প্রকৃতপক্ষে গমন করে। এই পর্যবেক্ষণ কেবল সমতল ও স্থির পৃথিবী এবং চলমান সূর্য ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। প্রশ্ন গোলাকারবাদীদের: কেন কুরআন সূর্যকে চলমান বলছে এবং পৃথিবীকে স্থির বলছে—যদি তোমাদের তত্ত্ব সত্য হত? তোমরা কি আল্লাহর বর্ণনার চেয়ে NASA-র কথা বেশি মানো? যদি কেউ কুরআনের এই স্পষ্ট আয়াত ও ভাষাগত বাস্তবতা অস্বীকার করে, তাহলে তাকে প্রশ্ন করতে হবে: ❝তোমার বিজ্ঞান কি কুরআনের ব্যাখ্যাকারদের থেকেও বেশি নির্ভরযোগ্য?❞ আল্লাহ তা'আলা কুরআনে স্পষ্টভাবে প্রশ্ন রেখেছেন—যখন আল্লাহর আয়াতগুলো এত স্পষ্টভাবে পেশ করা হয়, তখনো যদি কেউ না মেনে নেয়, তবে এরপর তারা আর কার কথা মানবে? এই বক্তব্যটি এসেছে সূরা আল-মুরসালাত, আয়াত ৫০-এ: সুতরাং কুরআনের পরিবর্তে আর কোন্ বাণীর প্রতি তারা ঈমান আনবে? আয়াতের তাৎপর্য: আল্লাহ এখানে জিজ্ঞাসা করছেন—কুরআনের মতো স্পষ্ট, পরিপূর্ণ ও সত্যবাদী বাণী পেশ করার পরেও যারা ঈমান আনতে দ্বিধা করে, তারা আর কোন উৎসে বিশ্বাসযোগ্যতা খুঁজে পাবে? এর অর্থ হলো: কুরআনই শেষ কথা। এর পর কেউ যদি নাসা, গ্যালিলিও, আইনস্টাইন বা হকিংয়ের কথায় ঈমান আনে—সে মূলত আল্লাহর কথা অস্বীকার করে। তাই গোলাকারবাদীদের আবারও বলতেই হয়, ❝সূর্যকে চলমান বলার পর, পৃথিবীকে স্থির বলার পর, সূর্যের ডান-বামে হেলে চলার বর্ণনার পর – এরপর তুমি আর কিসের কথা বিশ্বাস করবে? NASA-র?❞ সুতরাং কুরআনের পরিবর্তে আর কোন্ বাণীর প্রতি তারা ঈমান আনবে? ©️ সমতলে বিছানো স্থির পৃথিবী™ telegram link 👇 https://t.me/Flat_Earth_In_Quran #foryou #foryoupage #fyp #FlatEarthSociety

About